বৃষ্টির ছোঁয়ায় গাড়ির প্রেম

রাত তখন এগারোটা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাওয়া সেই লম্বা হাইওয়েতে বৃষ্টি নেমেছে ঝমঝম করে। আরিফ তার নতুন কালো টয়োটা কারটা চালাচ্ছিল ধীর গতিতে। পাশের সিটে বসে নিশা তার কাঁধে মাথা রেখে চুপচাপ বাইরের বৃষ্টি দেখছিল।
তাদের বিয়ের মাত্র দেড় মাস হয়েছে। এই ট্রিপটা ছিল তাদের প্রথম লম্বা ড্রাইভ। নিশার মা’র বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বৃষ্টির জন্য রাস্তা প্রায় ফাঁকা। রেডিওতে নিচু স্বরে বাজছিল একটা পুরনো রোমান্টিক গান — “তোমারই ছায়ায় আমি...”
“আরিফ, একটু জানালাটা খোলো না। বৃষ্টির গন্ধটা খুব ভালো লাগছে,” নিশা নরম গলায় বলল।
আরিফ হেসে জানালা একটু ফাঁক করল। ঠান্ডা বাতাস আর বৃষ্টির ছাঁট এসে নিশার চুল উড়িয়ে দিল। তার লাল শাড়ির আঁচলটা একটু সরে গিয়ে তার কাঁধের নরম ত্বক দেখা দিল। আরিফ এক পলক তাকিয়ে আবার রাস্তায় চোখ ফিরিয়ে নিল।
“তুমি জানো, এই বৃষ্টিতে তোমাকে দেখতে কত সুন্দর লাগছে?” আরিফ বলল নিচু স্বরে।
নিশা লজ্জায় মুখ নিচু করল, কিন্তু তার ঠোঁটে একটা মিষ্টি হাসি ফুটে উঠল। সে আরিফের ডান হাতটা ধরে তার উরুর উপর রাখল। “তুমি তো সবসময় এমন বলো... আমার লজ্জা লাগে।”
“লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। তুমি আমার বউ। আমার সবচেয়ে সুন্দর সম্পদ।” আরিফ তার হাতটা নিশার হাতের উপর চেপে ধরল।
কিছুক্ষণ চুপচাপ। শুধু বৃষ্টির শব্দ আর গাড়ির ইঞ্জিনের নিচু গর্জন। হঠাৎ একটা বড় ঝড়ের ঝাপটা এল। রাস্তার পাশে একটা নির্জন জায়গায় আরিফ গাড়িটা থামিয়ে দিল।
“কী হলো?” নিশা জিজ্ঞাসা করল।
“এত বৃষ্টিতে চালানো ঠিক না। একটু অপেক্ষা করি।” বলে আরিফ সিটটা পেছনে হেলিয়ে দিল। তারপর নিশার দিকে ঘুরে তাকাল।
নিশার চোখে চোখ পড়তেই দুজনের মধ্যে একটা নীরব আকর্ষণ তৈরি হলো। আরিফ ধীরে ধীরে তার হাতটা বাড়িয়ে নিশার গাল স্পর্শ করল। নিশার শরীরটা একটু কেঁপে উঠল।
“আরিফ... এখানে?” নিশা ফিসফিস করে বলল।
“কেউ নেই। শুধু আমরা আর বৃষ্টি।” বলে আরিফ নিশার কপালে একটা আলতো চুমু দিল। তারপর তার চোখ, নাক, আর শেষে ঠোঁটে।
প্রথম চুমুটা ছিল খুব নরম, রোমান্টিক। নিশা চোখ বন্ধ করে আরিফের ঠোঁটে সাড়া দিল। ধীরে ধীরে চুমু গভীর হতে লাগল। আরিফের হাত নিশার পিঠের উপর দিয়ে নেমে তার কোমর জড়িয়ে ধরল। নিশা আরিফের চুলে হাত বুলিয়ে দিতে লাগল।
তাদের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়ে উঠছিল। বাইরে বৃষ্টি আরও জোরে পড়ছে। গাড়ির ভিতরে কাচ ঘামে ভিজে যাচ্ছিল। আরিফ নিশার শাড়ির আঁচলটা সরিয়ে তার বুকের উপর হাত রাখল। নিশা একটু কেঁপে উঠে আরও জোরে আরিফকে জড়িয়ে ধরল।
“আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি, নিশা...” আরিফ তার কানের কাছে ফিসফিস করল।
নিশা উত্তর না দিয়ে শুধু তার ঠোঁট কামড়ে ধরল। তাদের চুমু এখন আর শুধু রোমান্টিক ছিল না, তাতে আগুন জ্বলছিল। আরিফের হাত নিশার ব্লাউজের হুকের দিকে যেতে লাগল বাইরে বৃষ্টি যেন তাদের উত্তেজনার সাথে তাল মিলিয়ে আরও জোরে ঝরে পড়ছিল। গাড়ির ভিতরের কাচ পুরোপুরি ঘামে ভিজে গিয়েছিল। আরিফের আঙুলগুলো নিশার ব্লাউজের হুকের উপর কাঁপছিল। নিশা লজ্জায়-উত্তেজনায় চোখ বন্ধ করে আরিফের ঘাড় জড়িয়ে ধরে রেখেছিল।
“নিশা... আমি তোমাকে এত ভালোবাসি যে নিজেকে সামলাতে পারছি না,” আরিফ ফিসফিস করে বলল। তার গরম নিঃশ্বাস নিশার কানে লাগছিল।
নিশা উত্তর না দিয়ে শুধু আরিফের ঠোঁট কামড়ে ধরল। এবার চুমু আরও তীব্র, আরও ক্ষুধার্ত। আরিফ একটা একটা করে ব্লাউজের হুক খুলতে লাগল। শেষ হুকটা খুলতেই নিশার সাদা লেসের ব্রা বেরিয়ে পড়ল। তার গোলাকার, নরম বুক দুটো উঠানামা করছিল দ্রুত শ্বাসের সাথে।
আরিফ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইল কয়েক সেকেন্ড। “তুমি কত সুন্দর... আমার সব...” বলে সে নিশার গলায় চুমু দিতে দিতে নিচে নামতে লাগল। তার ঠোঁট নিশার কাঁধ, কলারবোন ছুঁয়ে বুকের উপরে চলে এল। ব্রার উপর দিয়েই সে নিশার বাঁ দিকের বুকে একটা লম্বা চুমু দিল। নিশা “উফফ...” করে একটা মিষ্টি শব্দ করে উঠল। তার আঙুল আরিফের চুলের মধ্যে ঢুকে গেল।
আরিফ ব্রার হুক খুলে দিল পিছন থেকে। নিশার নগ্ন বুক দুটো বেরিয়ে এল ঠান্ডা বাতাসে। তার গোলাপি বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে উঠেছিল। আরিফ একটা বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। নিশা পাগলের মতো আরিফের মাথা চেপে ধরল তার বুকে। “আরিফ... আহ... খুব ভালো লাগছে...”
আরিফের অন্য হাত নিশার শাড়ির কুঁচির ভিতর ঢুকে তার উরুতে হাত বুলাতে লাগল। শাড়িটা ধীরে ধীরে উপরে উঠতে লাগল। নিশার নরম, গরম উরু, তারপর তার লেসের প্যান্টি। আরিফের আঙুল প্যান্টির উপর দিয়ে নিশার সবচেয়ে নরম জায়গাটা স্পর্শ করতেই নিশা শরীরটা কেঁপে উঠল।
“তুমি এখনই ভিজে গেছো...” আরিফ হাসতে হাসতে বলল।
“লজ্জা করো না... তোমার জন্যই,” নিশা লজ্জায় মুখ লুকিয়ে আরিফের কান কামড়ে দিল।
আরিফ প্যান্টির ভিতর আঙুল ঢুকিয়ে নিশার ভেজা, গরম, নরম জায়গাটা আলতো করে ঘষতে লাগল। নিশা আর সামলাতে পারল না। তার শরীরটা বারবার কেঁপে উঠছিল। সে আরিফের জামার বোতাম খুলে তার বুকে হাত বুলাতে লাগল। তারপর নিচে নেমে আরিফের বেল্ট খুলে প্যান্টের চেইন নামাল।
আরিফের শক্ত, গরম লিঙ্গটা বেরিয়ে এল নিশার হাতে। নিশা লজ্জায় চোখ বন্ধ করে তবু আলতো করে চেপে ধরল। আরিফ “আহহ...” করে উঠল।
“নিশা... তোমার হাতটা কত নরম...”
