তোমার আমার চিরকালীন প্রেম

ঢাকার গরম বাতাসে ভরা সেই বিকেলটা আজও মনে পড়ে। আমি, রাফান, চাকরির সন্ধানে ঘুরছিলাম। অফিস থেকে বেরিয়ে মিরপুরের রাস্তায় হাঁটছি। হঠাৎ একটা বৃষ্টি নামল। ছাতা ছিল না। দৌড়ে একটা ছোট ক্যাফেতে ঢুকলাম। সেখানে তুমি বসে ছিলে – আয়েশা। সাদা সালোয়ার কামিজ, চুল খোলা, চোখে একটা নরম দৃষ্টি। তুমি একটা বই পড়ছিলে – “প্রেমের গল্প”।

kxz

“এখানে বসতে পারি?” আমি জিজ্ঞাসা করলাম।

তুমি মাথা নেড়ে হাসলে। সেই হাসিতে কী যেন ছিল, যা আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেল। বৃষ্টি থামার পরও আমরা কথা বলতে থাকলাম। তুমি বললে, তুমি চট্টগ্রাম থেকে এসেছো, ঢাকায় পড়াশোনা করছো। আমি বললাম আমার গ্রামের কথা, খুলনার। সেদিন থেকে আমাদের কথা শুরু।

kx/춺'

পরের দিন থেকে মেসেজ। “কেমন আছো?” – এই সাধারণ কথায় শুরু হয়ে গেল আমাদের প্রেম। তুমি লজ্জা পেতে, কিন্তু আমার কথায় হাসতে। আমি তোমাকে বলতাম, “তুমি আমার বৃষ্টির মতো, আয়েশা। এসে সব ভিজিয়ে দাও।”

মাসখানেক পর আমরা প্রথম ডেটে গেলাম। লেকের ধারে হাঁটছি। তোমার হাতটা আমার হাতে নিলাম। তুমি লজ্জায় লাল হয়ে গেলে, কিন্তু ছাড়লে না। “রাফান, এটা ঠিক?” তুমি জিজ্ঞাসা করলে।

“ভালোবাসা কখনো ভুল হয় না,” আমি বললাম। সেই রাতে প্রথম চুমু। তোমার ঠোঁটে আমার ঠোঁট। চারপাশের আলো ম্লান হয়ে গিয়েছিল।

তোমার পড়াশোনা, আমার চাকরি। দূরত্ব বাড়তে থাকল। তুমি চট্টগ্রামে ফিরে গেলে কয়েক মাসের জন্য। প্রতিদিন রাতে কল। তোমার কণ্ঠস্বর শুনলে আমার মন শান্ত হয়ে যেত। “আমি তোমাকে মিস করছি,” তুমি বলতে।

একদিন আমি সারপ্রাইজ দিলাম। চট্টগ্রামের ট্রেনে চেপে চলে গেলাম। স্টেশনে তুমি দাঁড়িয়ে। চোখে জল। আমাকে জড়িয়ে ধরলে। “তুমি পাগল!” বলে হাসলে।

সেদিন আমরা সমুদ্রের ধারে গেলাম। বালির উপর বসে সূর্যাস্ত দেখলাম। তোমার মাথা আমার কাঁধে। “রাফান, আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না,” তুমি ফিসফিস করে বললে। আমি তোমার চুলে হাত বুলিয়ে বললাম, “আমিও না। তুমি আমার সব।”

রাতে তোমার বাসায় ফিরলাম। তোমার মা-বাবা ঘুমিয়ে। তোমার ঘরে আমরা দুজন। তোমার শরীর আমার শরীরের কাছে। প্রথমবারের মতো আমরা এক হয়ে গেলাম। তোমার নরম ত্বক, তোমার উষ্ণ নিঃশ্বাস। আমি তোমাকে চুমু দিতে দিতে বললাম, “তুমি আমার। চিরকাল।” তুমি আমাকে আঁকড়ে ধরে কাঁপতে কাঁপতে বললে, “হ্যাঁ, তোমারই।”

সেই রাতটা ছিল আমাদের প্রেমের প্রথম পূর্ণতা। শরীর আর মন দুটোই মিলে গেল।

দুই বছর পর আমরা বিয়ে করলাম। ঢাকায় ছোট অনুষ্ঠান। তুমি লাল বেনারসি পরে এলে। আমি তোমাকে দেখে মুগ্ধ। “তুমি সত্যি স্বপ্ন,” আমি বললাম।

বিয়ের পর আমাদের ছোট ফ্ল্যাট। মিরপুরে। প্রতিদিন সকালে তুমি চা বানিয়ে দিতে। আমি অফিস যাওয়ার আগে তোমাকে চুমু দিয়ে যেতাম। রাতে ফিরে তোমাকে জড়িয়ে ধরতাম। “আজ কেমন গেল?” তুমি জিজ্ঞাসা করতে।

একদিন অফিসে ঝামেলা হয়েছিল। ফিরে এসে মন খারাপ। তুমি আমাকে কোলে টেনে নিলে। তোমার বুকে মাথা রেখে কাঁদলাম। তুমি আমার চুলে হাত বুলিয়ে বললে, “আমি আছি। সব ঠিক হয়ে যাবে।” সেই রাতে তুমি আমাকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিলে। তোমার শরীরের প্রতিটা স্পর্শে আমি নতুন করে বাঁচলাম। তোমার ঊরুতে হাত রেখে, তোমার গলায় চুমু দিয়ে আমি তোমার ভিতরে প্রবেশ করলাম। ধীরে ধীরে, গভীরে। তুমি আমার নাম ধরে কেঁপে উঠলে। “রাফান... আরো...”

