আমার থাই প্রেমিকার

চাঁদের আলোয় ভেজা বালির ওপর দাঁড়িয়ে প্রিয়া আমার বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে বলল, “রাহাত… তোমার শরীরের গরমটা আমার ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে।”

kxz

আমি তার কোমর জড়িয়ে আরও কাছে টেনে নিলাম। পাতায়ার এই নির্জন বিচে শুধু আমরা দুজন। সমুদ্রের ঢেউ আমাদের পায়ের কাছে এসে ভেঙে পড়ছিল। তার লাল বিবিকিনির স্ট্র্যাপটা আমার আঙুলে জড়িয়ে একটু টেনে দিতেই তার ভরাট, গোল স্তন প্রায় বের হয়ে এল। চাঁদের আলোয় তার গৌরবর্ণের ত্বক ঝলমল করছিল।

“আমি তোমাকে চাই… এখনই,” প্রিয়া আমার ঠোঁট কামড়ে দিয়ে বলল। তার চোখে আকাঙ্ক্ষার আগুন জ্বলছিল।

kx/춺'

আমার ঠোঁট তার ঠোঁটের ওপর চেপে বসল। প্রথম চুমু নরম, মিষ্টি। কিন্তু কয়েক সেকেন্ড পরই আমাদের জিভ একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। তার মুখের ভেতরটা গরম, ভেজা আর মিষ্টি। আমার হাত তার পিঠ বেয়ে নেমে গেল, তার গোল নিতম্ব দুটো শক্ত করে চেপে ধরলাম। প্রিয়া একটা ছোট্ট আঃ করে উঠে আমার ঘাড়ে কামড় দিল। তার নিঃশ্বাস আমার কানে গরম হয়ে লাগছিল।

“আমার রুমে চলো,” আমি তার কানে ফিসফিস করলাম।

হোটেলের রুমে ঢোকার সাথে সাথে প্রিয়া আমাকে দরজার সাথে চেপে ধরল। তার হাত আমার শার্টের বোতাম খুলতে খুলতে নিচে নেমে গেল। আমার প্যান্টের ভেতর হাত ঢুকিয়ে সে আমার শক্ত হয়ে ওঠা লিঙ্গটা চেপে ধরল। “উফফ… কত বড় আর শক্ত হয়ে গেছে তোমারটা। আমি এটাকে ভেতরে নিতে চাই।”

আমি তার বিবিকিনির উপরের অংশটা এক টানে খুলে ফেললাম। তার দুটো ভরাট স্তন বেরিয়ে পড়ল। গোলাপি বোঁতা দুটো শক্ত হয়ে উঠেছিল। আমি মাথা নিচু করে একটা বোঁটা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে শুরু করলাম। অন্য হাত দিয়ে দ্বিতীয় স্তনটা মালিশ করছিলাম। প্রিয়া আমার চুল খামচে ধরে কেঁপে উঠল, “আহহহ… জোরে চোষো রাহাত… কামড়াও… এগুলো তোমার।”

আমার অন্য হাত তার বিবিকিনির নিচের অংশ সরিয়ে তার যোনিতে ঢুকে গেল। সেখানটা ইতিমধ্যে কামরসে ভিজে সপসপ করছিল। দুই আঙুল ঢুকিয়ে আস্তে আস্তে নড়াতে থাকলাম। প্রিয়া পাগলের মতো কাঁপতে লাগল। “আআআহ… আরও গভীরে… আঙুল দিয়ে চোদো আমাকে!”

আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে তার পা দুটো ফাঁক করে মাথা নামিয়ে দিলাম। আমার জিভ তার ফোলা ক্লিটোরিস চুষতে শুরু করতেই প্রিয়া চিৎকার করে উঠল। “আহহহহ… চুষো… জিভ দিয়ে চাটো… আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি!” তার দুই হাত আমার মাথা চেপে ধরে যোনির ভেতরে আরও গভীরে ঠেলে দিচ্ছিল। আমি জিভ আর আঙুল দুটো একসাথে চালাতে থাকলাম। তার কামরস আমার মুখ ভিজিয়ে দিচ্ছিল।

কয়েক মিনিট পরই প্রিয়া প্রথম অর্গাজমে ভেঙে পড়ল। তার শরীর কেঁপে উঠল, পা দুটো শক্ত হয়ে গেল। গরম রস আমার মুখে ছড়িয়ে পড়ল। সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, “তোমার পালা এবার।”

