বিয়ের আগে অদ্ভুত শর্ত

সাফওয়ানের জীবনে নুজহাত এসেছিল একটা নরম আলো হয়ে। ঢাকার একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটে তাদের বিয়ের কথা পাকা হওয়ার পর সেই সন্ধ্যায় নুজহাত হঠাৎ বলে উঠল, “আমার একটা শর্ত আছে।”

¦Ëk¢xz˲Úèžé

সাফওয়ান হাসছিল। হাসির মাঝেই থমকে গেল। নুজহাতের চোখে কোনো রসিকতা ছিল না। শুধু একটা গভীর, শান্ত চাহিদা।

“বিয়ের আগে তোমাকে আমার সঙ্গে সাতটা জায়গায় যেতে হবে,” নুজহাত বলল। “প্রতিটা জায়গার সঙ্গে আমার জীবনের একটা স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তুমি যদি সেগুলো দেখো, শোনো, অনুভব করো… তাহলেই আমি নিশ্চিত হতে পারব যে তুমি শুধু আমার ভবিষ্যৎ নও, আমার অতীতকেও সম্মান করবে।”

¦Ëk¢x/춺'ƒú

সাফওয়ান প্রথমে বিরক্ত হয়েছিল। বিয়ের আগে এত ফর্মালিটি কেন? কিন্তু নুজহাতের চোখের দিকে তাকিয়ে সে কিছু বলতে পারল না। ওই চোখে একটা নিঃশব্দ অনুরোধ ছিল, যেটা সে অস্বীকার করতে পারল না।

পরদিন সকালে তারা বেরোল। প্রথম জায়গা ছিল পুরান ঢাকার একটা পুরোনো বইয়ের দোকান। সরু গলির শেষে, দেয়ালে সবুজ রঙের রং উঠে গেছে, ভেতরে ধুলো আর কাগজের গন্ধ। নুজহাত দোকানের মালিককে সালাম দিয়ে ভেতরে ঢুকল। সাফওয়ান তার পেছনে।

নুজহাত একটা তাকের সামনে দাঁড়িয়ে আঙুল বুলিয়ে বলল, “এখানেই আমি প্রথমবার কোনো বই চুরি করে পড়েছিলাম। ক্লাস এইটের সময়। বাসায় বই কেনার টাকা ছিল না। দোকানের মালিক চাচা আমাকে দেখেছিল, কিছু বলেনি। শুধু হেসে বলেছিল, ‘পড়ে শেষ করে ফিরিয়ে দিস।’”

সাফওয়ান তার পাশে দাঁড়িয়ে শুনছিল। নুজহাতের কণ্ঠস্বর নরম হয়ে গিয়েছিল। সে একটা পুরোনো উপন্যাসের পাতা উল্টে সাফওয়ানের হাতে দিল। তাদের আঙুল একসঙ্গে ছুঁয়ে গেল। সেই স্পর্শটা সামান্য হলেও সাফওয়ানের বুকে একটা অদ্ভুত কম্পন তৈরি করল।

দোকান থেকে বেরিয়ে তারা নদীর ধারে গেল। বুড়িগঙ্গার পাড়ে একটা পুরোনো ঘাট। সন্ধ্যা নামছিল। জলের ওপর সূর্যের শেষ আলো ছড়িয়ে পড়েছিল। নুজহাত পায়ের জুতো খুলে বসল। সাফওয়ানও তার পাশে বসল।

“এখানে আমি মায়ের সঙ্গে শেষবার এসেছিলাম,” নুজহাত বলল। “মা অসুস্থ ছিল। আমাকে বলেছিল, ‘যখনই মন খারাপ করবে, এখানে এসো। জল সব শুনে নেয়।’”

