ঢাকার কাছাকাছি গাজীপুরের একটা ছোট্ট শান্ত পাড়ায়, যেখানে রাত হলেই জোনাকির আলোয় ভরে যায় বাগানের গাছগুলো, সেখানে থাকতো রাহাত আর তার স্ত্রী নাদিয়া। রাহাত ছিল একটা ছোট কোম্পানির মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ। সকাল সাতটায় অফিসের বাস ধরে চলে যেত ঢাকায়, ফিরত রাত দশটার পর। নাদিয়া ছিল গৃহিণী, কিন্তু তার মনটা ছিল কবিতার মতো। সারাদিন বাড়ির কাজ সেরে সে বারান্দায় বসে থাকতো, চোখে তার স্বপ্নের ছায়া।
তাদের বিয়ে হয়েছিল তিন বছর আগে। প্রথমদিকে সবকিছু ছিল স্বপ্নের মতো। রাহাতের চুমুতে নাদিয়ার শরীর কাঁপতো, তার হাতের ছোঁয়ায় নাদিয়া গলে যেত। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে রুটিনের চাপে তাদের মাঝে দূরত্ব বাড়ছিল। রাহাত ক্লান্ত হয়ে ফিরতো, খেয়ে ঘুমিয়ে পড়তো। নাদিয়া রাত জেগে জেগে তার স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতো। তার শরীরে একটা অদ্ভুত আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠছিল – যা সে নিজেও বুঝতে পারছিল না।
এক রাতের কথা। বর্ষাকাল। আকাশে মেঘের ডাক, বৃষ্টির ছাঁট আসছে জানালা দিয়ে। রাহাত ফিরল রাত এগারোটায়। তার চোখে ক্লান্তি, কিন্তু নাদিয়া দেখল তার ঠোঁটে একটা হালকা হাসি।
“আজ খুব টায়ার্ড লাগছে?” নাদিয়া জিজ্ঞাসা করল নরম গলায়।
রাহাত মাথা নাড়ল। “হ্যাঁ, কিন্তু তোমার কাছে ফিরলে সব ভুলে যাই।”
নাদিয়া তার হাত ধরে ডাইনিং টেবিলে নিয়ে গেল। গরম ভাত, মাছের ঝোল, আর তার হাতে বানানো সালাদ। খাওয়ার পর তারা বেডরুমে গেল। রাহাত শুয়ে পড়ল। নাদিয়া তার পাশে শুয়ে তার বুকে হাত রাখল।
“রাহাত, আজ আমাকে একটু আদর করবে?” তার গলা কাঁপছিল।
রাহাত চোখ বন্ধ করে হাসল। “আজকেও ক্লান্ত... কালকে...”
নাদিয়ার চোখে জল চলে এল। সে উঠে বারান্দায় গেল। বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে তার মনে পুরনো দিনের কথা ভাসছিল। তাদের প্রথম রাত, যখন রাহাত তাকে প্রথম চুমু খেয়েছিল। সেই চুমুতে তার শরীরের প্রতিটা কোষ জেগে উঠেছিল।
হঠাৎ বৃষ্টির মধ্যে একটা আলো দেখা গেল। পাশের বাড়ির ছাদে কেউ দাঁড়িয়ে আছে। নাদিয়া চোখ সরু করে দেখল – ওটা রাহাতের ছোট ভাই রিয়ান। রিয়ান ঢাকায় পড়াশোনা করে, মাঝে মাঝে এখানে আসে। আজও সে এসেছে।
রিয়ানের চোখ নাদিয়ার দিকে। নাদিয়া লজ্জায় জানালার পর্দা টেনে দিল। কিন্তু তার মনে একটা অদ্ভুত অনুভূতি হল। রিয়ানের চোখে যেন ক্ষুধা ছিল।
পরের দিন সকালে রাহাত অফিস চলে গেল। নাদিয়া রান্নাঘরে কাজ করছিল। রিয়ান নিচে নেমে এল।
“ভাবি, চা খাবে?” রিয়ান হাসিমুখে জিজ্ঞাসা করল।
নাদিয়া লজ্জায় মাথা নিচু করল। “তুমি বানিয়ে খাও। আমি কাজ করছি।”
