ধানখালি গ্রাম। পদ্মা নদীর পাড় ঘেঁষে ছোট্ট একটা বাড়ি। আজ আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ। চারদিকে রুপোলি আলো ছড়িয়ে পড়েছে। ধানের খেত, আমবাগান, নদীর জল — সবকিছু যেন জাদুময় হয়ে উঠেছে।
রাহাত ছাদের রেলিং-এ হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। তার বয়স ২৮। ঢাকার চাকরির চাপে সে ক্লান্ত। কিন্তু বাবার শরীর খারাপের খবর পেয়ে দু’দিনের জন্য গ্রামে চলে এসেছে। বড় ভাই রিয়াজ দু’দিন আগে চট্টগ্রাম চলে গেছে। বাড়িতে এখন শুধু মা-বাবা আর বউদি নুসরাত।
নুসরাত...
রাহাতের বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠল শুধু নামটা মনে আসতেই। ৩২ বছরের নুসরাত। গৌরবর্ণ, লম্বা চুল, গভীর চোখ, ভারী বুক আর সরু কোমর। তার হাঁটার ভঙ্গিতে একটা মাদকতা আছে যা রাহাতকে বহুদিন ধরে অস্থির করে রেখেছে।
“রাহাত ভাইয়া, চা খাবে?”
নুসরাতের মিষ্টি গলা পিছন থেকে ভেসে এলো। রাহাত ঘুরে তাকাল। নুসরাত পরে আছে একটা হালকা গোলাপি শাড়ি। আঁচলটা কাঁধ থেকে খসে পড়েছে। পূর্ণিমার আলো তার ঘাড়, বুকের উপরের অংশ আর ঠোঁটে পড়ে চকচক করছে।
“হ্যাঁ বউদি... দাও।” রাহাতের গলা একটু কেঁপে গেল।
নুসরাত চা নিয়ে এসে পাশে দাঁড়াল। দুজনে চুপচাপ চাঁদ দেখতে লাগল। কিছুক্ষণ পর নুসরাত আস্তে করে বলল,
“আজ চাঁদটা কী সুন্দর, না? মনে হয় যেন সবকিছু লুকিয়ে রাখা কথা বলে দিতে চাইছে।”
রাহাত তার দিকে তাকাল। নুসরাতের চোখে চাঁদের আলো পড়েছে। তার চোখ দুটো যেন জ্বলছে।
“বউদি... তুমি কি কখনো এমন রাতে একা একা কিছু অনুভব করো?”
নুসরাত একটু হাসল। মাথা নিচু করে বলল,
“করি তো... খুব করি। তোমার দাদা তো সারা বছর বাইরে। আমি এই বড় বাড়িতে একা। রাতে ঘুম আসে না। শরীরটা... মনটা... কেমন অস্থির হয়ে যায়।”
রাহাতের হাতটা আপনা-আপনি নুসরাতের হাতের কাছে চলে গেল। আঙুলে আঙুল ছুঁয়ে গেল। দুজনেই চমকে উঠল কিন্তু হাত সরাল না।
“বউদি, আমি... তোমাকে অনেকদিন ধরে বলতে চাইছিলাম।” রাহাতের গলা নিচু।
“কী বলতে চাইছো?” নুসরাত তার চোখে চোখ রাখল।
“তুমি শুধু আমার বউদি না... আমার কাছে তুমি অনেক বেশি। তোমার হাসি, তোমার চোখ, তোমার চলা-ফেরা... সবকিছু আমাকে পাগল করে। আমি জানি এটা ভুল। কিন্তু পূর্ণিমার এই রাতে আর লুকিয়ে রাখতে পারছি না।”
নুসরাতের চোখে জল চলে এলো। সে রাহাতের হাতটা শক্ত করে ধরল।
“রাহাত... আমিও তোমাকে দেখে অনেকবার অপরাধবোধে ভুগেছি। কিন্তু আজ চাঁদের সামনে আর মিথ্যে বলতে পারব না। তোমার কাছে এলে আমার শরীর-মন দুটোই শান্তি পায়।”
দুজনের মধ্যে কিছুক্ষণ নীরবতা। শুধু চাঁদ আর ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক। তারপর রাহাত ধীরে ধীরে নুসরাতের কোমরে হাত রাখল। নুসরাতও তার বুকে মাথা রেখে দিল। তার গরম নিঃশ্বাস রাহাতের গলায় লাগছে।
রাহাত তার চুলে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল,
“তোমাকে আজ আমি পুরোপুরি অনুভব করতে চাই... খুব আস্তে আস্তে।”
নুসরাত মুখ তুলে তার ঠোঁটে একটা নরম চুমু দিল। প্রথমে শুধু ঠোঁটে ঠোঁট। তারপর ধীরে ধীরে গভীর হয়ে গেল। দুজনের জিভ একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। চুমু খেতে খেতে নুসরাতের শরীর রাহাতের শরীরের সাথে লেপটে গেল।
রাহাত তার ঘাড়ে, কানে, কাঁধে ছোট ছোট চুমু দিতে লাগল। নুসরাত আস্তে আস্তে কাঁপছিল।
“রাহাত... আমার ঘরে চলো...”
