অফিসের লুকানো রাত

ঢাকার কাছে গাজীপুরের একটা ছোট্ট গ্রাম। নাম তার বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত ‘নদীপুর’। সন্ধ্যা হলেই গ্রামটা যেন ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু রাতের আঁধারে কিছু গোপন কাহিনি জেগে ওঠে।

kxz

নাদিয়া, বয়স চব্বিশ। সদ্য এমএ পাস করা একটা মেয়ে। লম্বা চুল, ফর্সা গায়ের রং, চোখ দুটো যেন কাজল লাগানো। গ্রামের সবাই বলে, “নাদিয়া যেন চাঁদের আলো”। কিন্তু নাদিয়ার মনে একটা অশান্তি। বাবা-মা তাকে বিয়ে দিতে চায়। পাত্র হলো গ্রামের ধনী চাচার ছেলে রিয়াজ। কিন্তু নাদিয়ার মন চায় না। সে চায় প্রেম, চায় এমন কাউকে যে তার হৃদয়ের সব কথা বুঝবে।

সেদিন রাতে বিদ্যুৎ চলে গিয়েছিল। গ্রামের রাস্তায় শুধু জোনাকির আলো। নাদিয়া ছাদে বসে বই পড়ছিল। হঠাৎ নিচ থেকে একটা শব্দ। কে যেন হাঁটছে। সে উঁকি দিয়ে দেখলো – একটা লম্বা ছেলে, কালো শার্ট পরা, হাতে একটা টর্চ। তার নাম আরিফ। গ্রামের বাইরে থেকে এসেছে কয়েকদিন আগে। তার বাবার জমি দেখতে।

kx/춺'

“কে?” নাদিয়া ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করলো।

আরিফ মুখ তুলে তাকালো। টর্চের আলোয় নাদিয়ার মুখটা দেখে তার বুকটা ধক করে উঠলো। “আমি আরিফ। ক্ষমা করবেন, রাস্তা হারিয়ে ফেলেছি।”

নাদিয়া হেসে বললো, “উপরে আসুন, চা খেয়ে যান। রাতে গ্রামে রাস্তা খুঁজে পাওয়া কঠিন।”

আরিফ উঠে এলো। ছাদে দুজন বসলো। চাঁদের আলোয় তাদের কথা শুরু হলো। আরিফ বললো সে ঢাকায় চাকরি করে, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু বাবার জমির জন্য গ্রামে এসেছে। নাদিয়া তার পড়াশোনার কথা বললো। কথায় কথায় রাত গভীর হলো।

হঠাৎ একটা ঠান্ডা হাওয়া এলো। নাদিয়া কাঁপলো। আরিফ তার কাঁধে হালকা করে হাত রাখলো। “ঠান্ডা লাগছে?”

নাদিয়ার গাল লাল হয়ে গেল। কিন্তু সে সরিয়ে নিল না। প্রথমবারের মতো কারো স্পর্শ তার শরীরে এত আরাম দিল।

পরের কয়েকদিন আরিফ গ্রামে থেকে গেল। দিনে জমি দেখে, রাতে নাদিয়ার বাড়ির পাশের আমবাগানে ঘুরে। নাদিয়া জানালা দিয়ে দেখে। তার মনটা অস্থির হয়ে যায়। এক রাতে সে চুপিচুপি বেরিয়ে আমবাগানে গেল।

“আরিফ ভাইয়া?”

আরিফ ঘুরে দাঁড়ালো। “নাদিয়া! তুমি এখানে?”

দুজনে গাছের নিচে বসলো। কথা বলতে বলতে হাতে হাত লাগলো। আরিফের আঙুল নাদিয়ার আঙুল জড়িয়ে ধরলো। নাদিয়া লজ্জায় মাথা নিচু করলো।

“তোমার চোখ দুটো খুব সুন্দর,” আরিফ ফিসফিস করে বললো।

নাদিয়া হাসলো। “আপনার কথা শুনলে মনে হয় স্বপ্ন দেখছি।”

রাত বাড়ছিল। আরিফ নাদিয়ার কপালে একটা হালকা চুমু দিল। নাদিয়ার শরীর কেঁপে উঠলো। এটাই তার প্রথম চুমু। লুকানো, রাতের অন্ধকারে।

“এটা কী করলেন?” নাদিয়া লজ্জায় বললো।

“ভালোবাসি বলে,” আরিফ উত্তর দিল।

তারপর থেকে প্রতি রাতে তারা দেখা করতে লাগলো। আমবাগান, নদীর ধার, পুরনো মন্দিরের পেছনে। প্রতিবারই চুমু বাড়তে লাগলো। প্রথমে কপালে, তারপর গালে, তারপর ঠোঁটে। নাদিয়ার শরীরে নতুন অনুভূতি জাগছিল। তার বুকের ভেতর আগুন জ্বলছিল।

এক রাতে বৃষ্টি পড়ছিল। নাদিয়া ছাদে দাঁড়িয়ে ভিজছিল। আরিফ এসে তাকে জড়িয়ে ধরলো। “ঠান্ডা লাগবে না?”

“আপনার কাছে থাকলে কোনো ঠান্ডা লাগে না,” নাদিয়া বললো।

আরিফ তাকে চুমু খেলো। এবার গভীর চুমু। ঠোঁটের ভেতর জিভ ঢুকিয়ে। নাদিয়া প্রথমে ভয় পেল, তারপর সাড়া দিল। তার হাত আরিফের বুকে। আরিফের হাত নাদিয়ার পিঠ বেয়ে নেমে কোমরে।

“নাদিয়া, আমি তোমাকে চাই,” আরিফ বললো।

নাদিয়া লজ্জায় চোখ বন্ধ করলো। “আমিও...”

