আমি যাকে ভুলে গিয়েছিলাম

বিয়ের পর নীলার নতুন জীবন শুরু হয়েছিল ঢাকার এক শান্ত আবাসিক এলাকায়। বাসাটা ছোট কিন্তু পরিপাটি। আরিয়ান প্রতিদিন সকালে উঠে চা বানিয়ে দিত, আর নীলা জানালার পাশে বসে তাকে দেখত। আরিয়ানের হাতের কাজ দেখে মনে হত সে যেন বহুদিন ধরে এই বাসায় আছে। নীলা কখনো কখনো অবাক হত।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

এক সকালে নীলা ইচ্ছা করেই চায়ে চিনি কম দিয়েছিল। আরিয়ান এক চুমুক নিয়েই হাসিমুখে বলল, “তুমি আজকাল চিনি কমাচ্ছ কেন? আগে তো দুই চামচ দিতে।” নীলা চমকে উঠল। সে কখনো আরিয়ানকে বলেনি যে সে চায়ে দুই চামচ চিনি খায়। আরিয়ান কেবল মাথা নাড়ল আর বলে চলল, “আমি জানি। তোমার মুখের অভিব্যক্তি দেখেই বোঝা যায়।”

নীলা সেদিন থেকে পরীক্ষা শুরু করল। দুপুরে সে আরিয়ানের পছন্দের মাছের তরকারি না বানিয়ে সবজির তরকারি বানাল। আরিয়ান থালায় হাত দিয়েই বলল, “তুমি আজ মাছ বাদ দিয়েছ। গতকাল রাতে তুমি বলেছিলে কাল মাছ খাবে। মনে নেই?” নীলার বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠল। সে মিথ্যা রাগ করে উঠে গেল ঘরে। আরিয়ান পিছু পিছু এসে তার কাঁধে হাত রাখল। হাতটা গরম, আঙুলগুলো আস্তে আস্তে নীলার ঘাড়ে ঘুরতে লাগল।

¦Ëk¢x/춺'ƒú

“রাগ করছ কেন?” আরিয়ানের গলাটা গম্ভীর হয়ে এল। “তুমি যখন রাগ করো, তোমার ডান ভুরুটা একটু উঁচু হয়। সেটা আমি জানি।” নীলা মুখ ফিরিয়ে দাঁড়াল। আরিয়ানের চোখের দিকে তাকাতে পারল না। সেই রাতে আরিয়ান তাকে বিছানায় টেনে নিল। নীলার শরীরটা কেঁপে উঠল যখন আরিয়ানের হাত তার কোমর ঘিরে ধরল। আরিয়ান তার কানে ফিসফিস করে বলল, “তুমি যখন নার্ভাস হও, তোমার হাতের তালু ঘামে। আজও ঘামছে।” নীলার শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল। আরিয়ান তার ঠোঁটে চুমু দিল, গভীর, লম্বা। নীলার হাত আরিয়ানের বুকের ওপর উঠে গেল। আরিয়ানের শরীরটা শক্ত, গরম। নীলা নিজেকে আটকাতে পারল না। আরিয়ান তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিয়ে কাঁধে চুমু খেল। নীলার শরীরটা আগুন হয়ে উঠল। আরিয়ান ধীরে ধীরে তার শরীরের প্রতিটা অংশ চিনে নিল যেন সে এসব আগেও করেছে। নীলা চোখ বন্ধ করে দিল। রাতটা কেটে গেল গভীর স্পর্শ আর নিঃশ্বাসের মধ্যে।

পরের দিন নীলা আবার পরীক্ষা নিল। সে আরিয়ানের পছন্দের জামাটা লুকিয়ে রাখল। আরিয়ান খুঁজে না পেয়ে সরাসরি নীলার আলমারির দিকে গেল। “তুমি লুকিয়েছ। তুমি যখন কিছু লুকাও, তোমার বাঁ হাতের আঙুলটা কাঁপে।” নীলা আর সহ্য করতে পারল না। সে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কীভাবে এত কিছু জানো? তুমি তো বলেছিলে আমাকে প্রথমবার দেখেছ বিয়ের সময়।”

