বউয়ের জেদে স্বামীর পরিবর্তন

সামিহা আর ফারহানের বিয়ে হয়েছিল দুই পরিবারের পূর্ণ সম্মতিতে। ঢাকার উত্তরায় ছোট একটা ফ্ল্যাটে তাদের নতুন জীবন শুরু। ফারহান ব্যাংকে চাকরি করে, সকাল নয়টার আগেই বেরিয়ে যায়, রাত নয়টার আগে বাড়ি ফেরে না। সামিহা ঘরে থাকে। রান্না করে, ঘর সাজায়, টেলিভিশন দেখে, মাঝে মাঝে বই পড়ে। কিন্তু ফারহানের সঙ্গে তার দূরত্ব যেন দিন দিন বাড়তেই থাকে।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

ফারহান ভদ্র। কখনো চিৎকার করে না, কখনো রুক্ষ কথা বলে না। খাবার টেবিলে বসে শান্ত গলায় জিজ্ঞাসা করে, “খাওয়া হয়েছে?” সামিহা মাথা নাড়ে। তারপর দুজনে চুপচাপ খায়। রাতে বিছানায় পাশাপাশি শুয়েও ফারহান মোবাইল স্ক্রল করে, সামিহা সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে। কোনো স্পর্শ নেই, কোনো গভীর কথা নেই। যেন তারা একই ছাদের নিচে থাকা দুজন অপরিচিত মানুষ।

প্রথম কয়েক মাস সামিহা এটা মেনে নিয়েছিল। ভাবত, হয়তো সময় লাগবে। ফারহান হয়তো ধীরে ধীরে কাছাকাছি আসবে। কিন্তু ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। সামিহার ভেতরটা কেমন যেন খালি হয়ে যেতে লাগল। রাতে ফারহান ঘুমিয়ে পড়লে সে তার দিকে তাকিয়ে থাকত। সুন্দর মুখ, শান্ত চোখ, ঠোঁটের রেখা। কিন্তু সেই মুখ তার দিকে কখনো তীব্র আবেগ নিয়ে তাকায় না।

¦Ëk¢x/춺'ƒú

ধীরে ধীরে বিরক্তি জন্ম নিল। একদিন সকালে ফারহান অফিসে যাওয়ার আগে টাই বাঁধছিল। সামিহা পেছন থেকে এসে হালকা করে টাইয়ের গিঁট এলোমেলো করে দিল। ফারহান আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বুঝতে পারল না। বাইরে গিয়ে গাড়িতে উঠে আয়নায় দেখে টাই বাঁকা। সে মুচকি হেসে ফোন করল, “তুমি করেছ?” সামিহা হাসতে হাসতে বলল, “হ্যাঁ। একটু মজা।” ফারহান কিছু বলল না। শুধু বলল, “ঠিক আছে।”

সেদিন থেকে সামিহার দুষ্টুমি শুরু। ফারহানের প্রিয় ডিমভাজি সে লুকিয়ে রাখত। ফারহান খুঁজে না পেয়ে রান্নাঘরে এসে জিজ্ঞাসা করত। সামিহা নিরীহ মুখে বলত, “আমি তো রেখেছিলাম।” পরে ফ্রিজের পেছনে বা আলমারির তলায় সেটা পাওয়া যেত। ফারহান বাইরে রাগ দেখাত। “এভাবে করো না,” বলত। কিন্তু তার চোখে একটা হালকা হাসি থাকত। সামিহা সেটা লক্ষ্য করত।

এক সপ্তাহ পর সামিহা আরও এক ধাপ এগোল। ফারহানের অফিসের ব্যাগ থেকে তার চার্জার লুকিয়ে রাখল। ফারহান বাড়ি ফিরে খুঁজতে খুঁজতে বিরক্ত হয়ে উঠল। “সামিহা, এটা কী?” সামিহা হাসতে হাসতে বলল, “আমি জানি না।” ফারহান তার দিকে তাকাল। প্রথমবার তার চোখে একটা তীব্রতা দেখা গেল। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে সেটা মিলিয়ে গেল। সে শুধু বলল, “আর করো না।”

সামিহার ভেতরটা আরও অস্থির হয়ে উঠল। সে চায় ফারহান রাগ করুক, চিৎকার করুক, তাকে ধরে রাখুক। কিন্তু ফারহান শান্তই থাকে। রাতে বিছানায় শুয়ে সামিহা একদিন তার হাত স্পর্শ করল। ফারহান হাত সরিয়ে নিল না, কিন্তু কোনো সাড়াও দিল না। সামিহা মনে মনে বলল, “তুমি কেন এমন?”

