প্রাক্তন যখন বরের বন্ধু

মেহরিমার জীবনটা একসময় রঙিন স্বপ্নে ভরা ছিল। ঢাকার উত্তরায় একটা ছোট ফ্ল্যাটে সে থাকত। চাকরি করত এক বেসরকারি ব্যাংকে। সেই সময় তার জীবনে এসেছিল রায়হান। রায়হানের চোখে একটা অদ্ভুত আকর্ষণ ছিল। যখন সে হাসত, মেহরিমার বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠত। তারা প্রথমে অফিসের এক কলিগের জন্মদিনের পার্টিতে পরিচিত হয়। তারপর কফি শপ, নদীর ধারের হাঁটাহাঁটি, রাতের আকাশ দেখে গল্প করা—সবকিছু এমনভাবে জড়িয়ে যায় যে মেহরিমা ভাবতে শুরু করে, এবার হয়তো সত্যিই নতুন এক জীবন শুরু হবে।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

রায়হান তাকে প্রায়ই বলত, “তুমি আমার সবকিছু।” মেহরিমাও বিশ্বাস করত। তাদের শারীরিক ঘনিষ্ঠতাও ধীরে ধীরে গভীর হয়ে ওঠে। এক রাতে রায়হানের ফ্ল্যাটে, বৃষ্টিহীন পরিষ্কার আকাশের নিচে, তারা প্রথমবার পুরোপুরি একে অপরের কাছে সমর্পণ করে। রায়হানের হাত তার শরীরের প্রতিটি বক্ররেখা অনুসরণ করে। মেহরিমার শ্বাস অস্থির হয়ে ওঠে। রায়হান তার ঠোঁট চুম্বন করে, তারপর ঘাড়ে, কলারে হাড়ে নামিয়ে আনে। মেহরিমার আঙুল তার চুলের ভেতর ঢুকে যায়। শরীরের তাপ এতটাই বাড়ে যে ঘরের এসিও যেন অকেজো হয়ে যায়। রায়হান তাকে ধীরে ধীরে খুলে ফেলে, প্রতিটি স্পর্শ যেন আগুনের মতো। মেহরিমা তার নিচে শুয়ে চোখ বন্ধ করে অনুভব করে কীভাবে রায়হানের শরীর তার ভেতর প্রবেশ করে। গভীর, ধীর, তারপর ক্রমশ দ্রুত। তাদের নিঃশ্বাস এক হয়ে যায়। মেহরিমা চেঁচিয়ে ওঠে আনন্দের চরম মুহূর্তে। রায়হানও তার গলায় মুখ গুঁজে শেষ করে। সেই রাতের পর মেহরিমা ভাবে, এটাই চিরকাল থাকবে।

কিন্তু তিন মাস পর রায়হান হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়। কোনো ফোন কল, কোনো মেসেজ, কোনো ব্যাখ্যা নেই। মেহরিমা দিনের পর দিন অপেক্ষা করে। তার ফোন নাম্বার বন্ধ হয়ে যায়। অফিসেও সে আর আসে না। কেউ কিছু জানে না। মেহরিমার জগৎ ভেঙে পড়ে। রাতের পর রাত সে কাঁদে। শরীরের সেই স্মৃতি তাকে তাড়া করে। রায়হানের স্পর্শ, তার গন্ধ, তার গলায় ফিসফিসানি—সবকিছু মনে পড়ে আর বুকটা ভারী হয়ে যায়।

¦Ëk¢x/춺'ƒú

বছর চলে যায়। মেহরিমা নিজেকে সামলে নেয়। চাকরি, বন্ধু, পরিবার—সবকিছুতে মন দেয়। একদিন তার পরিবার আদিয়ানের প্রস্তাব নিয়ে আসে। আদিয়ান একজন স্থপতি। শান্ত, ভদ্র, সম্মানী। প্রথম দেখায় মেহরিমা খুব একটা আগ্রহী হয়নি। কিন্তু আদিয়ান ধৈর্য ধরে তার কাছে আসে। কথা বলে, তার পছন্দ-অপছন্দ জানতে চায়। বিয়ের আগে তারা কয়েকবার দেখা করে। আদিয়ান কখনো জোর করে না। মেহরিমা একদিন ঠিক করে, এবার হয়তো নতুন করে শুরু করা যায়।