দুজনে হাত ধরাধরি করে নিচে নেমে এলো। নুসরাতের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল। জানালা দিয়ে পূর্ণিমার আলো এসে পুরো ঘর আলোকিত করে দিয়েছে।
নুসরাত লজ্জায় মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল। রাহাত তার কাছে এসে আস্তে করে শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিল। তারপর ব্লাউজের হুক খুলতে লাগল। একটা একটা করে। নুসরাতের ভারী স্তন দুটো বেরিয়ে পড়ল। রাহাত দুই হাতে স্তন দুটোকে আদর করে ধরে নরম করে চুমু খেতে লাগল। নুসরাতের মুখ থেকে মিষ্টি আঃ আঃ শব্দ বের হচ্ছিল।
“তোমার শরীরটা এত সুন্দর বউদি... আমি যেন স্বপ্ন দেখছি।”
নুসরাত রাহাতের জামা খুলে তার বুকে চুমু দিতে লাগল। তারপর ধীরে ধীরে তার লুঙ্গির দড়ি খুলল। রাহাতের শক্ত লিঙ্গ বেরিয়ে পড়তেই নুসরাত হাত দিয়ে আলতো করে ধরল। উপর-নিচ করতে করতে ফিসফিস করে বলল,
“এটা আমার জন্য এত বড় হয়েছে...?”
রাহাত তাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। তারপর তার শাড়ি সম্পূর্ণ খুলে ফেলল। নুসরাত এখন শুধুমাত্র লাল প্যান্টি পরে আছে। রাহাত তার পা দুটো আলতো করে চুমু খেতে খেতে উপরে উঠতে লাগল। প্যান্টির উপর দিয়ে যোনিতে চুমু দিল। নুসরাত ছটফট করে উঠল।
প্যান্টিটাও খুলে ফেলতেই নুসরাতের কামানো, ভেজা যোনি পূর্ণিমার আলোয় চকচক করতে লাগল। রাহাত জিভ দিয়ে আস্তে আস্তে চাটতে লাগল। নুসরাত তার চুল ধরে চেপে ধরছে আর কাতরাচ্ছে,
“আআহ... রাহাত... এত ভালো লাগছে... আরও করো...”
