প্রথম ছোঁয়ায় ভালোবাসা

 আয়েশা আজ তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর শাড়ি পরেছে — লাল-সোনালি বেনারসি। তার মাথায় ঘোমটা, গলায় নতুন মালা, হাতে মেহেদির রং। সে লজ্জায় মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল যখন রাহাত তার হাত ধরে সবার সামনে মঞ্চে উঠল।

kxz

রাহাত — লম্বা, ফর্সা, চশমা পরা একটা স্মার্ট ছেলে। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বয়স ২৮। আয়েশা দেখতে খুবই সুন্দরী — মাঝারি উচ্চতা, ফর্সা গায়ের রং, বড় বড় চোখ, ঘন চুল। বয়স ২৩। দুজনের বিয়ে হয়েছে পারিবারিকভাবে, কিন্তু গত কয়েক মাসের কথাবার্তায় দুজনের মধ্যে একটা মিষ্টি আকর্ষণ তৈরি হয়েছে।

রাত এগারোটা বাজতেই বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ। আয়েশাকে নিয়ে রাহাতের নতুন ফ্ল্যাটে আসা হলো। ফ্ল্যাটটা ছোট কিন্তু সুন্দর করে সাজানো। বেডরুমে নতুন বিছানা, ফুলের পাপড়ি ছড়ানো, মৃদু নীল আলো জ্বলছে। জানালা দিয়ে চাঁদের আলো আসছে।

kx/춺'

দরজা বন্ধ হতেই আয়েশা একদম চুপ হয়ে গেল। তার হাত-পা কাঁপছে। সে বিছানার এক কোণায় বসে শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখ প্রায় ঢেকে রেখেছে। রাহাত দরজায় খিল দিয়ে ধীরে ধীরে তার কাছে এগিয়ে এল।

“আয়েশা…” রাহাত নরম গলায় ডাকল। তার গলায় কোনো তাড়া নেই, শুধু ভালোবাসা।

আয়েশা খুব আস্তে মাথা তুলে তাকাল। তার চোখে লজ্জা, ভয়, উত্তেজনা আর অদ্ভুত একটা আনন্দ মিশে আছে।

রাহাত তার পাশে বসে তার একটা হাত নিজের দুই হাতের মধ্যে নিল। হাতটা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল। “ভয় লাগছে?” রাহাত জিজ্ঞাসা করল।

আয়েশা মাথা নেড়ে “হুম” বলল, তারপর ফিসফিস করে বলল, “একটু… অনেকটা।”

রাহাত হাসল। সে আয়েশার হাতে আলতো করে চুমু খেল। “শোনো, আজ আমাদের প্রথম রাত। কোনো তাড়াহুড়ো নেই। যতক্ষণ না তুমি পুরোপুরি আরাম বোধ করো, আমি কিছুই করব না। তুমি আমার বউ, আমার জীবনসঙ্গী। তোমাকে জোর করে কিছু করব না কখনো।”

আয়েশা লজ্জায় হাসল। তার গাল লাল হয়ে গেল। রাহাত তার কপালে আলতো করে চুমু দিল। তারপর তার ঘোমটা সরিয়ে তার চুলে হাত বুলিয়ে দিতে লাগল।

“তোমার চুল খুব সুন্দর,” রাহাত ফিসফিস করে বলল। “আর তোমার চোখ… আমি প্রথম দেখেই হারিয়ে গিয়েছিলাম।”

আয়েশা চোখ নামিয়ে বলল, “আপনি… মানে তুমিও খুব ভালো।”

রাহাত হেসে তার চিবুক ধরে মুখটা উপরের দিকে তুলল। দুজনের চোখে চোখ পড়ল। কয়েক সেকেন্ড কেউ কথা বলল না। তারপর রাহাত ধীরে ধীরে তার ঠোঁটের কাছে মুখ নিয়ে গেল। প্রথম চুমু — খুব আলতো, প্রায় স্পর্শের মতো। আয়েশার শরীর কেঁপে উঠল।

রাহাত আবার চুমু দিল, এবার একটু গভীর। আয়েশা প্রথমে শক্ত হয়ে ছিল, কিন্তু ধীরে ধীরে তার ঠোঁট নরম হয়ে গেল। তার হাতটা রাহাতের বুকে রাখল।

চুমু থামিয়ে রাহাত তার কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল, “তুমি যদি কোনো সময় বলো ‘থামো’, আমি তৎক্ষণাৎ থামব। কথা দিলাম।”