প্রিয়া উঠে বসে আমার প্যান্ট খুলে ফেলল। আমার শক্ত লিঙ্গটা বের হয়ে এল। সে হাত দিয়ে ধরে উপর-নিচ করতে লাগল। তারপর মুখ নামিয়ে পুরোটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। তার জিভ লিঙ্গের মাথায় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছিল, গলার ভেতর পর্যন্ত নিয়ে গভীর থ্রোট করছিল। “উফফ… তোমার মুখটা এত গরম…” আমি তার চুল ধরে তার মাথা নড়াতে থাকলাম।

কিছুক্ষণ পর আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। তাকে চিৎ করে শুইয়ে তার পা কাঁধে তুলে এক ঠেলায় পুরো লিঙ্গটা তার ভেজা যোনিতে ঢুকিয়ে দিলাম।

“আআআহহহহ… ফেটে যাচ্ছে রাহাত… খুব বড়… আস্তে… আহহহ!” প্রিয়া চোখ উল্টে চিৎকার করল।

আমি জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকলাম। প্রত্যেক ধাক্কায় তার স্তন দুলছিল, বিছানা কাঁপছিল। তার যোনির ভেতরটা আমার লিঙ্গকে শক্ত করে চেপে ধরছিল। “জোরে চোদো… আরও জোরে… আমাকে তোমার করে নাও!” প্রিয়া চেঁচিয়ে বলছিল।

আমরা পজিশন বদলাতে থাকলাম। ডগি স্টাইলে তার নিতম্ব চেপে ধরে পেছন থেকে চুদলাম। তারপর সে উপরে উঠে কাউগার্ল পজিশনে বসে লাফাতে লাগল। তার স্তন দুটো আমার মুখের সামনে দুলছিল। আমি চুষতে চুষতে নিচ থেকে ধাক্কা দিচ্ছিলাম।

রাত দুটো পর্যন্ত চলল আমাদের এই উন্মাদ মিলন। দুজনেই একসাথে অর্গাজমে পৌঁছালাম। আমার গরম বীর্য তার ভেতরে ঢেলে দিলাম। প্রিয়া আমার বুকে শুয়ে পড়ল। তার শরীর ঘামে ভেজা।

সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি প্রিয়া আমার বুকে মাথা রেখে শুয়ে আছে। তার হাত আমার লিঙ্গে আলতো করে খেলা করছিল। সে চোখ খুলে হেসে বলল, “গুড মর্নিং লাভ… আজ আমরা কোহ সমুইতে যাব। ওখানে একটা প্রাইভেট বাংলো বুক করেছি। সেখানে কেউ আমাদের ডিস্টার্ব করবে না।”

আমি তার ঠোঁটে লম্বা চুমু খেয়ে বললাম, “তোমার শরীর যতক্ষণ আমার সাথে, প্রতিটা মুহূর্ত তোমাকে চুদব।”

প্রিয়া লজ্জায় মুখ লুকিয়ে ফিসফিস করল, “প্রমিস করো… আরও বেশি পাগলামি করবে।”

ফেরি জার্নি ও কোহ সমুই

দুপুরে আমরা ফেরিতে করে কোহ সমুইতে চলে গেলাম। ফেরির ডেকে দাঁড়িয়ে প্রিয়া আমার পেছনে লেগে ছিল। তার হাত আমার প্যান্টের ভেতর ঢুকিয়ে আস্তে আস্তে হাত দিয়ে মালিশ করছিল। “এখানে কেউ দেখছে না… একটু মজা করি?”

আমি তার হাত সরিয়ে তাকে রেলিংয়ের সাথে চেপে ধরে পেছন থেকে তার ড্রেসের নিচে হাত ঢুকিয়ে তার যোনি আঙুল দিয়ে নেড়াতে থাকলাম। প্রিয়া ঠোঁট কামড়ে কোনোমতে আওয়াজ চেপে রাখছিল। তার কামরস আঙুল ভিজিয়ে দিচ্ছিল।

বাংলোতে পৌঁছে আমরা আর অপেক্ষা করিনি। বাংলোর বারান্দায় সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে প্রিয়া তার ড্রেস খুলে পুরোপুরি নগ্ন হয়ে গেল। তার শরীর চাঁদের আলোয় আরও সুন্দর লাগছিল। আমিও কাপড় খুলে ফেললাম।

