তোমার সাথে রাত

রাত তখন সাড়ে এগারোটা। ঢাকা শহরের রাস্তা প্রায় ফাঁকা। মিরপুর থেকে অফিস শেষ করে আমি, রাহাত, গাবতলী স্ট্যান্ডে এসে দাঁড়িয়েছি। আজকের দিনটা খুব ক্লান্তিকর ছিল। প্রজেক্টের ডেডলাইন, মিটিং, সব মিলিয়ে শরীরটা ভেঙে পড়ছিল। ১১ নম্বর বাসটা আসতেই উঠে পড়লাম। বাসের ভিতরে যাত্রী খুব কম – মাত্র চার-পাঁচজন। আমি পিছনের দিকে একটা ডাবল সিটে জানালার পাশে বসলাম। বাইরে হালকা বৃষ্টি পড়ছে।

kxz

বাস চলতে শুরু করল। ফার্মগেটের কাছে এসে একটা মেয়ে উঠল। বয়স আনুমানিক ২৪-২৫। লম্বা, ফর্সা গায়ের রং, কোমর পর্যন্ত কালো চুল খোলা। পরনে সাদা সালোয়ার কামিজ, যেটা তার শরীরের প্রতিটা কার্ভ স্পষ্ট করে তুলেছে। বুকের উপরের অংশটা একটু খোলা, নিচের অংশটা টাইট হয়ে তার নিতম্বের আকৃতি দেখাচ্ছে। সে বাসের ভিতরটা দেখে আমার দিকে এগিয়ে এল এবং আমার পাশের সিটে বসল।

“ভাইয়া, এই বাসটা কি মতিঝিল যাবে?” তার গলা মিষ্টি, একটু ক্লান্ত।

kx/춺'

আমি হাসলাম, “হ্যাঁ, যাবে। আপনি আরাম করে বসুন।”

সে লজ্জা পেয়ে হাসল। তার নাম আফিয়া। সে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে মার্কেটিংয়ে চাকরি করে। আজকে অফিস লেট হয়ে গেছে। তার পরিবার চট্টগ্রামে, সে ঢাকায় একা থাকে। আমিও বললাম আমার কথা – ২৭ বছর বয়স, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, পরিবার বাইরে।

কথায় কথায় আমরা অনেক কিছু শেয়ার করলাম। সে খুব সহজ সরল মেয়ে। হাসতে হাসতে তার চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছিল। বাস যত এগোচ্ছে, যাত্রীরা একে একে নেমে যাচ্ছে। কাওরান বাজার পার হয়ে শাহবাগের কাছে এসে দেখি বাসে শুধু আমরা দুজন আর ড্রাইভার আর কন্ডাক্টর। কন্ডাক্টর সামনের সিটে ঘুমিয়ে পড়েছে। বাসের ভিতরে হালকা হলুদ আলো জ্বলছে। বাইরে বৃষ্টি বেড়েছে।

আফিয়া একটু কাছে সরে এল। “রাহাত ভাইয়া, আজকে খুব ঠান্ডা লাগছে।” বলে সে তার কাঁধটা আমার কাঁধে ছোঁয়াল। আমি তার হাতটা ধরলাম। তার হাত ঠান্ডা। আমি ধীরে ধীরে তার হাতে হাত ঘষে দিতে লাগলাম। সে চোখ বন্ধ করে ফেলল।

“আফিয়া, তুমি খুব সুন্দর। তোমার সাথে কথা বলতে খুব ভালো লাগছে,” আমি ফিসফিস করে বললাম।

সে লজ্জায় মুখ নিচু করল। কিন্তু তার শরীরটা আরও কাছে এল। তার নরম বুক আমার বাহুর সাথে চেপে গেল। আমার শরীরে একটা তরঙ্গ খেলে গেল। আমি তার কোমরে হাত রাখলাম। সে কোনো প্রতিবাদ করল না। বরং তার মাথাটা আমার বুকে রেখে দিল।

আমি তার চুলে হাত বুলাতে লাগলাম। তারপর ধীরে ধীরে তার কপালে, গালে চুমু খেলাম। আফিয়া চোখ বন্ধ করে ফেলল। তার শ্বাস ভারী হয়ে উঠছে। “রাহাত… এখানে… বাসে…” সে খুব আস্তে বলল।