আরিয়ান চুপ করে রইল কিছুক্ষণ। তারপর এসে নীলার হাত ধরল। “আমি জানি তোমার অনেক কিছু। কারণ আমি তোমাকে অনেকদিন ধরে দেখেছি। কিন্তু তুমি মনে রাখোনি।” নীলা বিশ্বাস করতে পারল না। সে আরিয়ানের হাত ছেড়ে দিল। রাতে আবার আরিয়ান তাকে কাছে টানল। নীলার শরীর প্রতিরোধ করতে চাইলেও আরিয়ানের স্পর্শের কাছে হার মানল। আরিয়ান তার গলায় চুমু খেতে খেতে বলল, “তুমি যখন আমার কাছে আসো, তোমার শরীরটা একটু কেঁপে ওঠে। সেটাও আমি জানি।” নীলার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ল। আরিয়ান সেই জল মুছে দিয়ে আরও গভীরভাবে তাকে জড়িয়ে ধরল। রাতভর তাদের শরীর মিলিত হল। নীলা অনুভব করল আরিয়ান যেন তার শরীরের প্রতিটা কোণা চেনে। সে আর প্রশ্ন করতে পারল না। কেবল আরিয়ানের বুকে মুখ লুকিয়ে রইল।

সপ্তাহ চলে গেল। নীলা প্রতিদিন নতুন করে পরীক্ষা নিল। কখনো খাবারের স্বাদ বদলাল, কখনো মিথ্যা কথা বলল, কখনো ইচ্ছা করেই দেরি করে ঘুম থেকে উঠল। আরিয়ান প্রতিবারই ধরে ফেলল। একদিন সন্ধ্যায় নীলা বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। আরিয়ান পিছন থেকে এসে তাকে জড়িয়ে ধরল। “তুমি যখন চিন্তিত হও, তোমার নাকের ডগাটা লাল হয়। আজও হয়েছে।” নীলা ঘুরে দাঁড়াল। আরিয়ানের চোখে গভীর কিছু দেখতে পেল। আরিয়ান তার ঠোঁটে চুমু দিল। এই চুমুটা আগের চেয়েও গভীর ছিল। নীলার হাত আরিয়ানের চুলের মধ্যে ঢুকে গেল। আরিয়ান তাকে তুলে নিয়ে ঘরে নিয়ে গেল। বিছানায় শুইয়ে শাড়ি খুলে দিল। নীলার শরীর আরিয়ানের হাতের নিচে কাঁপছিল। আরিয়ান তার বুকের ওপর চুমু খেতে খেতে বলল, “তুমি আমার। আমি তোমাকে চিনি। তুমি শুধু ভুলে গেছ।” নীলা আর কথা বলতে পারল না। কেবল আরিয়ানের শরীরের উষ্ণতায় নিজেকে হারিয়ে ফেলল। রাতটা কেটে গেল আবেগ আর স্পর্শের ঢেউয়ে। নীলা বুঝতে পারল আরিয়ান সত্যিই তাকে চেনে। কিন্তু কীভাবে—সেটা এখনো অজানা।

নীলা আর চুপ থাকতে পারল না। এক সকালে সে সরাসরি জিজ্ঞেস করল, “তুমি আমাকে আগে থেকে চিনতে? কখন থেকে?” আরিয়ান চায়ের কাপ হাতে নিয়ে বসল। “অনেক আগে থেকে। তুমি যখন কলেজে পড়তে, আমি তোমাকে দেখেছি। তুমি তখন মনে রাখোনি।” নীলা বিশ্বাস করতে পারল না। সে কলেজের কথা মনে করার চেষ্টা করল। কিছুই মনে পড়ল না। আরিয়ান তার হাত ধরে বলল, “তুমি একবার রাস্তায় হোঁচট খেয়েছিলে। আমি তোমাকে ধরেছিলাম। তোমার হাতের তালুতে তখনও ঘাম ছিল।” নীলার শরীরটা শিরশির করে উঠল। সেই স্মৃতিটা ধোঁয়াশা হয়ে এল মনে।