আমরা বারান্দার কাঠের মেঝেতে শুয়ে পড়লাম। প্রিয়া আমার উপর উঠে বসল। তার ভেজা যোনি আমার শক্ত লিঙ্গের ওপর ঘষতে ঘষতে বলল, “আজ সারাদিন তোমার লিঙ্গ আমার ভেতরে থাকবে।”

সে ধীরে ধীরে বসে পুরোটা ভেতরে নিয়ে নিল। তারপর উপর-নিচ করতে থাকল। তার স্তন দুটো দুলছিল। আমি স্তন ধরে চুষছিলাম। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দের সাথে তার আঃ আঃ শব্দ মিশে যাচ্ছিল।

এরপর আমরা সমুদ্রের পানিতে নামলাম। পানির ভেতর লুকিয়ে প্রিয়াকে কোলে তুলে তার ভেতরে লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিলাম। পানির ঢেউয়ের সাথে তাল মিলিয়ে চুদতে থাকলাম। প্রিয়া আমার ঘাড় জড়িয়ে ধরে কামড়াতে থাকল। “আহহ… পানির ভেতর চোদা… অসাধারণ লাগছে!”

সারা দিন আর রাত আমরা বিভিন্ন জায়গায় মিলিত হলাম — বাংলোর জ্যাকুজিতে, বিচের বালিতে, এমনকি রাতে বোট ভাড়া করে সমুদ্রের মাঝে। প্রত্যেকবার নতুন নতুন পজিশন, আরও বেশি আবেগ, আরও গভীর অনুভূতি।

প্রিয়া একদিন বলল, “রাহাত, আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। এটা শুধু শরীরের আকর্ষণ না… তোমার সাথে থাকতে ভালো লাগে।”

আমি তাকে জড়িয়ে ধরে বললাম, “আমিও তোমাকে ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারছি না। 

প্রিয়া আমার বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে বলল, “রাহাত… আজ রাতটা আরও পাগলামিতে ভরিয়ে দাও। আমি তোমার সব কিছু চাই।”

কোহ সমুইয়ের প্রাইভেট বাংলোর বারান্দায় আমরা দুজনে নগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ আর চাঁদের আলো আমাদের শরীরে পড়ছিল। প্রিয়ার ভরাট স্তন আমার বুকে চেপে ছিল, তার শক্ত বোঁতা দুটো আমার ত্বকে ঘষছিল। আমি তার কোমর জড়িয়ে তাকে তুলে নিয়ে বারান্দার কাঠের টেবিলের ওপর শুইয়ে দিলাম।

“তোমার যোনিটা আজ আমার জিভ দিয়ে পুরোপুরি চেটে পরিষ্কার করে দিব,” বলে আমি তার পা দুটো কাঁধে তুলে মুখ নামিয়ে দিলাম। তার যোনি এখনও আগের রাতের রসে ভেজা। আমার জিভ তার ক্লিটোরিস চুষতে শুরু করতেই প্রিয়া দুই হাতে আমার চুল খামচে ধরে চিৎকার করে উঠল, “আহহহহ… জিভ ঢোকাও ভেতরে… চুষো জোরে!”

আমি জিভটা পুরোটা ঢুকিয়ে ভেতরে ঘোরাতে থাকলাম। একসাথে দুই আঙুল ঢুকিয়ে গতি বাড়িয়ে দিলাম। প্রিয়ার শরীর কেঁপে কেঁপে উঠছিল। তার কামরস আমার মুখ আর চিবুক বেয়ে গড়িয়ে পড়ছিল। সে পাগলের মতো ছটফট করতে করতে বলছিল, “আমি আর পারছি না… আসছে… আআআহহ!”