পরের দিন সকালে সামিহা ফারহানের শার্টের বোতাম খুলে রাখল। ফারহান পরতে গিয়ে দেখল। সে সামিহার দিকে তাকাল। সামিহা রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে চা তৈরি করছিল। ফারহান এসে পেছন থেকে তার কোমরে হাত রাখল। প্রথমবার। সামিহার শরীর শিউরে উঠল। ফারহান নিচু গলায় বলল, “তুমি আমাকে জ্বালাচ্ছ।” সামিহা পেছন ফিরে তাকাল। তাদের চোখাচোখি হল। ফারহানের চোখে কিছু একটা জ্বলছিল। কিন্তু সে মুহূর্তের মধ্যে হাত সরিয়ে নিল। “আমি যাচ্ছি,” বলে বেরিয়ে গেল।

সামিহা সেদিন সারাদিন অস্থির ছিল। তার শরীরে ফারহানের হাতের উষ্ণতা লেগে ছিল। সে চায় আরও। সে চায় ফারহান তাকে জড়িয়ে ধরুক, তার ঠোঁটে চুমু খাক, তাকে ভেঙে ফেলুক। কিন্তু ফারহান ফিরে এসেও আগের মতোই শান্ত। রাতের খাবারের সময় সামিহা ইচ্ছা করে তার প্লেটে কম ভাত দিল। ফারহান লক্ষ্য করল। “আর দাও,” বলল। সামিহা হাসল। “না। তুমি ওজন কমাও।” ফারহান তার দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। তারপর নিজেই ভাত নিয়ে নিল।

সামিহার মনে হল, ফারহান ভেতরে ভেতরে তার দুষ্টুমিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। সে রাগ দেখায়, কিন্তু আসলে উপভোগ করে। এই চিন্তা সামিহার ভেতরটা আরও গরম করে তুলল। সে ঠিক করল, আরও একটু এগোবে।

এক সন্ধ্যায় ফারহান বাড়ি ফিরে দেখল, সামিহা তার প্রিয় চেয়ারে বসে আছে। চেয়ারটা ফারহানের। সামিহা জেনে শুনেই সেখানে বসেছে। ফারহান এসে সামনে দাঁড়াল। “উঠো,” বলল। সামিহা মাথা নাড়ল। “না।” ফারহান তার হাত ধরে টানল। সামিহা উঠল না। ফারহান আরও জোরে টানল। সামিহা তার হাত ধরে রেখে উঠে দাঁড়াল। তাদের শরীর প্রায় স্পর্শ করল। ফারহানের শ্বাস গভীর হয়ে গেল। সামিহা তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি আমাকে চাও না?”

ফারহান চুপ করে থাকল। তার হাত সামিহার কোমরে ছিল। সে হাত সরায়নি। সামিহার হৃদয় দ্রুত বাজছিল। ফারহান নিচু গলায় বলল, “চাই।” তারপর হাত সরিয়ে নিল। “কিন্তু এখন নয়।”

সামিহা হতাশ হয়ে ঘরের অন্য প্রান্তে চলে গেল। রাতে বিছানায় শুয়ে সে ফারহানের দিকে পিঠ দিয়ে শুয়ে রইল। ফারহান তার কাঁধে হাত রাখল। “রাগ করেছ?” সামিহা কোনো উত্তর দিল না। ফারহান তার কাঁধে চুমু খেল। হালকা। সামিহার শরীর কেঁপে উঠল। কিন্তু সে ঘুরে তাকাল না।

পরের কয়েকদিন সামিহা আরও দুষ্টুমি করল। ফারহানের মোবাইল লুকিয়ে রাখল। তার জুতার ফিতা খুলে দিল। অফিসে যাওয়ার আগে তার শার্টের কলার ভাঁজ করে রাখল। ফারহান প্রতিবারই রাগ দেখাত, কিন্তু তার চোখে হাসি থাকত। সামিহা বুঝতে পারছিল, ফারহান তার এই খেলা উপভোগ করছে। কিন্তু সে এখনো দূরত্ব বজায় রেখেছে।

এক রাত সামিহা আর সহ্য করতে পারল না। ফারহান ঘুমিয়ে পড়লে সে তার বুকে মাথা রেখে শুয়ে রইল। ফারহানের হাত স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার পিঠে চলে গেল। সামিহা চোখ বন্ধ করে সেই স্পর্শ অনুভব করল। তার মনে হল, এই মানুষটা তার। কিন্তু সে এখনো পুরোপুরি তার হয়নি।

সামিহা সিদ্ধান্ত নিল, আর একটু চাপ দেবে। সে জানে, ফারহান শান্ত। কিন্তু সে চায় ফারহান তার নিয়ন্ত্রণ হারাক। সে চায় ফারহান তাকে জোর করে ধরুক, তাকে চুমু খাক, তাকে ভালোবাসুক এমনভাবে যেন পৃথিবীতে আর কিছু নেই।

