চিরকালের স্বপ্নের নারী

ঢাকার ভিড়ে ভরা গুলশানের একটা ছোট ক্যাফেতে বসে ছিলাম আমি, আরিফ। বয়স ২৮। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। চাকরির চাপে মাথা গরম হয়ে যায় প্রায় প্রতিদিন। সেদিনও একটা ডেডলাইনের পর কফি নিয়ে বসেছি। জানালার পাশে বৃষ্টি পড়ছে। হঠাৎ চোখ পড়ল তার দিকে।

kxz

সে বসে ছিল ঠিক উল্টো দিকের টেবিলে। লম্বা চুল কাঁধের ওপর ছড়ানো। পরনে সাদা সালোয়ার কামিজ। চোখ দুটো যেন কালো আকাশের তারা। আমার দিকে তাকিয়ে হালকা হাসল। সেই হাসিতে কী যেন ছিল। আমার বুকের ভেতর কিছু একটা নড়ে উঠল।

আমি চোখ সরাতে পারলাম না। তার চোখে যেন আমার অনেক দিনের স্বপ্ন লুকিয়ে ছিল। সেই স্বপ্ন যেখানে একজন নারী আমাকে পুরোপুরি বুঝবে, আমার সব দুর্বলতা জেনেও ভালোবাসবে।

kx/춺'

তার নাম ছিল প্রিয়া। পরে জানতে পেরেছিলাম। সে একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিংয়ে কাজ করে। বয়স ২৫। চট্টগ্রামের মেয়ে, ঢাকায় থাকে মাসির বাসায়।

সেদিন কথা হয়নি। শুধু চোখাচোখি। কিন্তু সেই চোখাচোখিই যথেষ্ট ছিল আমার জীবন বদলে দিতে।

পরের দিন ফেসবুকে তার প্রোফাইল খুঁজে পেলাম। মিউচুয়াল ফ্রেন্ডের মাধ্যমে রিকোয়েস্ট পাঠালাম। সে অ্যাকসেপ্ট করল। তারপর মেসেজ:

“কাল ক্যাফেতে দেখেছিলাম আপনাকে। চোখ সরাতে পারিনি।”

সে রিপ্লাই দিল: “আমিও না। আপনার চোখে কী যেন ছিল।”

এভাবে শুরু হলো আমাদের চ্যাট। প্রথমে হালকা কথা, তারপর গভীর। আমি বললাম আমার স্বপ্নের কথা – একটা ছোট্ট বাড়ি, দুজনের জন্য একটা জগৎ, যেখানে কোনো চাপ নেই, শুধু ভালোবাসা। প্রিয়া বলল, তারও একই স্বপ্ন। সে চায় এমন একজনকে যে তার মনের কথা বুঝবে ছুঁয়ে।

এক সপ্তাহ পর আমরা আবার ক্যাফেতে দেখা করলাম। বৃষ্টি পড়ছিল। সে এসে বসল আমার পাশে। তার হাতটা আমার হাতে রাখল। গরম অনুভূতি।

“আরিফ, তোমার চোখে আমি আমার স্বপ্ন দেখি,” ফিসফিস করে বলল সে।

আমি তার চোখে তাকিয়ে রইলাম। “আর তোমার চোখে আমার সব স্বপ্ন।”

সেদিন প্রথমবার আমরা হাত ধরে হাঁটলাম গুলশান লেকের পাশে। বৃষ্টিতে ভিজে। তার ভেজা চুল থেকে ফুলের গন্ধ আসছিল। আমার বুকে তার মাথা রেখে সে বলল, “আমি তোমাকে ভালোবাসতে চাই, আরিফ। পুরোপুরি।”

দুই মাস পর। আমার অ্যাপার্টমেন্টে। মা-বাবা দেশের বাড়িতে। প্রিয়া এসেছিল। পরনে নীল শাড়ি। তার শরীরের আকার যেন স্বপ্নের মতো।

দরজা বন্ধ করার পর সে আমার কাছে এগিয়ে এল। তার চোখে লজ্জা আর আকাঙ্ক্ষা মেশানো। আমি তার কোমর জড়িয়ে ধরলাম। তার ঠোঁটে ঠোঁট ছুঁইয়ে দিলাম। প্রথম চুমু। নরম, গরম, দীর্ঘ। তার জিভ আমার জিভের সাথে খেলা করছিল।

“আরিফ… আমাকে তোমার করে নাও,” সে ফিসফিস করে বলল।

আমি তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিলাম। তার সাদা ব্লাউজের ভেতর থেকে উঁচু স্তন উঠে নামছে। আমি বোতাম খুললাম। তার ব্রা সরিয়ে তার গোলাপি বোঁটা চুষতে লাগলাম। প্রিয়া কেঁপে উঠল। “আহহ… আরও জোরে…”

তার হাত আমার প্যান্টের ভেতর ঢুকে গেল। আমার শক্ত লিঙ্গ ধরে আস্তে আস্তে ঘষতে লাগল। আমি তার শাড়ি পুরোপুরি খুলে ফেললাম। তার প্যান্টি ভিজে গেছে। আঙুল দিয়ে তার গোপন জায়গায় ছুঁয়ে দেখলাম – গরম, ভেজা।

আমরা বিছানায় গেলাম। আমি তার উপর উঠে তার পা দুটো ফাঁক করলাম। তার যোনিতে আমার লিঙ্গের মাথা ঘষতে লাগলাম। প্রিয়া চোখ বন্ধ করে কাঁপছে। “ভেতরে ঢোকাও… প্লিজ…”

এক ঠেলায় আমি ঢুকে গেলাম। গরম, টাইট। সে চিৎকার করে উঠল আনন্দে। আমি ধীরে ধীরে ঠাপাতে লাগলাম। তার স্তন দুটো হাতে চেপে ধরে জোরে জোরে চুষছি। প্রিয়া তার নখ দিয়ে আমার পিঠ আঁচড়াচ্ছে।

“আরিফ… আমি তোমার… পুরোপুরি তোমার…”

 

....
👁 405