অচেনা মুখে চেনা অনুভূতি

ইহতিশাম যখন চোখ খুলল, সাদা দেয়াল আর ঔষধের গন্ধ ছাড়া আর কিছু মনে পড়ল না। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে সে নিজের নাম পর্যন্ত খুঁজে পেল না প্রথমে। ডাক্তার বললেন, দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত লেগেছে, কিছু স্মৃতি হারিয়েছে। কয়েকদিন পর যখন তাকে বাড়ি পাঠানো হলো, তখন সে জানল—এই ফ্ল্যাটটি তার, আর যে মেয়েটি তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে, তার নাম সাফা। তার স্ত্রী।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

সাফা তাকে দেখে হাসল। সেই হাসি দেখে ইহতিশামের বুকের ভিতরটা একটু কেঁপে উঠল, অথচ সে জানত না কেন। সাফার চুল কালো, কাঁধ পর্যন্ত লম্বা, আর চোখদুটো গভীর। সে সাদা পাঞ্জাবি পরে ছিল, গলায় হালকা সোনার চেইন। ইহতিশাম তাকিয়ে রইল। মনে পড়ল না কিছুই। কোনো স্পর্শ, কোনো কথা, কোনো রাত।

সাফা ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। “বাসায় এসেছ। ভালো লাগছে?” তার কণ্ঠস্বর নরম।

¦Ëk¢x/춺'ƒú

ইহতিশাম শুধু মাথা নাড়ল। সাফা তার হাত ধরল। হাতের তালু গরম, নরম। সেই স্পর্শে ইহতিশামের শরীর একটু শক্ত হয়ে গেল। সাফা বুঝতে পেরে হাত ছাড়ল না। বরং আরও একটু কাছে এসে বলল, “আমি তোমার পাশেই থাকব। তুমি আমাকে চিনতে পারবে ধীরে ধীরে।”

রাত হলো। সাফা তার জন্য চা বানিয়ে আনল। ইহতিশাম চা খাচ্ছিল, সাফা বিছানার পাশে বসে তার চুল আঁচড়াচ্ছিল। আঙুলগুলো মাথার ত্বকে হালকা ঘষে যাচ্ছিল। ইহতিশাম চোখ বন্ধ করে ফেলল। শরীরের ভিতর এক অদ্ভুত উত্তাপ জন্মাচ্ছিল। সাফার আঙুল যখন কানের পেছন দিয়ে গলায় নেমে এল, তখন সে একটু কেঁপে উঠল।

সাফা ফিসফিস করে বলল, “আগে তুমি আমার এভাবে চুল আঁচড়াতে দিতে। তারপর আমাকে তোমার বুকে টানতে।”

ইহতিশাম চোখ খুলল। সাফার মুখ খুব কাছে। ঠোঁটের রং হালকা গোলাপি। সে তাকিয়ে রইল। সাফা আরও একটু ঝুঁকল। তাদের নিঃশ্বাস মিশে গেল। সাফার ঠোঁট ইহতিশামের ঠোঁটে লাগল—নরম, গরম, একটু ভেজা। ইহতিশাম প্রথমে সরে যায়নি। বরং তার হাত নিজে থেকেই সাফার কোমরে গিয়ে পড়ল। কাপড়ের ওপর দিয়ে কোমরের নরম মাংস অনুভব করল। সাফা আরও জোরে চুমু খেল। জিভ বের করে ইহতিশামের ঠোঁট চেটে নিল। ইহতিশামের শরীর কাঁপছিল। তার নিচের দিকটা শক্ত হয়ে উঠছিল। সাফা বুঝতে পেরে হাত নামিয়ে সেখানে হালকা চেপে ধরল।

“মনে পড়ছে?” সাফা ফিসফিস করল।

ইহতিশাম মাথা নাড়ল। “না… কিন্তু শরীর মনে রাখছে মনে হয়।”

সাফা হাঁপ ধরে উঠে দাঁড়াল। “আজ আর নয়। তুমি ক্লান্ত। ঘুমাও।”