পরের সকালে সামিহা ফারহানের কফি তৈরি করে দিল। কফিতে ইচ্ছা করে একটু বেশি চিনি দিয়ে দিল। ফারহান চুমুক দিয়ে মুখ বিকৃত করল। “এটা কী?” সামিহা হাসল। “ভুল হয়েছে।” ফারহান তার দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি আমাকে পাগল করছ।” সামিহা কাছে গিয়ে তার গালে হাত রাখল। “তাহলে পাগল হও।”

ফারহান তার হাত ধরে নামিয়ে দিল। “পরে।” বলে সে বেরিয়ে গেল। সামিহা জানলার কাছে দাঁড়িয়ে তার গাড়ি চলে যেতে দেখল। তার চোখে জল এসে গেল। সে জানে না কেন। হয়তো হতাশায়। হয়তো আকাঙ্ক্ষায়।

সেদিন সারাদিন সামিহা অস্থির ছিল। সে ভাবল, ফারহান যদি এভাবেই থাকে, তাহলে তাদের বিয়ে অর্থহীন। সে চায় উত্তাপ। সে চায় আবেগ। সে চায় ফারহানের হাত তার শরীরে। সে চায় তার ঠোঁট। সে চায় তার শ্বাস তার গলায়।

সন্ধ্যায় ফারহান বাড়ি ফিরল। সামিহা দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল। ফারহান তাকে দেখে থমকে গেল। সামিহার চোখে কিছু একটা ছিল। ফারহান জিজ্ঞাসা করল, “কী হয়েছে?” সামিহা সোজাসুজি বলল, “তুমি যদি এভাবেই দূরত্ব রাখো, তাহলে আমি অন্য কাউকে বিয়ে করব।”

কথাটা বেরিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরের বাতাস ভারী হয়ে গেল। ফারহানের মুখ শক্ত হয়ে গেল। তার চোখ সামিহার চোখের সঙ্গে মিলিত হল। প্রথমবার সামিহা তার চোখে এমন তীব্রতা দেখল। ফারহান এক ধাপ এগোল। “কী বললে?” তার গলা কম্পিত।

সামিহা পিছু হটল না। “শুনেছ। তুমি যদি আমাকে চাও না, তাহলে আমি অন্য কেউ খুঁজব।”

ফারহান আর এক ধাপ এগোল। তার হাত সামিহার কোমরে গিয়ে পড়ল। জোরে। সামিহার শ্বাস আটকে গেল। ফারহান তার মুখের কাছে এসে নিচু গলায় বলল, “আর কখনো এমন কথা বলো না।” তার চোখে রাগ আর কিছু একটা মেশানো। সামিহা তার ঠোঁটের দিকে তাকাল। ফারহানের শ্বাস তার মুখে লাগছিল।

সামিহার হৃদয় দ্রুত বাজছিল। সে জানত, আজ কিছু একটা পরিবর্তন হতে চলেছে। ফারহান প্রথমবার নিজের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। আর সামিহা সেটা চায়। সে চায় ফারহান তাকে ভেঙে ফেলুক।

ফারহানের হাত সামিহার কোমরে শক্ত হয়ে আটকে ছিল। তার আঙুলগুলো সামিহার পোশাকের ওপর দিয়ে চাপ দিচ্ছিল। সামিহার শরীর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। ফারহান তার মুখের একেবারে কাছে। তার চোখ লালচে। “তুমি কী বললে আমাকে?” তার গলা ভাঙা ভাঙা।

সামিহা সাহস করে বলল, “শুনেছ। তুমি যদি আমাকে এভাবে দূরে রাখো, তাহলে—”

ফারহান তার কথা কেটে দিল। তার ঠোঁট সামিহার ঠোঁটে এসে পড়ল। জোরে। হঠাৎ। সামিহার চোখ বড় হয়ে গেল। ফারহানের চুমুতে কোনো নম্রতা ছিল না। সে যেন ক্ষুধার্ত। তার জিভ সামিহার ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে ঢুকে গেল। সামিহার হাঁটু দুর্বল হয়ে গেল। সে ফারহানের শার্টের সামনের অংশ মুঠো করে ধরল।

ফারহান তাকে দেয়ালের দিকে ঠেলে দিল। সামিহার পিঠ দেয়ালে লাগল। ফারহানের এক হাত তার কোমরে, অন্য হাত তার চুলে। সে চুমু খেতে খেতে সামিহার ঠোঁট কামড়ে ধরল। সামিহা গোঙাল। শব্দটা ফারহানের শরীরে বিদ্যুৎ সঞ্চার করল। সে আরও জোরে চুমু খেল। তার শরীর সামিহার শরীরের সঙ্গে চেপে গেল। সামিহা তার উত্তাপ অনুভব করল। ফারহানের শক্ত হয়ে ওঠা অংশ তার পেটের ওপর চাপ দিচ্ছিল।

