রাত তখন এগারোটা। ঢাকার মিরপুরের একটা ছোট ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে বৃষ্টির শব্দ আসছিল। আয়েশা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরের আলো দেখছিল। তার পরনে একটা হালকা নাইটি, চুল খোলা। বিয়ের তিন বছর হয়ে গেছে, কিন্তু আজকাল রাহাতের সাথে কথা বলতে গেলেই ঝগড়া লেগে যায়।
রাহাত অফিস থেকে ফিরেছে অনেকক্ষণ। কম্পিউটারের সামনে বসে এখনো কাজ করছে। চোখে ক্লান্তি, মুখে চাপা অস্থিরতা। আয়েশা চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে রইল। একসময় এই মানুষটাকে দেখলেই তার বুক ধক করে উঠত। এখন শুধু দূরত্ব।
“রাহাত, খেয়ে নাও। ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।” আয়েশা নরম গলায় বলল।
রাহাত চোখ না তুলেই বলল, “পরে খাব।”
আয়েশা আর কথা বাড়াল না। রান্নাঘরে গিয়ে খাবার ঢেকে রাখল। তারপর বিছানায় শুয়ে পড়ল। বৃষ্টির শব্দ আরও জোরে হচ্ছিল। তার চোখে জল চলে এল। তিন বছর আগের সেই দিনগুলো মনে পড়ছিল...
তিন বছর আগে
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছিল আয়েশা তার বোনের বিয়েতে। সেখানে প্রথম দেখা রাহাতের সাথে। রাহাত তার বোনের দেবর। লম্বা, ফর্সা, চশমা পরা, হাসলে গালে টোল পড়ে। প্রথম দিনই আয়েশা লক্ষ্য করেছিল — রাহাত তার দিকে বেশি তাকায়।
বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচের সময় হাতে হাত লেগেছিল। রাহাত ফিসফিস করে বলেছিল, “তোমার চোখ দুটো দেখে মনে হচ্ছে সারা রাত জেগে থাকতে পারব।”
আয়েশা লজ্জায় লাল হয়ে গিয়েছিল। তারপর থেকে মেসেজ, কল, ভিডিও চ্যাট। রাহাত ঢাকায় চাকরি করে, আয়েশা চট্টগ্রামে পড়াশোনা। দূরত্ব ছিল, কিন্তু ভালোবাসা ছিল আরও বেশি।
একদিন রাহাত চট্টগ্রামে এসে বলেছিল, “আয়েশা, আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই।”
আয়েশার বাবা-মা রাজি হয়নি প্রথমে। কিন্তু রাহাতের একনিষ্ঠতা দেখে শেষমেশ মেনে নিয়েছিল। বিয়ের পর আয়েশা ঢাকায় চলে এসেছিল। প্রথম কয়েক মাস ছিল স্বপ্নের মতো।
সকালে রাহাত অফিস যাওয়ার আগে আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে বলত, “তুমি না থাকলে আমি বাঁচব না।”
রাতে ফিরে এসে আয়েশাকে কোলে তুলে নিয়ে বিছানায় নিয়ে যেত। তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বলত, “আজ তোমাকে আর ছাড়ব না।”
