প্রেমের গভীর আলিঙ্গন

রাত আটটা। চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের ছোট ফ্ল্যাটে জানালা দিয়ে বৃষ্টির শব্দ আসছিল। আয়েশা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। তার লম্বা চুল ভিজে গিয়েছে বৃষ্টির ছাঁটে। সাদা সালোয়ার কামিজের উপর হালকা শাল জড়ানো। তার চোখে একটা অস্থিরতা।

kxz

“রাহাত, তুমি কখন আসবে?” ফিসফিস করে বলল সে।

রাহাত তার অফিসের কাজ শেষ করে ফিরছিল। আজ তার বিয়ের তিন বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে তাদের মধ্যে একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। রাহাতের চাকরির চাপ, আয়েশার বাসায় একা থাকা—সব মিলিয়ে প্রেমটা যেন হারিয়ে যাচ্ছিল।

kx/춺'

দরজায় চাবি ঘোরার শব্দ হলো। রাহাত ঢুকল। তার চোখে ক্লান্তি, কিন্তু আয়েশাকে দেখে মুখটা উজ্জ্বল হয়ে গেল।

“আয়েশা…” সে তার ব্যাগ ফেলে সোজা এগিয়ে গেল। আয়েশা ঘুরে তাকাল। তার চোখে জল।

“তুমি ভুলে গেছো আজ আমাদের অ্যানিভার্সারি?”

রাহাত থমকে গেল। “না না, ভুলিনি। শুধু… অফিসে…” সে আয়েশাকে জড়িয়ে ধরল। তার শরীরের উষ্ণতা আয়েশার ভেজা শরীরে মিশে গেল। “সরি জান। আজ রাতটা তোমার। পুরোপুরি।”

আয়েশা তার বুকে মুখ গুঁজে কাঁদল একটু। “তোমাকে খুব মিস করি রাহাত। এই ফ্ল্যাটটা যেন কবর হয়ে গেছে।”

রাহাত তার চুলে হাত বুলিয়ে দিল। “চলো, আজ বাইরে যাই। বৃষ্টিতে ঘুরব।”

তারা দুজন ছাতা নিয়ে বের হলো। চট্টগ্রামের রাস্তায় বৃষ্টি পড়ছে অঝোরে। আয়েশা রাহাতের হাত ধরে হাঁটছিল। তাদের পুরনো দিনের কথা মনে পড়ছিল। প্রথম দেখা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। রাহাত তখন ফাইনাল ইয়ার, আয়েশা সেকেন্ড ইয়ার। একটা বইয়ের দোকানে তাদের চোখাচোখি। তারপর চা, তারপর প্রেম।

“মনে আছে, প্রথমবার যখন তোমাকে চুমু খেয়েছিলাম?” রাহাত হাসতে হাসতে বলল।

আয়েশা লজ্জায় লাল হয়ে গেল। “চুপ করো। রাস্তায় কথা বলছো!”

কিন্তু তার চোখে সেই পুরনো আলো ফিরে এসেছিল। তারা একটা ছোট রেস্টুরেন্টে ঢুকল। গরম গরম ইলিশ মাছ ভাজা আর ভাত খেল। আয়েশা রাহাতের প্লেট থেকে এক টুকরো মাছ তুলে তার মুখে দিল। রাহাত তার আঙুল চুষে নিল। আয়েশার শরীরে একটা শিহরণ খেলে গেল।

বাসায় ফিরে এসে তারা ভিজে কাপড় ছাড়ল। আয়েশা বাথরুমে গেল। রাহাত লাইট কমিয়ে রেখে বিছানায় বসে অপেক্ষা করছিল। আয়েশা বেরিয়ে এলো—হালকা গোলাপি নাইটি। তার গায়ের রং বৃষ্টির মতো ঝকঝকে।

রাহাত উঠে তার কাছে গেল। “তুমি আজও এত সুন্দর কেন?”

সে আয়েশার কোমর জড়িয়ে ধরল। তাদের ঠোঁট মিলিত হলো। প্রথমে নরম, তারপর গভীর। আয়েশা তার গলা জড়িয়ে ধরল। রাহাত তাকে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিল। তার হাত আয়েশার নাইটির ভিতর ঢুকে গেল। তার নরম স্তন স্পর্শ করতেই আয়েশা কেঁপে উঠল।

“রাহাত… ধীরে…” সে ফিসফিস করল।

কিন্তু তাদের শরীরের আগুন অনেকদিনের জমে থাকা। রাহাত তার নাইটি খুলে ফেলল। আয়েশার নগ্ন শরীর চাঁদের আলোয় ঝলমল করছিল। সে তার গলা, বুক, পেট—সব জায়গায় চুমু খেতে লাগল। আয়েশা তার চুল খামচে ধরল। তার শ্বাস দ্রুত হয়ে যাচ্ছিল।

রাহাত নিচে নেমে তার উরুর ভিতর মুখ দিল। আয়েশা আর্তনাদ করে উঠল। “আহহ… জান… এতদিন পর…” তার শরীর কেঁপে কেঁপে উঠছিল। রাহাত তার সব আবেগ উজাড় করে দিচ্ছিল।

যখন আয়েশা আর সহ্য করতে পারছিল না, সে রাহাতকে উপরে টেনে আনল। তার পা দুটো ছড়িয়ে দিয়ে রাহাত প্রবেশ করল। ধীরে ধীরে, গভীরে। তাদের শরীর এক হয়ে গেল। আয়েশা তার পিঠ আঁচড়াচ্ছিল। “জোরে… আরও জোরে রাহাত… আমি তোমার…”

