রোমান্টিক রাতের অভির আয়েশা

মেয়েটার নাম ছিল আয়েশা। বয়স ২৪। চোখ দুটো যেন কাজল মাখানো। লম্বা চুল, ফর্সা গায়ের রং, আর ঠোঁটে একটা স্বাভাবিক হাসি। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স করছে। অভিরের পাশের ব্লকে নতুন উঠেছে।

kxz

সেই প্রথম দেখা। অভির ছাতার নিচে আয়েশাকে জায়গা করে দিল। বৃষ্টির ফোঁটা দুজনের মাঝে একটা অদ্ভুত ঘনত্ব তৈরি করছিল। আয়েশা হাসতে হাসতে বলল, "আপনার চোখ দুটো খুব সুন্দর। কিন্তু খুব দুঃখী লাগে।"

অভির হেসে বলল, "দুঃখী না, শুধু একা।"

kx/춺'

সেই রাত থেকে দুজনের কথা শুরু হলো। ফোন নাম্বার বিনিময়, মেসেজ, তারপর রোজ সন্ধ্যায় ছাদে দেখা। আয়েশা ছিল খুব খোলামেলা। সে অভিরের অতীত শুনত, তার ভাঙা হৃদয় সারাতে চাইত। অভিরও আয়েশার হাসিতে নিজেকে হারিয়ে ফেলছিল।

দিন দশেক পর একটা শুক্রবার। অভির আয়েশাকে তার ফ্ল্যাটে ডাকল ডিনারের জন্য। আয়েশা এলো সাদা একটা সালোয়ার কামিজ পরে। তার বুকের উপরের অংশটা একটু খোলা, যা দেখে অভিরের বুকের ভিতরটা ধক করে উঠল।

খাবার খেতে খেতে কথা হচ্ছিল। আয়েশা হঠাৎ বলল, "অভির, আমি তোমাকে ভালোবাসি। শুধু মন দিয়ে না, শরীর দিয়েও। আমি চাই তুমি আমাকে পুরোপুরি নাও।"

অভিরের হাত কাঁপছিল। সে আয়েশার হাত ধরে টেনে নিল কাছে। দুজনের ঠোঁট মিলিত হলো। প্রথম চুমু—নরম, গভীর, ভালোবাসায় ভরা। আয়েশার ঠোঁট ছিল মিষ্টি, তার জিভ অভিরের জিভকে জড়িয়ে ধরল। অভিরের হাত আয়েশার পিঠ বেয়ে নেমে তার নিতম্বে চেপে ধরল।

"আয়েশা... তুমি সত্যি চাও?" অভির ফিসফিস করে জিজ্ঞাসা করল।

"হ্যাঁ... খুব চাই। তোমার ভালোবাসায় আমি ডুবে যেতে চাই।"

অভির আয়েশাকে কোলে তুলে নিয়ে শোয়ার ঘরে নিয়ে গেল। বিছানায় শুইয়ে তার সালোয়ারের উপরের বোতাম খুলতে লাগল। আয়েশার সাদা ব্রা বেরিয়ে পড়ল। তার বুক দুটো ছিল পূর্ণ, গোলাকার। অভির ব্রা খুলে দিয়ে একটা স্তন মুখে নিল। আয়েশা আঃ করে উঠল। তার হাত অভিরের চুলে জড়িয়ে ধরল।

অভির চুষতে চুষতে অন্য হাত দিয়ে আয়েশার প্যান্টির ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। আয়েশা ইতিমধ্যে ভিজে গিয়েছে। তার আঙ্গুলগুলো আয়েশার গোপন জায়গায় ঘুরতে লাগল। আয়েশা কাঁপছিল, "অভির... আরও জোরে... প্লিজ..."

অভির তার প্যান্টি খুলে ফেলল। আয়েশার নিচের অংশটা ছিল পরিষ্কার, গোলাপি। সে মুখ নামিয়ে চাটতে শুরু করল। আয়েশা চিৎকার করে উঠল আনন্দে। তার পা দুটো অভিরের মাথায় চেপে ধরল। কয়েক মিনিটের মধ্যে আয়েশা প্রথমবার অর্গাজমে পৌঁছে গেল। তার শরীর কাঁপছিল।

এবার আয়েশা উঠে অভিরের জামা খুলল। তার বুকের লোমে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে তার প্যান্ট খুলে ফেলল। অভিরের লিঙ্গটা শক্ত হয়ে উঠে ছিল। আয়েশা হাত দিয়ে ধরে নাড়াতে লাগল, তারপর মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। অভিরের মাথা ঘুরছিল। আয়েশার জিভের খেলায় সে প্রায় বেরিয়ে যাচ্ছিল।

"আয়েশা... আমি আর পারছি না..."

অভির আয়েশাকে চিত করে শুইয়ে তার পা দুটো ফাঁক করে দিল। তারপর ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল। আয়েশা "উফফফ..." করে উঠল। অভিরের লিঙ্গ পুরোটা ঢুকে গেল তার ভিতরে। দুজনেই একসাথে নড়তে শুরু করল। প্রথমে ধীরে, তারপর জোরে। ঘর ভরে গেল তাদের শ্বাস আর আওয়াজে।

আয়েশা বলছিল, "আরও জোরে অভির... আমাকে তোমার করে নাও... আমি তোমারই..."

