আমার বুকে তোমার উষ্ণতা

রাতের আকাশে চাঁদ ঝলমল করছিল। ঢাকা শহরের একটা ছোট বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল রিয়ান। তার বয়স ২৪। সদ্য চাকরি পেয়েছে একটা আইটি কোম্পানিতে। পাশের বাসার ছাদ থেকে একটা মেয়ের হাসির শব্দ ভেসে এল। সেই মেয়েটি ছিল আফিয়া। বয়স ২২। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্রী।

kxz

দুজনের পরিচয় হয়েছিল ছয় মাস আগে। রিয়ানের মা আর আফিয়ার মা একসাথে মসজিদে যেতেন। একদিন বৃষ্টিতে আফিয়ার ছাতা উড়ে গিয়ে রিয়ানের পায়ের কাছে পড়ে। সেদিন থেকেই কথা শুরু। প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে, তারপর রাতের ফোনালাপে।

“রিয়ান ভাইয়া, আজকে আকাশটা কী সুন্দর না?” আফিয়া ছাদ থেকে চেঁচিয়ে বলল।

kx/춺'

রিয়ান হেসে উঠল, “হ্যাঁ, কিন্তু তোমার হাসিটা আরও সুন্দর।”

আফিয়া লজ্জায় মুখ লুকাল। কিন্তু তার চোখ দুটো রিয়ানের দিকে আটকে ছিল।

পরের কয়েকদিন তারা আরও কাছাকাছি হল। রিয়ান অফিস থেকে ফিরে আফিয়ার জন্য ছাদে অপেক্ষা করত। তারা গল্প করত, গান শুনত, কখনো চুপচাপ শুধু চাঁদ দেখত। আফিয়ার চুলে জুঁই ফুলের গন্ধ, তার হালকা লালচে ঠোঁট, আর তার চোখের মায়া — সবকিছু রিয়ানকে পাগল করে দিচ্ছিল।

এক রাতে বৃষ্টি নামল। আফিয়া ছাদে দাঁড়িয়ে ভিজছিল। রিয়ান দৌড়ে গিয়ে তাকে ছাতার নিচে টেনে নিল। দুজনের শরীর একে অপরের খুব কাছে। আফিয়ার ভেজা কুর্তার কাপড় তার স্তনের আকৃতি স্পষ্ট করে তুলছিল। রিয়ানের হৃদয় দ্রুত চলছিল।

“ঠান্ডা লাগবে না তোমার?” রিয়ান ফিসফিস করে বলল।

আফিয়া তার বুকে মাথা রাখল, “তোমার কাছে থাকলে কখনো ঠান্ডা লাগে না।”

সেই মুহূর্তে রিয়ান আর নিজেকে সামলাতে পারল না। সে আফিয়ার চিবুক তুলে ধরে তার ঠোঁটে চুমু খেল। নরম, উষ্ণ, মধুর চুমু। আফিয়া প্রথমে চমকে উঠল, তারপর চোখ বন্ধ করে রিয়ানের ঘাড় জড়িয়ে ধরল। তাদের ঠোঁট এক হয়ে গেল। জিভ একে অপরের মুখে ঢুকে খেলা করছিল। বৃষ্টির শব্দের সাথে তাদের নিঃশ্বাসের শব্দ মিশে যাচ্ছিল।

সেই রাত থেকে তাদের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেল।

পরের সপ্তাহে রিয়ানের বাসায় কেউ ছিল না। সে আফিয়াকে ডেকে নিল। আফিয়া লজ্জায় লাল হয়ে এসেছিল। তার পরনে সাদা সালোয়ার কামিজ। রিয়ান তাকে হাত ধরে নিজের রুমে নিয়ে গেল।

“আজকে আমি তোমাকে পুরোপুরি চাই,” রিয়ান বলল।

আফিয়া চোখ নামিয়ে বলল, “আমিও তোমাকে চাই। কিন্তু ধীরে ধীরে… আমি ভয় পাচ্ছি।”

রিয়ান আফিয়াকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত আফিয়ার পিঠ বেয়ে নেমে কোমরে গিয়ে থামল। আফিয়ার শরীর কাঁপছিল। রিয়ান তার কানের কাছে ফিসফিস করল, “আমি তোমাকে কখনো কষ্ট দিব না।”

তারা বিছানায় বসল। রিয়ান আফিয়ার কামিজের বোতাম খুলতে শুরু করল। একটা একটা করে। ভেতরে কালো লেসের ব্রা। আফিয়ার স্তন দুটো উঁচু হয়ে উঠে ছিল। রিয়ান হাত দিয়ে সেগুলো স্পর্শ করল। নরম, গরম। আফিয়া “উফফ…” করে শব্দ করল।