আয়েশা লজ্জায় মুখ লুকাত রাহাতের বুকে। রাহাত তার নাইটির বোতাম খুলে দিত ধীরে ধীরে। আয়েশার সাদা কোমল বুক, নরম কোমর, পুরো শরীরটা রাহাতের হাতের তালুতে ভরে যেত। রাহাত তার গলায়, কানের লতিতে চুমু খেতে খেতে নিচে নেমে আসত। আয়েশা শ্বাসকষ্টে কাঁপত।
“রাহাত... আস্তে...” আয়েশা ফিসফিস করত।
কিন্তু রাহাত তখন আর নিজেকে সামলাতে পারত না। আয়েশার পা দুটো ফাঁক করে তার উরুর ভেতর মুখ ডুবিয়ে দিত। আয়েশার শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে যেত। তার আঙুলগুলো রাহাতের চুলে জড়িয়ে যেত। যখন আয়েশা প্রথম চরমে পৌঁছাত, তখন রাহাত উঠে তার ওপর চেপে বসত। ধীরে ধীরে প্রবেশ করত। দুজনের শরীর এক হয়ে যেত। ঘাম, নিঃশ্বাস আর ভালোবাসার শব্দে ঘর ভরে যেত।
সেই রাতগুলো ছিল অসাধারণ।
কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সব বদলে গেল। রাহাতের প্রমোশন হলো। অফিসের চাপ বাড়ল। রাত করে ফেরা, মোবাইলে কাজ, সপ্তাহান্তে মিটিং। আয়েশা একা হয়ে গেল। সে ঘর সামলায়, রান্না করে, অপেক্ষা করে। কিন্তু রাহাত আর আগের মতো সময় দেয় না।
আজও বৃষ্টির রাতে আয়েশা শুয়ে শুয়ে কাঁদছিল। হঠাৎ রাহাত এসে বিছানায় বসল।
“কাঁদছ কেন?” তার গলা নরম।
আয়েশা মুখ ফিরিয়ে নিল। রাহাত তার কাঁধে হাত রাখল।
“আমি জানি, আমি অনেকদিন তোমাকে অবহেলা করেছি। সরি আয়েশা।”
আয়েশা কোনো উত্তর দিল না। রাহাত তাকে জড়িয়ে ধরল পেছন থেকে। তার শরীরের উষ্ণতা আয়েশার শরীরে ছড়িয়ে পড়ল।
“আমাকে ক্ষমা করে দাও। আজ থেকে সব আগের মতো করব।” রাহাত তার গলায় চুমু খেল।
আয়েশার শরীরটা কেঁপে উঠল। অনেকদিন পর এই স্পর্শ। রাহাত তার নাইটির স্ট্র্যাপ নামিয়ে দিল। তার পিঠে, কাঁধে, ঘাড়ে চুমুর পর চুমু। আয়েশা আর নিজেকে আটকাতে পারল না। সে ঘুরে রাহাতের ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দিল।
চুমু গভীর হলো। রাহাতের জিভ আয়েশার মুখের ভেতর ঢুকে পড়ল। দুজনের হাত একে অপরের শরীরে ঘুরে বেড়াতে লাগল। রাহাত আয়েশার নাইটি পুরোপুরি খুলে ফেলল। তার স্তন দুটো হাতে নিয়ে চাপ দিতে লাগল। আয়েশা আঃ করে উঠল।
রাহাত নিচে নেমে আয়েশার স্তনের বোঁটা মুখে নিল। চুষতে লাগল। আয়েশা তার পিঠ আঁচড়াতে লাগল। রাহাত আরও নিচে নামল। আয়েশার উরুর ভেতর মুখ ডুবিয়ে দিল। তার জিভ আয়েশার সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গায় ঘুরতে লাগল। আয়েশা পাগলের মতো কাঁপছিল।
“রাহাত... প্লিজ... আর পারছি না...”