রাহাত অনেকক্ষণ ধরে ওরাল করল। নুসরাত দু’বার ঝরে গেল। তারপর রাহাত তার উপর উঠল। লিঙ্গের মাথা যোনির ফাঁকে ঘষতে ঘষতে খুব আস্তে আস্তে ঢোকাতে লাগল।
“উফফফ... খুব বড়... আস্তে প্রিয়... আস্তে...” নুসরাত কাতর গলায় বলল।
পুরোটা ঢুকে যাওয়ার পর দুজনেই কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। চোখে চোখ রেখে। তারপর ধীরে ধীরে রাহাত ঠাপাতে শুরু করল। খুব রোমান্টিক ভঙ্গিতে। চুমু খেতে খেতে, স্তন চুষতে চুষতে, কানে কানে ভালোবাসার কথা বলতে বলতে।
প্রায় ৪০ মিনিট ধরে বিভিন্ন আদরের পর নুসরাত রাহাতের বুকে মাথা রেখে শুয়ে ছিল। তার গরম নিঃশ্বাস রাহাতের ঘাড়ে লাগছিল। পূর্ণিমার চাঁদের আলো জানালা দিয়ে এসে তাদের দুটি নগ্ন শরীরকে রুপোলি করে দিয়েছে। রাহাত তার পিঠে আলতো করে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল।
“রাহাত... এত ভালো লাগছে যে ভয় করছে,” নুসরাত ফিসফিস করে বলল। “যেন এই মুহূর্তটা চিরকাল থেমে যাক।”
রাহাত তার কপালে চুমু দিয়ে বলল,
“থামবে না বউদি। আজ পূর্ণিমা। আজ শুধু তুমি আর আমি। কোনো পাপ-পুণ্য নেই, শুধু ভালোবাসা আর আকাঙ্ক্ষা।”
নুসরাত মুখ তুলে তার ঠোঁটে গভীর চুমু দিল। এবার চুমুটা আরও তীব্র, আরও আবেগপূর্ণ। তার জিভ রাহাতের জিভকে জড়িয়ে ধরে নাচতে লাগল। রাহাতের হাত তার নিতম্বে চলে গেল। নরম, ভারী নিতম্ব দুটো আলতো করে চেপে ধরতেই নুসরাত কেঁপে উঠল।
“আমাকে আরও আদর করো... ধীরে ধীরে... পুরো রাতটা তোমার করে নাও,” নুসরাতের গলায় আকুতি।
রাহাত তাকে চিত করে শুইয়ে দিল। তারপর তার দুই পা ফাঁক করে মাঝখানে বসল। পূর্ণিমার আলোয় নুসরাতের ভেজা যোনি চকচক করছিল। রাহাত মাথা নিচু করে জিভ দিয়ে আস্তে আস্তে চাটতে শুরু করল। প্রথমে বাইরের ঠোঁট, তারপর ভিতরে। নুসরাতের হাত তার চুলের মধ্যে ঢুকে গেল। সে কাতরাতে লাগল,
“আআহ... রাহাত... ওখানে... জিভ দিয়ে... উফফ...”
রাহাত তার ক্লিটোরিস চুষতে লাগল। একসাথে দুই আঙুল ভিতরে ঢুকিয়ে আস্তে আস্তে নড়াতে লাগল। নুসরাতের শরীর পেঁচিয়ে উঠছিল। তার স্তন দুটো উঠানামা করছিল। রাহাত অন্য হাত দিয়ে একটা স্তন চেপে ধরে নিপল টিপতে লাগল।
প্রায় ১৫ মিনিট ধরে এই আদর চলার পর নুসরাত আর সামলাতে পারল না। তার শরীর শক্ত হয়ে গেল। “আমি আসছি... আআআহহহ!” — একটা তীব্র অর্গাজমে সে ঝরে পড়ল। রাহাত তার যোনির রস চেটে চেটে খেল।
নুসরাত হাঁপাতে হাঁপাতে রাহাতকে টেনে উপরে নিয়ে এলো। তার চোখে জল।
“তোমাকে এখন আমি চাই... খুব করে।”
সে রাহাতকে চিত করে শুইয়ে দিল। তারপর তার উপর উঠে বসল। রাহাতের শক্ত লিঙ্গটা হাতে নিয়ে যোনির ফাঁকে ঘষতে লাগল। তারপর খুব আস্তে আস্তে নিজেকে বসিয়ে দিল। পুরো লিঙ্গটা তার ভিতরে ঢুকে যেতেই দুজনেই একসাথে শ্বাস ছেড়ে দিল।
“উফফ... পুরোটা ভরে গেছে... এত ভালো লাগছে রাহাত...” নুসরাত চোখ বন্ধ করে বলল।
সে ধীরে ধীরে উপর-নিচ করতে শুরু করল। তার ভারী স্তন দুটো লাফাচ্ছিল। রাহাত দুই হাতে স্তন ধরে চুষতে লাগল। নুসরাতের গতি বাড়তে লাগল। ঘর ভরে গেল চপ চপ শব্দে আর তাদের মিষ্টি কাতরানিতে।
রাহাত হঠাৎ তাকে জড়িয়ে ধরে উল্টে দিল। এবার ডগি স্টাইলে। নুসরাত চার হাত-পায়ে। তার নিতম্ব উঁচু করে রেখেছে। রাহাত পিছন থেকে লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিল। এক হাতে তার চুল ধরে, অন্য হাতে কোমর ধরে ধীরে ধীরে ঠাপাতে লাগল। প্রত্যেক ঠাপের সাথে নুসরাতের মুখ থেকে “আহ... প্রিয়... আরও জোরে...” শব্দ বের হচ্ছিল।
রাহাত মাঝে মাঝে থেমে তার পিঠে, ঘাড়ে চুমু খাচ্ছিল। কানে কানে বলছিল,
“তুমি আমার... শুধু আমার... এই শরীরটা আমার...”