রিয়ান আফিয়ার স্তনের উপর চুমু খেল। তারপর ব্রা খুলে ফেলল। গোলাপি বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে উঠেছিল। রিয়ান একটা বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। আফিয়া তার চুল খামচে ধরল। তার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে যাচ্ছিল।

“আহহ… রিয়ান… আরও জোরে…” আফিয়া বলল।

রিয়ান অন্য স্তনটাও একইভাবে চুষল। তার হাত নেমে গেল আফিয়ার সালোয়ারের দড়িতে। দড়ি খুলে সালোয়ার নামিয়ে দিল। ভেতরে লাল প্যান্টি। ইতিমধ্যে ভিজে গিয়েছে। রিয়ান আঙুল দিয়ে প্যান্টির উপর দিয়ে ঘষতে লাগল। আফিয়া পাগলের মতো শ্বাস নিচ্ছিল।

রিয়ান প্যান্টিও খুলে ফেলল। আফিয়ার লোমহীন, গোলাপি যোনি দেখে তার লিঙ্গ শক্ত হয়ে উঠল। সে আফিয়ার উরুর ভেতর মুখ দিল। জিভ দিয়ে ক্লিটোরিস চাটতে শুরু করল। আফিয়া চিৎকার করে উঠল, “আআহহহ… কী করছ তুমি… আহহহ!”

রিয়ান জিভ ঢুকিয়ে আফিয়ার ভেতরটা চাটছিল। আফিয়ার রস বেরিয়ে তার মুখ ভিজিয়ে দিচ্ছিল। কয়েক মিনিট পর আফিয়া প্রথম অর্গাজমে পৌঁছাল। তার শরীর কাঁপতে কাঁপতে শিথিল হয়ে গেল।

এবার আফিয়ার পালা। সে রিয়ানের প্যান্ট খুলল। রিয়ানের লম্বা, মোটা লিঙ্গ বেরিয়ে পড়ল। আফিয়া লজ্জায় চোখ বন্ধ করল কিন্তু হাত দিয়ে ধরল। গরম, শক্ত। সে ধীরে ধীরে উপর-নিচ করতে লাগল। তারপর মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। রিয়ান আনন্দে গোঙাতে লাগল।

“আফিয়া… তুমি অসাধারণ…”

আফিয়া যতটা পারে মুখে নিয়ে চুষছিল। তার জিভ লিঙ্গের মাথায় ঘুরছিল। রিয়ান আর সহ্য করতে পারছিল না। সে আফিয়াকে শুইয়ে দিল। তার পা দুটো ফাঁক করে লিঙ্গের মাথা যোনির মুখে ঘষতে লাগল।

“আস্তে… প্রথমবার…” আফিয়া বলল।

রিয়ান খুব ধীরে ধীরে ঢুকাল। আফিয়ার যোনি খুব টাইট ছিল। একটু একটু করে পুরোটা ঢুকে গেল। আফিয়া ব্যথায় কাঁদছিল কিন্তু আনন্দও পাচ্ছিল। রিয়ান থেমে থেমে চলতে শুরু করল। ধীর গতিতে।

“আহহ… রিয়ান… ভালো লাগছে… আরও জোরে…”

রিয়ান গতি বাড়াল। তার লিঙ্গ আফিয়ার ভেতরে ঢুকছে-বেরোচ্ছে। তাদের শরীর ঘামে ভিজে গিয়েছিল। আফিয়ার স্তন দুটো লাফাচ্ছিল। রিয়ান সেগুলো চেপে ধরে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগল।

ঘর ভরে গেল তাদের গোঙানিতে — “আহহ… উফফ… আরও… আরও জোরে… আমি আসছি…”

দুজনেই একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছাল। রিয়ান আফিয়ার ভেতরেই তার বীর্য ঢেলে দিল। দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল।

এরপর থেকে তাদের প্রতি সপ্তাহে এমন মিলন হত। কখনো রিয়ানের রুমে, কখনো হোটেলে, কখনো ছাদের আড়ালে। তারা একে অপরের শরীর চিনে ফেলেছিল। আফিয়া শিখেছিল কীভাবে রিয়ানকে মুখে সুখ দিতে হয়। রিয়ান শিখেছিল আফিয়ার প্রতিটা স্পর্শকাতর জায়গা।

একদিন তারা পাহাড়ে বেড়াতে গেল। সিলেটের একটা রিসোর্টে। রাতে বারান্দায় বসে তারা চুমু খাচ্ছিল। রিয়ান আফিয়ার ড্রেস উঠিয়ে পেছন থেকে ঢুকাল। আফিয়া বারান্দার রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে গোঙাচ্ছিল। চাঁদের আলোয় তাদের শরীর ঝলমল করছিল।

তাদের প্রেম এভাবেই চলছিল। শারীরিক মিলন শুধু শরীর নয়, তাদের আত্মাকেও জুড়ে দিয়েছিল।

 

....
👁 240