সাফওয়ান নুজহাতের হাতটা ধরে নিল। নুজহাত কোনো বাধা দিল না। বরং আঙুলগুলোকে তার আঙুলের ফাঁকে জড়িয়ে দিল। দুজনের হাত গরম হয়ে উঠছিল। নদীর বাতাস তাদের মুখে লাগছিল, কিন্তু তাদের শরীরের ভেতরের তাপটা অন্যরকম।

নুজহাত সাফওয়ানের দিকে তাকাল। চোখে চোখ রাখল। তারপর ধীরে ধীরে কাছে এল। তাদের ঠোঁট প্রথমবার ছুঁয়ে গেল। নরম, সাবধানে, যেন ভয় পাচ্ছে কেউ কেউ। কিন্তু পরের মুহূর্তেই চুমুটা গভীর হয়ে গেল। নুজহাতের হাত সাফওয়ানের ঘাড়ে উঠল, আঙুলগুলো চুলে ঢুকে গেল। সাফওয়ান তার কোমর ধরে টানল। দুজনের শরীর কাছাকাছি এল। নদীর পাড়ে, সন্ধ্যার আলোয় তাদের শ্বাস এক হয়ে গিয়েছিল।

চুমু ভাঙার পর নুজহাত কপালে কপাল রাখল। “তুমি যদি শুধু আমার শরীর চাও, তাহলে এখানেই থেমে যাও,” সে ফিসফিস করে বলল। “কিন্তু যদি আমার স্মৃতিগুলোকেও ভালোবাসতে পারো… তাহলে এগিয়ে যাও।”

সাফওয়ান তার ঠোঁটে আরেকবার চুমু খেল। এবার আরও গভীর, আরও ক্ষুধার্ত। নুজহাতের শরীর কেঁপে উঠল। তার বুকের নিঃশ্বাস দ্রুত হয়ে গিয়েছিল। সাফওয়ানের হাত তার পিঠে বুলিয়ে যাচ্ছিল, কাপড়ের ওপর দিয়ে, কিন্তু স্পর্শটা যেন চামড়ার নিচে পৌঁছে যাচ্ছিল।

তারা সেখান থেকে উঠে রাস্তার পাশের একটা ছোট চায়ের দোকানে গেল। কাঠের বেঞ্চিতে বসে চা খেল। নুজহাতের হাত এখনও সাফওয়ানের হাতে ছিল। মাঝে মাঝে তাদের হাঁটু ছুঁয়ে যাচ্ছিল বেঞ্চির নিচে। প্রতিবারই একটা বিদ্যুৎ খেলে যাচ্ছিল।

নুজহাত বলল, “এই দোকানে আমি কলেজের সময় একা একা বসতাম। ভাবতাম, কেউ কি কখনো আমার পাশে বসবে? কেউ কি আমার নীরবতা বুঝবে?”

সাফওয়ান তার চুলের একটা সুতো সরিয়ে দিল কপাল থেকে। “আমি বসব,” সে বলল। “প্রতিটা নীরবতায়।”

নুজহাত হাসল। হাসির মাঝেই তার চোখ ভিজে উঠল। সাফওয়ান তার গালে হাত রাখল। নুজহাত চোখ বন্ধ করে সেই হাতের উষ্ণতা নিল। তারপর সাফওয়ানের মুখের কাছে এসে আবার চুমু খেল। এবার চায়ের দোকানের আধো আলোয়, মানুষজনের চোখ এড়িয়ে। চুমুটা লম্বা হয়ে গেল। নুজহাতের জিভ সাফওয়ানের ঠোঁটে স্পর্শ করল। সাফওয়ান তার নিচের ঠোঁট হালকা কামড়ে ধরল। নুজহাতের গলা থেকে একটা মৃদু শব্দ বেরোল।

তারা সেদিন বাসায় ফিরেছিল অনেক রাতে। লিফটে উঠতে উঠতে সাফওয়ান নুজহাতকে দেয়ালে হালকা ঠেস দিয়ে আবার চুমু খেল। নুজহাতের হাত তার শার্টের বোতামে উঠেছিল। একটা বোতাম খুলে গিয়েছিল। সাফওয়ানের বুকের চামড়ায় নুজহাতের আঙুল লেগেছিল। দুজনের শ্বাস তখন এতটাই গরম যে লিফটের বাতাসও গরম মনে হচ্ছিল।

