তোমার বুকে চিরকাল

ঢাকার ভিড়ের মাঝে, মিরপুরের একটা ছোট কফি শপে প্রথম দেখা হয়েছিল তাদের। রাহাত ছিল একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, ২৮ বছর বয়স, শান্ত স্বভাবের কিন্তু চোখে গভীর স্বপ্ন। আর আয়েশা, ২৪ বছরের একটা প্রাণোচ্ছল মেয়ে, যে একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার হিসেবে কাজ করত। বৃষ্টির দিন ছিল সেটা। আয়েশা ছাতা ভুলে এসেছিল, ভিজে যাচ্ছিল তার সাদা সালোয়ার কামিজ। রাহাত তাকে নিজের ছাতার নিচে ডেকে নিয়ে বলেছিল, “ভিজে যাবেন না, আসুন।”

kxz

সেই মুহূর্ত থেকেই যেন কিছু একটা হয়ে গিয়েছিল। আয়েশার চোখে লজ্জা মেশানো হাসি, রাহাতের হৃদয়ে একটা অদ্ভুত শান্তি। কফি খেতে খেতে কথা হলো অনেক। রাহাত বলল, “আমার জীবনটা খুব একঘেয়ে। কোড লিখি, বাসায় ফিরি, ঘুমাই। কিন্তু আজ মনে হচ্ছে কোনো নতুন গান শুরু হয়েছে।”

আয়েশা হেসে বলল, “আর আমি তো বৃষ্টি পছন্দ করি। বৃষ্টিতে সবকিছু নতুন লাগে।”

kx/춺'

সেই দিন থেকে তাদের মেসেজ শুরু হলো। রাত জেগে কথা, সকালে গুড মর্নিং, ছুটির দিনে ঘুরতে যাওয়া। ছয় মাস পর রাহাত আয়েশার বাবা-মায়ের কাছে প্রস্তাব দিল। বিয়ে হয়ে গেল সুন্দর করে। নতুন সংসার শুরু হলো উত্তরার একটা ছোট ফ্ল্যাটে।

প্রথম রাত। আয়েশা লজ্জায় মুখ লুকিয়ে ছিল রাহাতের বুকে। রাহাত তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “ভয় পেয়ো না। আমি তোমাকে চিরকাল আগলে রাখব। তোমার বুকে আমি চিরকাল থাকব।” আয়েশা চোখ তুলে তাকাল। তাদের ঠোঁট মিলিত হলো। ধীরে ধীরে জামা খুলে গেল। রাহাতের হাত আয়েশার নরম শরীরে বুলিয়ে গেল। আয়েশার শ্বাস ভারী হয়ে উঠল। “রাহাত… আমাকে তোমার করে নাও,” ফিসফিস করে বলল সে।

সেই রাতে তারা এক হয়ে গেল। রাহাত আয়েশাকে আদর করল যেন সে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি জিনিস। আয়েশার বুকে মুখ গুঁজে রাহাত বলল, “এই বুক আমার চিরকালের আশ্রয়।” তাদের শরীরের তাল মিলল দীর্ঘ সময় ধরে। আনন্দের ঢেউয়ে ভেসে গেল দুজন।

বিয়ের পর প্রথম কয়েক মাস ছিল স্বপ্নের মতো। রাহাত অফিস থেকে ফিরলে আয়েশা দরজায় দাঁড়িয়ে থাকত। “কেমন আছো আমার রাজা?” বলে জড়িয়ে ধরত। রাতে খাবার খাওয়ার পর তারা সোফায় বসে গল্প করত। কখনো আয়েশা রাহাতের কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকত। রাহাত তার কপালে চুমু খেত।

একদিন রাতে আয়েশা বলল, “রাহাত, আমি তোমার বুকে শুয়ে থাকতে চাই চিরকাল।” রাহাত তাকে কোলে তুলে নিয়ে বেডরুমে নিয়ে গেল। জামাকাপড় খুলে ফেলল দুজনে। আয়েশার নগ্ন শরীর চাঁদের আলোয় ঝলমল করছিল। রাহাত তার স্তন দুটোতে মুখ দিয়ে চুষতে লাগল। আয়েশা আর্তনাদ করে উঠল, “আহ… আরো জোরে…” রাহাতের হাত নেমে গেল তার উরুর ভেতরে। আঙুল দিয়ে খেলা করতে লাগল। আয়েশা ভিজে উঠল পুরোপুরি।

“আমাকে ভরে দাও, রাহাত,” আয়েশা অনুরোধ করল। রাহাত তার শক্ত পুরুষাঙ্গ ঢুকিয়ে দিল আয়েশার গভীরে। ধীরে ধীরে ঠাপাতে লাগল। আয়েশা পা দিয়ে তার কোমর জড়িয়ে ধরল। “তোমার বুকে চিরকাল… তোমার বুকে চিরকাল…” বলতে বলতে তারা দুজনই চরমে পৌঁছে গেল। ঘামে ভেজা শরীর দুটো জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল অনেকক্ষণ।

সপ্তাহান্তে তারা কক্সবাজার ঘুরতে গেল। সমুদ্রের ধারে হাঁটতে হাঁটতে রাহাত আয়েশার হাত ধরে বলল, “তুমি ছাড়া আমার জীবন অন্ধকার। তোমার বুকেই আমার সব সুখ লুকিয়ে আছে।” আয়েশা লজ্জায় লাল হয়ে গেল। হোটেলে ফিরে তারা আবার একে অপরকে আদর করল। বারান্দায় দাঁড়িয়ে সমুদ্র দেখতে দেখতে রাহাত পেছন থেকে আয়েশাকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত সামনে চলে গেল আয়েশার স্তনে। আয়েশা পেছনে হেলান দিয়ে চুমু খেল। সেই রাতে সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দের সাথে তাদের আনন্দের শব্দ মিশে গিয়েছিল।