বিয়ে হয় শীতের এক পরিষ্কার সন্ধ্যায়। কোনো বৃষ্টি নেই, শুধু ঠান্ডা বাতাস আর আলোর ঝলকানি। আদিয়ান তাকে সম্মান করে। বিয়ের পর প্রথম রাতেও সে তাড়াহুড়ো করে না। মেহরিমা যখন তার কাছে যায়, আদিয়ান ধীরে ধীরে তার হাত ধরে। চুম্বন করে তার কপালে, তারপর ঠোঁটে। মেহরিমার শরীর প্রথমে শক্ত হয়ে যায়। পুরোনো স্মৃতি এসে ভিড় করে। কিন্তু আদিয়ানের স্পর্শ ভিন্ন। নরম, যত্নশীল, অথচ গভীর। সে মেহরিমার কাপড় খুলে তার স্তন চুম্বন করে। জিহ্বা দিয়ে ঘষে। মেহরিমার শ্বাস দ্রুত হয়। আদিয়ান তার পেটের নিচের দিকে নামিয়ে যায়। মেহরিমা তার চুল ধরে রাখে। যখন আদিয়ান তার ভেতর প্রবেশ করে, মেহরিমা চোখ বন্ধ করে অনুভব করে নতুন এক অনুভূতি। রায়হানের মতো নয়—এটা আরও গভীর, আরও স্থির। আদিয়ান ধীরে ধীরে চলে। মেহরিমা তার পিঠে নখ বসায়। তাদের শরীর এক হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত মেহরিমা আনন্দে কেঁপে ওঠে। আদিয়ানও তার গলায় মুখ রেখে শেষ করে।

বিয়ের পরের মাসগুলোতে আদিয়ান তাকে প্রতিদিন যত্ন নেয়। সকালে চা তৈরি করে দেয়, রাতে তার ক্লান্ত শরীর ম্যাসাজ করে। তাদের শারীরিক সম্পর্কও ধীরে ধীরে গভীর হয়। এক রাতে আদিয়ান তাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে। মেহরিমার গলায় চুম্বন করে, তারপর তার কোমর ধরে টানে। মেহরিমা হাঁটু গেড়ে বসে। আদিয়ান তার ভেতর ঢুকে যায়। শব্দ হয় শরীরের সংঘর্ষের। মেহরিমা বালিশে মুখ গুঁজে চেঁচায়। আদিয়ান তার চুল ধরে টানে। তাদের যৌনতা প্রতিবারই নতুন করে জ্বলে ওঠে। তবু মেহরিমার মনের এক কোণায় রায়হানের ছায়া থেকে যায়। কখনো কখনো রাতে ঘুম ভাঙলে সে ভাবে, রায়হান এখন কোথায়।

বিয়ের চার মাস পর একদিন অফিসের কলিগ বলল, “রায়হানের বিয়ে হতে যাচ্ছে।” মেহরিমার হাত কাঁপে। কফি কাপ টেবিলে রেখে সে জিজ্ঞেস করে, “কখন?” উত্তর আসে—আগামী শুক্রবার। ঢাকার এক বিলাসবহুল হোটেলে। মেহরিমা সেদিন বাড়ি ফিরে আদিয়ানকে বলে। আদিয়ান চুপচাপ শোনে। তারপর বলে, “তুমি যেতে চাও?” মেহরিমা মাথা নাড়ে। আদিয়ান তার হাত ধরে বলে, “আমিও যাব। তোমার সঙ্গে।”

মেহরিমা সেই রাতে আদিয়ানের বুকে মুখ গুঁজে শুয়ে থাকে। আদিয়ান তার চুল এলোমেলো করে আঙুল চালায়। মেহরিমা তার ঠোঁট চুম্বন করে। ধীরে ধীরে তারা আবার একে অপরের কাছে সমর্পণ করে। আদিয়ান তার স্তন মুঠোয় নেয়, চিপে ধরে। মেহরিমা তার উপর উঠে বসে। নিজে নিজে নড়তে থাকে। আদিয়ানের হাত তার কোমরে। তাদের শরীর ঘামে ভিজে যায়। মেহরিমা চোখ বন্ধ করে রায়হানের মুখ মনে করার চেষ্টা করে, কিন্তু আদিয়ানের স্পর্শ তাকে বর্তমানে টেনে রাখে। শেষ পর্যন্ত তারা একসঙ্গে চরম সুখে পৌঁছায়। মেহরিমা আদিয়ানের বুকে শুয়ে ভাবে, আগামী শুক্রবার সে আবার রায়হানকে দেখবে। আর সেই দেখা হয়তো সবকিছু বদলে দেবে।