আয়েশা মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। তারপর লজ্জায় আবার মুখ লুকাল রাহাতের কাঁধে।

রাহাত তাকে জড়িয়ে ধরল। তার শরীরের গন্ধ, তার উষ্ণতা — সবকিছু আয়েশাকে নতুন করে অনুভব করাচ্ছিল। রাহাত ধীরে ধীরে তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার কাঁধে চুমু দিতে লাগল। আয়েশার গায়ে শিহরণ খেলে গেল।

“ঠান্ডা লাগছে?” রাহাত জিজ্ঞাসা করল। “না… গরম লাগছে,” আয়েশা লজ্জায় বলল।

রাহাত হেসে তাকে আরও কাছে টেনে নিল। তার হাত আয়েশার পিঠে বুলিয়ে দিচ্ছিল। ধীরে ধীরে শাড়ির ব্লাউজের হুক খুলতে শুরু করল। আয়েশা লজ্জায় চোখ বন্ধ করে ফেলল।

“চোখ খোলো আয়েশা… আমাকে দেখো,” রাহাত নরম করে বলল।

আয়েশা চোখ খুলল। রাহাত তার চোখে চোখ রেখে ব্লাউজটা খুলে ফেলল। তারপর তার সাদা ব্রায়ের উপর দিয়ে আলতো করে হাত বুলাল। আয়েশার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে গেল।

রাহাত তাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। তারপর নিজের শার্ট খুলে ফেলল। তার চওড়া বুক, শক্ত হাত — আয়েশা লুকিয়ে লুকিয়ে দেখছিল। রাহাত তার উপর ঝুঁকে তার গলায়, কাঁধে, বুকের উপরে চুমু দিতে লাগল। প্রত্যেকটা চুমুতে আয়েশা কেঁপে উঠছিল।

“রাহাত…” আয়েশা ফিসফিস করে ডাকল। “বলো প্রিয়তমা,” রাহাত তার কানে বলল।

“আমাকে… আস্তে করো,” আয়েশা লজ্জায় বলল।

“অবশ্যই। আজকে শুধু তোমার জন্য।”

রাহাত তার বাকি জামা-কাপড় খুলতে লাগল খুব যত্ন করে। আয়েশাকে পুরোপুরি নগ্ন করে তার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি চুমু দিয়ে, আদর করে ভরিয়ে দিল। আয়েশার শরীর এখন আগুন হয়ে গেছে। তার হাত রাহাতের পিঠে জড়িয়ে ধরছে, নখ দিয়ে আঁচড়াচ্ছে।

রাহাত তার পায়ের আঙ্গুল থেকে শুরু করে উরু, কোমর, বুক — সব জায়গায় চুমু দিয়ে তাকে প্রস্তুত করছিল। আয়েশা আর লজ্জা সামলাতে পারছিল না। সে রাহাতকে জড়িয়ে ধরে বলল, “আমি তোমাকে চাই…”

রাহাত তার চোখে চোখ রেখে ধীরে ধীরে তাকে নিজের করে নিল। প্রথমে খুব আস্তে, যাতে আয়েশার কোনো কষ্ট না হয়। আয়েশা প্রথমে একটু ব্যথা পেল, কিন্তু রাহাতের ভালোবাসা আর যত্নে সেই ব্যথা মিষ্টি অনুভূতিতে পরিণত হলো।

দুজনের শরীর এক হয়ে গেল। ঘরে শুধু তাদের নিঃশ্বাস আর ফিসফিসানি শোনা যাচ্ছিল। রাহাত তাকে জড়িয়ে ধরে, চুমু দিয়ে, আদর করে ভরিয়ে দিচ্ছিল। আয়েশাও ধীরে ধীরে সাড়া দিতে শুরু করল। তারা দুজন একসাথে একটা নতুন জগতে পৌঁছে গেল।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেল। তারা একবার বিশ্রাম নিয়ে আবার শুরু করল। রাহাত তাকে বিভিন্ন ভঙ্গিতে আদর করল, কিন্তু কখনোই কষ্ট দিল না। আয়েশা প্রথমবারের মতো এতটা আনন্দ অনুভব করল।

ভোর চারটার দিকে দুজনে ক্লান্ত হয়ে একে অপরকে জড়িয়ে শুয়ে রইল। রাহাত আয়েশার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে বলল, “আজ থেকে প্রতিটা রাত এরকমই হবে। তোমাকে ভালোবাসব, যত্ন করব, আদর করব। তুমি আমার সব।”

আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে বলল, “আমিও তোমাকে ভালোবাসি… আমার স্বামী। এই জীবনটা তোমার সাথে কাটাতে চাই। 

ভোরের আলো জানালা দিয়ে আস্তে আস্তে ঢুকছে। রাহাত আয়েশাকে জড়িয়ে শুয়ে আছে। আয়েশার মাথা তার বুকের উপর, একটা হাত তার কোমরে। দুজনের শরীর এখনো ঘামে ভেজা, কিন্তু এক অপূর্ব শান্তি ছড়িয়ে আছে।

রাহাত আয়েশার চুলে আঙুল বুলাতে বুলাতে ফিসফিস করে বলল, “ঘুমালি না এখনো?”

আয়েশা লজ্জায় তার বুকে মুখ আরও গুঁজে দিয়ে মাথা নাড়ল। “ঘুম আসছে না… সবকিছু এত নতুন লাগছে।”

রাহাত হেসে তার কপালে চুমু খেল। “আমারও। কিন্তু খুব ভালো লাগছে। তুমি… অসাধারণ।”

কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আয়েশা লজ্জা সামলে উঠে বসল। চাদরটা বুক পর্যন্ত টেনে নিয়ে বলল, “তোমার কি কষ্ট হয়েছে? আমি… প্রথমবার তো…”

রাহাত উঠে বসে তার গালে হাত দিল। “কোনো কষ্ট হয়নি। বরং যত্ন করে তোমাকে আদর করতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। তুমি কেমন আছো? কোথাও ব্যথা?”

আয়েশা লাল হয়ে গেল। “একটু… কিন্তু সেটা ভালো লাগার ব্যথা।”

রাহাত তাকে কাছে টেনে নিয়ে আবার শুইয়ে দিল। “আরেকটু ঘুমাও। সকালে উঠে চা বানিয়ে দিব।”

কিন্তু ঘুম আর এলো না। দুজনেই একে অপরের শরীরের উষ্ণতায় জড়িয়ে রইল। রাহাতের হাত আয়েশার পিঠ বেয়ে নেমে কোমরে চলে গেল। আয়েশা তার বুকে হাত বুলাতে লাগল। ধীরে ধীরে আবার উত্তেজনা ফিরে আসতে শুরু করল।

“আবার… চাই?” রাহাত কানে কানে জিজ্ঞাসা করল।

আয়েশা লজ্জায় চোখ বন্ধ করে মাথা নেড়ে সম্মতি দিল।

এবার রাহাত আরও সাহসী হয়ে উঠল। সে আয়েশাকে চিত করে শুইয়ে তার উপর উঠে এল। তার ঠোঁট থেকে শুরু করে গলা, কাঁধ, বুকের উপর দিয়ে নামতে নামতে নাভি পর্যন্ত চুমু দিতে লাগল। আয়েশা শরীর মোচড়াতে লাগল। তার হাত রাহাতের চুলে জড়িয়ে ধরছে।

রাহাত যখন তার উরুর ভিতরে মুখ নামাল, আয়েশা চমকে উঠে বলল, “রাহাত… ওখানে না…”

“শুধু একবার চেষ্টা করো। যদি না ভালো লাগে, থামিয়ে দিব,” রাহাত নরম গলায় বলল।

আয়েশা কোনো কথা বলল না, শুধু চোখ বন্ধ করে দিল। রাহাতের জিভ আর ঠোঁট যখন তার সবচেয়ে নরম জায়গায় স্পর্শ করল, আয়েশার মুখ থেকে অজান্তেই একটা আওয়াজ বেরিয়ে এল। সে দুই হাতে বালিশ চেপে ধরল। রাহাত খুব যত্ন করে, ধীরে ধীরে তাকে আনন্দের শিখরে নিয়ে যেতে লাগল।

আয়েশা প্রথমবারের মতো এত তীব্র অনুভূতি পেল। তার শরীর কেঁপে উঠল, পা দুটো রাহাতের কাঁধে চেপে ধরল। “রাহাত… আমি… আহহ্…”

রাহাত উপরে উঠে এসে তাকে চুমু দিল। আয়েশা এবার নিজে থেকেই রাহাতকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত রাহাতের শরীরে ঘুরতে লাগল, তারপর নিচে নেমে রাহাতের শক্ত লিঙ্গটা ধরল। লজ্জায় তার হাত কাঁপছিল।