দ্বিতীয় অর্গাজমে প্রিয়া একেবারে ভেঙে পড়ল। তার পা শক্ত হয়ে আমার কাঁধ চেপে ধরল। আমি উঠে তার মুখে চুমু খেলাম, আমার মুখের কামরস তার ঠোঁটে মাখিয়ে দিলাম। প্রিয়া সেটা চেটে খেয়ে আমার লিঙ্গ ধরে বলল, “এবার তোমার পালা। আমার মুখে ঢুকাও।”

সে হাঁটু গেড়ে বসে আমার শক্ত লিঙ্গটা মুখে নিয়ে গভীর থ্রোট করতে থাকল। তার গলার ভেতরটা গরম আর টাইট। সে জিভ দিয়ে লিঙ্গের নিচের অংশ চেটে চুষছিল আর হাত দিয়ে বলস দুটো মালিশ করছিল। আমি তার চুল ধরে তার মাথা নড়াতে থাকলাম। “উফফ প্রিয়া… তোমার মুখটা স্বর্গের মতো…”

কিছুক্ষণ পর আমি তাকে উঠিয়ে নিয়ে বাংলোর ভেতরের বড় বিছানায় নিয়ে গেলাম। তাকে চিৎ করে শুইয়ে তার পা ফাঁক করে এক ঠেলায় পুরো লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিলাম। “আআআহহ… ফেটে যাচ্ছে… জোরে চোদো রাহাত!” প্রিয়া চেঁচিয়ে উঠল।

আমি তার উপর ঝুঁকে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকলাম। প্রত্যেক ধাক্কায় তার স্তন দুলছিল। আমি স্তন চুষতে চুষতে চুদছিলাম। তারপর তাকে উল্টে ডগি স্টাইলে নিয়ে তার নিতম্ব চেপে ধরে পেছন থেকে ঢুকালাম। তার নিতম্বে চড় মেরে জোরে চোদতে থাকলাম। প্রিয়া বালিশ কামড়ে চিৎকার করছিল, “আরও জোরে… আমার ভেতরে মেরে দাও!”

আমরা সারা রাত বিভিন্ন পজিশনে চলতে থাকলাম। কাউগার্ল, স্পুনিং, স্ট্যান্ডিং — প্রত্যেকবার নতুন অনুভূতি। শেষে দুজনে একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছালাম। আমার গরম বীর্য তার যোনির ভেতরে ঢেলে দিলাম। প্রিয়া আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “তুমি আমার সব… আমি তোমাকে ছাড়া আর কিছু চাই না।”

পরের দিন – জ্যাকুজি অ্যাডভেঞ্চার

সকালে উঠে আমরা বাংলোর প্রাইভেট জ্যাকুজিতে গেলাম। গরম পানিতে বুদবুদ উঠছিল। প্রিয়া পুরোপুরি নগ্ন হয়ে জ্যাকুজিতে ঢুকল। আমিও তার পাশে বসলাম। পানির নিচে তার হাত আমার লিঙ্গে খেলা করছিল।

“এখানে চোদো আমাকে,” প্রিয়া বলে আমার কোলে উঠে বসল। পানির ভেতর তার যোনিতে লিঙ্গ ঢুকিয়ে সে উপর-নিচ করতে থাকল। গরম পানি আর তার গরম যোনি — দুটো মিলে অসাধারণ অনুভূতি। আমি তার স্তন চুষতে চুষতে নিচ থেকে ধাক্কা দিচ্ছিলাম। প্রিয়ার চিৎকার জ্যাকুজির বুদবুদের সাথে মিশে যাচ্ছিল।

জ্যাকুজির পর আমরা বিচে গেলাম। দুপুরের রোদে কম লোক ছিল। একটা নির্জন জায়গায় প্রিয়া তার প্যারিও খুলে ফেলল। আমরা বালির ওপর শুয়ে পড়লাম। সমুদ্রের ঢেউ আমাদের পায়ে লাগছিল। আমি তার উপর উঠে আবার চুদতে শুরু করলাম। পানি আর বালি মিশে আমাদের শরীর আরও স্লিপারি হয়ে গিয়েছিল।

প্রিয়া বলল, “আমার পেছন দিয়ে চোদতে চাই… অ্যানাল চেষ্টা করব?” আমি তার সম্মতিতে আস্তে আস্তে তার পেছনের ছিদ্রে লিঙ্গ ঢোকালাম। প্রথমে আস্তে, তারপর গতি বাড়িয়ে। প্রিয়া প্রথমে কষ্ট পেলেও পরে আনন্দে চিৎকার করতে থাকল, “আহহ… নতুন অনুভূতি… জোরে চোদো!”

