রাত প্রায় এগারোটা। জানালা দিয়ে ঠান্ডা হাওয়া আসছে। আয়েশা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে চাঁদের দিকে তাকিয়ে ছিল। তার লম্বা চুল খোলা, হালকা সাদা নাইটি শরীরের সাথে লেপটে আছে। আজ তার বিয়ের পাঁচ বছর পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু এখনো প্রতিটা দিন নতুন করে ভালোবাসতে ইচ্ছে করে।
রিয়াজ ঘরে ঢুকল। অফিসের শার্টটা খুলতে খুলতে বলল, “কী রে, আজকে এত চুপচাপ কেন? বিয়ের অ্যানিভার্সারি ভুলে গেছিস নাকি?”
আয়েশা হাসল। তার চোখে চাঁদের আলো পড়েছে। “ভুলব কেন? তোমার জন্য রান্না করেছি। তোমার প্রিয় ইলিশ মাছ আর কোরমা।”
রিয়াজ পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। তার শক্ত বুক আয়েশার পিঠে লাগল। “তুমি নিজেই তো আমার সবচেয়ে প্রিয় খাবার,” কানের কাছে ফিসফিস করে বলল সে। আয়েশার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। পাঁচ বছর পরেও এই ছোঁয়ায় তার শরীর জেগে ওঠে।
তারা দুজনে ডাইনিং টেবিলে বসল। মোমবাতি জ্বালিয়ে, হালকা মিউজিক চালিয়ে। রিয়াজ আয়েশার হাত ধরে বলল, “মনে আছে প্রথম দেখা? তোমার চাচাতো ভাইয়ের বিয়েতে তুমি লাল শাড়ি পরে এসেছিলে। আমি তোমার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ভুলে গিয়েছিলাম খাবার খেতে।”
আয়েশা লজ্জায় মাথা নিচু করল। “আর তুমি তো সারা রাত আমার পেছনে ঘুরছিলে। বলেছিলে, ‘আপু, একটা ফোন নাম্বার দেন না?’”
দুজনে হেসে উঠল। খাওয়া শেষ করে তারা বেডরুমে চলে গেল। জানালা খোলা। চাঁদের আলো ঘরে ভেসে আছে। রিয়াজ আয়েশাকে কাছে টেনে নিল। তার ঠোঁট আয়েশার ঠোঁটে মিশে গেল। ধীরে ধীরে চুমু গভীর হলো। আয়েশার হাত রিয়াজের চুলের মধ্যে ঢুকে গেল।
“আজ রাতটা আমাদের,” রিয়াজ ফিসফিস করে বলল। তার হাত আয়েশার নাইটির ভিতরে ঢুকে গেল। নরম ত্বক স্পর্শ করে তার আঙুল নড়তে লাগল। আয়েশা শ্বাস নিতে কষ্ট পাচ্ছিল। “রিয়াজ… ধীরে…”
কিন্তু রিয়াজের ধৈর্য ছিল না। সে আয়েশাকে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিল। নাইটিটা ধীরে ধীরে খুলে ফেলল। চাঁদের আলোয় আয়েশার শরীর যেন রূপালি হয়ে উঠেছে। তার স্তন দুটো উঠানামা করছে। রিয়াজ মাথা নিচু করে একটা স্তনের বোঁটা মুখে নিল। জিভ দিয়ে চুষতে লাগল। আয়েশা আর্তনাদ করে উঠল, “আহহ্… রিয়াজ…”
তার হাত নিচে নেমে গেল রিয়াজের প্যান্টের ভিতর। শক্ত হয়ে ওঠা লিঙ্গটা হাতে নিয়ে আস্তে আস্তে ঘষতে লাগল। রিয়াজ আর সহ্য করতে পারল না। সে প্যান্ট খুলে ফেলল। তারপর আয়েশার উরুর মাঝে মাথা রাখল। জিভ দিয়ে তার গোপন জায়গাটা চাটতে শুরু করল। আয়েশা পাগলের মতো ছটফট করছে। “উফফ্… আর পারছি না… ভিতরে আসো…”
