তোমার সাথে অমর প্রেম

রাত তখন অনেক। চট্টগ্রামের একটা ছোট অ্যাপার্টমেন্টের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছি আমি, রাহাত। হাতে এক কাপ কফি, চোখে তোমার কথা। আয়েশা, তুমি। আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সত্যি। আজ আমাদের বিয়ের চার বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু মনে হয় যেন গতকালই তোমাকে প্রথম দেখেছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে।

kxz

তোমার সেই লাল শাড়ি, খোলা চুল, আর হাসিতে যে আলো ছড়িয়ে পড়েছিল — সেটা আজও আমার বুকে জ্বলে। তুমি বলেছিলে, “রাহাত, তুমি একটু বেশি রোমান্টিক।” আর আমি হেসে বলেছিলাম, “তোমাকে দেখলে সবাই রোমান্টিক হয়ে যায়।”

আজ সকালে অফিস থেকে ফিরে দেখি তুমি রান্নাঘরে। তোমার পরনে সেই নীল সালোয়ার কামিজ, যেটা আমি তোমাকে গত ঈদে কিনে দিয়েছি। চুলটা আলগা করে বেঁধেছো, কপালে ঘামের ফোঁটা। আমি পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম তোমাকে।

kx/춺'

“আহ, রাহাত! ছাড়ো, রান্না পুড়ে যাবে,” তুমি হাসতে হাসতে বললে। কিন্তু তোমার শরীরটা আমার বুকে এসে মিশে গেল। আমি তোমার গলায় চুমু খেলাম, “আজ আমাদের অ্যানিভার্সারি। রান্না পরে হবে। আগে তোমাকে একটু ভালোবাসি।”

তুমি লজ্জায় লাল হয়ে গেলে। “তুমি তো সবসময় এমন করো।” কিন্তু তোমার হাতটা আমার হাতে চলে এলো। আমরা দুজনে বেডরুমে চলে গেলাম। জানালা দিয়ে সমুদ্রের হাওয়া আসছিল। চট্টগ্রামের এই ছোট ফ্ল্যাটটাই আমাদের স্বর্গ।

আমি তোমাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তোমার চোখে চোখ রেখে বললাম, “আয়েশা, তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসি। প্রতিদিন আরও বেশি।” তুমি আমার গালে হাত বুলিয়ে বললে, “আমিও তোমাকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারি না।”

সেই রাতে আমরা অনেকক্ষণ কাছাকাছি ছিলাম। তোমার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি আমি চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিলাম। তুমি আমার নাম ধরে কাঁপছিলে। “রাহাত... আরও জোরে... তোমারটা আমার ভেতরে...” তোমার কথাগুলো শুনে আমার শরীরে আগুন জ্বলে উঠল। আমরা এক হয়ে গেলাম, ঘামে ভেজা শরীর, নিঃশ্বাসের সাথে নিঃশ্বাস মিশিয়ে। তুমি আমার পিঠে নখ বসিয়ে দিলে, আর আমি তোমার ঠোঁট কামড়ে ধরলাম। অনেকক্ষণ ধরে আমরা ভালোবাসার এই খেলায় মেতে রইলাম। শেষে তুমি আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লে। আমি তোমার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে ভাবলাম — এই মেয়েটাই আমার সব।

পরের দিন সকালে তুমি আমাকে চা বানিয়ে দিলে। আমরা বারান্দায় বসে সমুদ্র দেখলাম। তুমি বললে, “রাহাত, একটা লম্বা ট্রিপে যাই না। শুধু তুমি আর আমি।” আমি রাজি হয়ে গেলাম। অফিসে ছুটি নিয়ে আমরা ঠিক করলাম কক্সবাজার যাবো।

ট্রেনে যেতে যেতে তুমি আমার কাঁধে মাথা রেখে ঘুমালে। আমি তোমার কপালে চুমু দিলাম। ট্রেনের জানালা দিয়ে বৃষ্টি পড়ছিল। তোমার ঠোঁটে হালকা হাসি। আমার মনে হলো এই মুহূর্তটাই জীবনের সবচেয়ে সুন্দর।

কক্সবাজারে পৌঁছে হোটেলে চেক ইন করলাম। সমুদ্রের সামনে ব্যালকনি। সন্ধ্যায় আমরা বিচে হাঁটতে গেলাম। তুমি খালি পায়ে বালিতে দৌড়াচ্ছো, আমি পেছন পেছন। হঠাৎ তুমি থেমে আমাকে জড়িয়ে ধরলে। “রাহাত, আমি তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসি। যতটা তুমি ভাবো, তার চেয়েও বেশি।”

আমি তোমাকে কোলে তুলে নিলাম। সমুদ্রের ঢেউ আমাদের পায়ে আছড়ে পড়ছিল। আমরা চুমু খেলাম। লম্বা, গভীর চুমু। তোমার ঠোঁটের স্বাদ মিষ্টি লাগছিল। হোটেলে ফিরে আমরা আবার একে অপরের কাছে হারিয়ে গেলাম। তুমি আমার উপর উঠে বসলে, তোমার চুল ঝরে পড়ছিল আমার মুখে। “আমার রাহাত... তোমারটা আমার ভেতরে নিয়ে নাও...” তোমার কথায় আমি উন্মাদ হয়ে গেলাম। অনেকক্ষণ ধরে আমরা ভালোবাসার তালে তাল মিলালাম। তোমার শরীর কাঁপছিল আনন্দে। আমি তোমার কানে কানে বললাম, “তুমি আমার রানি। চিরকালের।”

