পরীর মতো আয়েশা

সন্ধ্যার লাল আলোয় গ্রামের কাঁচা রাস্তাটা যেন সোনালি হয়ে উঠেছিল। দুপাশে খেজুর গাছের সারি। পাকা খেজুরগুলো ঝুলছিল, মিষ্টি গন্ধে ভরা বাতাস। রাহাত আর আয়েশা পাশাপাশি হাঁটছিল। রাহাতের লম্বা শরীর, চওড়া কাঁধ, আর আয়েশার নরম, ভারী শরীরের ছন্দ মিলে যাচ্ছিল।

kxz

রাহাত একটা বড় খেজুরের ডাল ভেঙে নিয়েছিল। “একটা খাও,” বলে আয়েশার দিকে বাড়িয়ে দিল। আয়েশা লজ্জায় মাথা নিচু করে খেজুরটা নিল। তার নরম আঙুল রাহাতের আঙুল ছুঁয়ে গেল। সেই স্পর্শে দুজনের শরীরেই একটা শিহরণ খেলে গেল।

“তোমার হাতটা কী নরম রে আয়েশা… যেন খেজুরের মাংস,” রাহাত চাপা গলায় বলল।

kx/춺'

আয়েশা লাল হয়ে গেল, “চুপ করো! কেউ শুনলে…”

“কে শুনবে? এই পথে তো শুধু আমরা আর এই খেজুর গাছগুলো। আজকে এই পথটা পুরো আমাদের।”

তারা হাঁটতে হাঁটতে গল্প করছিল। রাহাত শহরের চাকরি, আয়েশা গ্রামের স্কুলে পড়ানো। কিন্তু কথার মাঝে মাঝে চোখাচোখি হচ্ছিল, আর সেই চোখে লুকানো আগুন জ্বলছিল।

একটা বড় খেজুর গাছের নিচে এসে রাহাত থামল। “বসি একটু। পা ব্যথা করছে।”

দুজনে ঘাসের উপর বসল। আয়েশা তার শাড়ির আঁচল একটু সরিয়ে দিল। তার গলার নিচের নরম, ফর্সা ত্বক দেখা যাচ্ছিল। রাহাত আর চোখ সরাতে পারছিল না। সে আয়েশার কাঁধে হাত রাখল।

“আয়েশা… তোমাকে দেখলে মনে হয় যেন স্বপ্ন। ছোটবেলায় যেমন পরীর গল্প পড়তাম, ঠিক তেমন।”

আয়েশা তার বুকে মাথা রাখল। “তুমিও তো আমার কাছে রাজপুত্রের মতো। কিন্তু তুমি যে খুব দুষ্টু…”

রাহাত হেসে তার চুলে হাত বুলাতে লাগল। তারপর আস্তে আস্তে আয়েশার কানের লতি চুষতে শুরু করল। আয়েশা কেঁপে উঠল। “উফফ… রাহাত…”

রাহাতের ঠোঁট আয়েশার গাল, ঘাড়, তারপর ঠোঁটে চলে এল। প্রথম চুমু ছিল নরম, মিষ্টি। খেজুরের রস মিশে দুজনের জিভ এক হয়ে গেল। চুমু গভীর হতে হতে আয়েশার শ্বাস ভারী হয়ে গেল। রাহাতের হাত তার পিঠ বেয়ে নেমে কোমর চেপে ধরল।

“তোমার শরীরটা আগুনের মতো গরম,” রাহাত বলল।

সে আয়েশার ব্লাউজের হুক একটা একটা করে খুলতে লাগল। সাদা লেসের ব্রা বেরিয়ে পড়ল। আয়েশার ভারী, গোল স্তন দুটো উঠানামা করছিল। রাহাত একটা স্তন ব্রার উপর দিয়ে চেপে ধরল, তারপর ব্রা সরিয়ে নিপল চুষতে শুরু করল। আয়েশা তার চুল খামচে ধরে গোঙাতে লাগল।

“আহ্… রাহাত… আরো জোরে…”

রাহাত অন্য স্তনটাও একইভাবে চুষতে লাগল। তার হাত আয়েশার শাড়ির ভিতর ঢুকে উরুতে চলে গেল। আয়েশার প্যান্টি ভিজে গিয়েছিল। রাহাত আঙুল দিয়ে সেখানে ঘষতে লাগল। আয়েশা পাগলের মতো কাঁপছিল।

রাহাত শাড়ি পুরো তুলে দিয়ে আয়েশার উরুর ভিতর মুখ দিল। তার জিভ আয়েশার ক্লিটোরিস চুষতে শুরু করল। আয়েশা দুই পা ফাঁক করে রাহাতের মাথা চেপে ধরল।

“আআআহ্… আমি যাব… রাহাত… আহ্!”