নিশা ধীরে ধীরে উপর-নিচ করতে লাগল। আরিফের আঙুলও ততক্ষণে নিশার ভিতরে ঢুকে গিয়েছিল। দুজনেই একে অপরকে হাতে আনন্দ দিচ্ছিল। গাড়ির ভিতরে শুধু তাদের ফিসফিস শ্বাস, বৃষ্টির শব্দ আর চুমুর শব্দ।
আরিফ আর থাকতে পারল না। সে নিশার শাড়ি আর পেটিকোট একসাথে উপরে তুলে দিল। নিশার প্যান্টিটা পা থেকে খুলে ফেলল। এখন নিশা পুরোপুরি নগ্ন গাড়ির সিটে শুয়ে আছে। তার সুন্দর, নরম শরীর বৃষ্টির আলোয় চকচক করছিল।
আরিফ নিজের জামা-প্যান্ট খুলে ফেলল। তার শক্তিশালী, উত্তেজিত শরীর নিশার উপর ঝুঁকে পড়ল। সে নিশার দুই পা ফাঁক করে নিজেকে মাঝখানে রাখল। তার শক্ত লিঙ্গের ডগা নিশার ভেজা ফুলের পাপড়িতে ঘষতে লাগল।
“আরিফ... আস্তে... প্রথমবার এভাবে...” নিশা লজ্জায়-ভয়ে বলল।
“আমি তোমাকে কখনো কষ্ট দিব না, আমার জান।” বলে আরিফ ধীরে ধীরে চাপ দিতে লাগল।
নিশার ভিতরটা খুব টাইট আর গরম। আরিফ একটু একটু করে ঢুকতে লাগল। নিশা তার নখ আরিফের পিঠে বসিয়ে দিল। “উফফ... আহহ... আরিফ...”
পুরোটা ঢোকার পর দুজনেই কয়েক সেকেন্ড চুপ করে রইল। আরিফ নিশার কপালে, চোখে, ঠোঁটে চুমু দিতে লাগল। তারপর ধীরে ধীরে নড়াচড়া শুরু করল।
প্রথমে আস্তে, তারপর একটু একটু করে গতি বাড়তে লাগল। গাড়িটা হালকা দুলছিল। নিশার মুখ থেকে অবিরাম “আহ... উফ... আরও... জোরে...” শব্দ বের হচ্ছিল। আরিফ নিশার বুক চুষতে চুষতে জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছিল।
বৃষ্টির শব্দ, তাদের শরীরের চাপড়ানো শব্দ, আর তাদের প্রেমের ফিসফিস মিলে এক অপূর্ব সুর তৈরি হয়েছিল।
নিশা হঠাৎ শরীরটা শক্ত করে ফেলল। “আরিফ... আমি... আসছে... আহহহ...” তার শরীরটা প্রচণ্ড কেঁপে উঠল। সে প্রথমবার অর্গাজমে পৌঁছাল।
আরিফও আর সামলাতে পারল না। আরও কয়েকটা জোর ধাক্কা দিয়ে সে নিশার ভিতরেই তার সব উষ্ণতা ঢেলে দিল। দুজনেই একসাথে চূড়ায় পৌঁছাল।
তারপর আরিফ নিশার উপর শুয়ে পড়ল। দুজনের শরীর ঘামে ভেজা। আরিফ নিশার কানে ফিসফিস করল, “আমি তোমাকে চিরকাল এভাবে ভালোবাসব, নিশা।”
নিশা আরিফের বুকে মুখ লুকিয়ে লজ্জায়-সুখে হাসল। “আমিও...”বৃষ্টি এখনও অবিরাম পড়ে যাচ্ছে। গাড়ির ভিতরটা ঘাম, শরীরের গন্ধ আর ভালোবাসায় ভরে গেছে। আরিফ নিশার উপর শুয়ে আছে, তার শক্ত বুক নিশার নরম বুকের সাথে লেপটে। দুজনের শ্বাস এখনও দ্রুত। নিশার চোখ বন্ধ, তার ঠোঁটে একটা তৃপ্ত মিষ্টি হাসি।
আরিফ নিশার কপালে আলতো চুমু দিয়ে ফিসফিস করে বলল, “তুমি ঠিক আছো তো, আমার জান? কোনো কষ্ট হয়নি তো?”