কিন্তু সুখ চিরকাল থাকে না। রাহাতের কোম্পানিতে বড় প্রজেক্ট এলো। তাকে সিঙ্গাপুর যেতে হলো ছয় মাসের জন্য। আয়েশা একা হয়ে গেল ফ্ল্যাটে। রাতে ফোন করে কাঁদত, “রাহাত, তোমার বুকে শুয়ে থাকতে পারছি না। খুব কষ্ট হয়।”

রাহাতও কষ্ট পেত। ভিডিও কলে আয়েশাকে দেখে বলত, “আমার বুকটা তো তোমারই। তুমি চোখ বন্ধ করে ভাবো, আমি তোমাকে জড়িয়ে আছি।” একদিন ভিডিও কলে তারা ইনটিমেট হয়েছিল। আয়েশা নিজের শরীর দেখিয়ে বলল, “এই শরীর শুধু তোমার। তুমি ফিরে এসো শিগগিরি।”

ছয় মাস পর রাহাত ফিরল। এয়ারপোর্টে আয়েশা দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরল। বাসায় ফিরে তারা আর অপেক্ষা করতে পারল না। দরজা বন্ধ করে রাহাত আয়েশাকে ওয়ালে ঠেস দিয়ে চুমু খেতে লাগল। জামা ছিঁড়ে ফেলল প্রায়। আয়েশার স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। আয়েশা “আহহহ… রাহাত…” বলে কাঁপছিল। রাহাত তাকে তুলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল। তারপর অনেকক্ষণ ধরে আদর করল। মুখ দিয়ে তার নিচের অংশে চুমু খেল, জিভ দিয়ে খেলা করল। আয়েশা চরমে পৌঁছে চিৎকার করে উঠল। তারপর রাহাত ঢুকে পড়ল। জোরে জোরে ঠাপাতে লাগল। “তোমার বুকে চিরকাল থাকব আমি,” বলতে বলতে তারা দুজনেই শেষ হয়ে গেল।

এক বছর পর আয়েশা প্রেগন্যান্ট হলো। রাহাত খুব খুশি। আয়েশার পেটে হাত দিয়ে বলত, “আমাদের ভালোবাসার ফসল।” গর্ভাবস্থায় আয়েশার শরীর আরো নারীসুলভ হয়ে উঠল। স্তন বড় হয়ে গেল, কোমর ভারী। রাহাত সাবধানে আদর করত। রাতে আয়েশাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে ধীরে ধীরে মিলিত হতো। “তোমার এই শরীর আমাকে পাগল করে,” বলত রাহাত।

সন্তান হলো – একটা ছেলে। নাম রাখলেন আরিয়ান। আরিয়ানকে কোলে নিয়ে আয়েশা বলল, “এখন আমাদের তিনজনের পরিবার। কিন্তু তোমার বুকটা এখনো আমার চিরকালের।”

ছেলেকে ঘুম পাড়িয়ে তারা নিজেদের সময় নিত। আয়েশার শরীর এখনো সুন্দর। রাহাত তার স্তন দুধে ভরা দেখে মুখ লাগাত। আয়েশা লজ্জা পেয়ে হাসত। তারপর তারা আবার এক হয়ে যেত। মা-বাবা হয়েও তাদের প্রেম যেন আরো গভীর হয়েছিল।

কয়েক বছর পর রাহাতের চাকরিতে সমস্যা এলো। কোম্পানি লে-অফ করল অনেককে। রাহাত চিন্তায় পড়ল। আয়েশা তার পাশে দাঁড়াল। “আমি আছি তো। তোমার বুকে চিরকাল থাকব আমি।” সে নিজে টিউশনি শুরু করল, রাহাতকে সাহস দিল।

রাহাত নতুন চাকরি পেল। আরো ভালো পজিশন। সাফল্য উদযাপন করতে তারা হিলিতে বেড়াতে গেল। সেখানে একটা রিসোর্টে থেকে তারা রোমান্টিক সময় কাটাল। রাতে আয়েশা লাল নাইটি পরে এলো। রাহাত তাকে দেখে পাগল হয়ে গেল। নাইটি খুলে তার পুরো শরীর চুমুতে ভরিয়ে দিল। আয়েশার উরু, পেট, স্তন, ঘাড় – সব জায়গায়। তারপর দীর্ঘক্ষণ ধরে প্রেম করল। আয়েশা উপরে উঠে রাইড করল রাহাতকে। তার স্তন দুলছিল। রাহাত নিচ থেকে ধরে ধরে ঠাপাতে লাগল। “আমি তোমার, চিরকাল,” চিৎকার করে বলল আয়েশা।

বছর গড়িয়ে গেল। আরিয়ান বড় হলো। রাহাত আর আয়েশা এখনো একে অপরকে আগের মতোই ভালোবাসে। প্রতি রাতে তারা একসাথে শোয়। রাহাত আয়েশার বুকে মাথা রেখে বলে, “এই বুক আমার চিরকালের ঠিকানা।”

একদিন সন্ধ্যায় বারান্দায় বসে আয়েশা বলল, “রাহাত, যদি আমি চলে যাই কখনো?” রাহাত তার ঠোঁটে আঙুল দিয়ে বলল, “তুমি আমার বুকে চিরকাল থাকবে। মৃত্যুর পরেও।”

তারা জড়িয়ে ধরল। সেই রাতে তাদের মিলন ছিল আরো গভীর। শরীরের চেয়েও আত্মার মিলন। রাহাত আয়েশার ভেতরে ঢুকে থাকল অনেকক্ষণ। চোখে চোখ রেখে বলল, “তোমার বুকে চিরকাল

 

....
👁 76