“কেউ নেই তো। শুধু তুমি আর আমি। এই রাতটা আমাদের,” আমি তার ঠোঁটে চুমু খেলাম। প্রথমে হালকা, তারপর গভীর। তার নরম ঠোঁট দুটো আমার ঠোঁটের সাথে মিশে গেল। তার জিভ আমার জিভকে জড়িয়ে ধরল। আমাদের চুমু অনেকক্ষণ ধরে চলল। তার হাত আমার বুকে ঘুরছিল।

আমি তার কামিজের উপর দিয়ে তার বুক চেপে ধরলাম। তার স্তন দুটো বড়, নরম আর শক্ত। ব্রা-এর ভিতরে তার বোঁটা শক্ত হয়ে উঠেছে। আমি আঙুল দিয়ে ঘষতে লাগলাম। আফিয়া “উফফ…” করে কেঁপে উঠল। সে আমার প্যান্টের উপর হাত রেখে আমার লিঙ্গটা চেপে ধরল। তখনই আমার লিঙ্গ পুরো শক্ত হয়ে গেছে।

“আফিয়া… তুমি আমাকে পাগল করে দিচ্ছো,” আমি তার কানে কামড় দিয়ে বললাম।

সে আমার কানে ফিসফিস করল, “আমিও তোমাকে চাই রাহাত… খুব বেশি চাই।”

আমি তার কামিজের বোতাম খুলে তার সাদা লেসের ব্রা বের করলাম। দুইটা সুন্দর গোলাপি বোঁটা শক্ত হয়ে আছে। আমি একটা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে লাগলাম। আফিয়া তার মুখে হাত চাপা দিয়ে কেঁপে উঠল। “আহহহ… রাহাত… খুব ভালো লাগছে… আরও জোরে চোষো… উফফ…”

আমার এক হাত তার সালোয়ারের দড়িতে। দড়ি খুলে তার সালোয়ার আর প্যান্টি একসাথে নামিয়ে দিলাম। তার ভোদাটা পুরো ভিজে গেছে, গরম আর নরম। আমি আঙুল দিয়ে তার ক্লিটোরিস ঘষতে লাগলাম। আফিয়া পাগলের মতো আমার ঘাড় কামড়ে ধরল। “আমার ভোদা চেটে দাও রাহাত… প্লিজ…”

আমি তাকে সিটের উপর শুইয়ে দিলাম। তার পা দুটো ফাঁক করে তার ভোদায় মুখ দিলাম। তার রসের স্বাদ মিষ্টি। আমি জিভ দিয়ে চেটে, চুষে, আঙুল ঢুকিয়ে দিতে লাগলাম। আফিয়া তার কোমর উঁচু করে দিয়ে কাঁপছিল। “আহহহ… আমি আসছি… রাহাত… আসছি…” তার শরীর কেঁপে প্রথম অর্গাজম হল। তার ভোদার রস আমার মুখে ভরে গেল।

সে উঠে আমার প্যান্টের চেন খুলে আমার শক্ত লিঙ্গ বের করল। “ওয়াও… এত বড় আর মোটা…” সে চোখ বড় করে বলল। তারপর মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। তার জিভ আমার লিঙ্গের ডগায় ঘুরছিল। আমি তার চুল ধরে তার মুখে ঠাপ দিতে লাগলাম। “আফিয়া… তুমি খুব ভালো চোষো… আহহ…”

এরপর সে আমার উপর উঠে বসল। তার ভোদায় ধীরে ধীরে আমার লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিল। “উফফফফ… পুরো ভরে গেছে… তোমারটা খুব বড় রাহাত…” সে চোখ বন্ধ করে বলল। বাসের চলার সাথে সাথে সে উপর-নিচ করতে লাগল। তার বুক দুটো লাফাচ্ছে। আমি দুই হাতে চেপে ধরে চুষছি।

“জোরে মারো রাহাত… আমাকে তোমার করে নাও…” সে পাগলের মতো বলছিল। আমি তার কোমর ধরে জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলাম। বাসের ঝাঁকুনির সাথে আমাদের শরীর আরও গভীরে মিলছিল। তার ভোদার ভিতর গরম রস আমার লিঙ্গ বেয়ে গড়াচ্ছে।