প্রথম তিনটা জায়গা শেষ হয়েছিল। সাফওয়ান বুঝতে পারছিল, নুজহাত শুধু তাকে পরীক্ষা করছে না। সে নিজেকেও খুলে দিচ্ছে, ধীরে ধীরে, স্তরে স্তরে। আর প্রতিটা স্তরে তাদের শরীর আরও কাছাকাছি চলে যাচ্ছে।

চতুর্থ দিনে নুজহাত তাকে নিয়ে গেল পুরান ঢাকার একটা পুরোনো মসজিদের পাশের ছাদে। সন্ধ্যাবেলা। আজানের আওয়াজ ভেসে আসছিল নিচে থেকে। ছাদে কেউ ছিল না। শুধু তারা দুজন।

নুজহাত ছাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে বলল, “এখানে আমি প্রথমবার কাউকে ভালোবাসার কথা ভেবেছিলাম। সেই ছেলেটা আর নেই। কিন্তু এই জায়গাটা রয়ে গেছে।”

সাফওয়ান তার পেছনে এসে দাঁড়াল। হাত দিয়ে নুজহাতের কোমর জড়িয়ে ধরল। নুজহাত পেছন দিকে হেলান দিল তার বুকে। সাফওয়ানের ঠোঁট তার ঘাড়ে লেগে গেল। নুজহাতের শরীর কেঁপে উঠল। সাফওয়ান তার কানের পাশে ফিসফিস করে বলল, “এখন এই জায়গাটা আমাদের।”

নুজহাত ঘুরে দাঁড়াল। দুজনের চোখ মিলল। তারপর তারা চুমু খেল। এবার আর সাবধানে নয়। ক্ষুধা নিয়ে। নুজহাতের হাত সাফওয়ানের শার্টের ভেতর ঢুকে গেল। আঙুলগুলো তার পিঠে ঘষে যাচ্ছিল। সাফওয়ান তার কোমর আরও শক্ত করে টানল। তাদের শরীর এত কাছে এসেছিল যে কাপড়ের বাধাটাও অসহ্য মনে হচ্ছিল।

নুজহাতের শ্বাস দ্রুত হয়ে গিয়েছিল। সাফওয়ান তার গলার নিচে চুমু রাখল, তারপর আরও নিচে। নুজহাতের হাত তার চুলে শক্ত করে ধরেছিল। ছাদের বাতাস তাদের গরম শরীরে লাগছিল, কিন্তু তারা থামছিল না।

একসময় নুজহাত নিজেই সরে গেল। চোখে জল আর উত্তেজনা মিশে ছিল। “এখনো চারটা জায়গা বাকি,” সে বলল। “আমি চাই না তুমি শুধু আমার শরীর দেখো। আমি চাই তুমি আমার সবকিছু দেখো।”

সাফওয়ান তার কপালে চুমু রাখল। “আমি দেখব। সব।”

পঞ্চম জায়গা ছিল নুজহাতের ছোটবেলার স্কুলের পেছনের মাঠ। সন্ধ্যার পর মাঠ ফাঁকা। তারা ঘাসের ওপর বসল। নুজহাত মাথা রেখে দিল সাফওয়ানের কোলে। সাফওয়ান তার চুল আঙুল দিয়ে আঁচড়াচ্ছিল।

নুজহাত বলল, “এখানে আমি প্রথমবার হেরে গিয়ে কাঁদছিলাম। খেলায়। কেউ সান্ত্বনা দেয়নি। শুধু একটা শিক্ষিকা এসে বলেছিল, ‘কাঁদতে পারো। কিন্তু উঠে দাঁড়াতেও পারো।’”