তারা ঘরের ভেতর চলে গেল। নাদিয়ার ঘরে। দরজা বন্ধ। মোমবাতির আলোয় দুজনের ছায়া নাচছিল। আরিফ নাদিয়ার শাড়ির আঁচল সরালো। তার সুন্দর বুক উন্মুক্ত। আরিফ চুমু খেলো সেখানে। নাদিয়া কেঁপে উঠলো, “আহ্... আরিফ...”

আরিফ তার স্তন চুষতে লাগলো। নাদিয়ার শরীর গরম হয়ে উঠলো। তার হাত নিচে নেমে আরিফের প্যান্টের ভেতর ঢুকলো। শক্ত লিঙ্গটা হাতে নিয়ে আদর করলো। আরিফ আর সহ্য করতে পারলো না। নাদিয়াকে বিছানায় শুইয়ে তার শাড়ি তুলে দিল। তার ভেজা যোনিতে আঙুল দিল। নাদিয়া আর্তনাদ করে উঠলো, “উফফ... ভালো লাগছে...”

আরিফ তার উপর উঠলো। ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল। নাদিয়ার প্রথমবার। একটু ব্যথা হলো, তারপর অসীম আনন্দ। দুজনে একসাথে নড়তে লাগলো। রাতের বৃষ্টির শব্দের সাথে তাদের নিঃশ্বাস মিশে গেল।

“আমি তোমার,” নাদিয়া বললো চুমু খেতে খেতে।

আরিফ জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলো। নাদিয়া তার নখ দিয়ে আরিফের পিঠ আঁচড়ালো। দুজনেই একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছালো। গরম বীর্য নাদিয়ার ভেতর ঢেলে দিল আরিফ।

কিন্তু গ্রামে খবর ছড়িয়ে পড়লো। নাদিয়ার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। রিয়াজ এসে হুমকি দিল। নাদিয়া কাঁদতে লাগলো। আরিফ বললো, “আমি তোমাকে নিয়ে যাবো।”

এক রাতে তারা পালানোর পরিকল্পনা করলো। কিন্তু রিয়াজের লোকজন তাদের ধরে ফেললো। ঝগড়া হলো। আরিফকে মারধর করা হলো। নাদিয়া চিৎকার করে কাঁদলো।

সেই রাতে নাদিয়া আরিফকে লুকিয়ে তার ঘরে নিয়ে এলো। তার ক্ষতস্থানে ওষুধ লাগালো। চুমু খেলো প্রতিটা ক্ষত। আরিফ তাকে জড়িয়ে ধরলো। আবার মিলন হলো। এবার আরো তীব্র। নাদিয়া উপরে উঠে চড়ে বসলো। তার স্তন দুলছিল। আরিফ নিচ থেকে ঠাপ দিচ্ছিল। “তুমি আমার রানি,” আরিফ বললো।

নাদিয়া চিৎকার করে উঠলো আনন্দে, “আরো জোরে... আমাকে তোমার করে নাও...”

শেষমেশ আরিফের বাবা এসে সব মিটিয়ে দিল। নাদিয়ার বিয়ে ভেঙে গেল। দুজনে ঢাকায় চলে গেল। সেখানে নতুন জীবন শুরু। কিন্তু তাদের গোপন রাতের চুমু কখনো ভোলেনি। প্রতি রাতে তারা একে অপরকে আদর করে। নাদিয়া আরিফের বুকে মাথা রেখে বলে, “তোমার চুমু আমার জীবন বদলে দিয়েছে।”

আরিফ তার ঠোঁটে চুমু দিয়ে বলে, “এই লুকানো চুমু এখন আমাদের সারা জীবনের।”

নাদিয়ার শরীরের প্রতিটা অংশ আরিফের চুমুতে ভরে যেত। তার গলা, কানের লতি, স্তনের বোঁটা, নাভি, উরুর ভেতর – সব জায়গায়। নাদিয়া আরিফের লিঙ্গ চুষতো, জিভ দিয়ে চাটতো। আরিফ তার যোনি চুষে তার রস খেতো। তারা বিভিন্ন পজিশনে মিলিত হতো – ডগি স্টাইলে, সাইডে, স্ট্যান্ডিং করে। প্রতি রাতে নতুন নতুন আবিষ্কার।

এক রাতে নদীর ধারে তারা উন্মুক্ত আকাশের নিচে ভালোবাসলো। বৃষ্টিতে ভিজে, কাদায় গড়াগড়ি খেয়ে। নাদিয়ার শাড়ি ভিজে শরীরে লেপটে গিয়েছিল। আরিফ তা ছিঁড়ে ফেলে তার নগ্ন শরীরকে আদর করেছিল। তারা দুজনেই একাধিকবার অর্গাজম করেছিল।

নাদিয়া বলতো, “আরিফ, তুমি আমার সব। তোমার ছাড়া আমি বাঁচবো না।”

আরিফ উত্তর দিত, “তুমি আমার রাতের রানি। তোমার লুকানো চুমু আমার জীবনের আলো।”

গল্প শেষ হয় তাদের বিয়ের পর। ঢাকার একটা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে। প্রতি রাতে তারা সেই গ্রামের স্মৃতি রোমন্থন করে, আবার নতুন করে ভালোবাসে। নাদিয়ার রাতের লুকানো চুমু এখন আর লুকানো নয়, বরং তাদের প্রেমের প্রকাশ্য প্রতীক।

 

....
👁 162