সামিহার হাত ফারহানের পিঠে উঠে গেল। সে তার শার্টের ভেতর ঢুকিয়ে ত্বক স্পর্শ করল। গরম। ফারহান তার ঠোঁট ছেড়ে তার গলায় চুমু খেল। কামড় দিল। সামিহা মাথা পেছনে ফেলল। “ফারহান…” তার গলা ভারী।

ফারহান তার কানে ফিসফিস করে বলল, “তুমি অন্য কাউকে বিয়ে করবে? আমাকে বলেছ?” তার দাঁত সামিহার কানের নিচে কামড় দিল। সামিহা কেঁপে উঠল। ফারহানের হাত তার পোশাকের নিচে ঢুকে গেল। সে সরাসরি সামিহার ত্বক স্পর্শ করল। কোমর থেকে উপরে উঠতে লাগল। সামিহার স্তনের নিচ পর্যন্ত। তার আঙুলগুলো ঘষে ঘষে উঠল।

সামিহা আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিল না। ফারহান তাকে তুলে নিয়ে সোফায় শুইয়ে দিল। সে তার ওপর ঝুঁকে পড়ল। শার্টের বোতামগুলো একটার পর একটা খুলতে লাগল। সামিহা তার হাত ধরে সাহায্য করল। ফারহানের বুক উন্মোচিত হল। সামিহা তার হাত রেখে দিয়ে আঙুল দিয়ে ঘষল। ফারহানের পেশীগুলো শক্ত হয়ে উঠল।

ফারহান সামিহার পোশাক উপরে তুলে দিল। তার ব্রা দেখে চোখ বড় হয়ে গেল। সে ব্রা খুলে ফেলল। সামিহার স্তন বেরিয়ে এল। ফারহান এক মুহূর্ত তাকিয়ে থাকল। তারপর মাথা নামিয়ে একটা স্তন মুখে নিয়ে নিল। জিভ দিয়ে ঘষল, চুষল, কামড় দিল। সামিহা পিঠ বেঁকিয়ে উঠল। “আহ… ফারহান…” তার হাত ফারহানের চুলে গিয়ে পড়ল।

ফারহান অন্য স্তনেও একই কাজ করল। তার হাত নিচে নেমে সামিহার প্যান্টের বোতাম খুলল। জিপার নামিয়ে প্যান্ট খুলে ফেলল। সামিহা শুধু প্যান্টি পরে ছিল। ফারহান সেটাও খুলে দিল। সামিহা সম্পূর্ণ উন্মোচিত। ফারহান তার দুই পা আলাদা করে তার মাঝখানে মাথা নামিয়ে দিল।

সামিহার চোখ বন্ধ হয়ে গেল। ফারহানের জিভ তার সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গায় লেগে গেল। সে ধীরে ধীরে চাটতে লাগল। তারপর গতি বাড়াল। সামিহার পা কাঁপছিল। সে ফারহানের চুল মুঠো করে ধরে টানল। “আর… আর করো না থামো…” কিন্তু ফারহান থামল না। সে দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিল। সামিহা চিৎকার করে উঠল। তার শরীর কেঁপে কেঁপে উঠল। একটা তীব্র তরঙ্গ তার ভেতর দিয়ে বয়ে গেল। সে শেষ হয়ে গেল ফারহানের মুখের ওপর।

ফারহান উঠে এসে তার ঠোঁটে চুমু খেল। সামিহা নিজের স্বাদ পেল। ফারহান তার প্যান্ট খুলে ফেলল। তার শক্ত অংশ বেরিয়ে এল। সামিহা হাত বাড়িয়ে সেটা ধরল। বড়। উত্তপ্ত। সে মুঠো করে উপরে নিচে করল। ফারহান দাঁত কামড়ে ধরল। “সামিহা…” তার গলা ভাঙা।

সে সামিহার পা দুটো তার কাঁধে তুলে নিল। তারপর ধীরে ধীরে ঢুকতে শুরু করল। সামিহার ভেতরটা পূর্ণ হয়ে গেল। ফারহান পুরোপুরি ঢুকে গিয়ে থেমে থাকল। তাদের চোখাচোখি হল। ফারহানের চোখে আর কোনো দূরত্ব ছিল না। শুধু আগুন।

সে নড়তে শুরু করল। ধীরে। তারপর দ্রুত। সোফা কেঁপে উঠল। সামিহার স্তন দুলছিল। ফারহান এক হাত দিয়ে সেটা চেপে ধরল। অন্য হাত দিয়ে সামিহার কোমর ধরে জোরে ঠেলতে লাগল। প্রতিটা ধাক্কায় সামিহার মুখ থেকে শব্দ বেরোচ্ছিল। “হ্যাঁ… আরও… জোরে…”