সেই ট্রিপে আমরা অনেক স্মৃতি তৈরি করলাম। সকালে সমুদ্রে স্নান, দুপুরে মাছ ভাজা খাওয়া, রাতে তোমাকে জড়িয়ে ঘুম। একদিন তুমি বললে, “রাহাত, আমাদের একটা বাচ্চা হলে কেমন হয়?” আমি তোমার পেটে হাত রেখে বললাম, “হবে। খুব শিগগিরি। তোমার মতো সুন্দর একটা মেয়ে।”

ফিরে আসার পর আমাদের জীবন আরও সুন্দর হয়ে উঠল। তুমি প্রেগন্যান্ট হলে। আমি তোমার পাশে সবসময়। রাতে তোমার পায়ে মালিশ করতাম, সকালে তোমার জন্য স্পেশাল ব্রেকফাস্ট বানাতাম। তুমি লজ্জা পেয়ে বলতে, “তুমি এত ভালোবাসো কেন?” আমি হেসে বলতাম, “কারণ তুমি আমার সব।”

একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখি তুমি কাঁদছো। “কী হলো আয়েশা?” তুমি বললে, “আমার শরীরটা এখন ভারী হয়ে গেছে। তুমি কি আর আমাকে আগের মতো ভালোবাসবে?” আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরে বললাম, “পাগলি! তুমি এখন আরও সুন্দর। আমার বাচ্চার মা। তোমাকে আমি আরও বেশি ভালোবাসি।”

সেই রাতে আমি তোমাকে খুব আস্তে আস্তে ভালোবাসলাম। তোমার বড় হয়ে যাওয়া পেটে চুমু দিয়ে, তোমার স্তনগুলো সাবধানে ছুঁয়ে। তুমি কাঁপতে কাঁপতে বললে, “রাহাত... তোমার জন্য আমি সব করতে পারি।” আমরা ধীরে ধীরে মিলিত হলাম। তোমার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠছিল। শেষে তুমি আমার বুকে এসে কাঁদতে কাঁদতে বললে, “তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না।”

নয় মাস পর আমাদের মেয়ে হলো। নাম রাখলাম ‘আরিশা’। তুমি হাসপাতালের বেডে শুয়ে আরিশাকে কোলে নিয়ে বললে, “দেখো রাহাত, তোমার মতো চোখ।” আমি তোমাদের দুজনকে জড়িয়ে ধরলাম। সেই মুহূর্তে মনে হলো জীবন পূর্ণ হয়ে গেছে।

বছরগুলো কেটে যাচ্ছিল। আরিশা বড় হচ্ছিল। আমরা তিনজনে অনেক ঘুরতে যেতাম। তুমি এখনও সেই আয়েশা — যাকে আমি প্রথম দেখে পাগল হয়েছিলাম। রাতে যখন আরিশা ঘুমিয়ে পড়ে, আমরা দুজনে বারান্দায় বসে গল্প করি। তুমি আমার হাত ধরে বলো, “রাহাত, তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসি।”

একদিন রাতে তুমি আমাকে বললে, “আজ একটু অন্যরকম করি।” তুমি লাল নাইটি পরে এলে। আমি তোমাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। তুমি আমাকে বিছানায় ঠেলে দিয়ে উপরে উঠে বসলে। তোমার শরীর এখনও আগের মতো আকর্ষক। আমি তোমার নাইটিটা খুলে ফেললাম। তোমার নগ্ন শরীর চাঁদের আলোয় ঝলমল করছিল।

আমি তোমার স্তন চুষতে লাগলাম, তুমি আমার চুল খামচে ধরলে। “আহ... রাহাত... খেয়ে ফেলো আমাকে...” আমি তোমার নিচে নেমে তোমার সবচেয়ে নরম জায়গায় চুমু দিলাম। তুমি কেঁপে উঠলে, পা দিয়ে আমার মাথা চেপে ধরলে। অনেকক্ষণ ধরে আমি তোমাকে আনন্দের শিখরে নিয়ে গেলাম। তারপর তুমি আমার উপর উঠে আমার শক্ত লিঙ্গটা তোমার ভেতরে নিয়ে নিলে। ধীরে ধীরে উঠানামা করতে লাগলে। “তোমারটা... খুব বড়... আমার ভেতর পুরোটা...” তোমার কথায় আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। আমরা দুজনে একসাথে চরমে পৌঁছালাম। ঘামে ভেজা শরীর জড়াজড়ি করে শুয়ে রইলাম।

এভাবেই আমাদের জীবন চলছে। প্রতিদিন নতুন করে তোমাকে আবিষ্কার করি। তুমি আমার সব। আমার ভালোবাসা, আমার আনন্দ, আমার শান্তি।

আয়েশা, তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসি। চিরকাল। এই গল্পটা যেন আমাদেরই গল্প হয়।

 

....
👁 40