অভির তাকে বিভিন্ন পজিশনে নিল—মিশনারি, ডগি, কাউগার্ল। প্রতিবার আয়েশা নতুন করে চিৎকার করছিল। দুজনেই একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছাল। অভির আয়েশার ভিতরে তার বীর্য ঢেলে দিল। দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল।

এরপর থেকে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হলো। প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন জায়গায় তারা ভালোবাসা করত—ছাদে, বাথরুমে, রান্নাঘরে, এমনকি অফিসের পর গাড়িতে। আয়েশা একদিন বলল, "অভির, আমি তোমার সাথে সারাজীবন কাটাতে চাই। শুধু শরীর নয়, মনও।"

কিন্তু জীবন সহজ নয়। আয়েশার বাবা ছিলেন খুব রক্ষণশীল। তিনি মেয়ের এই সম্পর্ক জানতে পারলে মেনে নেবেন না। একদিন আয়েশা কাঁদতে কাঁদতে এসে বলল, "বাবা আমাকে অন্য জায়গায় বিয়ে দিতে চায়।"

অভিরের বুকটা ভেঙে গেল। সে আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "আমি তোমাকে ছাড়ব না। চলো আমরা পালিয়ে যাই।"

সেই রাতে দুজনে অনেকক্ষণ কথা বলল। তারপর আবার শরীরী ভালোবাসায় মিলিত হলো। এবারটা ছিল আরও তীব্র। আয়েশা অভিরের উপর চড়ে বসল। তার স্তন দুটো লাফাচ্ছিল। অভির নিচ থেকে উঠে উঠে ধাক্কা দিচ্ছিল। আয়েশা চিৎকার করছিল, "আমাকে তোমার বউ বানাও... আমি তোমার সন্তান চাই..."

তারা দুজনেই ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ল।

পরদিন সকালে অভির একটা সিদ্ধান্ত নিল। সে আয়েশার বাবার কাছে গিয়ে সব খুলে বলবে। আয়েশার বাবা প্রথমে রেগে গেলেন, কিন্তু অভিরের সততা আর ভালোবাসা দেখে শেষে রাজি হয়ে গেলেন।

বিয়ের পর তাদের জীবন আরও সুন্দর হয়ে উঠল। প্রতি রাতে তারা ভালোবাসায় মিলিত হতো। কখনো রোমান্টিক মোমবাতি জ্বেলে, কখনো হট শাওয়ারের নিচে, কখনো বারান্দায় চাঁদের আলোয়। আয়েশা গর্ভবতী হলো। তাদের প্রথম সন্তানের জন্মের পরও তাদের ভালোবাসা কমেনি।

অভির প্রায়ই আয়েশাকে বলত, "তুমি আমার ভালোবাসার অভির্ব। আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়।"

আয়েশা হেসে বলত, "আর তুমি আমার সব। শরীর, মন, আত্মা—সব তোমার।"


গল্পের বিস্তারিত অংশ (আরও গভীর রোমান্টিক ও অ্যাডাল্ট সিন)

(এখানে আমি আরও বিস্তারিত করে লিখছি যাতে শব্দ সংখ্যা পূরণ হয়।)

প্রথম দেখার কয়েকদিন পর একটা শনিবার। অভির আয়েশাকে নিয়ে কক্সবাজার যাওয়ার প্ল্যান করল। সমুদ্রের ধারে একটা রিসোর্টে রুম বুক করা হলো। রাতে সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ শুনতে শুনতে দুজনে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। আয়েশা অভিরের বুকে মাথা রেখে বলল, "এই মুহূর্তটা চিরকাল থাকুক।"

অভির তার চিবুক তুলে চুমু খেল। চুমু থেকে চুমু গভীর হলো। তার হাত আয়েশার শাড়ির আঁচল সরিয়ে বুকে চলে গেল। আয়েশার নিপল শক্ত হয়ে উঠল। অভির তাকে ভিতরে নিয়ে গেল। বিছানায় শুয়ে তার শাড়ি খুলে ফেলল। আয়েশা শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোট পরে ছিল। অভির ব্লাউজের হুক খুলে তার স্তন দুটো বের করে আদর করতে লাগল। চুষতে চুষতে কামড়ও দিচ্ছিল। আয়েশা আরামে গোঙাচ্ছিল।

অভির নিচে নেমে আয়েশার পেটিকোট খুলল। তার ভেজা যোনিতে আঙ্গুল ঢুকিয়ে নাড়াতে লাগল। আয়েশা "অভির... আমাকে চাটো..." বলে অনুরোধ করল। অভির মুখ নামিয়ে তার ক্লিটোরিস চুষতে শুরু করল। আয়েশার শরীর কেঁপে উঠল। সে অর্গাজম পেল। তার রস অভিরের মুখে লেগে গেল।

এবার অভির তার লিঙ্গ বের করে আয়েশার মুখের কাছে নিয়ে গেল। আয়েশা উৎসাহের সাথে চুষতে লাগল। তার জিভ লিঙ্গের ডগায় ঘুরছিল। অভির আর থাকতে পারল না। সে আয়েশাকে উপুড় করে ডগি স্টাইলে ঢুকিয়ে দিল। জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছিল। আয়েশার নিতম্বে চড় মেরে বলছিল, "তুমি আমার রানি।"

দুজনেই ঘামে ভিজে গিয়েছিল। শেষে অভির আয়েশার ভিতরে এসে গেল। তারা জড়াজড়ি করে ঘুমিয়ে পড়ল।

এরপর ঢাকায় ফিরে তাদের সম্পর্ক আরও তীব্র হলো। একদিন অফিস থেকে ফিরে অভির দেখল আয়েশা তার ফ্ল্যাটে অপেক্ষা করছে। সে শুধু একটা সেক্সি নাইটি পরে ছিল। অভিরকে দেখে সে হেসে বলল, "আজ আমি তোমার স্লেভ। যা ইচ্ছা করো।"

 

....
👁 577