কিন্তু ইহতিশাম ঘুমাতে পারল না। রাতভর সাফার ঠোঁটের স্বাদ, হাতের উত্তাপ মনে পড়তে থাকল। পরের দিন সকালে সাফা তাকে গোসল করাতে সাহায্য করতে এল। বাথরুমে গরম পানি ঝরছিল। সাফা তার শার্ট খুলে দিল। ইহতিশামের বুক খালি হয়ে গেল। সাফার চোখ সেখানে আটকে গেল এক মুহূর্ত। তারপর সে নিজেও কাপড় খুলে ফেলল। শুধু প্যান্টি পরে রইল।

ইহতিশাম তাকিয়ে রইল। সাফার স্তন দুটো ভারী, বোঁটা গাঢ়। কোমর সরু, নিতম্ব গোল। পানি পড়ছিল তাদের দুজনের ওপর। সাফা কাছে এসে ইহতিশামের বুকে হাত রাখল। তারপর ধীরে ধীরে হাত নামিয়ে নিচে গেল। ইহতিশামের শক্ত অংশটা তার হাতে ধরা পড়ল। সাফা আঙুল ঘুরিয়ে ধীরে ধীরে উপরে-নিচে করতে লাগল। ইহতিশাম দেয়ালে হাত রেখে চোখ বন্ধ করে ফেলল। সাফা হাঁটু গেড়ে বসল। তার গরম মুখ ইহতিশামের ওপর এসে লাগল। জিভ দিয়ে চেটে নিল একবার, তারপর পুরো মুখে নিয়ে নিল।

ইহতিশাম আর সামলাতে পারল না। তার হাত সাফার চুলে গিয়ে জড়িয়ে গেল। সাফা আরও গভীরে নিল। গলায় ঢুকিয়ে দিল। ইহতিশাম হাঁপাতে লাগল। সাফা উঠে দাঁড়িয়ে নিজের প্যান্টি খুলে ফেলল। তারপর ইহতিশামকে দেয়ালে ঠেকিয়ে নিজেই উঠে বসল। ধীরে ধীরে নিচে নামিয়ে নিল। ভিতরে ঢুকে গেল পুরোটা। সাফা আর্তনাদ করে উঠল। ইহতিশামের হাত তার নিতম্বে চেপে ধরল। জোরে জোরে ওঠানামা করতে লাগল। সাফার স্তন দুটো তার মুখের সামনে এসে যাচ্ছিল। ইহতিশাম মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। সাফার নখ তার পিঠে বিঁধে গেল।

শেষে তারা দুজনেই কেঁপে উঠল। সাফা তার বুকে মাথা রেখে হাঁপাতে লাগল। ইহতিশামের হাত তার পিঠে ঘষতে থাকল। কিছুক্ষণ পর সাফা উঠে তাকাল। “এভাবেই তুমি আমাকে ভালোবাসতে। শরীর দিয়ে। মন দিয়েও।”

ইহতিশাম কিছু বলতে পারল না। শুধু সাফাকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। মনে পড়ল না কিছুই। কিন্তু শরীর জানত—এই মেয়েটি তার।

দিনগুলো এভাবেই কেটে যেতে লাগল। সাফা তাকে সবকিছু শেখাত। কোথায় চায়ের কাপ রাখে, কোন দোকান থেকে মাছ কেনে, রাতে কোন দিকে মুখ করে ঘুমায়। ইহতিশাম কখনো বিরক্ত হতো। মনে হতো সাফা তাকে শিশু বানিয়ে রেখেছে। আবার কখনো রাতে সাফা যখন তার পাশে এসে শুয়ে পড়ত, গায়ের কাপড় খুলে তার হাত নিজের স্তনে রাখত, তখন ইহতিশাম আর বিরক্ত থাকত না। সাফার গায়ের গন্ধ, ঘামের স্বাদ, ভিতরের উষ্ণতা—সবকিছু তাকে টানত।

এক রাতে সাফা তার ওপর উঠে বসল। চুল খুলে ফেলল। ইহতিশামের হাত দুটো তার কোমরে রেখে ধীরে ধীরে ওঠানামা করতে লাগল। সাফা নিজেই ছন্দ ঠিক করছিল। ইহতিশামের চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমাকে দেখো। আমাকে মনে রেখো।” ইহতিশাম দেখল। সাফার মুখ লাল, চোখ বন্ধ, ঠোঁট ফাঁকা। সে আরও জোরে করে দিল। সাফা চিৎকার করে উঠল। বিছানা কেঁপে উঠল। শেষে তারা দুজনেই ঘামে ভিজে গেল। সাফা তার বুকে শুয়ে ফিসফিস করল, “তুমি আমাকে ভুলে গেলেও আমি তোমাকে ভুলিনি।”

