লুবাবা যখন চাচাতো বোন রুকাইয়ার বিয়ের আয়োজনে সাহায্য করতে ঢাকায় আসে, তখন তার মাথায় শুধু একটাই কথা ছিল—সব ঠিকঠাক রাখা। রুকাইয়ার বিয়ে বড় আয়োজন। হল সাজানো, অতিথি আপ্যায়ন, বরযাত্রীদের দেখাশোনা। লুবাবা সাদা শাড়ি পরে, চুল আলগা করে রেখে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল।
বরযাত্রীরা এসেছে। রাইয়ানের পরিবারও এসেছে। রাইয়ান রুকাইয়ার স্বামীর এক চাচাতো ভাই। লম্বা, গাঢ় চোখ, আত্মবিশ্বাসী হাসি। লুবাবা তাকে একবার দেখেই বুঝেছিল—এ ছেলেটা দুষ্টু।
হঠাৎ এক আত্মীয়া এসে লুবাবার হাত ধরে টানতে টানতে রাইয়ানের পরিবারের সামনে নিয়ে গেল। “এই যে, রাইয়ানের বউ আসছে!” বলে হাসতে হাসতে পরিচয় করিয়ে দিল। লুবাবা অবাক। রাইয়ানও এক মুহূর্ত চুপ করে রইল। তারপর ধীরে ধীরে তার ঠোঁটে একটা দুষ্টু হাসি ফুটে উঠল।
“আচ্ছা? আমার বউ?” রাইয়ান আস্তে বলল। তার গলায় বিদ্রূপ মেশানো নরম সুর।
লুবাবা মুখ লাল করে ফিরে যেতে চাইল। কিন্তু রাইয়ানের মা, আম্মা, খুশি হয়ে তার হাত ধরলেন। “কী সুন্দর মেয়ে! রাইয়ান তো কিছু বলেনি আমাদের।”
পরিস্থিতি সামলাতে রাইয়ান পাশের ঘরে লুবাবাকে টেনে নিল। দরজা বন্ধ করে বলল, “এখন কী করবে? সবাই শুনে ফেলেছে।”
লুবাবা রেগে বলল, “তুমিই কেন সম্মতি দিলে?”
রাইয়ান কাছাকাছি এসে হাসল। “কারণ তোমাকে দেখে মজা লাগছে। আর আমার পরিবারকে হতাশ করতে চাই না আজ।” সে একটু সামনে ঝুঁকে বলল, “সাময়িকভাবে অভিনয় করো। বিয়ে শেষ হলে সব ঠিক হয়ে যাবে।”
লুবাবা রাজি হল। অন্য কোনো উপায় ছিল না।
সেদিন থেকে শুরু হল অভিনয়। রাইয়ান ইচ্ছাকৃতভাবে লুবাবার পাশে বসত, তার কাঁধে হাত রাখত, কানে কানে কথা বলত। লুবাবা প্রতিবারই তাকে ঠেলে দিত, কিন্তু চোখে চোখ পড়লে একটা অদ্ভুত টান অনুভব করত।
বিয়ের রাতে রাইয়ান তাকে ছাদে ডেকে নিল। আলো-আঁধারিতে তার মুখ আরও সুন্দর লাগছিল। “তুমি রাগ করো কেন এত?” সে জিজ্ঞেস করল।
লুবাবা বলল, “কারণ তুমি ইচ্ছে করে আমাকে বিরক্ত করো।”
রাইয়ান হাসল। তার হাত লুবাবার কোমরে গিয়ে পড়ল। “বিরক্ত করলেও তোমার গাল লাল হয়। দেখে মজা লাগে।” সে আরও কাছে এল। গরম শ্বাস লুবাবার গালে লাগল। “একবার শুধু... একবার চুমু খেতে দাও। অভিনয়ের জন্য।”