শুক্রবার সকাল থেকেই মেহরিমার মন অস্থির। আদিয়ান তাকে সাহায্য করে সাজতে। কালো রঙের একটা শাড়ি পরে মেহরিমা। আদিয়ান তাকে দেখে বলে, “তুমি সুন্দর লাগছো।” মেহরিমা হালকা হাসে। তাদের গাড়ি হোটেলের দিকে যায়। ঢাকার ব্যস্ত রাস্তা, গাড়ির হর্ন, মানুষের ভিড়—সবকিছু স্বাভাবিক। কোনো বৃষ্টি নেই, শুধু রোদ আর ধুলো।

হোটেলে পৌঁছে মেহরিমা দেখে বিশাল হল সাজানো। ফুলের তোরণ, আলো, গান। মেহরিমা আদিয়ানের হাত ধরে ভেতরে ঢোকে। চোখ ঘোরায়। হঠাৎ তার দৃষ্টি পড়ে রায়হানের উপর। রায়হান সাদা পাঞ্জাবি পরে দাঁড়িয়ে। তার পাশে একজন মেয়ে—বউ হতে যাচ্ছে সে। রায়হান হঠাৎ মেহরিমার দিকে তাকায়। তার মুখের রং বদলে যায়। যেন কেউ তাকে সজোরে ধাক্কা দিয়েছে। সে এক পা এগিয়ে আসে, তারপর থমকে যায়। চোখে পানি জমে। মেহরিমা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। রায়হান যেন নিজেকে সামলাতে পারছে না। তার হাত কাঁপছে।

আদিয়ান মেহরিমার পাশে দাঁড়িয়ে সব দেখছে। তার মুখে কোনো অভিব্যক্তি নেই। মেহরিমা আদিয়ানের দিকে তাকায়। আদিয়ান শুধু বলে, “চলো, বসি।” তারা এক কোণায় বসে। রায়হান বারবার তাদের দিকে তাকাচ্ছে। তার চোখে অদ্ভুত একটা ভাঙন। যেন সে কিছু বলতে চায়, কিন্তু পারছে না।

অনুষ্ঠান চলতে থাকে। গান, নাচ, অভিবাদন। মেহরিমা মনে মনে ভাবে, রায়হান কেন এমন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। এত বছর পর। আদিয়ান তার হাত চেপে ধরে। মেহরিমা তার কানে ফিসফিসিয়ে বলে, “তুমি কি তাকে চেনো?” আদিয়ান চুপ থাকে। শুধু মাথা নেড়ে বলে, “পরে কথা হবে।”

বিরতির সময় মেহরিমা বাথরুমে যায়। ফিরে আসার পথে হঠাৎ রায়হানের সঙ্গে মুখোমুখি হয়। করিডোরে কেউ নেই। রায়হান তার দিকে তাকিয়ে বলে, “মেহরিমা...” তার গলা ভাঙা। “তুমি এলে।” মেহরিমা শক্ত হয়ে দাঁড়ায়। “কেন চলে গিয়েছিলে?” রায়হান মাথা নিচু করে। “আমি পারিনি... বলতে।” মেহরিমা রাগ করে বলে, “কোনো ব্যাখ্যা ছাড়া?” রায়হান তার হাত ধরতে যায়। মেহরিমা সরিয়ে নেয়। ঠিক তখন আদিয়ান এসে পৌঁছায়। রায়হান আদিয়ানের দিকে তাকায়। দুজনের চোখাচোখি হয়। মেহরিমা দেখে, তাদের মধ্যে একটা অদ্ভুত নীরবতা। যেন তারা একে অপরকে চেনে।

আদিয়ান শান্ত গলায় বলে, “রায়হান।” রায়হান মাথা নিচু করে। মেহরিমা অবাক হয়ে দুজনের দিকে তাকায়। “তোমরা...?” আদিয়ান তার হাত ধরে বলে, “পরে বলব। এখন চলো।”

অনুষ্ঠান শেষ হয়। রায়হানের বিয়ে সম্পন্ন হয়। মেহরিমা আর আদিয়ান গাড়িতে ফেরে। পথে মেহরিমা জিজ্ঞেস করে, “তুমি তাকে কীভাবে চেনো?” আদিয়ান স্টিয়ারিং ধরে বলে, “অনেক আগে। বিস্তারিত বাড়িতে।”