ইহতিশাম চোখ বন্ধ করে সাফার চুলের গন্ধ নিল। মনে পড়ল না। কিন্তু বুকের ভিতরটা ভারী হয়ে উঠছিল।

ইহতিশাম এখন আর হাসপাতালের ওই ফাঁকা অনুভূতি নিয়ে ঘুরত না। সাফার উপস্থিতি তার দিনগুলোকে ভরে দিয়েছিল। সকালে সাফা তাকে চা দিয়ে জাগাত। হালকা চুমু খেয়ে। কখনো শুধু ঠোঁটে, কখনো গলায়, কখনো বুকে। ইহতিশাম অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছিল। সাফার হাত যখন তার শরীরে ঘষে যেত, তখন আর সরে যেত না। বরং নিজে থেকেই সাফার কাপড় খুলতে চাইত।

এক দুপুরে সাফা রান্না করছিল। ইহতিশাম পেছন থেকে এসে তার কোমর জড়িয়ে ধরল। সাফা হাসল। “কী চাও?” ইহতিশাম কিছু না বলে তার চুলে নাক গলাল। সাফা চুলা বন্ধ করে ঘুরে দাঁড়াল। ইহতিশাম তার ঠোঁট চেপে ধরল। জোরে। সাফা পাল্টা চুমু খেল। তাদের জিভ জড়িয়ে গেল। ইহতিশাম সাফার সালোয়ারের ভিতর হাত ঢোকাল। নরম মাংস। আঙুল আরও ভিতরে গেল। সাফা হাঁপাতে লাগল। ইহতিশাম তাকে রান্নাঘরের টেবিলে তুলে বসাল। সালোয়ার নামিয়ে দিল। হাঁটু গেড়ে বসে সাফার দুই পা আলাদা করল। তারপর মুখ লাগিয়ে দিল।

সাফা টেবিলের কিনারা চেপে ধরল। ইহতিশামের জিভ ঘুরছিল, চুষছিল, চেপে ধরছিল। সাফার পা দুটো তার কাঁধে চেপে গেল। সে আর্তনাদ করে উঠল। ইহতিশাম উঠে দাঁড়িয়ে নিজের প্যান্ট নামাল। এক টানে ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। সাফা চিৎকার করে উঠল। টেবিল কেঁপে উঠল। ইহতিশাম জোরে জোরে ধাক্কা মারতে লাগল। সাফার স্তন দুটো উপরে-নিচে লাফাচ্ছিল। ইহতিশাম সেগুলো মুখে নিয়ে কামড়ে ধরল। সাফার নখ তার পিঠে রক্ত তুলল। শেষে তারা দুজনেই কেঁপে উঠে একসঙ্গে ঝরে পড়ল।

সাফা তার গলায় মুখ রেখে বলল, “তুমি আগের মতোই… পাগল।”

ইহতিশাম হাসল। প্রথমবার। সাফার হাসি দেখে তার হাসি আরও বড় হলো।

রাতগুলো আরও গভীর হয়ে উঠছিল। সাফা কখনো তাকে উপরে তুলে বসাত, কখনো নিজে উপরে উঠে ছন্দ ঠিক করত। কখনো ইহতিশাম তাকে পেছন থেকে ধরে টানত। সাফার চুল মুঠো করে ধরে মাথা পেছনে টানত। সাফা আর্তনাদ করত, অথচ থামত না। তাদের শরীর ঘামে ভিজে এক হয়ে যেত। ইহতিশাম সাফার প্রতিটি অভিমান, প্রতিটি রাগ চিনতে শিখছিল। সাফা যখন রেগে যেত, ঠোঁট ফুলিয়ে বসত, তখন ইহতিশাম তাকে জোর করে চুমু খেত। সাফা পাল্টা কামড় দিত। তারপর সব রাগ মিশে যেত আরেক দফা প্রেমের ঝড়ে।