ফারহান তার কথা শুনে আরও বেগে নড়ল। তার কপালে ঘাম। সামিহার নখ তার পিঠে বিঁধে গেল। ফারহান সামিহার গলায় কামড় দিয়ে ধরল। সামিহা আবার শেষ হয়ে গেল। তার ভেতরটা সংকুচিত হয়ে ফারহানকে চেপে ধরল। ফারহানও আর ধরে রাখতে পারল না। সে গভীরে ঢুকে গিয়ে নিজের উষ্ণতা ঢেলে দিল। তার শরীর কেঁপে উঠল। সে সামিহার ওপর ভর দিয়ে পড়ল।

দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে রইল। ফারহানের মুখ সামিহার গলায়। তার শ্বাস গরম। সামিহা তার চুল আঙুল দিয়ে আঁচড়াল। ফারহান উঠে তার চোখের দিকে তাকাল। “আর কখনো এমন কথা বলো না,” সে আবার বলল। এবার গলা নরম। “তুমি আমার।”

সামিহা হাসল। “তাহলে প্রমাণ করো।”

ফারহান আবার তার ঠোঁটে চুমু খেল। এবার ধীরে। গভীরভাবে। তার হাত সামিহার শরীরে ঘুরতে লাগল। স্তন, কোমর, উরু। সে আবার শক্ত হয়ে উঠছিল। সামিহা অনুভব করল। সে ফারহানের হাত ধরে নিজের ভেতরে নিয়ে গেল। “আবার।”

ফারহান তাকে উল্টে দিল। সামিহা হাঁটু গেড়ে সোফায় ভর দিল। ফারহান পেছন থেকে ঢুকে গেল। এবার আরও গভীর। সে সামিহার চুল মুঠো করে টানল। অন্য হাত দিয়ে তার স্তন চেপে ধরল। প্রতিটা ধাক্কায় সামিহার শরীর এগোচ্ছিল। ফারহানের কোমরের শব্দ ঘরে বাজছিল। সামিহা চিৎকার করে উঠল। ফারহান তার গলায় হাত দিয়ে মুখ বন্ধ করে দিল। “চুপ করো। প্রতিবেশী শুনবে।” কিন্তু তার নিজের গলাও ভারী হয়ে গিয়েছিল।

সে আরও জোরে ঠেলল। সামিহার শরীর আবার কেঁপে উঠল। ফারহানও তার সঙ্গে শেষ হল। এবার আরও তীব্রভাবে। সে সামিহার পিঠে ভর দিয়ে পড়ল। তাদের ঘাম মিশে গিয়েছিল।

পরে তারা মেঝেতে শুয়ে রইল। ফারহান সামিহাকে বুকে জড়িয়ে ধরেছিল। সামিহা তার বুকের ওপর হাত রেখে শুনছিল তার হৃদয়ের শব্দ। ফারহান তার মাথায় চুমু খেল। “আমি তোমাকে চেয়েছিলাম। প্রথম দিন থেকে। কিন্তু ভয় পেয়েছিলাম। ভয় পেয়েছিলাম যদি আমি নিয়ন্ত্রণ হারাই, তাহলে তোমাকে আঘাত করব।”

সামিহা উঠে তার মুখের দিকে তাকাল। “আমাকে আঘাত করো। আমি চাই।”

ফারহান হাসল। প্রথমবার সত্যিকারের হাসি। সে সামিহাকে তুলে নিয়ে শোবার ঘরে নিয়ে গেল। বিছানায় শুইয়ে আবার শুরু করল। এবার আরও ধীরে। প্রতিটা স্পর্শ, প্রতিটা চুমু গভীর। সে সামিহার প্রতিটা অংশ চুম্বন করল। পেট, উরু, পায়ের গোড়ালি। সামিহা কেঁপে উঠছিল। ফারহান আবার তার ভেতরে ঢুকল। এবার মুখোমুখি। তাদের চোখ মিলিত। ফারহান ধীরে নড়ছিল। সামিহার হাত তার পিঠে। তাদের শ্বাস মিশে যাচ্ছিল।

ফারহান সামিহার কানে বলল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি।” সামিহার চোখে জল এসে গেল। সেও বলল, “আমিও।”

তারা সেই রাত জুড়ে একে অপরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকল। কখনো বিছানায়, কখনো দেয়ালে ভর দিয়ে, কখনো চেয়ারে। ফারহান সামিহাকে বিভিন্নভাবে নিয়েছিল। প্রতিবারই আরও গভীর, আরও তীব্র। সামিহার শরীরে ফারহানের দাঁতের দাগ, নখের আঁচড়। ফারহানের পিঠে সামিহার নখের চিহ্ন।