বাড়িতে পৌঁছে মেহরিমা অস্থির হয়ে পড়ে। আদিয়ান তাকে জড়িয়ে ধরে। মেহরিমা তার বুকে মুখ রাখে। আদিয়ান তার চুল এলোমেলো করে। ধীরে ধীরে তাদের শরীর কাছাকাছি আসে। আদিয়ান মেহরিমার ঠোঁট চুম্বন করে। গভীর করে। তার হাত মেহরিমার পিঠ বেয়ে নামে। মেহরিমা তার শার্ট খুলে ফেলে। আদিয়ানের বুকের চামড়ায় মুখ ঘষে। আদিয়ান তাকে তুলে বিছানায় নিয়ে যায়। মেহরিমার শাড়ি খুলে ফেলে। তার নগ্ন শরীরের উপর ঝুঁকে পড়ে। স্তন চুম্বন করে, জিহ্বা দিয়ে ঘষে। মেহরিমা আর্তনাদ করে। আদিয়ান তার পা দুটো আলাদা করে। মুখ নিচু করে তার গোপনাঙ্গ চুম্বন করে। মেহরিমা বিছানা চেপে ধরে। আদিয়ানের জিহ্বা তার ভেতর ঢোকে। মেহরিমা কেঁপে ওঠে। তারপর আদিয়ান উঠে তার উপর শুয়ে পড়ে। এক ঠেলায় ভেতর ঢুকে যায়। মেহরিমা চেঁচায়। আদিয়ান দ্রুত নড়তে থাকে। তাদের শরীরের শব্দ ঘরে প্রতিধ্বনিত হয়। মেহরিমা তার পিঠে নখ বসায়। আদিয়ান তার গলায় কামড় দেয়। শেষ পর্যন্ত তারা একসঙ্গে শেষ করে। মেহরিমা হাঁপাতে হাঁপাতে আদিয়ানের বুকে শুয়ে থাকে। আদিয়ান তার কানে ফিসফিসিয়ে বলে, “কাল সব বলব।”

মেহরিমা চোখ বন্ধ করে ভাবে, কালের কথা। রায়হানের ভাঙা চোখ, আদিয়ানের নীরবতা—সবকিছু মিলেমিশে এক অজানা রহস্য তৈরি করেছে।

পরের দিন সকালে আদিয়ান চা তৈরি করে মেহরিমার কাছে আসে। তারা বারান্দায় বসে। আদিয়ান গভীর নিঃশ্বাস নিয়ে বলে, “রায়হান আর আমি... একসময় খুব কাছের ছিলাম।” মেহরিমা চায়ের কাপ থামিয়ে তাকায়। আদিয়ান চালিয়ে যায়, “কলেজ জীবনে। তারপরও। আমরা... একে অপরকে ভালোবাসতাম।” মেহরিমার চোখ বড় হয়ে যায়। “কী বলছো?” আদিয়ান মাথা নাড়ে। “হ্যাঁ। শারীরিকভাবেও। অনেক রাত আমরা একসঙ্গে কাটিয়েছি। কিন্তু সমাজ, পরিবার—সবকিছু ভয় পেয়েছি। রায়হান একসময় বলেছিল, সে মেয়েদের সঙ্গেও সম্পর্ক রাখবে। আমিও চেষ্টা করেছি স্বাভাবিক হতে। তুমি যখন এলে আমার জীবনে, আমি ভেবেছিলাম হয়তো এবার সব ঠিক হবে।”

মেহরিমা শিউরে ওঠে। “তাহলে রায়হান আমাকে ছেড়ে গেল কেন?” আদিয়ান বলে, “কারণ সে জানত আমি তোমাকে বিয়ে করতে যাচ্ছি। সে পারছিল না দেখতে। তাই হঠাৎ চলে গেল। কোনো কথা না বলে।” মেহরিমার চোখে পানি আসে। “আর গতকাল?” আদিয়ান বলে, “গতকাল সে আমাকে দেখে ভেঙে পড়েছে। কারণ সে এখনো... আমাকে ভোলেনি।”

