ঢাকার ভিড়ে ভরা মিরপুরের একটা ছোট ফ্ল্যাটে থাকতো রাহাত আর আয়েশা। রাহাত চাকরি করতো একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। বয়স ৩২। লম্বা, ফর্সা, চশমা পরা, কিন্তু তার চোখে সবসময় একটা নরম আলো জ্বলতো। আর আয়েশা, ২৮ বছরের, একটা প্রাইভেট স্কুলে শিক্ষিকা। তার মাথায় ঘন কালো চুল, গায়ের রং দুধের মতো ফর্সা, আর হাসলে গালে টোল পড়তো যা রাহাতকে পাগল করে দিতো।
তাদের বিয়ে হয়েছে পাঁচ বছর। প্রথম দিকে সবকিছু খুব রোমান্টিক ছিল। কিন্তু চাকরির চাপ, সংসার, আর ছোট্ট মেয়ে সুমাইয়ার জন্য সময় কমে গিয়েছিল। তবু প্রতি রাতে বিছানায় শুয়ে তারা একে অপরের হাত ধরে থাকতো। আয়েশা বলতো, “রাহাত, তুমি ছাড়া আমার জীবন অসম্পূর্ণ।” রাহাত তার কপালে চুমু দিয়ে বলতো, “তুমি আমার চাঁদনী রাত।”
একদিন অফিস থেকে ফিরে রাহাত দেখলো আয়েশা খুব চুপচাপ। সুমাইয়া ঘুমিয়ে পড়েছে। রাহাত তার কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো। “কী হয়েছে প্রিয়া?” আয়েশা চোখে জল নিয়ে বললো, “আমাদের মধ্যে যেন কিছু হারিয়ে গেছে। রোমান্স, সেই প্রথম দিনের মতো উন্মাদনা। আমি তোমাকে আবার পুরোপুরি চাই।”
রাহাত তার চোখ মুছে দিয়ে বললো, “চলো, এই উইকেন্ডে আমরা গ্রামে যাই। তোমার দাদার বাড়িতে। সেখানে চাঁদনী রাতে আমরা নতুন করে শুরু করবো।”
আয়েশা হেসে তার বুকে মাথা রাখলো। তার শরীরের গন্ধ রাহাতকে নেশায় ভরিয়ে দিলো। সে আয়েশার ঠোঁটে আলতো করে চুমু খেলো। চুমুটা ধীরে ধীরে গভীর হয়ে উঠলো। আয়েশার হাত রাহাতের পিঠে চলে গেলো, নখ দিয়ে আঁচড় কাটলো। রাহাত তার সালোয়ার কামিজের উপর দিয়ে তার নরম স্তন চেপে ধরলো। আয়েশা ফিসফিস করে বললো, “আজ রাতে আমাকে তোমার করে নাও... পুরোপুরি।”
তারা বিছানায় চলে গেলো। রাহাত আয়েশার কামিজ খুলে ফেললো। তার সাদা ব্রায়ের ভিতর থেকে উঠে আসা স্তন দুটো দেখে তার শ্বাস ভারী হয়ে গেলো। সে একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগলো, জিভ দিয়ে বোঁটা ঘুরিয়ে দিতে লাগলো। আয়েশা আর্তনাদ করে উঠলো, “আহ্ রাহাত... আরো জোরে...” তার হাত রাহাতের প্যান্টের ভিতর চলে গেলো, তার শক্ত লিঙ্গটা শক্ত করে ধরলো।
রাহাত তার সালোয়ার খুলে আয়েশার ভেজা যোনিতে আঙুল ঢুকিয়ে দিলো। আয়েশা কেঁপে উঠলো। তারা দুজনে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে পাগলের মতো চুমু খেতে লাগলো। শেষে রাহাত তার উপর উঠে তার ভিতরে ঢুকে গেলো। ধীরে ধীরে ঠাপ দিতে লাগলো। আয়েশা তার কোমর জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলো, “জোরে... আমাকে তোমার করে দাও...” রাতভর তারা একে অপরকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিলো।
পরের দিন সকালে তারা সুমাইয়াকে নিয়ে গ্রামের দিকে রওনা দিলো। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের কাছে একটা গ্রাম। বাসে করে যাওয়ার সময় আয়েশা রাহাতের কাঁধে মাথা রেখে ঘুমালো। রাহাত তার চুলে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো। বাসের জানালা দিয়ে বৃষ্টি পড়ছিল। আয়েশা জেগে উঠে ফিসফিস করে বললো, “এই বৃষ্টিতে তোমাকে চুমু খেতে ইচ্ছে করছে।”
রাহাত হেসে তার ঠোঁটে আলতো চুমু দিলো। তাদের চারপাশে লোকজন থাকায় আর বেশি কিছু করতে পারলো না, কিন্তু চোখে চোখে অনেক কথা হয়ে গেলো।