এক সন্ধ্যায় সাফা তাকে বলল, “আগে তুমি আমাকে নিয়ে ঘুরতে যেতে। নদীর পাড়ে। সেখানে… অনেক কিছু হয়েছে।”

ইহতিশাম তাকে নিয়ে বেরোল। নদীর পাড়ে বসে সাফা তার মাথায় হাত বুলোচ্ছিল। হঠাৎ সাফা তার প্যান্টের জিপার নামিয়ে হাত ঢোকাল। ইহতিশাম চোখ বড় করে তাকাল। সাফা হাঁটু গেড়ে বসে মুখে নিল। রাতের অন্ধকারে শুধু পানির শব্দ আর সাফার গলার শব্দ। ইহতিশাম তার চুল মুঠো করে ধরে রইল। সাফা গভীরে নিল, গলা পর্যন্ত। ইহতিশাম আর ধরে রাখতে পারল না। সাফা সবকিছু গিলে নিল। তারপর উঠে এসে ইহতিশামের কোলে বসল। কাপড় সরিয়ে নিজেই ঢুকিয়ে নিল। ধীরে ধীরে ওঠানামা করতে লাগল। ইহতিশাম তার নিতম্ব চেপে ধরে আরও গভীরে ঠেলল। সাফা মুখ চেপে ধরে আর্তনাদ দাবল। শেষে তারা দুজনেই নদীর পাড়ে শুয়ে পড়ল। ঘামে ভেজা শরীর।

সাফা তার বুকে মাথা রেখে বলল, “তুমি আমাকে ভালোবাসতে। খুব। আমি তোমার সবকিছু ছিলাম।”

ইহতিশাম চুপ করে রইল। সাফার কথাগুলো তার বুকে বাজছিল। মনে পড়ছিল না। কিন্তু শরীর বিশ্বাস করছিল।

বাসায় ফিরে তারা আবার একত্র হলো। এবার আরও ধীর, আরও গভীর। ইহতিশাম সাফার প্রতিটি ইঞ্চি চুমু খেল। গলা, স্তন, পেট, উরু, তারপর আবার উপরে। সাফা কেঁপে উঠছিল। ইহতিশাম যখন ভিতরে ঢুকল, সাফা তার কানে ফিসফিস করল, “আরও… আরও গভীরে।” ইহতিশাম দিয়ে দিল। সাফার পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা এভাবেই কাটাল। কখনো থেমে, কখনো আবার শুরু করে। শেষে সাফা তার বুকে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। ইহতিশাম তার চুল আঁচড়াতে থাকল। মনে মনে ভাবল—এই মেয়েটি সত্যিই তার স্ত্রী। তাহলে কেন মনে পড়ছে না?

ইহতিশাম এক দুপুরে পুরোনো আলমারি খুঁজছিল। সাফা বাজারে গিয়েছিল। আলমারির এক কোণে একটা বাক্স পেল। ভিতরে অনেকগুলো ছবি। সেগুলো হাতে নিয়ে বসল। প্রথম ছবিতে সে আর সাফা একসঙ্গে হাসছে। সাফার মাথা তার কাঁধে। আরেকটিতে তারা সমুদ্রের পাড়ে। সাফা তার কোলে বসে। আরেকটিতে বিয়ের ছবি। সাফা লাল শাড়ি পরে, সে পাঞ্জাবি। ছবিগুলো দেখে ইহতিশামের বুক ভারী হয়ে উঠল। মনে পড়ল না, কিন্তু চোখ জ্বালা করছিল।

হঠাৎ একটা ছবির পেছনে তারিখ দেখতে পেল। ২০২৩ সালের একটা তারিখ। ইহতিশাম ভ্রু কুঁচকে তাকাল। দুর্ঘটনা হয়েছিল ২০২৪-এর শুরুতে। তাহলে এই ছবি দুর্ঘটনার আগের। কিন্তু সাফা বলেছিল, তাদের বিয়ে হয়েছে দুর্ঘটনার মাত্র কয়েক মাস আগে। ছবির তারিখ আর সাফার কথার মিল নেই। ইহতিশামের মনে সন্দেহ জাগল। সাফা কি সব সত্য বলছে?