আমাদের রাতগুলো ছিল আগুনের মতো। তুমি আমার উপর উঠে বসতে, চুল উড়িয়ে নাচতে। আমি তোমার স্তন ধরে চুষতাম। তোমার আওয়াজে ঘর ভরে যেত। আমরা ঘামে ভিজে এক হয়ে যেতাম।

কিন্তু জীবন সবসময় মধুময় নয়। তোমার শরীর খারাপ হলো একবার। হাসপাতাল। আমি সারারাত তোমার পাশে বসে থাকলাম। হাত ধরে বললাম, “তুমি ঠিক হয়ে যাবে। আমাদের অনেক স্বপ্ন আছে।” তুমি চোখ খুলে হাসলে, “তোমার ভালোবাসায় সব ঠিক হয়।”

একবার আমাদের মধ্যে ঝগড়া হলো। আমি দেরি করে ফিরেছিলাম। তুমি রাগ করে বললে, “তুমি আমাকে ভুলে গেছো!” আমি বুঝলাম তোমার অভিমান। রাতে তোমাকে জড়িয়ে ধরলাম। “কখনো না, আয়েশা। তুমি আমার প্রাণ।” তোমার রাগ গলে গেল। আমরা আবার মিলিত হলাম। এবার আরো তীব্র। তুমি আমাকে কামড়ে দিলে, আমি তোমার পিঠে আঁচড় কাটলাম। ভোর হওয়া পর্যন্ত আমরা একে অপরকে ভালোবাসলাম।

তারপর আমরা গ্রামে গেলাম। খুলনায় আমার বাড়ি। নদীর ধারে বসে তুমি বললে, “এখানে আমাদের ছোট ঘর বানাবো একদিন।” আমি তোমাকে কোলে তুলে নিয়ে ঘুরলাম। রাতে মাঠের মাঝে চাঁদের আলোয় আমরা প্রেম করলাম। তোমার শাড়ি খুলে ফেললাম। তোমার নগ্ন শরীর চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছিল। আমি তোমার প্রতিটা অংশ চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিলাম। তুমি আমার পুরুষত্ব মুখে নিয়ে চুষলে। আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। তোমার ভিতরে ঢুকে গেলাম। নদীর শব্দের সাথে আমাদের আওয়াজ মিশে গেল।

সেই ট্রিপে আমরা নতুন করে প্রেমে পড়ল

দুই বছর পর তুমি প্রেগন্যান্ট হলে। আমি খুশিতে পাগল। তোমার পেটে হাত রেখে বলতাম, “আমাদের ছোট্ট প্রেম।” তুমি সকালে বমি করতে, আমি তোমার পাশে থাকতাম। রাতে তোমাকে ম্যাসাজ করতাম। তোমার শরীর আরো সুন্দর হয়ে উঠেছিল।

ডেলিভারির সময় আমি হাসপাতালে। তুমি কষ্ট পাচ্ছো দেখে আমার বুক ফেটে যাচ্ছিল। কিন্তু যখন আমাদের মেয়ে জন্ম নিল, তুমি হেসে বললে, “দেখো, তোমার মতো চোখ।”

ঘরে ফিরে আমরা তিনজন। রাতে মেয়ে ঘুমালে আমরা আবার মিলিত হতাম। সাবধানে, কিন্তু ভালোবাসায় ভরপুর। তুমি বলতে, “মা হয়েও তোমাকে এত ভালোবাসি।” আমি তোমার দুধে মুখ দিয়ে চুষতাম। তুমি কেঁপে উঠতে। তারপর আমি তোমার ভিতরে ঢুকতাম। ধীরে, গভীরে। আমাদের প্রেম আরো পরিপূর্ণ হয়ে উঠল।

এখন আমরা বছরের পর বছর কাটিয়েছি। ঝড় এসেছে, কিন্তু আমাদের প্রেম অটুট। প্রতি বছর আমাদের অ্যানিভার্সারিতে আমরা ট্রেনে চেপে চট্টগ্রাম যাই। সেই প্রথম ডেটের জায়গায় বসি।

আয়েশা, তুমি আমার জীবনের আলো। তোমার হাসি, তোমার চোখ, তোমার শরীর, তোমার ভালোবাসা – সব আমার। আমরা বুড়ো হয়ে যাবো, কিন্তু এই প্রেম কখনো শেষ হবে না।

তোমার হাত ধরে বলি – “তোমার আমার প্রেম চিরকাল।”

....
👁 43