পজিশন বদল করে মিশনারিতে ফিরে এলো। এবার খুব গভীরে ঠাপ দিচ্ছিল রাহাত। নুসরাত তার পা দুটো রাহাতের কোমরে জড়িয়ে ধরেছে। দুজনের চোখে চোখ। চুমু খেতে খেতে, ঘামে মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছিল।
প্রায় ৫০ মিনিট ধরে এভাবে চলার পর নুসরাত আরেকবার অর্গাজম করল। তার যোনির ভিতরটা রাহাতের লিঙ্গকে শক্ত করে চেপে ধরল। রাহাতও আর সামলাতে পারল না। “বউদি... আমি...” বলে সে তার ভিতরেই গরম বীর্য ঢেলে দিল।
দুজনে অনেকক্ষণ জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। শ্বাস স্বাভাবিক হতে সময় লাগল।
নুসরাত তার বুকে আঙুল দিয়ে আঁকিবুকি কাটতে কাটতে বলল,
“রাহাত, এই রাতটা শেষ হলে কী হবে? তুমি তো আবার ঢাকায় চলে যাবে...”
রাহাত তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল,
“যাব। কিন্তু এই পূর্ণিমা আমাদের মধ্যে চিরকাল থাকবে। যতবার গ্রামে আসব, তোমাকে এভাবে আদর করব। তুমি আমার।”
নুসরাত হাসল। তার চোখে লজ্জা আর ভালোবাসা মিশে।
“তাহলে এখনো রাত বাকি আছে... আরেকবার...?”
রাহাত হেসে তাকে জড়িয়ে ধরল। এবার তারা বাথরুমে গেল। পূর্ণিমার আলোয় নগ্ন হয়ে একসাথে গোসল করল। পানির নিচে আবার চুমু, আদর। রাহাত দেওয়ালে ঠেস দিয়ে নুসরাতকে তুলে ধরে আবার মিলিত হলো। পানি তাদের ঘাম ধুয়ে দিচ্ছিল।
গোসল শেষ করে আবার বিছানায়। এবার খুব আস্তে আস্তে, শুধু চুমু আর ছোঁয়ায় ভরা। নুসরাত রাহাতের লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। খুব যত্ন করে, ভালোবেসে। রাহাত তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল।
শেষ রাতের দিকে তারা আরেকবার মিলিত হলো — খুব রোমান্টিকভাবে, চোখে চোখ রেখে, ধীর গতিতে। যেন এই মুহূর্তটা কখনো শেষ না হয়।
ভোরের আলো ফুটতে শুরু করলে দুজনে জড়াজড়ি করে ঘুমিয়ে পড়ল। নুসরাত রাহাতের বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে বলল,
“পরের পূর্ণিমায় আবার আসবে তো?”
রাহাত চুমু দিয়ে বলল,
“প্রতিটা পূর্ণিমায়... তোমার কাছে।”
গল্প সমাপ্ত