সারাদিন বিচ, বাংলো, সমুদ্র — সব জায়গায় আমাদের শরীরী খেলা চলতে থাকল। সন্ধ্যায় আমরা একটা ছোট বোট ভাড়া করে সমুদ্রের মাঝে চলে গেলাম। বোটে শুয়ে তার উপর চড়ে চুদতে চুদতে তারা তার চুল ধরে টানছিলাম। সমুদ্রের ঢেউয়ের দোলায় আমাদের মিলন আরও উন্মাদ হয়ে উঠছিল।

রাতে বাংলোতে ফিরে প্রিয়া আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “রাহাত, এই ট্রিপটা আমার জীবনের সেরা। তুমি শুধু আমার শরীর নয়, আমার মনটাও জয় করে নিয়েছ।”

আমি তার কপালে চুমু খেয়ে বললাম, “আমিও তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি প্রিয়া। ফিরে গিয়ে আমরা একসাথে থাকব।”

থ্রি-সামের টুইস্ট (যদি চাও আরও হট করতে)

পরের দিন সকালে বিচে হাঁটতে হাঁটতে আমরা একটা সুন্দরী থাই মেয়ের সাথে পরিচিত হলাম। তার নাম লিং। বয়স ২২। সে লোকাল ম্যাসাজ থেরাপিস্ট। কথায় কথায় সে আমাদের তার প্রাইভেট ভিলায় ইনভাইট করল।

সেখানে লিং প্রিয়াকে ম্যাসাজ করতে শুরু করল। ধীরে ধীরে ম্যাসাজ হট হয়ে উঠল। লিং প্রিয়ার স্তন চুষতে শুরু করল। প্রিয়া আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল, “আয় রাহাত… আমরা তিনজনে মিলে মজা করি।”

আমি তাদের দুজনের মাঝে শুয়ে পড়লাম। প্রিয়া আমার লিঙ্গ চুষছিল, লিং তার যোনি চাটছিল। তারপর আমি প্রিয়াকে চুদতে চুদতে লিংকে আঙুল দিয়ে সন্তুষ্ট করছিলাম। তিনজনের শরীর একসাথে জড়াজড়ি করে ঘামে ভিজে গেল। প্রিয়া আর লিং দুজনেই আমার লিঙ্গ চুষছিল। আমি দুজনকে পর্যায়ক্রমে চুদলাম। রাতভর চলল এই উন্মাদ থ্রি-সাম।

প্রিয়া পরে আমাকে বলল, “এটা ছিল শুধু ফান… কিন্তু তোমাকে আমি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি। 

প্রিয়া আমার বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে বলল, “রাহাত… এই কয়েকদিনে তুমি আমার শরীর আর মন দুটোই জয় করে নিয়েছ। আজ শেষ রাতটা আমরা এমনভাবে কাটাব যেন সারা জীবন মনে থাকে।”

কোহ সমুইয়ের প্রাইভেট বাংলোর ছাদে আমরা দুজনে নগ্ন হয়ে শুয়ে ছিলাম। তার উপর তারা ভরা আকাশ। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ আর হালকা বাতাস আমাদের শরীরে বয়ে যাচ্ছিল। প্রিয়ার ভরাট স্তন আমার বুকে চেপে ছিল, তার নরম নিতম্ব আমার উরুর উপর। আমি তার চুলে আঙুল চালাতে চালাতে তার ঠোঁটে লম্বা চুমু খেলাম।

“তোমাকে ছাড়া আমি আর ফিরতে চাই না প্রিয়া,” আমি তার কানে বললাম। সে উত্তরে আমার লিঙ্গটা হাতে নিয়ে আলতো করে মালিশ করতে শুরু করল। তার চোখে রোমান্স আর আকাঙ্ক্ষা মিশে ছিল।

আমি তাকে উপরে তুলে নিয়ে তার পা দুটো আমার কাঁধে রেখে ধীরে ধীরে লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিলাম। পুরোটা ভেতরে ঢোকার পর আমরা দুজনেই একসাথে আঃ করে উঠলাম। “আহহ… এত গভীরে… তোমারটা আমার ভেতর পুরোপুরি মিলে গেছে,” প্রিয়া চোখ বন্ধ করে বলল।

আমি ধীর গতিতে চুদতে থাকলাম। প্রত্যেক ধাক্কায় তার স্তন দুলছিল। আমি এক হাতে স্তন চেপে চুষছিলাম, অন্য হাতে তার ক্লিটোরিস ঘষছিলাম। প্রিয়া আমার পিঠে নখ বসিয়ে দিচ্ছিল। “জোরে… আরও জোরে চোদো রাহাত… আমাকে তোমার করে নাও!”