সেদিন দুপুরে নীলা ইচ্ছা করেই আরিয়ানের প্রিয় খাবার বাদ দিয়ে অন্য কিছু বানাল। আরিয়ান এসেই বলল, “তুমি আজ আমার প্রিয় খাবার বাদ দিয়েছ। তুমি যখন পরীক্ষা নাও, তোমার চোখের পাতা একটু কাঁপে।” নীলা রাগ করে উঠে গেল। আরিয়ান পিছু পিছু এসে তাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরল। নীলার শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল। আরিয়ান তার গলায় মুখ রেখে বলল, “রাগ করো না। আমি তোমাকে চিনি বলেই তুমি এত রাগ করছ।” নীলার হাত আরিয়ানের বুকের ওপর উঠে গেল। আরিয়ান তার ঠোঁট চেপে ধরল। চুমুটা উগ্র হয়ে উঠল। নীলা প্রতিরোধ করতে চাইলেও আরিয়ানের শরীরের চাপের কাছে হার মানল। আরিয়ান তার শাড়ি সরিয়ে দিয়ে কোমরে হাত রাখল। নীলার শরীর আগুন হয়ে উঠল। আরিয়ান তাকে তুলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল। ধীরে ধীরে পোশাক খুলতে লাগল। নীলার চোখ বন্ধ হয়ে এল। আরিয়ান তার শরীরের প্রতিটা অংশে চুমু খেল। নীলা আর নিজেকে আটকাতে পারল না। তাদের শরীর মিলিত হল। আরিয়ানের গতি ছিল নিয়ন্ত্রিত কিন্তু গভীর। নীলা আরিয়ানের পিঠে নখ বসিয়ে দিল। রাতভর তারা এভাবেই কাটাল। নীলা অনুভব করল আরিয়ান যেন তার শরীরের প্রতিটা প্রতিক্রিয়া আগে থেকেই জানে।

পরের কয়েকদিন নীলা আরও গভীরভাবে পরীক্ষা নিল। সে আরিয়ানের সামনে মিথ্যা কথা বলল তার পছন্দের গান নিয়ে। আরিয়ান হেসে বলল, “তুমি মিথ্যা বলছ। তোমার প্রিয় গানটা আমি জানি। তুমি যখন সেই গান শোনো, তোমার আঙুলটা টেবিলে বাজায়।” নীলা অবাক হয়ে তাকাল। আরিয়ান সত্যিই জানে। সেদিন সন্ধ্যায় আরিয়ান তাকে বারান্দায় নিয়ে গেল। নীলার কোমরে হাত রেখে বলল, “তুমি আমাকে বিশ্বাস করো। আমি তোমাকে কখনো ছেড়ে যাব না।” নীলা ঘুরে দাঁড়াল। আরিয়ানের চোখে গভীর আবেগ দেখতে পেল। আরিয়ান তাকে জড়িয়ে ধরল। নীলার শরীর আরিয়ানের শরীরের সাথে মিশে গেল। আরিয়ান তার কানে ফিসফিস করে বলল, “তুমি যখন আমার কাছে আসো, তোমার হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়। আজও হচ্ছে।” নীলা আর কথা বলতে পারল না। আরিয়ান তাকে ঘরে নিয়ে গেল। বিছানায় শুইয়ে ধীরে ধীরে পোশাক খুলতে লাগল। নীলার শরীর কাঁপছিল। আরিয়ান তার বুকের ওপর চুমু খেতে খেতে নীচের দিকে নামল। নীলা আর সহ্য করতে পারল না। সে আরিয়ানের চুল ধরে টানল। তাদের মিলন হল আরও গভীরভাবে। আরিয়ান নীলার শরীরের প্রতিটা প্রতিক্রিয়া পড়তে পারছিল। নীলা অনুভব করল সে যেন আরিয়ানের কাছে সম্পূর্ণ খুলে যাচ্ছে। রাতটা কেটে গেল আবেগের ঢেউয়ে। নীলা আরিয়ানের বুকে মুখ রেখে শুয়ে রইল। আরিয়ান তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “তুমি আমার। আমি তোমাকে অনেকদিন ধরে চেয়েছি।”

