লাল শাড়ির স্বপ্ন

ঢাকার যাত্রাবাড়ির সেই ছোট ফ্ল্যাটটায় সন্ধ্যা নামছিল। জানালা দিয়ে বাইরের বৃষ্টির ফোঁটা পড়ছিল টুপটাপ করে। রিয়াজ আয়নায় নিজেকে দেখছিল। ত্রিশ বছর বয়স, চাকরি করে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে। কিন্তু আজ তার মনটা অন্যরকম। আজ তাদের বিয়ের তিন বছর পূর্ণ হলো।

kxz

আয়েশা রান্নাঘরে। তার কালো চুলগুলো খোলা, সালোয়ার কামিজের উপর একটা সাদা এপ্রন। রিয়াজ চুপচাপ দরজায় দাঁড়িয়ে দেখছিল তার বউকে। আয়েশা একটু রেগে আছে আজ। সকাল থেকে রিয়াজ অফিসের কাজে ব্যস্ত ছিল, ফোনও ধরেনি ঠিকমতো। কিন্তু রিয়াজ জানে, আয়েশার রাগ বেশিক্ষণ থাকে না। তার রাগের নিচে লুকিয়ে থাকে অসম্ভব ভালোবাসা।

“কী দেখছো এত?” আয়েশা ঘুরে তাকাল। তার চোখে হালকা অভিমান।

kx/춺'

রিয়াজ হেসে কাছে এল। “দেখছি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েটাকে।”

“থাক, তোমার মিষ্টি কথায় আমি আর ভুলব না।” আয়েশা মুখ ঘুরিয়ে নিল, কিন্তু তার ঠোঁটে হালকা হাসি ফুটে উঠল।

রিয়াজ পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল তাকে। তার শরীরের উষ্ণতা আয়েশার পিঠে লাগল। “সরি বউ। আজ থেকে সবকিছু বদলে যাবে। আজ আমাদের অ্যানিভার্সারি।”

আয়েশা ঘুরে তার বুকে মাথা রাখল। “তিন বছর হয়ে গেল রিয়াজ। মনে হয় যেন কালকেই বিয়ে হয়েছে।”

তারা দুজনে ডাইনিং টেবিলে বসল। আয়েশা রান্না করেছে ভাত, মাছের ঝোল, ডাল আর আলু ভাজি। সাথে রিয়াজের পছন্দের চিকেন রোস্ট। খেতে খেতে তারা কথা বলছিল পুরনো দিনের। কলেজের সময় থেকে তাদের ভালোবাসা শুরু। আয়েশা তখন ছিল শান্ত, লাজুক মেয়ে। রিয়াজ ছিল দুষ্টু। কিন্তু একদিন বৃষ্টিতে ভিজে আয়েশাকে বাসায় পৌঁছে দিতে গিয়ে সবকিছু বদলে গিয়েছিল।

রাত বাড়ছিল। বৃষ্টি থামেনি। রিয়াজ আয়েশাকে নিয়ে বেডরুমে গেল। ঘরটা ছোট কিন্তু সুন্দর করে সাজানো। বিছানায় নতুন চাদর, পাশে কয়েকটা মোমবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছে রিয়াজ।

“এত আয়োজন?” আয়েশা অবাক।

“তোমার জন্য সবকিছু।” রিয়াজ তার কপালে চুমু খেল।

আয়েশা লজ্জায় মুখ লুকাল তার বুকে। রিয়াজ ধীরে ধীরে তার সালোয়ারের দড়ি খুলল। আয়েশার শরীরটা যেন চাঁদের আলোয় ঝলমল করছিল। তার নরম স্তন, কোমরের বাঁক, পায়ের গোছ—সবকিছু রিয়াজের চোখে সবচেয়ে সুন্দর।

রিয়াজ তাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। আয়েশার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেল। রিয়াজ তার ঠোঁটে ঠোঁট রাখল। প্রথমে নরম, তারপর গভীর চুমু। তাদের জিভ একে অপরের সাথে খেলা করছিল। আয়েশা রিয়াজের শার্টের বোতাম খুলে দিল। তার বুকের লোমে হাত বুলাতে বুলাতে সে ফিসফিস করে বলল, “আমাকে আজ খুব করে ভালোবাসো রিয়াজ।”

রিয়াজ তার গলায়, কাঁধে, স্তনে চুমু দিতে লাগল। আয়েশা আঁকড়ে ধরল তার চুল। তার শরীর কাঁপছিল আনন্দে। রিয়াজ ধীরে ধীরে নিচে নামল। তার নাভিতে জিভ ঘুরাল। আয়েশা শিউরে উঠল। “উফফ... রিয়াজ...”

রিয়াজ তার পায়ের ফাঁকে মুখ রাখল। আয়েশার সবচেয়ে নরম জায়গাটা চুষতে লাগল ধীরে ধীরে। আয়েশা তার পা দিয়ে রিয়াজের পিঠ চেপে ধরল। তার শরীর থেকে মিষ্টি গন্ধ বেরোচ্ছিল। আয়েশা উচ্চস্বরে কেঁপে উঠল যখন প্রথম অর্গাজম এল।

“আমি আর পারছি না... এসো ভিতরে...” আয়েশা হাত বাড়িয়ে রিয়াজের শক্ত লিঙ্গ ধরল।

রিয়াজ তার উপর উঠল। ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল। আয়েশার চোখ বন্ধ হয়ে গেল। “আহহহ... খুব ভালো লাগছে...”