ভোর হওয়ার আগে তারা ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়ল। ফারহান সামিহাকে বুকে জড়িয়ে ধরেছিল। সামিহা তার বুকে মাথা রেখে চোখ বন্ধ করল। প্রথমবার সে নিরাপদ বোধ করল। প্রথমবার সে অনুভব করল, ফারহান সত্যিই তার।

সকালে ফারহান অফিসে যায়নি। সে সামিহাকে জাগিয়ে আবার শুরু করল। সকালের আলোয় তাদের শরীর আরও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। ফারহান সামিহার স্তনে চুমু খেতে খেতে বলল, “আজ আর কোথাও যাব না।” সামিহা হাসল। “ভালো।”

তারা সকালটা বিছানায় কাটাল। মাঝে মাঝে রান্নাঘরে গিয়ে কিছু খেল, আবার ফিরে এসে একে অপরকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। ফারহান সামিহাকে টেবিলের ওপর শুইয়ে নিয়েছিল। সামিহা ফারহানকে চেয়ারে বসিয়ে তার কোলে বসেছিল। প্রতিটা মুহূর্ত উত্তপ্ত। প্রতিটা স্পর্শ আগুন।

দুপুরে তারা গোসল করল। একসঙ্গে। ফারহান সামিহার শরীরে সাবান লাগিয়ে দিচ্ছিল। তার হাত স্তনে, কোমরে, আরও নিচে। সামিহা দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়েছিল। ফারহান পেছন থেকে ঢুকে গিয়েছিল। গোসলখানার দেয়ালে তাদের শব্দ বাজছিল। পানি পড়ছিল তাদের শরীরে। ফারহান সামিহার চুল টানছিল। সামিহা চিৎকার করছিল।

পরে তারা তোয়ালে জড়িয়ে বারান্দায় বসল। ফারহান সামিহার হাত ধরেছিল। “আর কখনো আমাকে দূরে সরিয়ে রেখো না,” সামিহা বলল। ফারহান তার হাতে চুমু খেল। “রাখব না। তুমি আমাকে পাগল করে দিয়েছ।”

সামিহা হাসল। “আমি জানতাম তুমি পারবে।”

ফারহান তাকে কোলে তুলে আবার ভেতরে নিয়ে গেল। দিনটা এভাবেই কেটে গেল। রাতে তারা আবার একে অপরের কাছে গেল। এবার আরও আবেগ নিয়ে। ফারহান সামিহার চোখের দিকে তাকিয়ে ঢুকছিল। প্রতিটা ধাক্কায় বলছিল, “তুমি আমার।” সামিহাও বলছিল, “হ্যাঁ। তোমার।”

সেই রাত তাদের জীবনের সেরা রাতগুলোর একটা হয়ে থাকল। দূরত্ব ভেঙে গিয়েছিল। জায়গা নিয়েছিল উত্তাপ, আবেগ, আর একটা গভীর বন্ধন।

পরের সপ্তাহগুলোতে সামিহা আর ফারহানের জীবন পুরোপুরি বদলে গেল। সকালে ফারহান অফিসে যাওয়ার আগে সামিহাকে জাগিয়ে চুমু খেত। কখনো শুধু ঠোঁটে, কখনো গলায়, কখনো আরও নিচে নেমে যেত। সামিহা তাকে আটকে রাখত। “দেরি হয়ে যাবে,” বলত হাসতে হাসতে। ফারহান বলত, “হোক।” তারপর তাকে বিছানায় চাপা দিয়ে নিত।

সামিহার দুষ্টুমি এখনো আছে। কিন্তু এখন সেটা অন্য রকম। সে ফারহানের টাই এলোমেলো করে দেয়, তারপর নিজেই ঠিক করে দেয়। করে দেয় এমনভাবে যে তার হাত ফারহানের গলায়, বুকে ঘষে যায়। ফারহান তার হাত ধরে চুমু খায়। কখনো তাকে দেয়ালে ঠেলে চুমু খায় এমনভাবে যে সামিহার হাঁটু কাঁপে।

একদিন সামিহা ফারহানের অফিসের ব্যাগে একটা ছোট নোট রেখে দিল। “রাতের জন্য অপেক্ষা করছি।” ফারহান অফিসে সেটা পড়ে ফোন করল। “তুমি আমাকে কাজ করতে দিচ্ছ না।” সামিহা হাসল। “আসো তাড়াতাড়ি।” ফারহান সেদিন এক ঘণ্টা আগে বাড়ি ফিরল। দরজা খুলেই সামিহাকে তুলে নিয়ে শোবার ঘরে নিয়ে গেল। পোশাক খোলার সময় পেল না। সে সামিহার পোশাক উপরে তুলে সরাসরি ঢুকে গেল। সামিহা চিৎকার করে উঠল। ফারহান তার মুখ চেপে ধরল। “প্রতিবেশী…” কিন্তু নিজেই গোঙাচ্ছিল।