নীলা মনে করার চেষ্টা করল। কলেজের দিনগুলো। একবার রাস্তায় কেউ তাকে ধরেছিল হোঁচট খাওয়ার সময়। সেই হাতটা কি আরিয়ানের ছিল? স্মৃতিটা ধোঁয়াশা। আরিয়ান প্রতিদিন তাকে আরও কাছে টেনে নিত। একদিন নীলা ইচ্ছা করেই আরিয়ানের সাথে ঝগড়া করল। আরিয়ান চুপচাপ শুনল। তারপর এসে নীলার হাত ধরে বলল, “তুমি যখন ঝগড়া করো, তোমার গলাটা একটু কাঁপে। সেটা আমি জানি।” নীলা আর রাগ ধরে রাখতে পারল না। আরিয়ান তাকে জড়িয়ে ধরল। নীলার শরীর আরিয়ানের শরীরের সাথে মিশে গেল। আরিয়ান তাকে বিছানায় নিয়ে গেল। এইবার তাদের মিলন আরও উগ্র হল। আরিয়ান নীলার শরীরের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল। নীলা আরিয়ানের নাম ধরে ডাকল। রাতভর তারা এভাবেই কাটাল। নীলা বুঝতে পারল আরিয়ান সত্যিই তাকে অনেকদিন ধরে চেনে। কিন্তু কেন সে মনে রাখেনি—সেটা এখনো রহস্য।

এক রাতে নীলা ঘুমোতে পারছিল না। আরিয়ান পাশে শুয়ে ছিল। নীলা তাকে জাগিয়ে বলল, “সব খুলে বলো। কখন থেকে তুমি আমাকে চেনো?” আরিয়ান উঠে বসল। তার চোখে গভীর কিছু দেখা গেল। “তুমি যখন কলেজের প্রথম বছরে ছিলে, আমি তোমার পাশের বাসায় থাকতাম। তুমি প্রতিদিন সকালে বারান্দায় দাঁড়িয়ে চা খেতে। আমি তোমাকে দেখতাম। একদিন তুমি রাস্তায় হোঁচট খেয়েছিলে। আমি তোমাকে ধরেছিলাম। তোমার হাতের তালুতে ঘাম ছিল। তুমি তখন হেসে বলেছিলে ধন্যবাদ। তারপর তুমি চলে গেলে। আমি তোমাকে আর দেখতে পাইনি। কিন্তু তোমার সব অভ্যাস মনে রেখেছিলাম। তোমার চায়ের অভ্যাস, তোমার রাগের ধরন, তোমার হাসি। অনেক বছর পর যখন বিয়ের প্রস্তাব এল, আমি জানতাম তুমিই সেই মেয়ে। কিন্তু তুমি মনে রাখোনি। তাই আমি চুপ করে ছিলাম।”

নীলার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। স্মৃতিটা আস্তে আস্তে ফিরে এল। সেই হাত, সেই গলা। সে আরিয়ানের বুকে মুখ লুকিয়ে কাঁদল। আরিয়ান তাকে জড়িয়ে ধরল। “আমি তোমাকে কখনো ছেড়ে যাইনি। তুমি শুধু ভুলে গিয়েছিলে।” নীলা মুখ তুলে আরিয়ানের চোখের দিকে তাকাল। আরিয়ান তার ঠোঁটে চুমু দিল। এই চুমুটা আগের সব চুমুর চেয়েও গভীর ছিল। নীলা আরিয়ানের গলায় হাত রাখল। আরিয়ান তাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। ধীরে ধীরে পোশাক খুলতে লাগল। নীলার শরীর এবার সম্পূর্ণভাবে আরিয়ানের হাতে সঁপে দিল। আরিয়ান তার শরীরের প্রতিটা অংশে চুমু খেল। নীলা আরিয়ানের নাম ধরে ডাকল। তাদের মিলন হল আরও গভীরভাবে। আরিয়ান নীলার শরীরের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল। নীলা অনুভব করল সে যেন আরিয়ানের কাছে সম্পূর্ণ পরিচিত। রাতভর তারা এভাবেই কাটাল। নীলা আরিয়ানের বুকে মুখ রেখে শুয়ে রইল। আরিয়ান তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “এবার তুমি মনে রেখো। আমি তোমাকে কখনো ভুলিনি।”