সাফওয়ান তার চোখের কোণে চুমু রাখল। নুজহাত উঠে বসল। দুজন মুখোমুখি। নুজহাত সাফওয়ানের শার্টের বোতাম খুলতে লাগল একটা একটা করে। সাফওয়ানও তার কামিজের আঁচল সরিয়ে দিল। তাদের চামড়া ছুঁয়ে গেল। গরম, নরম, ক্ষুধার্ত।

নুজহাত সাফওয়ানের বুকে চুমু রাখল। সাফওয়ানের হাত তার পিঠে, তারপর আরও নিচে নেমে গেল। নুজহাতের শরীর কেঁপে উঠছিল। তারা মাঠের অন্ধকারে একে অপরকে ছুঁচ্ছিল, চুমু খাচ্ছিল, শ্বাস ফেলছিল একসঙ্গে। নুজহাতের গলা থেকে মৃদু আওয়াজ বেরোচ্ছিল। সাফওয়ান তার ঠোঁটে আঙুল রাখল। নুজহাত সেই আঙুল কামড়ে ধরল হালকা করে।

তারা সেদিন অনেকক্ষণ সেখানেই কাটিয়েছিল। ফিরে আসার সময় নুজহাতের চোখ লাল ছিল, কিন্তু হাসি ছিল।

ষষ্ঠ জায়গা ছিল একটা পুরোনো লাইব্রেরির ছাদ। রাতের বেলা। নুজহাত চাবি দিয়ে দরজা খুলেছিল। ভেতরে কেউ ছিল না।

“এখানে আমি প্রথমবার লিখেছিলাম যে আমি কাউকে ভালোবাসি,” নুজহাত বলল। “কিন্তু পাঠাইনি। চিঠিটা এখনো কোথাও আছে হয়তো।”

সাফওয়ান তাকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে চুমু খেল। এবার আর কোনো বাধা ছিল না। নুজহাতের কামিজের বোতাম খুলে গিয়েছিল। সাফওয়ানের হাত তার বুকের ওপর দিয়ে বুলিয়ে যাচ্ছিল। নুজহাতের শরীর টানটান হয়ে উঠেছিল। তারা একে অপরের কাপড় সরিয়ে দিচ্ছিল ধীরে ধীরে। ছাদের মেঝেতে শুয়ে তারা একে অপরকে অনুভব করছিল। নুজহাতের নখ সাফওয়ানের পিঠে আঁচড় কেটে দিয়েছিল। সাফওয়ানের ঠোঁট তার গলায়, বুকে, পেটে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।

নুজহাত তার কানে ফিসফিস করে বলল, “আমি চাই তুমি আমার সব স্মৃতির অংশ হও। শুধু ভবিষ্যতের নয়।”

সাফওয়ান তার উত্তরে আরও গভীরভাবে চুমু খেল। তাদের শরীর এক হয়ে যাচ্ছিল। রাতের বাতাস তাদের ঘামে ভিজে যাওয়া চামড়ায় লাগছিল। তারা থামছিল না।

সপ্তম দিন। নুজহাত সকালেই সাফওয়ানকে নিয়ে বেরোল। গন্তব্য ছিল শহরের বাইরের একটা পুরোনো নদীর পাড়। একটা ছোট্ট টিলা। সেখানে একটা পুরোনো গাছ। গাছের গোড়ায় মাটির নিচে একটা টিনের বাক্স রাখা ছিল।

নুজহাত মাটি খুঁড়ে বাক্সটা তুলল। ভেতরে একটা চিঠি। চিঠিটা নুজহাতের নিজের হাতের লেখা। তারিখ ছিল কয়েক বছর আগের।

