স্বামীর রোমান্টিক রাত

 

ঢাকার একটা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে, যেখানে রাতের আলো শহরের নিয়ন লাইটে মিশে যায়, সেখানে থাকে রাহাত আর তার স্ত্রী আয়েশা। রাহাত একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির ম্যানেজার। প্রতিদিনের ব্যস্ততায় তাদের জীবনটা অনেকটা যান্ত্রিক হয়ে গেছে। অফিস, মিটিং, ট্রাফিক, তারপর বাসায় ফিরে খেয়ে ঘুম। কিন্তু আজ রাহাত ঠিক করেছে, এই রুটিন ভাঙবে। আজ হবে তাদের স্বামী-স্ত্রীর একটা বিশেষ রাত। একটা রোমান্টিক রাত, যেখানে শুধু ভালোবাসা আর আবেগ থাকবে।

kxz

সকাল থেকেই রাহাত প্ল্যান করে ফেলেছে। অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে সে প্রথমে গিয়েছে ফুলের দোকানে। লাল গোলাপের একটা বড় বুকেট কিনেছে। তারপর চকোলেট, আয়েশার প্রিয় সুগন্ধি মোমবাতি, আর কিছু ফ্রুটস। বাসায় ফিরে সে সব গুছিয়ে রেখেছে। আয়েশা তখনও অফিস থেকে ফেরেনি। রাহাত রান্নাঘরে ঢুকে হালকা ডিনার প্রস্তুত করতে শুরু করল। আয়েশার প্রিয় ইলিশ মাছের পাতুরি, ভাত, সালাদ আর এক বোতল রেড ওয়াইন।

আয়েশা যখন বাসায় ঢুকল, তখন ঘরটা অন্ধকার। শুধু মোমবাতির আলো জ্বলছে। দরজায় পা দিতেই রাহাত তার হাত ধরে নিল।

kx/춺'

“কী ব্যাপার? আজ এত সুন্দর করে সাজিয়েছ কেন?” আয়েশা অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল। তার চোখে ক্লান্তি মিশ্রিত বিস্ময়।

রাহাত হেসে বলল, “আজ তোমার জন্য। আমাদের জন্য। অনেকদিন তোমাকে সময় দিতে পারিনি। আজ শুধু তুমি আর আমি।”

সে আয়েশাকে নিয়ে বেডরুমে গেল। ঘরটা ফুল দিয়ে সাজানো। বিছানায় লাল গোলাপের পাপড়ি ছড়ানো। আয়েশার চোখে জল চলে এল। “তুমি এত কিছু করলে কখন?”

রাহাত তার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “তোমার জন্য যেকোনো কিছু করতে পারি। আজ রাতটা আমাদের।”

আয়েশা বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এল। একটা সুন্দর লাল নাইটি পরেছে, যেটা রাহাতই একবার গিফট করেছিল। রাহাত তাকে ডাইনিং টেবিলে নিয়ে গেল। মোমবাতির আলোয় ডিনার সারল তারা। খেতে খেতে অনেক পুরনো কথা বলল। কীভাবে প্রথম দেখা হয়েছিল, কলেজের দিনগুলো, বিয়ের পরের প্রথম রাত। হাসতে হাসতে সময় কেটে যাচ্ছিল।

ডিনার শেষে রাহাত আয়েশাকে নিয়ে ব্যালকনিতে গেল। ঢাকার রাতের আকাশে তারা দেখা যায় না ঠিকই, কিন্তু শহরের আলো তাদের জন্য যথেষ্ট রোমান্টিক। রাহাত তার পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। আয়েশার কানে কানে ফিসফিস করে বলল, “তোমাকে ছাড়া আমার জীবন অচল। তুমি আমার সব।”

আয়েশা ঘুরে তার বুকে মাথা রাখল। “আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি। কিন্তু এত ব্যস্ততায় সব ভুলে যাই।”

রাহাত তার চিবুক তুলে ধরে গভীর চুমু খেল। চুমুটা শুরু হল নরমভাবে, তারপর আরও গভীর হল। আয়েশার শরীরটা কেঁপে উঠল। রাহাত তাকে কোলে তুলে নিয়ে বেডরুমে নিয়ে গেল। বিছানায় শুইয়ে তার নাইটির স্ট্র্যাপ আস্তে আস্তে খুলতে লাগল।