নিশা চোখ খুলে আরিফের চোখে তাকাল। তার চোখে লজ্জা, সুখ আর অপার ভালোবাসা মিশে আছে। “না... খুব ভালো লেগেছে। প্রথমবার এত সুন্দর করে কেউ কখনো... তুমি আমাকে রানি বানিয়ে দিয়েছো।” বলে সে আরিফের ঠোঁটে একটা লম্বা, গভীর চুমু দিল।
চুমু শেষ হতেই আরিফ হেসে বলল, “এখনও রাত অনেক বাকি। বৃষ্টিও থামার নাম নেই। আমরা তো এখনও অনেক কিছু বাকি রেখে দিয়েছি।”
নিশা লজ্জায় মুখ লাল করে আরিফের বুকে মুখ গুঁজে দিল। “তুমি তো সত্যি অসভ্য... কিন্তু আমার খুব ভালো লাগে তোমার এই অসভ্যতা।”
আরিফ ধীরে ধীরে উঠে বসল। নিশাকেও কোলে টেনে নিল। নিশা তার কোলে বসে আরিফের ঘাড় জড়িয়ে ধরল। তাদের নগ্ন শরীর একে অপরের সাথে ঘষা খাচ্ছিল। আরিফ নিশার পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে তার কানে কানে বলতে লাগল কত ভালোবাসে তাকে, কীভাবে প্রথম দেখায় মুগ্ধ হয়েছিল, বিয়ের আগে রাতে রাতে তার কথা ভেবে কতবার ঘুমাতে পারেনি।
নিশাও লজ্জা কাটিয়ে তার অনুভূতি শেয়ার করল — কীভাবে আরিফের একটা হাসিতে তার হৃদয় গলে যায়, কীভাবে তার স্পর্শে শরীর জ্বলে ওঠে। কথা বলতে বলতে তাদের হাত আবার সক্রিয় হয়ে উঠল। আরিফ নিশার বুক দুটো আলতো করে মালিশ করতে লাগল, বোঁটা দুটো আঙুলে ঘুরিয়ে দিতে লাগল। নিশা আরিফের শক্ত লিঙ্গটা হাতে নিয়ে আস্তে আস্তে ঘষতে লাগল।
“আবার শক্ত হয়ে গেছে...” নিশা চোখ নাচিয়ে বলল।
“তোমার শরীর দেখলে তো এমনই হয়,” আরিফ হেসে নিশার নিপল চুষতে শুরু করল।
কিছুক্ষণ পর আরিফ নিশাকে গাড়ির সিটের উপর শুইয়ে দিল। এবার সে নিশার পা দুটো তার কাঁধের উপর তুলে দিল। নিশা লজ্জায় মুখ ঢেকে ফেলল। “এভাবে... খুব লজ্জা লাগছে আরিফ...”
“চোখ খোলো, আমার রানি। আমি তোমার প্রতিটা অংশ দেখতে চাই।” বলে আরিফ নিচু হয়ে নিশার ভেজা, ফুলে ওঠা যোনিতে জিভ বুলাতে শুরু করল।
নিশা “আআহহহ...” করে চিৎকার করে উঠল। তার শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। আরিফের জিভ তার ক্লিটোরিস চুষতে চুষতে ভিতরে ঢুকতে লাগল। নিশার হাত আরিফের মাথা চেপে ধরে রেখেছে। তার মুখ থেকে অবিরাম মিষ্টি মিষ্টি আওয়াজ বের হচ্ছে — “উফফ... আরিফ... ওখানে... আরও... জোরে... আহহ...”