সাফওয়ান চিঠিটা পড়ল।

“যদি কেউ কখনো আমার সঙ্গে এই সাতটা জায়গায় আসে, যদি সে আমার অতীতকে ভয় না পায়, যদি সে আমার নীরবতা বোঝে… তাহলে আমি তাকে আমার জীবনের বাকিটা সময় দেব। কারণ আমি শুধু একজন স্বামী চাই না। আমি চাই এমন একজন, যে আমার সবকিছুকে সম্মান করবে—আমার আনন্দ, আমার ব্যথা, আমার স্মৃতি।”

চিঠির শেষে লেখা ছিল, “যদি তুমি এতদূর এসে থাকো, তাহলে জানো—আমি তোমাকে বেছে নিয়েছি।”

সাফওয়ানের চোখ ভিজে উঠল। সে নুজহাতের দিকে তাকাল। নুজহাতও তাকিয়ে ছিল। দুজনের মধ্যে কোনো কথা ছিল না। শুধু একটা গভীর নীরবতা, যেটা সবকিছু বলে দিচ্ছিল।

সাফওয়ান নুজহাতকে জড়িয়ে ধরল। এবার আর কোনো সাবধানতা নেই। তারা গাছের নিচে বসল। নুজহাত সাফওয়ানের কোলে উঠে বসল। দুজনের ঠোঁট জড়িয়ে গেল। চুমুটা লম্বা, গভীর, আর্দ্র। নুজহাতের হাত সাফওয়ানের চুলে, সাফওয়ানের হাত তার পিঠে, কোমরে, উরুতে।

তারা একে অপরের কাপড় খুলে ফেলল। নদীর বাতাস তাদের নগ্ন শরীরে লাগছিল। নুজহাত সাফওয়ানের বুকে শুয়ে পড়ল। সাফওয়ান তার কোমর ধরে টানল। তাদের শরীর মিলল। নুজহাতের চোখ বন্ধ ছিল, ঠোঁট খোলা, শ্বাস দ্রুত। সাফওয়ান তার গলায় চুমু রাখছিল, বুকে, পেটে। নুজহাত তার পিঠে নখ বসিয়ে দিয়েছিল।

তারা একে অপরকে নিয়ে গেল এমন এক জায়গায়, যেখানে শুধু গরম শ্বাস, ঘাম, আর দুজনের হৃদস্পন্দন ছিল। নুজহাতের গলা থেকে যে আওয়াজ বেরোচ্ছিল, সেটা শুধু আনন্দ নয়—মুক্তিও। সাফওয়ান তার কানে বলল, “আমি তোমার সব স্মৃতি নিয়েই তোমাকে চাই। তোমার অতীত আমারও।”

নুজহাত তার উত্তরে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। তাদের শরীর একসঙ্গে কেঁপে উঠল। দীর্ঘক্ষণ ধরে তারা একে অপরকে ধরে রাখল। তারপর ধীরে ধীরে শান্ত হল।

নুজহাত সাফওয়ানের বুকে মাথা রেখে বলল, “এখন তুমি জানো। আমি কে। আমি কোথা থেকে এসেছি।”

সাফওয়ান তার চুলে চুমু রাখল। “আমি জানি। আর আমি এখানেই থাকব। তোমার প্রতিটা স্মৃতির পাশে।”

তারা সেদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানেই কাটিয়েছিল। নদীর জল বয়ে যাচ্ছিল। গাছের পাতা নড়ছিল। আর তারা দুজন একে অপরের বুকে শুয়ে, নিঃশ্বাস মিলিয়ে, ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ছিল।

বিয়ের দিন যখন এল, সাফওয়ান আর শুধু একজন বর ছিল না। সে হয়ে উঠেছিল নুজহাতের স্মৃতির অংশ। আর নুজহাত জানত, সে এমন একজনকে বেছে নিয়েছে, যে তার অতীতকে সম্মান করে, তার শরীরকে ভালোবাসে, আর তার নীরবতাকেও বোঝে।

সাতটা জায়গা শেষ হয়েছিল। কিন্তু তাদের গল্প তখনো শুরু হচ্ছিল মাত্র।

....
👁 7