গ্রামে পৌঁছে দাদার বাড়িতে উঠলো। পুরনো টিনের ঘর, চারপাশে ধানের খেত, নদী। সন্ধ্যায় চাঁদ উঠলো। আয়েশা শাড়ি পরে সুন্দর করে সেজে এলো। লাল শাড়ি, কালো ব্লাউজ। তার কোমরের ভাঁজ দেখে রাহাতের মন উড়ে গেলো।
রাতে খাওয়াদাওয়ার পর সুমাইয়া ঘুমিয়ে পড়লে তারা ছাদে গেলো। চাঁদনী রাত। চারদিক নিস্তব্ধ। রাহাত আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে বললো, “তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর উপহার।” আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে বললো, “আমি তোমাকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারি না।”
তারা চুমু খেতে লাগলো। রাহাত আয়েশার শাড়ির আঁচল সরিয়ে ব্লাউজের হুক খুলতে লাগলো। তার স্তন দুটো বেরিয়ে পড়লো। চাঁদের আলোয় সেগুলো আরো সুন্দর লাগছিল। রাহাত দুই হাতে চেপে ধরে চুষতে লাগলো। আয়েশা তার মাথা চেপে ধরে আর্তনাদ করতে লাগলো।
রাহাত তার শাড়ি তুলে প্যান্টি সরিয়ে তার যোনিতে জিভ দিয়ে চাটতে লাগলো। আয়েশা পাগল হয়ে গেলো, “আহ্... রাহাত... আমি আর পারছি না...” তারপর সে রাহাতের প্যান্ট খুলে তার শক্ত লিঙ্গটা মুখে নিলো। গভীর করে চুষতে লাগলো। রাহাতের শ্বাস ভারী হয়ে গেলো।
শেষে তারা মেঝেতে শুয়ে পড়লো। রাহাত আয়েশার উপর উঠে তার ভিতরে ঢুকলো। জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলো। আয়েশা তার পা দিয়ে রাহাতের কোমর জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলো, “ভালোবাসি তোমাকে... আরো গভীরে...” তারা দুজনে একসাথে চরমে পৌঁছালো। চাঁদ দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়লো।
পরের কয়েকদিন গ্রামে তারা অনেক সময় কাটালো। নদীর ধারে হাঁটতো, ধানখেতের পাশে বসে গল্প করতো। আয়েশা রাহাতকে বলতো তার ছোটবেলার গল্প। রাহাত তাকে তার স্বপ্নের কথা শোনাতো।
একদিন বিকেলে বৃষ্টি পড়ছিল। তারা ঘরের ভিতর ছিল। আয়েশা ভিজে শাড়ি পরে এসে রাহাতকে জড়িয়ে ধরলো। “আজ আমি তোমার দাসী। যা বলবে তাই করবো।” রাহাত হেসে তার শাড়ি খুলে ফেললো। পুরো নগ্ন করে তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলো।
সে আয়েশার সারা শরীরে চুমু খেতে লাগলো – গলা, স্তন, পেট, উরু। আয়েশা কেঁপে কেঁপে উঠছিল। তারপর রাহাত তার পায়ের ফাঁকে মুখ দিয়ে চাটতে শুরু করলো। আয়েশা চিৎকার করে উঠলো আনন্দে। তারপর সে রাহাতকে উপরে টেনে নিয়ে নিজে উপরে উঠে বসলো। তার যোনির ভিতর রাহাতের লিঙ্গ ঢুকিয়ে ধীরে ধীরে উঠানামা করতে লাগলো। তার স্তন দুটো লাফাচ্ছিল। রাহাত সেগুলো চেপে ধরে চুষছিল।
এইভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তারা প্রেম করলো। বিভিন্ন পজিশনে – কুকুরের মতো, পাশ থেকে, মিশনারিতে। আয়েশা বারবার বলছিল, “তুমি আমার সব... আমার স্বামী, প্রেমিক, সবকিছু।”
সন্ধ্যায় তারা নদীর ধারে বসে চাঁদ দেখলো। রাহাত আয়েশার হাতে একটা আংটি পরিয়ে দিলো। “এটা আমাদের নতুন শুরুর প্রতীক।” আয়েশা কেঁদে ফেললো আনন্দে।
ঢাকায় ফিরে এসে তাদের জীবন বদলে গেলো। প্রতি রাতে তারা সময় করে একে অপরকে ভালোবাসতো। সুমাইয়াকে নিয়ে ছোট ছোট ট্রিপে যেতো। রাহাত আয়েশাকে বলতো, “তুমি ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ।”
এক রাতে আয়েশা রাহাতের কানে ফিসফিস করে বললো, “আমি আবার মা হতে চাই। তোমার সন্তান।” রাহাত খুশিতে তাকে জড়িয়ে ধরে আরো গভীর করে ভালোবাসলো।
তাদের প্রেম চাঁদনী রাতের মতোই চিরকাল আলো ছড়িয়ে গেলো।
....