আরিফ নিশাকে প্রায় দশ মিনিট ধরে মুখ দিয়ে আনন্দ দিল। নিশা দু’বার অর্গাজমে পৌঁছে গেল। তার পা কাঁপছিল, শরীর ঘামে ভিজে গেছে।
তারপর নিশা উঠে বসল। “এবার আমার পালা।” বলে সে আরিফকে সিটে হেলান দিয়ে বসাল। নিশা আরিফের উপর উঠে বসল। তার দুই পা আরিফের দুই পাশে। সে ধীরে ধীরে নিজেকে নামিয়ে আরিফের শক্ত লিঙ্গটা তার ভিতরে বসিয়ে নিল।
“আআহহ... পুরোটা... ভরে গেছে...” নিশা চোখ বন্ধ করে বলল।
এবার নিশাই গতি নিয়ন্ত্রণ করছে। সে উপর-নিচ করতে লাগল। তার বুক দুটো লাফাচ্ছে। আরিফ নিশার কোমর ধরে সাহায্য করছে। দুজনের চোখে চোখ রেখে তারা একে অপরকে ভালোবাসার কথা বলছে।
“তুমি আমার সব... আমার জীবন...”
“তুমি ছাড়া আমি কিছু না... চিরকাল তোমার সাথে থাকব...”
গতি বাড়তে লাগল। নিশা জোরে জোরে উঠা-নামা করছে। গাড়িটা আবার দুলছে। আরিফ নিশার বুক চুষছে, কখনো তার ঠোঁট কামড়াচ্ছে। নিশার নখ আরিফের বুকে আঁচড় কাটছে।
এবার তারা আরও দীর্ঘক্ষণ ধরে মিলিত হলো। বিভিন্ন অ্যাঙ্গেলে — নিশা সামনে ঝুঁকে, পেছন ফিরে, আবার সোজা। প্রতিবারই নতুন নতুন অনুভূতি।
শেষে দুজনেই প্রায় একসাথে চূড়ায় পৌঁছাল। নিশা আরিফের বুকে ঢলে পড়ল। আরিফ তাকে জড়িয়ে ধরে তার চুলে চুমু দিতে লাগল।
বাইরে বৃষ্টির তীব্রতা কমেছে, কিন্তু তাদের ভিতরের আগুন এখনও জ্বলছে।
“আমরা কি এখন যাব?” নিশা জিজ্ঞাসা করল ক্লান্ত কিন্তু সুখী গলায়।
আরিফ হেসে বলল, বৃষ্টি এখন একটু কমেছে, কিন্তু রাত এখনও গভীর। গাড়ির ভিতরের বাতাস ভারী হয়ে আছে তাদের ভালোবাসা আর শরীরের উষ্ণতায়। নিশা আরিফের বুকে মাথা রেখে শুয়ে আছে। আরিফ তার চুলে আঙুল বুলিয়ে দিচ্ছে, মাঝে মাঝে তার কপালে চুমু দিচ্ছে।
“আমি কখনো ভাবিনি যে বিয়ের পর এত সুন্দর করে কেউ আমাকে ভালোবাসতে পারবে,” নিশা নরম গলায় বলল। তার আঙুল আরিফের বুকের উপর ঘুরছে।
আরিফ তার কোমর জড়িয়ে আরও কাছে টেনে নিল। “আমিও না। তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর উপহার। আজ রাতটা আমাদের। কেউ নেই, শুধু বৃষ্টি আর আমরা।”
নিশা মুখ তুলে আরিফের চোখে তাকাল। তার চোখে নতুন করে আগুন জ্বলে উঠেছে। “তাহলে আর সময় নষ্ট করো না... আমাকে আরও করে দাও। আমি তোমার সবটা চাই।”
আরিফ হেসে নিশাকে চুমু দিল। এবার চুমুটা ছিল ধীর, গভীর আর পুরোপুরি আবেগে ভরা। তাদের জিভ একে অপরের সাথে খেলতে লাগল। হাতগুলো আবার শরীরের প্রতিটা অংশ খুঁজে বেড়াচ্ছে। আরিফ নিশার পিঠ বেয়ে নিচে নেমে তার নরম নিতম্ব দুটো চেপে ধরল। নিশা আরিফের ঘাড় কামড়ে দিয়ে তার কানে ফিসফিস করল, “আমাকে পাগল করে দাও আজকে...”
আরিফ নিশাকে গাড়ির পেছনের সিটে নিয়ে গেল। সেখানে আরও জায়গা। সে নিশাকে চিত করে শুইয়ে তার দুই পা ফাঁক করে নিজের মাঝখানে রাখল। এবার সে খুব আস্তে আস্তে ঢুকল। নিশার ভিতরটা এখনও ভেজা আর গরম। পুরোটা ঢোকার পর আরিফ থেমে গিয়ে নিশার চোখে চোখ রেখে বলল, “দেখো আমার চোখে... আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি।”
তারপর ধীর লয়ে নড়াচড়া শুরু করল। প্রতিটা ধাক্কায় নিশার শরীর কেঁপে উঠছে। নিশা তার পা দিয়ে আরিফের কোমর জড়িয়ে আরও গভীরে টেনে নিচ্ছে। “জোরে... আরিফ... আরও জোরে... আমি তোমার... পুরোপুরি তোমার...”