তারা এখন রাতে পাশাপাশি শুয়ে কথা বলে। ফারহান তার অতীতের কথা বলে। কেন সে এত দূরত্ব রেখেছিল। “আমার বাবা-মায়ের সম্পর্ক ভালো ছিল না। আমি ভয় পেয়েছিলাম আমিও হয়তো পারব না। তাই নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলাম।” সামিহা তার বুকে মাথা রেখে শোনে। “এখন আর ভয় পাবে না।” ফারহান তার মাথায় চুমু খায়। “না। তুমি আমাকে ভয় ভাঙিয়ে দিয়েছ।”

এক সপ্তাহ পর ফারহান সামিহাকে নিয়ে কক্সবাজারে গেল। সমুদ্রের পাশে একটা কটেজে। রাতে সমুদ্রের শব্দ শুনতে শুনতে তারা বারান্দায় দাঁড়িয়েছিল। ফারহান সামিহার পেছনে দাঁড়িয়ে তার কোমরে হাত রেখেছিল। সামিহা পেছন ফিরে তার ঠোঁটে চুমু খেল। ফারহান তাকে তুলে নিয়ে বিছানায় নিয়ে গেল। জানালা খোলা। সমুদ্রের বাতাস তাদের শরীরে লাগছিল। ফারহান সামিহার দুই পা কাঁধে তুলে গভীরে ঢুকেছিল। সামিহার চিৎকার সমুদ্রের শব্দের সঙ্গে মিশে যাচ্ছিল। ফারহান তার স্তন চুষছিল, কামড় দিচ্ছিল। সামিহার নখ তার পিঠে রক্তের রেখা কেটে দিয়েছিল।

সেই রাত তারা প্রায় ঘুমায়নি। ফারহান সামিহাকে বারবার নিয়েছিল। কখনো ধীরে, কখনো পাগলের মতো। সামিহা একসময় বলল, “আর পারছি না।” ফারহান হাসল। “পারবে।” তারপর আবার শুরু করল। সকালে সামিহার শরীর ব্যথা করছিল। কিন্তু সে সুখী ছিল। ফারহান তার শরীরে ওষুধের মলম লাগিয়ে দিচ্ছিল। তার হাত ঘষতে ঘষতে আবার উত্তেজিত হয়ে উঠল। সামিহা তাকে থামাল। “পরে।” ফারহান মুচকি হেসে চুমু খেল।

ঢাকায় ফিরে তাদের জীবন আরও ঘনিষ্ঠ হল। ফারহান এখন সামিহার রান্নায় হাত লাগায়। একসঙ্গে রান্না করে। রান্নাঘরের টেবিলে কখনো কখনো থেমে যায়। ফারহান সামিহাকে টেবিলের ওপর তুলে বসিয়ে তার পা দুটো আলাদা করে দিয়ে ঢুকে যায়। সামিহার পেছনে দেয়াল। ফারহানের হাত তার কোমরে। বাসনপত্রের শব্দ মিশে যায় তাদের শ্বাসের সঙ্গে।

সামিহা এখন আর ফারহানকে জ্বালায় না পুরনোভাবে। এখন সে অন্যভাবে জ্বালায়। ফারহান অফিসে থাকতে সে ভিডিও কল করে। ক্যামেরার সামনে পোশাক খুলে দেখায়। ফারহান অফিসের বাথরুমে গিয়ে ফোন ধরে। “তুমি আমাকে মেরে ফেলবে।” সামিহা হাসতে হাসতে বলে, “এসে মারো।” ফারহান সেদিন তাড়াতাড়ি ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরে। দরজা বন্ধ করেই সামিহাকে মেঝেতে শুইয়ে নেয়।

একদিন সামিহা গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলল। ফারহান থমকে গেল। তারপর তাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেল। “সত্যি?” সামিহা মাথা নাড়ল। “হয়তো।” ফারহান তাকে তুলে ঘুরিয়ে দিল। “আমরা বাবা-মা হব।” তার চোখে আনন্দ। সেই রাত তারা আরও আবেগ নিয়ে একে অপরের কাছে গেল। ফারহান সামিহার পেটে চুমু খেল। “আমার সন্তান,” ফিসফিস করল।