লুবাবা তার হাত ঠেলে দিল, কিন্তু রাইয়ান থামল না। সে লুবাবার চিবুক তুলে ধরে আস্তে আস্তে ঠোঁট ছুঁয়ে দিল। প্রথমে হালকা, তারপর গভীর। লুবাবার হাত তার বুকে উঠে গেল। রাইয়ানের জিভ তার ঠোঁটের ফাঁকে ঢুকে পড়ল। গরম, আর্দ্র, ক্ষুধার্ত চুমু। লুবাবা হাঁপাতে হাঁপাতে সরে গেল।
“এটা অভিনয় নয়,” সে ফিসফিস করে বলল।
রাইয়ান হাসল। “হয়তো না।”
সেই রাতে দুজনেই ঘুমাতে পারল না। লুবাবা বিছানায় শুয়ে রাইয়ানের ঠোঁটের স্বাদ মনে মনে অনুভব করছিল। রাইয়ানও একই অবস্থা।
পরের দিন সকালে রাইয়ানের আম্মা লুবাবাকে নিয়ে গেলেন বাড়িতে। “এখন থেকে তুমি আমাদের মেয়ে।” রাইয়ান পাশে দাঁড়িয়ে হাসছিল। লুবাবা তাকে চোখ কুঁচকে তাকাল।
দুপুরে রাইয়ান তাকে ঘরে ডেকে নিল। দরজা বন্ধ করে সে লুবাবাকে দেয়ালের সঙ্গে ঠেস দিয়ে দাঁড় করাল। “গতজ আরও মজার হবে। আমি ইচ্ছে করে তোমাকে ঈর্ষান্বিত করব। তুমিও করো।”
লুবাবা তার কলার ধরে টেনে নিল। “তুমি যদি অন্য মেয়ের সঙ্গে কথা বলো, আমি তোমার গালে চড় মারব।”
রাইয়ান হাসতে হাসতে তার ঠোঁট চুষে নিল। এবার চুমু আরও গভীর। তার হাত লুবাবার পিঠ বেয়ে নিচে নামল। লুবাবা কাঁপতে কাঁপতে তার গলায় মুখ গুঁজে দিল। রাইয়ানের শরীর গরম। তার শ্বাস লুবাবার কানে বাজছিল।
“তুমি আমাকে পাগল করে দিচ্ছ,” রাইয়ান গরম গলায় বলল।
লুবাবা তার ঠোঁট কামড়ে ধরল। “তুমিও।”
সেই মুহূর্তে বাইরে থেকে ডাক পড়ল। দুজনে সরে গেল। কিন্তু চোখে চোখ পড়লে দুজনেই বুঝতে পারল—অভিনয়ের আড়ালে কিছু একটা জন্ম নিচ্ছে।
সন্ধ্যায় পরিবারের সবাই বসে আড্ডা দিচ্ছিল। রাইয়ান ইচ্ছে করে পাশের এক আত্মীয়ার সঙ্গে হাসিঠাট্টা শুরু করল। লুবাবা রাগ করে উঠে গেল। রাইয়ান পরে তাকে খুঁজে পেয়ে বাগানে নিয়ে গেল।
“ঈর্ষা লাগছে?” সে জিজ্ঞেস করল।
লুবাবা তার বুকের ওপর মুষ্টিবদ্ধ হাত রেখে বলল, “না।”
রাইয়ান তার হাত ধরে ঠোঁটে চুমু খেল। তারপর লুবাবার গলায়, কানে, কাঁধে হালকা চুমু দিতে লাগল। লুবাবা তার চুল আঁকড়ে ধরল। রাইয়ানের হাত তার কোমর চেপে ধরল। দুজনের শরীর জড়িয়ে গেল। গরম শ্বাস, দ্রুত হৃদস্পন্দন, ঠোঁটের চাপ—সব মিলিয়ে এক গভীর আকর্ষণ।
লুবাবা ফিসফিস করে বলল, “এটা থামাও... নয়তো আমি আর নিজেকে সামলাতে পারব না।”
রাইয়ান তার কানে বলল, “আমিও পারছি না।”