কিন্তু রিয়ান চলে গেল না। সে নাদিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে তার হাতের কাজ দেখতে লাগল। “ভাবি, তোমাকে দেখে মনে হয় খুব একা লাগে। দাদা তো সারাদিন বাইরে।”
নাদিয়ার গাল লাল হয়ে গেল। “এসব কী বলছো রিয়ান? তুমি আমার দেবর।”
রিয়ান হাসল। “দেবরও তো মানুষ, ভাবি।”
সারাদিন নাদিয়ার মনে রিয়ানের কথাগুলো ঘুরছিল। রাতে রাহাত ফিরল। কিন্তু আজও সে ক্লান্ত। নাদিয়া তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করল, কিন্তু রাহাত ঘুমিয়ে পড়ল।
নাদিয়া আবার বারান্দায় গেল। আজ বৃষ্টি নেই। আকাশে চাঁদ উঠেছে। হঠাৎ সে দেখল রিয়ান আবার ছাদে দাঁড়িয়ে আছে। এবার সে হাত নাড়ল। নাদিয়া ভয়ে পিছিয়ে গেল, কিন্তু তার শরীরে একটা অদ্ভুত উত্তেজনা জাগল।
পরের কয়েকদিন এভাবেই কাটতে লাগল। রিয়ান নাদিয়ার কাছে আসতো, ছোট ছোট কথা বলতো, তার চোখে যেন আগুন জ্বলতো। নাদিয়া প্রতিবারই লজ্জা পেত, কিন্তু সে রিয়ানকে এড়াতে পারছিল না।
এক রাতে রাহাত খুব দেরি করে ফিরল। ফোন করে বলল, “আজ রাতে অফিসে থাকতে হবে।”
নাদিয়া একা বাড়িতে। রিয়ান নিচের ঘরে। রাত দুটোর সময় নাদিয়া ঘুমাতে পারছিল না। সে জানালার কাছে গেল। হঠাৎ দরজায় টোকা।
“ভাবি, ঘুমাওনি?” রিয়ানের গলা।
নাদিয়ার হৃদয় দ্রুত চলতে লাগল। সে দরজা খুলল। রিয়ান দাঁড়িয়ে আছে। তার চোখে চাঁদের আলো।
“কী হয়েছে রিয়ান?” নাদিয়া জিজ্ঞাসা করল কাঁপা গলায়।
রিয়ান ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল। “ভাবি, আমি আর পারছি না। তোমাকে দেখে আমার ঘুম হয় না।”
নাদিয়া পিছিয়ে গেল। “এসব কী বলছো? এটা পাপ!”
কিন্তু রিয়ান তার হাত ধরল। “পাপ কীসের? দাদা তো তোমাকে সময় দেয় না। আমি তোমাকে সব দিতে চাই।”
তার হাতের উষ্ণতায় নাদিয়ার শরীর কাঁপল। রিয়ান ধীরে ধীরে তার কাছে এগিয়ে এল। নাদিয়ার ঠোঁট কাঁপছিল। রিয়ান তার গালে হাত দিল, তারপর ধীরে ধীরে তার ঠোঁটে চুমু খেল।
সেই চুমু! রাতের গোপন চুমু। নাদিয়ার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। সে প্রথমে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করল, কিন্তু তারপর সে গলে গেল। রিয়ানের ঠোঁট তার ঠোঁটে মিশে গেল। তাদের জিভ একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। নাদিয়ার হাত রিয়ানের বুকে চলে গেল।
চুমু থামল না। রিয়ান নাদিয়াকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত নাদিয়ার পিঠ বেয়ে নেমে গেল। নাদিয়ার শাড়ির আঁচল খসে পড়ল। রিয়ান তার কাঁধে চুমু খেল, গলায়, তারপর বুকে। নাদিয়া ফিসফিস করে বলল, “রিয়ান... এটা ভুল... কিন্তু থামিও না...”