“এভাবে ধরো…” রাহাত তার হাত ধরে দেখিয়ে দিল। আয়েশা ধীরে ধীরে উপর-নিচ করতে লাগল। রাহাতের নিঃশ্বাস ভারী হয়ে গেল।

কিছুক্ষণ পর রাহাত আবার আয়েশার উপর উঠল। এবার সে আয়েশাকে নিজের কোলে তুলে নিল। আয়েশা তার কোলে বসে রাহাতের ঘাড় জড়িয়ে ধরল। ধীরে ধীরে দুজন এক হয়ে গেল। এই ভঙ্গিতে আয়েশা নিজেই নড়াচড়া করতে শুরু করল। রাহাত তার কোমর ধরে সাহায্য করছিল।

ঘরে শুধু তাদের নিঃশ্বাস, চুমুর শব্দ আর বিছানার খড়খড় আওয়াজ হচ্ছিল। আয়েশা এবার অনেক বেশি সাড়া দিচ্ছিল। সে রাহাতের কানে কানে বলছিল, “আরও জোরে… আরও…”

রাহাত তাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। আয়েশা চিৎকার করে উঠছিল আনন্দে। দুজন প্রায় একসাথেই চরমে পৌঁছে গেল।

দ্বিতীয় রাউন্ড শেষ হওয়ার পর দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে একে অপরকে জড়িয়ে শুয়ে রইল।

সকাল সাড়ে আটটা বাজে। রাহাত উঠে রান্নাঘরে গিয়ে দুজনের জন্য চা-নাস্তা বানাল। আয়েশা ততক্ষণে গোসল করে নতুন একটা হালকা নাইটি পরে এসেছে। তার চুল ভেজা, গালে এখনো লাল আভা।

রাহাত ট্রে নিয়ে এসে বিছানায় বসল। “খেয়ে নাও। তারপর আবার শুয়ে থাকব। আজকে কেউ ডিস্টার্ব করবে না।”

আয়েশা চা খেতে খেতে লজ্জা মেশানো হাসি দিয়ে বলল, “তুমি খুব ভালো। আমি ভেবেছিলাম প্রথম রাত অনেক কষ্টের হবে। কিন্তু তুমি যেভাবে যত্ন করলে… আমার মনে হচ্ছে আমি সত্যিই তোমার।”

রাহাত তার হাত ধরে বলল, “তুমি সত্যিই আমার। আর আমি তোমার। এই সুহাগরাত শুধু শুরু। সারা জীবন এভাবে তোমাকে ভালোবাসব।”

নাস্তা শেষ করে আবার দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে পড়ল। এবার আয়েশা নিজে থেকে রাহাতের বুকে চুমু দিতে লাগল। তার হাত রাহাতের শরীরে ঘুরতে লাগল। রাহাত অবাক হয়ে বলল, “এখন তোমার পালা?”

আয়েশা লজ্জায় হেসে মাথা নেড়ে তার নিচে নেমে গেল। প্রথমবারের মতো সে রাহাতকে মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। খুব আনাড়ি কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে। রাহাত তার চুল ধরে আস্তে আস্তে সাহায্য করছিল।

এরপর আবার তৃতীয় রাউন্ড শুরু হলো। এবার তারা অনেকক্ষণ ধরে ধীরে ধীরে করল। কখনো মিশনারি, কখনো ডগি স্টাইলে, কখনো আয়েশা উপরে উঠে। আয়েশা এখন পুরোপুরি খুলে গেছে। সে রাহাতের নাম ধরে চিৎকার করছে, নখ দিয়ে তার পিঠ আঁচড়াচ্ছে।

দুপুর পর্যন্ত চলল তাদের এই মধুর খেলা।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেছে। জানালা দিয়ে নরম সোনালি আলো এসে পড়ছে বিছানায়। রাহাত আর আয়েশা এখনো জড়াজড়ি করে শুয়ে আছে। আয়েশার চুল এলোমেলো, ঠোঁট ফুলে আছে চুমুতে, গায়ে হালকা লাল দাগ। রাহাত তার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “ক্লান্ত লাগছে না?”

আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে মৃদু হেসে বলল, “লাগছে… কিন্তু খুব ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে এই রাতটা যেন কখনো শেষ না হয়।”

রাহাত তাকে আরও কাছে টেনে নিল। “শেষ হবে না। এটা শুধু শুরু। সারা জীবন প্রতি রাতে তোমাকে এভাবে আদর করব।”

আয়েশা লজ্জায় তার গালে চুমু দিয়ে বলল, “তুমি যেভাবে যত্ন করো… আমি কল্পনাও করিনি। প্রথমে ভয় লাগছিল, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আমি তোমার সাথে পুরোপুরি নিরাপদ।”

রাহাত উঠে বসল। “চলো, একসাথে গোসল করি। তারপর সন্ধ্যায় হালকা কিছু খেয়ে আবার শুয়ে পড়ব।”

আয়েশা লজ্জায় মাথা নিচু করল, কিন্তু রাহাত তাকে কোলে তুলে নিয়ে বাথরুমে নিয়ে গেল। গরম পানির নিচে দাঁড়িয়ে দুজনে একে অপরকে সাবান মাখিয়ে দিতে লাগল। রাহাত আয়েশার সারা শরীরে হাত বুলাতে বুলাতে তার বুকে, কোমরে, পশ্চাৎদেশে চুমু দিচ্ছিল। আয়েশাও লজ্জা ভুলে রাহাতের শরীরে হাত ঘুরিয়ে দিচ্ছিল।

গোসলের মাঝে আবার উত্তেজনা চাগিয়ে উঠল। রাহাত আয়েশাকে দেওয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড় করিয়ে পেছন থেকে তাকে নিজের করে নিল। পানির শব্দের সাথে তাদের নিঃশ্বাস মিশে গেল। আয়েশা চিৎকার করে উঠছিল, “রাহাত… আরও… আমাকে আরও জোরে…”

গোসল শেষ করে দুজনে নতুন করে জড়িয়ে বিছানায় ফিরে এল। এবার তারা অনেকক্ষণ ধরে ধীরে ধীরে ভালোবাসায় মগ্ন হলো। কোনো তাড়া নেই, শুধু গভীর অনুভূতি। রাহাত আয়েশার প্রতিটা ইঞ্চি চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিচ্ছিল। আয়েশা এখন পুরোপুরি খুলে গেছে — সে নিজে থেকে রাহাতের উপর উঠে বসে, তার কোমর নাচিয়ে দিচ্ছে।

সন্ধ্যা নামার পর তারা হালকা খাবার খেল — রান্না করে আনা খাবার। খেতে খেতে তারা হাসতে হাসতে গল্প করছিল। আয়েশা বলল, “তোমার সাথে এভাবে থাকতে থাকতে আমার সব লজ্জা চলে গেছে।”

রাহাত তার হাত ধরে বলল, “এটাই তো চেয়েছিলাম। আমাদের মধ্যে কোনো লুকোছাপা থাকবে না। তুমি আমার সব, আমি তোমার সব।”

খাওয়ার পর আবার তারা বিছানায় ফিরল। এবার শেষ রাউন্ড। রাহাত আয়েশাকে চিত করে শুইয়ে তার পা দুটো কাঁধে তুলে খুব গভীরে প্রবেশ করল। আয়েশা তার নখ দিয়ে রাহাতের পিঠ আঁচড়াতে আঁচড়াতে চিৎকার করছিল আনন্দে। দুজন প্রায় একসাথে চরমে পৌঁছে গেল।

শেষ হয়ে দুজনে ঘামে ভেজা অবস্থায় একে অপরকে জড়িয়ে শুয়ে রইল। রাত প্রায় দশটা বাজে।

রাহাত আয়েশার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে নরম গলায় বলল, “আয়েশা, আজকের এই রাতটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর রাত। তুমি আমাকে পুরোপুরি তোমার করে নিয়েছ। আমি তোমাকে সারাজীবন ভালোবাসব, যত্ন করব, আদর করব। কোনো কষ্ট দিব না।”

আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে চোখে জল নিয়ে বলল, “আমিও তোমাকে ভালোবাসি রাহাত। তুমি যেভাবে আমাকে গ্রহণ করেছ, আমাকে আদর করেছ… আমি কখনো ভুলব না। এই সুহাগরাত আমাদের সম্পর্কের শুরু। চলো, সারা জীবন একসাথে এভাবে থাকি।”

দুজনে একে অপরকে জড়িয়ে চুমু খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। বাইরে চাঁদের আলোয় রাত নিঃশব্দে কাটতে লাগল।

গল্প সমাপ্ত।

....
👁 1487