সেই রাতে দুজনেই বুঝল—এ অভিনয় আর সাময়িক থাকছে না। প্রতিদিন নতুন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। রাইয়ান দুষ্টুমি করে লুবাবাকে জ্বালায়, লুবাবাও ছাড়ে না। কিন্তু প্রতিবারই শেষ হয় গভীর চুমু আর জড়িয়ে ধরায়।
লুবাবা জানত, এই খেলা বিপজ্জনক। কিন্তু রাইয়ানের চোখে যে ক্ষুধা, যে আত্মবিশ্বাস, সেটা তাকে টানছিল। আর রাইয়ানও লুবাবার তীক্ষ্ণ জবাব আর নরম ঠোঁটের স্বাদ ভুলতে পারছিল না।
বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হতে চলেছে। কিন্তু তাদের অভিনয় সবে শুরু।
বিয়ে শেষ হওয়ার পরও রাইয়ানের পরিবার লুবাবাকে ছাড়তে চাইল না। তারা বলল, “এখন থেকে তুমি আমাদের বাড়িতেই থাকবে কয়েকদিন।” লুবাবা রাজি হল। কারণ রাইয়ান চোখের ইশারায় বলেছিল—চল, আরও মজা করি।
প্রথম দিন সকালে রাইয়ান লুবাবার ঘরে ঢুকে পড়ল। লুবাবা তখন চুল আঁচড়াচ্ছিল। রাইয়ান পেছন থেকে এসে তার কোমর জড়িয়ে ধরল। “সকালে তোমাকে দেখে ভালো লাগে।”
লুবাবা পেছন ফিরে তাকাল। “দরজা খোলা। কেউ দেখে ফেললে?”
রাইয়ান হাসল। “দেখুক। আমরা তো বাগদত্তা।” সে লুবাবার গলায় চুমু খেল। তার ঠোঁট গরম। লুবাবা তার হাত চেপে ধরল। রাইয়ানের হাত তার শাড়ির ভাঁজে ঢুকে গেল। নরম স্পর্শ। লুবাবা কাঁপল।
“থামাও,” সে বলল, কিন্তু গলা ভেঙে গেল।
রাইয়ান তার কানে ফিসফিস করল, “আজ দুপুরে আমি এক বান্ধবীর সঙ্গে কফি খেতে যাব। তুমি ঈর্ষা করবে?”
লুবাবা তার ঠোঁট কামড়ে ধরে চুমু খেল। গভীর, জোরালো। তারপর সরে গিয়ে বলল, “যাও। আমিও একটা ছেলের সঙ্গে কথা বলব।”
রাইয়ানের চোখে একটা আগুন জ্বলে উঠল। “দেখি কে জেতে।”
দুপুরে রাইয়ান সত্যিই এক পুরনো বান্ধবীর সঙ্গে ক্যাফেতে বসল। লুবাবা জানত। সেও ইচ্ছে করে এক আত্মীয় ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলল, হাসল, আর রাইয়ানকে মেসেজ করে ছবি পাঠাল।
রাইয়ান সন্ধ্যায় ফিরে এসে লুবাবার ঘরে ঢুকল। রাগে মুখ লাল। সে দরজা বন্ধ করে লুবাবাকে বিছানায় ঠেলে দিল। “তুমি কাকে সঙ্গে নিয়ে হাসছিলে?”
লুবাবা হাসল। “ঈর্ষা লাগছে?”
রাইয়ান তার দুই হাত মাথার ওপর চেপে ধরল। তার শরীর লুবাবার ওপর চেপে গেল। “আমি তোমাকে ছাড়ব না।” সে তার গলায়, বুকে, পেটে চুমু খেতে লাগল। লুবাবার শাড়ি সরে গেল। রাইয়ানের হাত তার ত্বক ছুঁয়ে ফেলল। গরম, নরম।
লুবাবা তার চুল আঁকড়ে ধরে বলল, “আরও...”