রাত গভীর হল। তারা বিছানায় চলে গেল। রিয়ান নাদিয়ার শাড়ি খুলে ফেলল। তার নগ্ন শরীর চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছিল। রিয়ান তার সারা শরীরে চুমু বর্ষণ করল। নাদিয়া আর্তনাদ করে উঠল যখন রিয়ান তার সবচেয়ে গোপন জায়গায় চুমু খেল। তার জিভের খেলায় নাদিয়া পাগল হয়ে গেল।
“আহ রিয়ান... আরও... আরও জোরে...” নাদিয়া চিৎকার করল।
রিয়ান তার প্যান্ট খুলে ফেলল। তার শক্ত লিঙ্গ নাদিয়ার সামনে। নাদিয়া লজ্জায় চোখ বন্ধ করল, কিন্তু তার হাত নিজেই সেটা ধরল। সে মুখে নিল। রিয়ান আনন্দে গোঙাল।
তারপর রিয়ান নাদিয়ার উপর উঠল। ধীরে ধীরে প্রবেশ করল। নাদিয়ার ভেতরটা ভরে গেল। তারা একসাথে নড়াচড়া করতে লাগল। রাতের নীরবতায় শুধু তাদের শ্বাস আর চুমুর শব্দ।
একবার, দুবার, তিনবার... তারা অসংখ্যবার মিলিত হল। নাদিয়া যেন নতুন করে জন্ম নিল। রিয়ানের চুমুতে, তার আদরে সে ভুলে গেল সবকিছু।
ভোর হওয়ার আগে রিয়ান চলে গেল। নাদিয়া বিছানায় শুয়ে থাকল। তার শরীরে এখনও রিয়ানের গন্ধ। তার ঠোঁটে সেই গোপন চুমুর স্বাদ।
পরের দিন রাহাত ফিরল। নাদিয়া স্বাভাবিকভাবে কথা বলল, কিন্তু তার মনে ঝড়। রিয়ানও স্বাভাবিক। কিন্তু রাত হলেই তাদের চোখে চোখ পড়তো।
এভাবে চলতে লাগল তাদের গোপন সম্পর্ক। প্রতি রাতে রাহাত ঘুমিয়ে পড়লে নাদিয়া আর রিয়ান মিলিত হতো। কখনো বারান্দায়, কখনো ছাদে, কখনো রিয়ানের ঘরে। প্রতিবারই নতুন করে চুমু, নতুন করে আদর। নাদিয়া শিখল কীভাবে রিয়ানকে আনন্দ দিতে হয়, রিয়ান শিখল নাদিয়ার শরীরের প্রতিটা স্পর্শ।
একদিন রাহাত সন্দেহ করল। “নাদিয়া, তোমাকে কেমন অন্যরকম লাগছে।”
নাদিয়া হাসল। “কিছু না, তুমি বেশি চিন্তা করো।”
কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে জানতো এটা চলতে পারবে না চিরকাল। এক রাতে রিয়ানকে বলল, “এটা থামাতে হবে।”
রিয়ান তার চোখে চোখ রেখে বলল, “কিন্তু আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারব না।”
সেই রাতে তাদের চুমু ছিল আরও গভীর, আরও নিবিড়। তারা যেন জানতো এটা শেষ হতে চলেছে। নাদিয়া রিয়ানের উপর চড়ে বসল, তার নিতম্ব নড়াচ্ছিল দ্রুত। রিয়ান তার স্তন চুষছিল। তাদের চিৎকারে বাড়ি ভরে গিয়েছিল।
সকালে রিয়ান চলে গেল ঢাকায়। নাদিয়া একা। কিন্তু তার মনে সেই রাতের গোপন চুমুর স্মৃতি রয়ে গেল চিরকাল।
রাহাতের সাথে তার সম্পর্ক আবার নতুন করে শুরু হল। নাদিয়া এখন রাহাতকে আরও বেশি আদর করতো। কিন্তু কখনো কখনো রাতে চোখ বন্ধ করলে সে রিয়ানের ঠোঁট অনুভব করতো।
রাতের গোপন চুমু – যা তাকে নতুন করে জাগিয়েছিল, নতুন করে ভালোবাসতে শিখিয়েছিল।
....