তারা একসাথে নড়াচড়া করছিল। রিয়াজ গভীরে ঢুকছে, বেরোচ্ছে। আয়েশা তার কোমরে পা জড়িয়ে রেখেছে। ঘর ভরে উঠল তাদের হাঁপানি আর মিষ্টি আওয়াজে। বৃষ্টির শব্দের সাথে তাদের ভালোবাসার তাল মিলছিল।

অনেকক্ষণ পর তারা দুজনেই একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছাল। রিয়াজ আয়েশার ভিতরে তার বীর্য ঢেলে দিল। আয়েশা তাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছিল আনন্দে। “আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি রিয়াজ।”

তারা কিছুক্ষণ শুয়ে রইল। তারপর রিয়াজ উঠে দুজনের জন্য গ্লাসে দুধ নিয়ে এল। আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে বলল, “চলো কোথাও বেড়াতে যাই। শুধু আমরা দুজন।”

রিয়াজ হাসল। “ঠিক আছে। আগামী সপ্তাহে কক্সবাজার যাব।”

কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে সূর্যাস্ত দেখছিল তারা। আয়েশা সাদা শাড়ি পরেছে, চুল খোলা। সমুদ্রের হাওয়ায় তার শাড়ি উড়ছিল। রিয়াজ তার কোমর জড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।

“এখানে এসে খুব ভালো লাগছে।” আয়েশা বলল।

রাতে হোটেলের ব্যালকনিতে বসে তারা ওয়াইন খাচ্ছিল। আয়েশা একটু মাতাল হয়ে গিয়েছিল। সে রিয়াজের কোলে উঠে বসল। তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিল রিয়াজ। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দের সাথে তারা আবার মিলিত হলো। এবার আরও উন্মুক্ত, আরও আবেগপূর্ণ। আয়েশা রিয়াজের উপর চড়ে বসল। তার স্তন দুলছিল। রিয়াজ তার কোমর ধরে নিচ থেকে ধাক্কা দিচ্ছিল।

“আমার সবটা নাও... আমি তোমার...” আয়েশা চিৎকার করে বলছিল।

সেই রাতে তারা কয়েকবার ভালোবাসল। কখনো বিছানায়, কখনো ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে। আয়েশার শরীর ঘামে ভিজে গিয়েছিল। রিয়াজ প্রতিবার তাকে নতুন করে আবিষ্কার করছিল।

ঢাকায় ফিরে তাদের জীবন আরও সুন্দর হয়ে উঠল। আয়েশা গর্ভবতী হয়েছিল। কিন্তু তাদের ভালোবাসা কখনো কমেনি। রাতে আয়েশা যখন ক্লান্ত থাকত, রিয়াজ তার পায়ে তেল মালিশ করত। তারপর নরম করে ভালোবাসত। আয়েশার শরীর বদলাচ্ছিল, কিন্তু রিয়াজের চোখে সে সবসময় সবচেয়ে সেক্সি লাগত।

একদিন রাতে আয়েশা বলল, “আমাদের বাচ্চা হলে তার নাম রাখব চাঁদনী। কারণ তুমি আমাকে চাঁদনী রাতের মতো আলোকিত করেছ।”

রিয়াজ তার পেটে চুমু খেয়ে বলল, “আর তুমি আমার সারা জীবনের আলো।”

তাদের ভালোবাসা এভাবেই চলতে থাকল। বছরের পর বছর। ঝগড়া হতো, কিন্তু মেকআপ সেক্স ছিল আরও মধুর। আয়েশা কখনো কখনো রিয়াজকে চ্যালেঞ্জ করত নতুন নতুন ভঙ্গিতে। তারা একসাথে অনেক স্বপ্ন দেখত। নতুন বাসা, বাচ্চাদের স্কুল, বুড়ো বয়সে একসাথে হাঁটা।

বাচ্চা হওয়ার পরও আয়েশা তার সৌন্দর্য হারায়নি। একদিন রিয়াজ অফিস থেকে ফিরে দেখল আয়েশা লাল শাড়ি পরে অপেক্ষা করছে। ঘরে মোমবাতি জ্বলছে, সেন্টের গন্ধ।

“আজ আমি তোমার জন্য স্পেশাল।” আয়েশা লজ্জায় হাসল।

রিয়াজ তাকে কোলে তুলে নিল। “তুমি সবসময় স্পেশাল।”

সেই রাতে তারা খুব আস্তে আস্তে ভালোবাসল। আয়েশার দুধ ভরা স্তন থেকে দুধ বেরোচ্ছিল। রিয়াজ সেটা চুষে খাচ্ছিল। আয়েশা তার চুল টেনে ধরে বলছিল, “আরও জোরে... আমাকে তোমার করে নাও।”

তাদের শরীর এক হয়ে গিয়েছিল। ঘাম, দুধ, ভালোবাসার রসে ভিজে একাকার। আয়েশা কয়েকবার চিৎকার করে উঠেছিল। রিয়াজ শেষে তার মুখে এসে তার ঠোঁটে চুমু দিয়েছিল।

“তুমি আমার সব।” রিয়াজ ফিসফিস করল।

আয়েশা তার চোখে চোখ রেখে বলল, “আর তুমি আমার চাঁদনী রাত।”


 

 

....
👁 84