আমরা পজিশন চেঞ্জ করলাম। সে সিটে হাঁটু গেড়ে ডগি স্টাইলে দাঁড়াল। আমি পেছন থেকে তার নরম পশ্চাৎদেশে চড় মেরে লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিলাম। “আহহহ… ফেটে যাবে… আরও জোরে… মারো রাহাত… তোমার আফিয়াকে চোদো…” তার কথায় আমার উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। আমি জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। প্রত্যেক ঠাপে তার নিতম্বে শব্দ হচ্ছিল।

আমরা এভাবে অনেকক্ষণ ধরে বিভিন্ন পজিশনে করলাম। মিশনারি, কাউগার্ল, স্পুনিং – সব। বাস যখন শাহবাগ থেকে ফকিরাপুলের দিকে যাচ্ছে, তখন আমরা দুজনেই ঘামে ভিজে গেছি। তার শরীরের প্রতিটা অংশ আমি চুমু খেয়েছি – গলা, বুক, পেট, উরু, ভোদা। সে আমার লিঙ্গ চুষে, চেটে অনেকবার আমাকে আনন্দ দিয়েছে।

শেষবার যখন আমরা একসাথে আসলাম, তখন বাস মতিঝিলের কাছে। আমি তার ভিতরেই আমার বীর্য ঢেলে দিলাম। সে আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁপছিল। “রাহাত… এটা আমার জীবনের সেরা রাত… তোমাকে ছাড়া আর কিছু চাই না।”

বাস থামলে আমরা দুজনেই নেমে পড়লাম। বৃষ্টির মধ্যে হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে সে বলল, “আজকের পর আর আমরা আলাদা নই।” আমি তাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলাম। 

যখন প্রথম চুমু খেলাম, তার ঠোঁটের নরমতা, তার জিভের গরম স্পর্শ, তার শ্বাসের গন্ধ – সবকিছু আমাকে পাগল করে দিয়েছিল। তার বুক চুষতে চুষতে তার বোঁটা কামড়ে দিতেই সে আর্তনাদ করে উঠেছিল কিন্তু আনন্দে। তার ভোদা চেটে যখন আঙুল ঢুকিয়েছি, তার ভিতরের গরম, ভেজা দেওয়াল আমার আঙুল চেপে ধরছিল। সে বারবার বলছিল, “আরও গভীরে… তোমার আঙুল দিয়ে আমাকে ফাটিয়ে দাও…”

যখন সে আমার লিঙ্গ মুখে নিল, তার গরম মুখের ভিতর আমার লিঙ্গ পুরো ঢুকে গেল। সে গলা পর্যন্ত নিয়ে চুষছিল, তার লালা বেয়ে পড়ছিল। আমি তার মাথা ধরে মুখে ঠাপ দিতে দিতে তার চোখে চোখ রেখেছিলাম – সেই চাহনিতে শুধু কাম আর ভালোবাসা।

কাউগার্ল পজিশনে যখন সে উঠানামা করছিল, তার বুক লাফাচ্ছিল, তার চুল উড়ছিল, তার ভোদা আমার লিঙ্গকে পুরো গিলে নিচ্ছিল। প্রত্যেকবার নিচে বসার সময় সে “আহহহ…” করে উঠছিল। আমি তার ক্লিটোরিস ঘষতে ঘষতে তাকে আরও উত্তেজিত করছিলাম।

ডগিতে তার পেছনটা দেখে আমি আর নিজেকে সামলাতে পারিনি। তার ফর্সা নিতম্বে চড় মেরে, কোমর ধরে জোরে জোরে ঠাপাতে ঠাপাতে তার চুল ধরে টেনে তার কানে বলছিলাম, “তুমি আমার… শুধু আমার আফিয়া…”

এভাবে আমরা বাসের প্রতিটা মিনিটকে কাজে লাগিয়েছি। বাস যখন থামার কাছে, তখন আমরা দুজনেই ক্লান্ত কিন্তু পরিতৃপ্ত। তার শরীরে আমার দাগ, আমার শরীরে তার কামড়ের দাগ। 

....
👁 385