তাদের গতি বাড়তে লাগল। ঘরে শুধু তাদের শ্বাস আর শরীরের শব্দ। আয়েশা প্রথমে চরমে পৌঁছাল। তার শরীর শক্ত হয়ে গেল, তারপর ঢিলে হয়ে গেল। রাহাতও তার পর মুহূর্তে তার ভিতর ঢেলে দিল নিজেকে।

তারা দুজন জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। বৃষ্টি বাইরে এখনও পড়ছে।

“আমি তোমাকে আর কখনো অবহেলা করব না আয়েশা,” রাহাত বলল।

আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে বলল, “আমিও তোমার সাথে আরও বেশি সময় কাটাব।”

পরের দিন সকালে তারা দুজন মিলে ব্রেকফাস্ট করল। রাহাত অফিস যাওয়ার আগে আয়েশাকে আরেকবার চুমু খেল। “সন্ধ্যায় ফিরে তোমাকে নিয়ে বেড়াতে যাব।”

আয়েশা হাসল। তার জীবন আবার রঙিন হয়ে উঠেছিল।

কিন্তু গল্পটা এখানে শেষ না।

কয়েকদিন পর রাহাতের অফিস থেকে একটা ট্যুরের অফার এলো—কক্সবাজার। দুজনের জন্য। আয়েশা লাফিয়ে উঠল। “চলো, এবার সত্যি সত্যি রোমান্স করব।”

তারা ট্রেনে করে কক্সবাজার গেল। ট্রেনের কামরায় রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে রাহাত আয়েশার শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার কোমরে হাত দিল। আয়েশা লজ্জায় তার বুকে মুখ লুকাল। কিন্তু তার হাতও রাহাতের উরুতে চলে গেল। তারা চুপিচুপি অনেকক্ষণ আদর করল। ট্রেনের দুলুনি তাদের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছিল।

কক্সবাজারে পৌঁছে তারা সমুদ্রের ধারে হোটেলে উঠল। সন্ধ্যায় সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ শুনতে শুনতে তারা হাঁটছিল। আয়েশা শাড়ি পরে ছিল, হালকা বাতাসে তার আঁচল উড়ছিল। রাহাত তাকে জড়িয়ে ধরে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি আমার সব।”

রাতে হোটেলের ব্যালকনিতে তারা ওয়াইন খেল। তারপর ভিতরে এসে আবার মিলিত হলো। এবার আরও ধীরে, আরও গভীরভাবে। রাহাত আয়েশার প্রতিটা ইঞ্চি চুমু খেল। আয়েশা তার উপর চড়ে বসল। তার স্তন দুলছিল। রাহাত সেগুলো চেপে ধরল। তাদের চিৎকার সমুদ্রের শব্দে মিশে যাচ্ছিল।

সাতদিনের ট্যুরে তারা অনেক কিছু করল। সমুদ্রে সাঁতার, ক্যান্ডেল লাইট ডিনার, রাতভর আদর। আয়েশা গর্ভবতী হয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করল। রাহাত বলল, “হ্যাঁ, এবার আমরা ফ্যামিলি শুরু করব।”

ফিরে আসার পর তাদের জীবন পুরোপুরি বদলে গেল। রাহাত অফিসের চাপ কমিয়ে দিল। আয়েশা তার জন্য রোজ নতুন রান্না করত। রাতে তাদের ঘর আবার প্রেমের আড্ডায় ভরে উঠত।

একদিন আয়েশা টেস্ট করল—পজিটিভ। সে ছুটে গিয়ে রাহাতকে জড়িয়ে ধরল। “আমরা বাবা-মা হতে যাচ্ছি!”

রাহাত তার কপালে চুমু খেল। “তোমার জন্য সবকিছু করব আয়েশা।”

তাদের প্রেম আরও গভীর হলো। গর্ভাবস্থায় রাহাত আয়েশার পায়ে তেল মালিশ করত, রাতে তার পেটে কান লাগিয়ে শুনত। আয়েশা তার স্তন বড় হয়ে যাওয়ায় লজ্জা পেত, কিন্তু রাহাত বলত, “এটা তো আমার বাচ্চার জন্য। আরও সুন্দর লাগছে।”

তারা ছেলে হলো। নাম রাখল আরিয়ান। ছোট আরিয়ানকে কোলে নিয়ে আয়েশা আর রাহাত ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকত। রাতে যখন বাচ্চা ঘুমাত, তারা আবার একে অপরের কাছে ফিরে যেত। এবার তাদের আদর আরও নরম, আরও পরিপূর্ণ।

বছর কয়েক পর। আরিয়ান তিন বছরের। তারা আবার চট্টগ্রামের সমুদ্র সৈকতে গেল। আরিয়ান বালিতে খেলছে। আয়েশা রাহাতের কাঁধে মাথা রেখে বলল, “তোমার সাথে এই জীবনটা স্বপ্নের মতো।”

রাহাত তার হাত ধরে বলল, “আরও অনেক স্বপ্ন বাকি আছে জান। আমরা একসাথে দেখব।”

বৃষ্টি আবার শুরু হলো। তারা তিনজন ছাতার নিচে জড়াজড়ি করে হাঁটছিল। চট্টগ্রামের আকাশ যেন তাদের প্রেমকে আশীর্বাদ করছিল।

....
👁 1125