মেহরিমা উঠে দাঁড়ায়। ঘরের ভেতর হেঁটে বেড়ায়। আদিয়ান তার পেছনে যায়। মেহরিমা ঘুরে দাঁড়ায়। “তুমি আমাকে ভালোবাসো?” আদিয়ান তার হাত ধরে। “হ্যাঁ। তোমাকে আমি সত্যিই ভালোবাসি। রায়হানের সঙ্গে যা ছিল, সেটা অতীত। তুমি আমার বর্তমান।” মেহরিমা তার বুকে মাথা রাখে। আদিয়ান তাকে জড়িয়ে ধরে। ধীরে ধীরে তাদের শরীর কাছাকাছি আসে। আদিয়ান মেহরিমার ঠোঁট চুম্বন করে। গভীর, ক্ষুধার্ত। মেহরিমা তার জিহ্বা চুষে নেয়। আদিয়ান তাকে দেয়ালের সঙ্গে চেপে ধরে। মেহরিমার কামিজ উপরে তোলে। স্তন মুঠোয় নিয়ে চিপে ধরে। মেহরিমা আর্তনাদ করে। আদিয়ান তার প্যান্ট খুলে ফেলে। মেহরিমাও তার প্যান্ট খুলে দেয়। আদিয়ান তাকে তুলে নেয়। মেহরিমা পা জড়িয়ে ধরে। আদিয়ান দাঁড়িয়ে থেকেই তার ভেতর ঢুকে যায়। মেহরিমা চেঁচায়। দেয়ালে পিঠ লেগে যায়। আদিয়ান জোরে জোরে ধাক্কা দেয়। মেহরিমার স্তন তার মুখে। আদিয়ান কামড়ে ধরে। তাদের শরীর ঘামে ভিজে যায়। মেহরিমা তার চুল টানে। আদিয়ান আরও গভীরে যায়। শেষ পর্যন্ত মেহরিমা কেঁপে কেঁপে শেষ করে। আদিয়ানও তার ভেতর ঢেলে দেয়।

তারা মেঝেতে বসে পড়ে। হাঁপাচ্ছে। মেহরিমা আদিয়ানের বুকে মাথা রাখে। “রায়হান এখন কী করবে?” আদিয়ান বলে, “তার নিজের জীবন। আমাদের নিজেদের।” মেহরিমা তার হাত চেপে ধরে। “আমি তোমাকে হারাতে চাই না।” আদিয়ান তার কপালে চুম্বন করে। “হারবে না।”

সেই রাতে আবার তারা একসঙ্গে হয়। এবার আরও গভীর, আরও আবেগময়। আদিয়ান মেহরিমাকে চারপাশ থেকে জড়িয়ে ধরে। প্রতিটি স্পর্শ যেন প্রতিশ্রুতি। মেহরিমা তার নিচে শুয়ে চোখ খুলে রাখে। আদিয়ানের মুখ দেখে। রায়হানের স্মৃতি এখনও আছে, কিন্তু আর যন্ত্রণা দেয় না। আদিয়ানের শরীর তার ভেতর নড়তে থাকে। মেহরিমা তার কানে বলে, “আমি তোমাকে চাই।” আদিয়ান আরও জোরে ধাক্কা দেয়। তাদের আনন্দ এক হয়ে যায়। শেষে তারা একে অপরের বাহুতে ঘুমিয়ে পড়ে।

পরের কয়েক সপ্তাহে মেহরিমা আর আদিয়ান নতুন করে একে অপরকে আবিষ্কার করে। তাদের রাতগুলো দীর্ঘ হয়। কখনো রান্নাঘরে, কখনো বারান্দায়, কখনো বিছানায়—তারা থামে না। মেহরিমা আদিয়ানের উপর উঠে বসে। নিজে নিজে নড়ে। আদিয়ান তার কোমর ধরে সাহায্য করে। মেহরিমার চুল এলোমেলো হয়ে যায়। তার স্তন দুলতে থাকে। আদিয়ান উঠে বসে তাকে জড়িয়ে ধরে। একসঙ্গে শেষ করে।

একদিন রায়হান ফোন করে। মেহরিমা ধরে। রায়হান বলে, “আমি শুধু বলতে চেয়েছিলাম... দুঃখিত।” মেহরিমা শান্ত গলায় বলে, “আমিও। এখন আমরা সবাই নিজের জায়গায় আছি।” ফোন কেটে যায়। মেহরিমা আদিয়ানের দিকে তাকায়। আদিয়ান হেসে তার হাত ধরে। তারা একসঙ্গে বারান্দায় দাঁড়ায়। ঢাকার আকাশ পরিষ্কার। কোনো মেঘ নেই, কোনো বৃষ্টি নেই। শুধু দুজন মানুষ, যারা একে অপরকে বেছে নিয়েছে।

মেহরিমা আদিয়ানের বুকে মাথা রাখে। আদিয়ান তার চুল এলোমেলো করে। রাত নামে। তারা আবার একে অপরের কাছে যায়। এবার আর কোনো ছায়া নেই। শুধু দুজনের শরীর, দুজনের আনন্দ, দুজনের ভবিষ্যৎ।

....
👁 11