রাহাত উঠে তার প্যান্ট খুলে ফেলল। তার শক্ত লিঙ্গ বেরিয়ে পড়ল। আয়েশা হাত দিয়ে ধরল। অনেকদিন পর সে এটা ছুঁয়েছে। রাহাত আয়েশার পা দুটো কাঁধে তুলে ধীরে ধীরে প্রবেশ করল।
“আআআহ...” দুজনেই একসাথে শব্দ করে উঠল।
রাহাত ধীর গতিতে চলতে লাগল। আয়েশার চোখে জল। আনন্দের জল। রাহাতের গতি বাড়তে লাগল। ঘর ভরে গেল চামড়ার শব্দে, নিঃশ্বাসে, ভালোবাসার কথায়।
“আমি তোমাকে ভালোবাসি আয়েশা... খুব ভালোবাসি...” রাহাত বলতে বলতে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল।
আয়েশা চিৎকার করে চরমে পৌঁছাল। তার শরীর কেঁপে উঠল। কয়েক সেকেন্ড পর রাহাতও তার ভেতর ঢেলে দিল সব। দুজন জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। বৃষ্টি তখনো পড়ছিল।
সকাল হলো। রাহাত আয়েশাকে নিয়ে বের হলো। ঢাকার রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে তারা অনেক কথা বলল। রাহাত বলল, “আমি ছুটি নিয়েছি তিন দিনের। আমরা কোথাও যাব।”
তারা সিদ্ধান্ত নিল কক্সবাজার যাবে।
কক্সবাজারে হোটেলের বারান্দায় বসে সমুদ্র দেখছিল দুজনে। সূর্যাস্তের সময় রাহাত আয়েশাকে জড়িয়ে ধরল।
“তুমি ছাড়া আমার জীবন অচল। আমি আর কখনো তোমাকে অবহেলা করব না।”
আয়েশা তার বুকে মাথা রাখল। “আমিও তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না।”
সেই রাতে হোটেলের ঘরে আবার তাদের শরীর মিলিত হলো। এবার আরও ধীরে, আরও গভীরে। রাহাত আয়েশার প্রতিটা অংশ চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিল। আয়েশা রাহাতের উপর উঠে বসল। তার কোমর দোলাতে লাগল। দুজনের চোখে চোখ। ভালোবাসার গভীরতা।
তারা একে অপরের শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি অনুভব করল। ঘামে ভেজা শরীর, জড়িয়ে থাকা হাত-পা, ফিসফিস করে বলা ভালোবাসার কথা। রাত গভীর হলো। তারা দুবার, তিনবার মিলিত হলো। কখনো আস্তে, কখনো জোরে। শেষে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ল জড়াজড়ি করে।
ঢাকায় ফিরে এসে তাদের সম্পর্ক নতুন করে শুরু হলো। রাহাত এখন সময় বের করে আয়েশার সাথে কাটায়। সপ্তাহান্তে তারা ঘুরতে যায়। রাতে আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমায়।
একদিন আয়েশা বলল, “রাহাত, আমি মা হতে চাই।”
রাহাত তার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “আমিও চাই। আজ থেকেই শুরু করি।”
সেই রাতটা ছিল আরও বিশেষ। রাহাত আয়েশাকে ফুল দিয়ে সাজাল। মোমবাতি জ্বালাল। ধীরে ধীরে তার সব কাপড় খুলে দিল। আয়েশার নগ্ন শরীর মোমবাতির আলোয় আরও সুন্দর লাগছিল। রাহাত তার পুরো শরীর চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিল — পা থেকে মাথা পর্যন্ত। আয়েশা কাঁপছিল আনন্দে।
যখন রাহাত তার ভেতর ঢুকল, আয়েশা তার কানে ফিসফিস করে বলল, “আমাদের বাচ্চা হোক... তোমার মতো সুন্দর।”
রাহাত আরও গভীরে ঢুকে গেল। দুজনের শরীর এক হয়ে গেল। সেই রাতে তারা অনেকক্ষণ ধরে ভালোবাসল।
মাস কয়েক পর আয়েশা প্রেগন্যান্ট হলো। রাহাত খুশিতে পাগল। সে আয়েশার যত্ন নিতে লাগল খুব। রাতে তার পেটে হাত রেখে গল্প বলত। আয়েশা তার কোলে মাথা রেখে ঘুমাত।
তাদের ভালোবাসা আরও গভীর হলো। বৃষ্টির রাতে, সমুদ্রের ধারে, ঢাকার ছোট ফ্ল্যাটে — সব জায়গায় তাদের প্রেম বেঁচে রইল।
....