“আজ তোমাকে পুরোপুরি আমার করে নেব,” রাহাত বলল গভীর গলায়।

আয়েশা লজ্জায় মুখ লুকাল, কিন্তু তার চোখে আকাঙ্ক্ষা। রাহাত তার ঠোঁটে, গলায়, কাঁধে চুমু বৃষ্টি করতে লাগল। আয়েশার শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল। তার হাত রাহাতের চুলে জড়িয়ে গেল। রাহাত তার নাইটি সম্পূর্ণ খুলে ফেলল। আয়েশার সুন্দর শরীরটা মোমবাতির আলোয় চকচক করছিল। তার স্তন দুটো উঠানামা করছিল। রাহাত একটা স্তনে মুখ দিয়ে চুষতে লাগল, অন্য হাত দিয়ে অন্য স্তনটা টিপছে। আয়েশা “উফফ... রাহাত...” করে কেঁপে উঠল।

রাহাত নিচে নেমে তার নাভিতে চুমু খেল, তারপর আরও নিচে। আয়েশার উরুর ভেতর মুখ ডুবিয়ে দিল। তার জিভ আয়েশার সবচেয়ে স্পর্শকাতর জায়গায় খেলা করতে লাগল। আয়েশা পাগলের মতো ছটফট করছিল। “আহহ... আরও... প্লিজ...”

রাহাত তার জিভ আর আঙুল দিয়ে আয়েশাকে প্রথমবার চরমে নিয়ে গেল। আয়েশার শরীর শক্ত হয়ে গেল, তারপর ঢিলে হয়ে গেল। কিন্তু রাহাত থামল না। সে নিজের জামা খুলে ফেলল। তার শক্ত লিঙ্গটা বেরিয়ে পড়ল। আয়েশা তা হাতে নিয়ে আদর করতে লাগল। তারপর মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। রাহাতের মুখ থেকে গোঙানি বের হল।

কিছুক্ষণ পর রাহাত আয়েশাকে বিছানায় চিত করে শুইয়ে তার পা দুটো ফাঁক করল। ধীরে ধীরে তার লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিল আয়েশার ভেতরে। “আহহহ... কতদিন পর...” আয়েশা বলল। রাহাত ধীর গতিতে ঠাপাতে শুরু করল। প্রত্যেক ঠাপে আয়েশার স্তন দুলছিল। রাহাত তার ঠোঁট কামড়ে ধরে জোরে জোরে করতে লাগল।

তারা পজিশন চেঞ্জ করল। আয়েশা উপরে উঠে বসল। তার কোমর নাচাতে নাচাতে রাহাতকে চড়তে লাগল। রাহাত তার স্তন দুটো চেপে ধরে নিচ থেকে ঠাপ দিচ্ছিল। ঘরে শুধু তাদের গোঙানি আর চামড়ার শব্দ।

দ্বিতীয় রাউন্ডে রাহাত আয়েশাকে ডগি স্টাইলে নিল। পেছন থেকে জোরে জোরে ঢুকাচ্ছিল। আয়েশার চুল ধরে টেনে তার কানে বলছিল, “তুমি আমার রানি।”

ঘণ্টার পর ঘণ্টা তারা ভালোবাসায় মিলিত হল। কখনো নরম, কখনো উন্মাদের মতো। শেষে দুজনেই একসাথে চরমে পৌঁছাল। রাহাত আয়েশার ভেতরেই তার বীর্য ঢেলে দিল।

দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। রাহাত আয়েশার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “এই রাতটা আমি কখনো ভুলব না।”

আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে বলল, “আমিও না। আরও অনেক রাত এরকম করব আমরা।”

রাত গভীর হল। তারা দুজনে ঘুমিয়ে পড়ল একে অপরকে জড়িয়ে। বাইরে ঢাকার শহর ঘুমিয়ে ছিল, কিন্তু তাদের ভেতরে ভালোবাসার আলো জ্বলছিল

....
👁 232