আমরা পজিশন বদলালাম। সে উপরে উঠে কাউগার্ল হয়ে বসল। তার নিতম্ব উপর-নিচ করতে করতে সে আমার চোখে চোখ রেখে বলছিল, “আমি তোমার… শুধু তোমার।” তার যোনির ভেতরটা আমার লিঙ্গকে শক্ত করে চেপে ধরছিল। আমি নিচ থেকে ধাক্কা দিচ্ছিলাম। ঘামে ভেজা শরীর, চুমু, কামড়, আঁচড় — সব মিলে রাতটা উন্মাদ হয়ে উঠল।

এরপর আমরা ছাদ থেকে নেমে বাংলোর প্রাইভেট পুলে গেলাম। গরম পানিতে দুজনে জড়াজড়ি করে ভাসছিলাম। প্রিয়া পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে বলল, “আজ আবার পেছন দিয়ে চোদো… আমি চাই।”

আমি তার নিতম্ব চেপে ধরে আস্তে আস্তে লিঙ্গ ঢোকালাম। প্রথমে একটু কষ্ট হলেও পরে সে আনন্দে কেঁপে উঠল। “আহহহ… অসাধারণ লাগছে… জোরে চোদো!” পানির ভেতর পেছন থেকে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকলাম। প্রিয়া পুলের কিনারা চেপে ধরে চিৎকার করছিল। আমি তার চুল ধরে টেনে তার ঠোঁটে চুমু খাচ্ছিলাম।

পুলের পর আমরা বিছানায় ফিরে এলাম। এবার লম্বা সময় ধরে স্পুনিং পজিশনে শুয়ে শুয়ে চুদলাম। আমার এক হাত তার স্তনে, অন্য হাত তার যোনিতে। ধীরে ধীরে, গভীরে। প্রিয়া ফিসফিস করে বলছিল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি রাহাত… খুব ভালোবাসি।”

আমরা দুজনে একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছালাম। আমার গরম বীর্য তার ভেতরে ঢেলে দিলাম। প্রিয়া আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে কাঁপতে থাকল।

রোমান্টিক শেষ দিন

পরদিন সকালে আমরা বিচে হাঁটতে গেলাম। হাত ধরাধরি করে, কখনো চুমু খেয়ে, কখনো হাসতে হাসতে। প্রিয়া বলল, “এই ট্রিপটা শুধু সেক্সের না… আমাদের নতুন শুরুর।”

দুপুরে আমরা একটা ছোট রেস্টুরেন্টে খেতে গেলাম। সেখান থেকে ফিরে আবার বাংলোতে। শেষবারের মতো আমরা সব জায়গায় মিলিত হলাম — বারান্দায়, বিছানায়, পুলে, বিচের বালিতে। প্রত্যেক সিন আরও গভীর, আরও আবেগপূর্ণ।

সন্ধ্যায় সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে প্রিয়া আমার কোলে বসে বলল, “ঢাকায় ফিরে আমরা একসাথে থাকব। আমি তোমার সাথে সব শেয়ার করতে চাই।”

আমি তার কপালে চুমু খেয়ে বললাম, “প্রমিস। তুমি আমার জীবনের সেরা সারপ্রাইজ।”

রাতে শেষবারের মতো আমরা খুব ধীরে ধীরে, রোমান্টিকভাবে মিলিত হলাম। চুমু, আদর, চোখে চোখ রেখে। কোনো তাড়াহুড়ো নেই। শুধু ভালোবাসা আর শরীরের মিলন। দুজনে একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে আমরা ক্লান্ত হয়ে একে অপরকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।

ফিরে আসা

পরদিন আমরা ব্যাংকক হয়ে ঢাকায় ফিরলাম। এয়ারপোর্টে বিদায়ের সময় প্রিয়া আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদল। “এটা শেষ না… শুরু।”

আমরা দুজনে একসাথে ঢাকায় নতুন জীবন শুরু করলাম। প্রতি উইকেন্ডে আমাদের থাইল্যান্ডের স্মৃতি আবার জীবন্ত হয়ে উঠত। শরীর আর মনের মিলনে আমাদের ভালোবাসা আরও গভীর হতে থাকল। 

শেষ।

....
👁 262