আরিফ গতি বাড়াল। গাড়ির সিট দুলছে, বাইরে বৃষ্টির ফোঁটা কাচে পড়ছে। তাদের শরীরের চাপড়ানোর শব্দ মিশে যাচ্ছে বৃষ্টির সাথে। আরিফ একবার নিশার বুক চুষছে, একবার তার ঠোঁট কামড়াচ্ছে, আবার কানের কাছে ভালোবাসার কথা বলছে।
কিছুক্ষণ পর আরিফ নিশাকে উল্টে দিল। নিশা এখন চার হাত-পায়ে। আরিফ পেছন থেকে ঢুকল। এই অ্যাঙ্গেলে আরও গভীরে যাচ্ছে। নিশার চুল ধরে হালকা টেনে আরিফ জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছে। নিশা “আহহহ... উফফ... আরিফ... মরে যাব... খুব ভালো লাগছে...” বলে চিৎকার করছে।
তারপর তারা আবার পজিশন চেঞ্জ করল। নিশা উপরে উঠে বসল। সে জোরে জোরে লাফাচ্ছে আরিফের উপর। তার বুক দুটো লাফিয়ে লাফিয়ে আরিফের মুখের সামনে আসছে। আরিফ দুই হাতে সেগুলো চেপে ধরে চুষছে।
দুজনের শরীর ঘামে একাকার। নিশার চুল এলোমেলো, মেকআপ নষ্ট হয়ে গেছে, কিন্তু সে এখন আরও সুন্দর লাগছে আরিফের চোখে।
“আমি আবার আসছি... আরিফ... সাথে আসো...” নিশা বলল কাঁপা গলায়।
আরিফ নিশার কোমর শক্ত করে ধরে নিচ থেকে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। দুজনেই প্রায় একসাথে চূড়ায় পৌঁছাল। নিশার শরীর প্রচণ্ড কেঁপে উঠল, তার ভিতরটা আরিফকে শক্ত করে চেপে ধরল। আরিফও তার সব উষ্ণতা নিশার ভিতরে ঢেলে দিল।
দীর্ঘক্ষণ তারা একে অপরকে জড়িয়ে শুয়ে রইল। কোনো কথা নেই, শুধু শ্বাস আর হৃদয়ের শব্দ।
অনেকক্ষণ পর আরিফ নিশার চুল সরিয়ে বলল, “এই রাতটা আমরা কখনো ভুলব না। এটা আমাদের প্রথম সত্যিকারের মিলনের রাত।”
নিশা আরিফের বুকে চুমু দিয়ে বলল, “হ্যাঁ। আর প্রতিটা রাত আমরা এমন করে কাটাব। তুমি আমার, আমি তোমার। চিরকাল।”
বৃষ্টি প্রায় থেমে গেছে। আরিফ নিশাকে আলতো করে পরিষ্কার করে দিল। দুজনে জামাকাপড় পরে নিল। আরিফ গাড়ি চালু করল। নিশা তার কাঁধে মাথা রেখে বসে রইল।
রাস্তায় ফিরে যাওয়ার সময় আরিফ নিশার হাত ধরে বলল, “যতবার বৃষ্টি আসবে, ততবার আমরা এই রাতের কথা মনে করব। আর যদি বৃষ্টি না আসে, তাহলে আমরা নিজেরাই বৃষ্টি তৈরি করব।”
নিশা হেসে আরিফের হাতে চুমু দিল। “প্রমিস?”
“প্রমিস।”
গাড়ি চলতে চলতে তারা দুজনেই একসাথে হাসল। তাদের নতুন জীবনের শুরু হয়েছে এই বৃষ্টির রাতে, কারের ভিতরে, অপার ভালোবাসা আর শারীরিক মিলনের মধ্য দিয়ে।
গল্প সমাপ্ত।

....
👁 696