আয়েশা প্রথম অর্গাজমে কেঁপে উঠল। তার রস রাহাতের মুখে ভরে গেল। রাহাত সব চেটে খেল।

আয়েশা এখন আর লজ্জা করছিল না। সে রাহাতকে শুইয়ে দিয়ে তার প্যান্ট খুলে ফেলল। রাহাতের শক্ত, লম্বা লিঙ্গ বেরিয়ে পড়ল। আয়েশা হাত দিয়ে ধরে আস্তে আস্তে ঘষতে লাগল, তারপর মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল।

রাহাত তার চুল ধরে বলল, “আহ্… আয়েশা… তুমি এত ভালো করো কী করে?”

আয়েশা আরো গভীরে নিতে লাগল। তার জিভ ঘুরাতে ঘুরাতে চুষছিল। রাহাত আর সহ্য করতে পারল না। সে আয়েশাকে উপরে তুলে তার উপর বসিয়ে দিল।

আয়েশা ধীরে ধীরে বসে রাহাতের লিঙ্গ তার ভিতরে নিয়ে নিল। “উফফফ… অনেক বড়… পুরো ভরে গেছে…”

সে উপর-নিচ করতে লাগল। তার স্তন দুটো লাফাচ্ছিল। রাহাত সেগুলো চেপে ধরে চুষতে লাগল। দুজনের গোঙানি খেজুর গাছের পাতায় মিশে যাচ্ছিল।

“জোরে… আরো জোরে রাহাত!” আয়েশা চিৎকার করে বলল।

রাহাত তাকে শুইয়ে দিয়ে মিশনারি পজিশনে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। আয়েশার নখ তার পিঠে বসে যাচ্ছিল। দুজনে একসাথে চরমে পৌঁছাল। রাহাত আয়েশার ভিতরে গরম বীর্য ঢেলে দিল।

দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। আকাশে তারা ফুটছিল। রাহাত আয়েশার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “এটা শুরু মাত্র। আজ সারা রাত তোমাকে আমি ছাড়ব না।”

রাত বাড়ছিল। তারা দুজনে হাত ধরে আরো ভিতরে চলে গেল খেজুর বাগানের মাঝে। একটা পুরোনো ঘাসের ঘর ছিল। রাহাত আয়েশাকে নিয়ে সেখানে ঢুকল। ভিতরে খড়ের বিছানা।

রাহাত আয়েশার পুরো শাড়ি খুলে ফেলল। এখন আয়েশা পুরো নগ্ন। তার নরম, ভারী শরীর চাঁদের আলোয় চকচক করছিল। রাহাত নিজেও জামা খুলে ফেলল। তার শক্তিশালী বুক, পেটের লাইন দেখে আয়েশা আবার লোভী হয়ে উঠল।

এবার তারা ধীরে ধীরে ভালোবাসতে শুরু করল। রাহাত আয়েশার পুরো শরীর চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিল — গলা, স্তন, পেট, উরু, এমনকি পায়ের আঙুল পর্যন্ত। আয়েশাও রাহাতের শরীর চেটে চুষে দিচ্ছিল।

রাহাত আবার আয়েশার ভিতরে ঢুকল, কিন্তু এবার খুব ধীরে। দুজনে চোখে চোখ রেখে অনেকক্ষণ ধীর গতিতে মিলিত হল। আয়েশার চোখে জল চলে এসেছিল আনন্দে।

“আমি তোমাকে ভালোবাসি রাহাত… অনেক অনেক।”

“আমিও তোমাকে… তুমি আমার পরী।”

রাতের পর রাত তারা বিভিন্ন পজিশনে মিলিত হল — ডগি স্টাইল, সাইডে, আয়েশা উপরে বসে। প্রতিবারই নতুন করে আনন্দ পাচ্ছিল। আয়েশা ৪ বার চরমে গেল, রাহাত ৩ বার তার ভিতরে ঢেলে দিল।

ভোর হওয়ার আগে তারা ক্লান্ত হয়ে জড়াজড়ি করে ঘুমিয়ে পড়ল। খেজুরের মিষ্টি গন্ধে ঘেরা তাদের এই পরীর গল্পের প্রথম রাত শেষ হল।

....
👁 307