পরের দিনগুলোতে নীলা আর পরীক্ষা নিল না। সে আরিয়ানের প্রতিটা স্পর্শ উপভোগ করতে লাগল। এক সন্ধ্যায় আরিয়ান তাকে বারান্দায় নিয়ে গেল। নীলার কোমরে হাত রেখে বলল, “তুমি এখন আমার। পুরোপুরি।” নীলা ঘুরে দাঁড়াল। আরিয়ানের চোখে গভীর ভালোবাসা দেখতে পেল। আরিয়ান তাকে জড়িয়ে ধরল। নীলার শরীর আরিয়ানের শরীরের সাথে মিশে গেল। আরিয়ান তাকে ঘরে নিয়ে গেল। বিছানায় শুইয়ে ধীরে ধীরে পোশাক খুলতে লাগল। নীলার শরীর কাঁপছিল। আরিয়ান তার বুকের ওপর চুমু খেতে খেতে নীচের দিকে নামল। নীলা আর সহ্য করতে পারল না। সে আরিয়ানের চুল ধরে টানল। তাদের মিলন হল আরও উগ্রভাবে। আরিয়ান নীলার শরীরের প্রতিটা প্রতিক্রিয়া পড়তে পারছিল। নীলা আরিয়ানের পিঠে নখ বসিয়ে দিল। রাতটা কেটে গেল আবেগের ঢেউয়ে। নীলা বুঝতে পারল আরিয়ান সত্যিই তাকে অনেকদিন ধরে চেনে। আর এবার সেও মনে রেখেছে।

মাস চলে গেল। নীলা আর আরিয়ানের সম্পর্ক আরও গভীর হল। প্রতি রাতে আরিয়ান তাকে জড়িয়ে ধরত। নীলা আরিয়ানের বুকে মুখ রেখে ঘুমাত। একদিন সকালে নীলা আরিয়ানকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কেন চুপ করে ছিলে এতদিন?” আরিয়ান হেসে বলল, “কারণ আমি চেয়েছিলাম তুমি নিজে থেকে মনে রাখো। আর তুমি মনে রেখেছ।” নীলা আরিয়ানের গলায় হাত রাখল। আরিয়ান তাকে টেনে নিয়ে চুমু দিল। এই চুমুটা শান্ত কিন্তু গভীর ছিল। নীলা আরিয়ানের শরীরের উষ্ণতায় নিজেকে হারিয়ে ফেলল। আরিয়ান তাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। ধীরে ধীরে তাদের শরীর মিলিত হল। নীলা অনুভব করল সে যেন আরিয়ানের কাছে সম্পূর্ণ নিরাপদ। রাতভর তারা এভাবেই কাটাল। নীলা আরিয়ানের বুকে মুখ রেখে বলল, “আমি আর ভুলব না।” আরিয়ান তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “আমিও তোমাকে কখনো ভুলব না।”

তাদের জীবন এভাবেই চলতে লাগল। নীলা আর পরীক্ষা নেয় না। সে আরিয়ানের প্রতিটা অভ্যাস চেনে। আরিয়ানও নীলার প্রতিটা অভ্যাস চেনে। রাতে যখন আরিয়ান তাকে জড়িয়ে ধরে, নীলা অনুভব করে সে যেন বহুদিনের পরিচিত কারো কাছে এসেছে। তাদের ভালোবাসা গভীর হয়ে ওঠে প্রতিটা স্পর্শে, প্রতিটা চুমুতে, প্রতিটা নিঃশ্বাসে। নীলা জানে আরিয়ান তাকে প্রথমবার দেখেনি। আর আরিয়ান জানে নীলা এবার আর ভুলবে না। তাদের গল্প এভাবেই চলতে থাকে—স্মৃতি আর ভালোবাসার মধ্যে।

....
👁 14