মাস দুয়েক পর নিশ্চিত হল। সামিহা গর্ভবতী। ফারহান আরও যত্নশীল হয়ে উঠল। কিন্তু রাতে এখনো তাদের উত্তাপ কমেনি। ফারহান সামিহার শরীরের পরিবর্তন দেখে আরও আকৃষ্ট হয়। তার স্তন ভারী হয়েছে। ফারহান সেগুলোকে আরও বেশি সময় নিয়ে চুষে, কামড়ে। সামিহা গোঙায়। “সাবধানে।” ফারহান বলে, “আমি জানি।” তারপর ধীরে ধীরে ঢোকে। গর্ভবতী শরীরকে সম্মান করে, কিন্তু আবেগ কমায় না।

এক রাতে সামিহা ফারহানের ওপর বসল। তার পেট সামান্য ফুলে উঠেছে। ফারহান তার পেটে হাত রেখে নড়তে সাহায্য করল। সামিহা উপরে নিচে করছিল। তার স্তন দুলছিল। ফারহান সেগুলো মুখে নিয়ে চুষছিল। সামিহা শেষ হয়ে গেলে ফারহান তাকে নিচু করে এনে নিজে শেষ করল। তাদের ঘাম মেশা শরীর পাশাপাশি শুয়ে রইল।

ফারহান সামিহার কানে বলল, “তুমি আমাকে বদলে দিয়েছ।” সামিহা তার হাত ধরে বলল, “তুমিও আমাকে।” তাদের আঙুল জড়িয়ে গেল। বাইরে ঢাকার রাত। ভেতরে দুজন মানুষ, যারা একসময় অপরিচিতের মতো দূরত্ব রেখেছিল, এখন একে অপরের শরীরে, মনে, আত্মায় মিশে গেছে।

সামিহা মাঝে মাঝে এখনো দুষ্টুমি করে। ফারহানের মোবাইল লুকিয়ে রাখে। ফারহান খুঁজে পেয়ে তাকে শাস্তি দেয়। শাস্তি মানে বিছানায় চাপা দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে নেওয়া। সামিহা সেই শাস্তি উপভোগ করে। ফারহানও।

তাদের বাড়িতে এখন হাসি আছে, চুমু আছে, উত্তাপ আছে। রাতে বিছানায় পাশাপাশি শুয়ে ফারহান সামিহার পেটে হাত রাখে। সামিহা তার বুকে মাথা রাখে। দূরত্বের কোনো অস্তিত্ব নেই। শুধু দুজন মানুষ, যারা একে অপরকে পুরোপুরি চেনে, চায়, আর ভালোবাসে।

একদিন সকালে ফারহান অফিসে যাওয়ার আগে সামিহাকে জাগিয়ে বলল, “আজ রাতের জন্য অপেক্ষা করো।” সামিহা ঘুমঘুম চোখে হাসল। “কী হবে?” ফারহান তার কানে ফিসফিস করল, “তুমি জানবে।” তার হাত সামিহার স্তনে চলে গেল। হালকা চেপে ধরল। সামিহার শ্বাস ভারী হয়ে গেল। ফারহান চুমু খেয়ে বেরিয়ে গেল।

সামিহা সারাদিন অস্থির থাকল। রাতে ফারহান ফিরে এসে দরজা বন্ধ করেই তাকে তুলে নিয়ে গেল। শোবার ঘরে। মোমবাতি জ্বালানো। ফারহান সামিহার পোশাক খুলে ধীরে ধীরে প্রতিটা অংশ চুম্বন করতে লাগল। স্তন, পেট, উরু, আরও নিচে। সামিহা কাঁপছিল। ফারহান উঠে এসে তার ঠোঁটে চুমু খেল। “আমি তোমাকে প্রতিদিন আরও বেশি চাই।” তারপর ঢুকে গেল। ধীরে। গভীরে। তাদের চোখ মিলিত। ফারহান নড়তে নড়তে বলল, “তুমি আমার স্ত্রী। আমার জীবন। আমার সব।”

সামিহা তার পিঠে নখ চালাল। “আর তুমি আমার।” তাদের শরীর এক হয়ে গেল। উত্তাপ, আবেগ, ভালোবাসা সব মিশে একটা গভীর তরঙ্গ তৈরি করল। যে তরঙ্গ তাদের নিয়ে গেল এমন এক জায়গায়, যেখানে আর কোনো দূরত্ব নেই, কোনো ভয় নেই, শুধু দুজন মানুষের অন্তহীন আকাঙ্ক্ষা আর ভালোবাসা।

সেই রাতের পর থেকে তাদের প্রতিটা রাত এমনই। কখনো উত্তপ্ত, কখনো নরম, কখনো পাগলের মতো। কিন্তু সবসময় গভীর। সামিহা আর ফারহান জানে, তাদের গল্প এখানেই শেষ নয়। এটা শুধু শুরু। একটা এমন শুরু, যেখানে দূরত্ব ভেঙে গিয়ে জন্ম নিয়েছে এক অনন্ত উত্তাপ।

....
👁 13