রাইয়ান তার ঠোঁট চুষে নিল। জিভ দিয়ে খেলল। তার হাত লুবাবার উরু বেয়ে উঠল। দুজনের শ্বাস দ্রুত। ঘরের বাতাস গরম হয়ে উঠল। রাইয়ান লুবাবার কানে বলল, “তুমি আমার। অভিনয় হোক বা না হোক।”
লুবাবা তার ঠোঁট কামড়ে জবাব দিল। সেই রাতে তারা শুধু চুমু আর জড়িয়ে ধরায় কাটাল। গভীর, গরম, ক্ষুধার্ত। প্রতিটা স্পর্শে অনুভূতি আরও জোরালো হচ্ছিল।
পরের দিন পরিবারের সবাই একসঙ্গে বেড়াতে গেল। রাইয়ান ইচ্ছে করে অন্য মেয়েদের সঙ্গে হাসিঠাট্টা করল। লুবাবাও এক ছেলের সঙ্গে কথা বলল। সন্ধ্যায় ফিরে রাইয়ান তাকে ছাদে ডেকে নিল।
চাঁদের আলোয় রাইয়ান লুবাবার মুখ দেখল। “তুমি আমাকে পাগল করছ।”
লুবাবা তার বুকে মাথা রাখল। “তুমিও।”
রাইয়ান তার চিবুক তুলে ধরে চুমু খেল। এবার আরও গভীর। তার হাত লুবাবার পিঠ বেয়ে নিচে নামল। লুবাবা তার শার্টের বোতাম খুলে দিল। রাইয়ানের বুক গরম। লুবাবা তার বুকে চুমু খেল। রাইয়ান হাঁপাতে হাঁপাতে তার চুল আঁকড়ে ধরল।
“লুবাবা...” সে গরম গলায় ডাকল।
দুজনে মেঝেতে বসে জড়িয়ে ধরল। রাইয়ানের হাত লুবাবার শরীর ঘুরে বেড়াচ্ছিল। প্রতিটা স্পর্শে লুবাবা কাঁপছিল। রাইয়ান তার কানে বলল, “আমি তোমাকে চাই। সত্যি করে।”
লুবাবা তার ঠোঁট চেপে ধরে জবাব দিল। সেই রাতে তারা অনেকক্ষণ ধরে এভাবেই কাটাল। চুমু, স্পর্শ, গরম শ্বাস। অনুভূতি আর লুকানো যাচ্ছিল না।
পরের কয়েকদিন এভাবেই চলল। রাইয়ান দুষ্টুমি করে লুবাবাকে জ্বালায়, লুবাবাও জ্বালায়। কিন্তু রাতে তারা একে অপরের কাছে পালায়। গভীর রোমান্স। রাইয়ান লুবাবার প্রতিটা অংশ চুমু দিয়ে আবিষ্কার করে। লুবাবাও তার শরীর স্পর্শ করে। দুজনেই জানে—এ আর অভিনয় নয়।
একদিন রাইয়ানের আম্মা বললেন, “তোমাদের বিয়ের কথাবার্তা শুরু করা যাক।”
লুবাবা ও রাইয়ান চোখের দেখাদেখি করল। দুজনেরই বুকে ধড়ফড়।
রাইয়ান রাতে লুবাবাকে বলল, “এখন কী হবে?”
লুবাবা তার হাত ধরে বলল, “যা হওয়ার হবে।”
কিন্তু রাইয়ানের চোখে একটা ছায়া দেখা গেল। লুবাবা বুঝতে পারল না।
দুই পরিবার একসঙ্গে বসে বিয়ের তারিখ ঠিক করে ফেলল। আগামী মাসের শেষে। সবাই খুশি। লুবাবার অ্যাম্মু ফোনে কাঁদলেন আনন্দে। রাইয়ানের আম্মা লুবাবাকে জড়িয়ে ধরলেন।
কিন্তু রাইয়ান চুপচাপ। সন্ধ্যায় সে লুবাবাকে বাগানে ডেকে নিল।
“আমাদের এ সম্পর্ক ভাঙতে হবে,” সে সরাসরি বলল।
লুবাবা যেন বজ্রাহত। “কী?”
রাইয়ান দূরে তাকিয়ে বলল, “এটা অভিনয় দিয়ে শুরু হয়েছিল। এখন পরিবার জড়িয়ে গেছে। আমি চাই না তুমি আটকে যাও।”
লুবাবা তার হাত ধরে টানল। “তুমি মিথ্যে বলছ। তোমার চোখে আমি দেখেছি...”
