ভালোবাসার ঢেউয়ে ভাসি

রাত দশটা বাজে। ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ভিড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে রিয়ান। তার হাতে একটা ছোট ব্যাগ, চোখে ক্লান্তি আর অপেক্ষা। আজ সে চট্টগ্রাম যাচ্ছে। অফিসের কাজে। কিন্তু তার মনটা অন্য কোথাও।

kxz

হঠাৎ তার চোখ পড়লো একটা মেয়ের দিকে। সাদা সালোয়ার কামিজ, চুল খোলা, চোখে চশমা। মেয়েটা একা দাঁড়িয়ে টিকিট হাতে দেখছে। তার মুখটা এত সুন্দর যে রিয়ানের বুকটা একবার ধক করে উঠলো।

“এক্সকিউজ মি… এটা কি চট্টগ্রামের ট্রেন?” মেয়েটা জিজ্ঞাসা করলো।

kx/춺'

রিয়ান হাসলো। “হ্যাঁ। আমিও একই ট্রেনে।”

ট্রেন ছাড়লো। রিয়ানের সিট ছিল এসি কেবিনের। পাশের সিটে বসলো সেই মেয়েটা। তার নাম আয়েশা। চট্টগ্রামের একটা কলেজে লেকচারার। বয়স ২৬। রিয়ানের বয়স ২৯।

প্রথমে দুজনেই চুপচাপ। তারপর আয়েশা একটা বই বের করলো। রিয়ান দেখলো বইয়ের নাম “প্রেমের কবিতা”।

“তুমি কবিতা পড়ো?” রিয়ান জিজ্ঞাসা করলো।

আয়েশা হাসলো। তার হাসিতে যেন চাঁদের আলো। “হ্যাঁ। প্রেম ছাড়া জীবন অচল।”

সেই থেকে কথা শুরু। ট্রেন চলছে। বাইরে অন্ধকার। ভিতরে দুটো হৃদয় ধীরে ধীরে কাছে আসছে। রিয়ান বললো তার জীবনের কথা। চাকরি, একাকিত্ব, স্বপ্ন। আয়েশা বললো তার ছোটবেলার কথা, চট্টগ্রামের সমুদ্র, তার ভাঙা প্রেমের গল্প।

রাত দুটোর দিকে ট্রেন থামলো একটা স্টেশনে। লাইট কম। আয়েশা ঘুমিয়ে পড়েছে। তার মাথা রিয়ানের কাঁধে হেলে পড়েছে। রিয়ান নড়লো না। সে শুধু আয়েশার চুলের গন্ধ নিল। তার হৃদয় বলছিল — এই মেয়েটাকে হারাতে চায় না।

সকাল হলো। চট্টগ্রাম স্টেশন। দুজনেই নামলো। আয়েশা বললো, “আবার দেখা হবে তো?”

রিয়ান তার নাম্বার নিল।

তারপর থেকে শুরু হলো তাদের প্রেমের যাত্রা।

রিয়ান চট্টগ্রামে থেকে গেল কয়েকদিনের জন্য। প্রতিদিন তারা দেখা করতো। কখনো পাহাড়ের উপর, কখনো সমুদ্রের ধারে, কখনো ছোট ছোট ক্যাফেতে। আয়েশা রিয়ানকে দেখিয়ে দিল চট্টগ্রামের সৌন্দর্য। রিয়ান আয়েশাকে দেখালো তার ভালোবাসার গভীরতা।

একদিন বিকেলে তারা কক্সবাজার গেল। সমুদ্রের ঢেউয়ের সামনে দাঁড়িয়ে রিয়ান আয়েশার হাত ধরলো।

“আয়েশা, আমি তোমাকে ভালোবাসি। অনেকদিন ধরে। প্রথম যেদিন ট্রেনে দেখেছিলাম, সেদিন থেকেই।”

আয়েশার চোখে জল। “আমিও তোমাকে ভালোবাসি রিয়ান।”

তারা জড়িয়ে ধরলো। সমুদ্রের হাওয়া তাদের চুল উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। রিয়ান আয়েশার কপালে চুমু খেলো। তারপর ঠোঁটে। প্রথম চুমু। নরম, আবেগপূর্ণ, দীর্ঘ। আয়েশা কাঁপছিল। তার হাত রিয়ানের বুকে।

সেই রাতে তারা একটা রিসোর্টে ছিল। আয়েশা লজ্জায় লাল। রিয়ান ধীরে ধীরে তার সালোয়ারের দড়ি খুললো। আয়েশার শরীরটা চাঁদের আলোয় যেন জ্বলছিল। তার স্তন দুটো নিশ্বাসের সাথে উঠানামা করছিল। রিয়ান তার গলায় চুমু খেলো, তারপর নামতে নামতে তার নাভিতে। আয়েশা শ্বাস নিতে পারছিল না।

“রিয়ান… আমি তোমার…”

রিয়ান তার প্যান্টি সরিয়ে দিল। আয়েশার ভেজা গোপন জায়গাটা তার আঙুলে স্পর্শ করলো। আয়েশা কেঁপে উঠলো। রিয়ান ধীরে ধীরে তার ভিতরে ঢুকলো। প্রথমে ধীর, তারপর জোরে। আয়েশা চিৎকার করে উঠলো আনন্দে। তার নখ রিয়ানের পিঠে বসে গেল।

সারা রাত তারা একে অপরকে ভালোবাসলো। কখনো নরম করে, কখনো জোরে। আয়েশা রিয়ানের উপর উঠে বসলো। তার স্তন দুলছিল। রিয়ান তার কোমর ধরে ধাক্কা দিচ্ছিল। দুজনেই একসাথে চূড়ায় পৌঁছালো।

পরের কয়েক মাস তাদের প্রেম আরও গভীর হলো। রিয়ান চট্টগ্রামে চাকরি বদল করলো। তারা একসাথে থাকা শুরু করলো। কিন্তু সমস্যাও এলো। আয়েশার পরিবার রাজি না। রিয়ানের মা চায় অন্য মেয়ে।

কিন্তু ভালোবাসা জিতলো। একদিন তারা পালিয়ে বিয়ে করলো। ছোট একটা অনুষ্ঠান। শুধু দুজন। সমুদ্রের ধারে।

বিয়ের পর তাদের জীবন হয়ে উঠলো স্বপ্নের মতো। প্রতি সন্ধ্যায় তারা সমুদ্র দেখতে যায়। রাতে একে অপরকে জড়িয়ে ঘুমায়। আয়েশা গর্ভবতী হলো। রিয়ান তার পেটে হাত রেখে বলে, “আমাদের ভালোবাসার ফল।”

এভাবেই চলতে থাকে তাদের অমর প্রেম। ঢাকা-চট্টগ্রামের ট্রেন যেমন চলতে থাকে, তাদের ভালোবাসাও চলতে থাকে অনন্তকাল।


 

....
👁 35