সাফা ফিরে এল। ইহতিশাম ছবি হাতে নিয়ে তাকিয়ে রইল। সাফা থমকে গেল। “কী দেখছ?”

ইহতিশাম ছবিটা দেখাল। “এই তারিখ… তুমি বলেছিলে আমাদের বিয়ে হয়েছে গত বছর।”

সাফার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। সে ধীরে ধীরে বসল। “আমি… কিছু লুকিয়েছি।”

ইহতিশাম উঠে দাঁড়াল। “কী?”

সাফা চোখ নামিয়ে বলল, “আমরা আগে থেকেই একসঙ্গে ছিলাম। বিয়ের অনেক আগে থেকে। তুমি আমাকে ভালোবাসতে। আমিও। কিন্তু তোমার পরিবার রাজি ছিল না। তাই আমরা লুকিয়ে থাকতাম। বিয়েটা হয়েছে দুর্ঘটনার কয়েক মাস আগেই। কিন্তু ছবিগুলো… অনেক আগের। আমি ভয় পেয়েছিলাম তুমি মনে না পেলে আমাকে ছেড়ে দেবে। তাই সব একসঙ্গে বলে ফেলিনি।”

ইহতিশাম চুপ করে রইল। সাফার চোখে জল। সে কাঁপছিল। ইহতিশাম হঠাৎ এগিয়ে গিয়ে সাফাকে জড়িয়ে ধরল। সাফা কেঁদে উঠল। ইহতিশাম তার চুল আঁচড়াতে আঁচড়াতে বলল, “তুমি মিথ্যে বলেছ। কিন্তু… তুমি আমাকে ছেড়ে যাওনি।”

সাফা তার বুকে মুখ রেখে কাঁদতে থাকল। ইহতিশাম তার থুতনি তুলে চুমু খেল। নরম। তারপর আরও গভীর। সাফা পাল্টা জড়িয়ে ধরল। তাদের কাপড় খুলে যেতে লাগল। ইহতিশাম সাফাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। আজ আর তাড়াহুড়ো নেই। সে সাফার প্রতিটি অংশ চুমু খেল। গলায়, স্তনে, পেটে, উরুতে। সাফা কেঁপে উঠছিল। ইহতিশাম যখন ভিতরে ঢুকল, সাফা তার কানে বলল, “আমাকে ভুলে যেও না আবার।”

ইহতিশাম জোরে ধাক্কা মারল। “আমি ভুলব না।” সাফার পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। তারা ওঠানামা করতে লাগল। সাফার আর্তনাদ ঘর ভরিয়ে দিল। ইহতিশাম তার ঠোঁট চেপে ধরে আরও গভীরে গেল। সাফার নখ তার পিঠে বিঁধে গেল। শেষে তারা দুজনেই কেঁপে উঠে একসঙ্গে ঝরে পড়ল। ঘামে ভেজা শরীর জড়িয়ে রইল।

সাফা তার বুকে মাথা রেখে বলল, “এখন বিশ্বাস করো?”

ইহতিশাম তার চুল আঁচড়াতে আঁচড়াতে বলল, “আমি মনে পোড়াতে পারছি না। কিন্তু আমার শরীর জানে তুমি আমার। আর আমি তোমাকে ছাড়ব না।”

সাফা হাসল। সেই হাসি দেখে ইহতিশামের বুক ভরে গেল। সে সাফাকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। রাতভর তারা আবার একত্র হলো। কখনো ধীর, কখনো উগ্র। সাফার রাগ, অভিমান, হাসি—সবকিছু ইহতিশাম এখন চিনতে পারছিল। স্মৃতি ফিরে আসুক বা না আসুক, সাফা তার। আর সে সাফার।

সকালে ইহতিশাম জেগে দেখল সাফা তার বুকে শুয়ে আছে। সে চুমু খেল সাফার কপালে। সাফা চোখ খুলে হাসল। ইহতিশাম বুঝল—কিছু স্মৃতি হারিয়ে গেলেও, নতুন করে ভালোবাসা তৈরি করা যায়। আর এই ভালোবাসা আগের চেয়েও গভীর।

....
👁 10