রাইয়ান তার হাত ছাড়িয়ে নিল। “দেখোনি। আমি দুষ্টু। মেয়েদের বিরক্ত করতে ভালোবাসি। তোমার সঙ্গেও তাই করেছি।”
লুবাবা তার গালে চড় মারতে গেল। রাইয়ান ধরে ফেলল। তার চোখে জল। “লুবাবা, যাও। ভুলে যাও।”
লুবাবা কেঁদে ফিরে গেল। সেই রাতে সে ঘুমাতে পারল না। রাইয়ানও পারল না। সে ছাদে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছিল। মনে মনে বলছিল—আমি ওকে হারাতে পারি না। কিন্তু ভয় পাচ্ছিল। সত্যিকারের অনুভূতি তাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিল।
পরের দিন লুবাবা চলে যাওয়ার কথা বলল। রাইয়ানের আম্মা কাঁদলেন। রাইয়ান কিছু বলল না।
লুবাবা বেরোনোর সময় রাইয়ান তাকে রোডের পাশে থামাল। “একবার শোনো।”
লুবাবা ফিরে তাকাল। রাইয়ানের চোখে ব্যথা। সে এগিয়ে এসে লুবাবার মুখ দুহাতে ধরল। “মিথ্যে বলেছি। আমি তোমাকে চাই। প্রতিদিন, প্রতি রাত। তোমার রাগ, তোমার হাসি, তোমার ঠোঁট... সব।”
লুবাবা তার বুকে মুষ্টিবদ্ধ হাত মারল। “তাহলে কেন...”
রাইয়ান তার ঠোঁট চেপে ধরল। গভীর, ক্ষুধার্ত, ভালোবাসার চুমু। বৃষ্টি নেই, শুধু গরম বাতাস। দুজনের শরীর জড়িয়ে গেল। রাইয়ান লুবাবাকে গাড়িতে তুলে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে গেল।
সেখানে দরজা বন্ধ করে সে লুবাবাকে দেয়ালের সঙ্গে ঠেস দিল। “আজ আর কোনো অভিনয় নয়।”
লুবাবা তার শার্ট ছিঁড়ে খুলে দিল। রাইয়ান তার শাড়ি খুলে ফেলল। দুজন নগ্ন হয়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। রাইয়ান লুবাবার প্রতিটা অংশ চুমু দিয়ে ভিজিয়ে দিল। গলা, বুক, পেট, উরু। লুবাবা তার চুল আঁকড়ে ধরে হাঁপাতে লাগল।
রাইয়ান তাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। তার শরীর লুবাবার ওপর চেপে গেল। গরম, শক্ত। লুবাবা তার পিঠ আঁচড়ে দিল। রাইয়ান ধীরে ধীরে ঢুকে গেল। দুজনে একসঙ্গে কাঁপল। গভীর, ধীর, তারপর দ্রুত। প্রতিটা ধাক্কায় অনুভূতি আরও জোরালো। রাইয়ান লুবাবার কানে বলল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি।”
লুবাবা তার ঠোঁট চুষে জবাব দিল। “আমিও।”
তারা অনেকক্ষণ ধরে এভাবেই কাটাল। চুমু, স্পর্শ, একত্রিত হওয়া। ঘামে ভেজা শরীর, গরম শ্বাস, গভীর যন্ত্রণা আর আনন্দ।
পরে রাইয়ান লুবাবার চুল আঁচড়াতে আঁচড়াতে বলল, “বিয়ে করব। সত্যি করে। কোনো অভিনয় নয়।”
লুবাবা তার বুকে মাথা রেখে হাসল। “তুমি দুষ্টু। কিন্তু আমার।”
রাইয়ান তার কপালে চুমু খেল। “আর তুমি আমার। প্রতিদিন নতুন মজা করব। কিন্তু এবার সত্যি।”
দুই পরিবারকে তারা জানাল—সব সত্যি। বিয়ের তারিখ রইল। আর তাদের রোমান্স প্রতিদিন আরও গভীর হল। রাইয়ানের দুষ্টুমি আর লুবাবার তীক্ষ্ণ জবাব এখন ভালোবাসার অংশ।
শেষ রাতে রাইয়ান লুবাবাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “অভিনয় শেষ। এখন শুধু আমরা।”
লুবাবা তার ঠোঁট ছুঁয়ে জবাব দিল। গরম, গভীর, অন্তহীন।
....