রিয়াজ উঠে তার উপর চড়ে বসল। এক ঠেলায় তার পুরোটা ঢুকে গেল আয়েশার ভেতরে। দুজনেই একসাথে আর্তনাদ করে উঠল। ধীরে ধীরে গতি বাড়াতে লাগল। আয়েশার নখ রিয়াজের পিঠে বসে যাচ্ছে। চাঁদের আলোয় তাদের ঘামে ভেজা শরীর চকচক করছে।
“আমি তোমাকে ভালোবাসি… খুব বেশি,” রিয়াজ বলতে বলতে জোরে জোরে ঠাপ দিচ্ছে। আয়েশা চোখ বন্ধ করে বলল, “আমিও… তোমার ছাড়া আমি কিছু না…”
দুজনে একসাথে চরমে পৌঁছাল। রিয়াজ আয়েশার ভেতরে ঢেলে দিল তার সবটা। তারপর দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল।
কিন্তু এই গল্প এখানে শেষ নয়। এটা শুধু শুরু।
পরের দিন সকালে রিয়াজ অফিসে গেল। আয়েশা বাসায় একা। তার মনে পড়ে গেল তাদের প্রথম রাতের কথা। বিয়ের পর প্রথম রাত। রিয়াজ তাকে খুব যত্ন করে স্নান করিয়েছিল। তারপর তেল মাখিয়ে ম্যাসাজ করেছিল। প্রতিটা ইঞ্চি স্পর্শ করে। আয়েশার চোখে জল চলে এল। কত দিন হয়েছে তারা এভাবে সময় কাটায়নি।
রিয়াজ অফিস থেকে ফোন করল, “শোনো, আজকে তাড়াতাড়ি চলে আসব। তোমাকে নিয়ে কোথাও যাব।”
সন্ধ্যায় রিয়াজ এসে আয়েশাকে নিয়ে বের হল। গাড়ি চালিয়ে তারা ঢাকার বাইরে একটা ছোট রিসোর্টে চলে গেল। বুড়িগঙ্গার পাশে। চারদিকে নির্জন। রুমটা নদীর ধারে।
রাতে তারা নদীর ধারে হাঁটছিল। আয়েশা রিয়াজের কাঁধে মাথা রেখে বলল, “আমাদের মধ্যে কখনো দূরত্ব হবে না তো?”
রিয়াজ থেমে তার চোখে চোখ রাখল। “কখনো না। তুমি আমার জীবন।”
তারা ফিরে এসে রুমে ঢুকল। এবার আরও ধীরে ধীরে। রিয়াজ আয়েশার শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার কাঁধে চুমু খেল। একটা একটা করে শাড়ি খুলে ফেলল। আয়েশা শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোটে। রিয়াজ তার পিছনে দাঁড়িয়ে ব্লাউজের হুক খুলতে লাগল। তারপর পেটিকোটের দড়ি টেনে খুলল। আয়েশা পুরোপুরি নগ্ন।
সে ঘুরে রিয়াজকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত দিয়ে রিয়াজের জামা খুলে ফেলল। তারপর বেল্ট খুলে প্যান্ট নামিয়ে দিল। দুজনে বিছানায় শুয়ে পড়ল। এবার আর তাড়াহুড়ো নেই। রিয়াজ আয়েশার সারা শরীর চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিল। গলা, স্তন, পেট, উরু, এমনকি পায়ের আঙুল পর্যন্ত।
আয়েশা তার লিঙ্গটা মুখে নিল। ধীরে ধীরে চুষতে লাগল। রিয়াজের চোখ বন্ধ। সে আয়েশার চুল ধরে রেখেছে। কিছুক্ষণ পর রিয়াজ তাকে উপুড় করে শুইয়ে দিল। পেছন থেকে ঢুকিয়ে দিল। ধীর লয়ে ঠাপাতে লাগল। আয়েশা বালিশ কামড়ে ধরে আছে। “আরো জোরে… প্লিজ…”
রিয়াজ গতি বাড়াল। ঘর ভরে গেল তাদের আর্তনাদে। দুজনে আবার একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছাল।
পরের কয়েকদিন তারা রিসোর্টে কাটাল। সকালে নদীতে হাঁটা, দুপুরে একসাথে রান্না, বিকেলে নৌকায় ঘুরে বেড়ানো, আর রাতে অসীম ভালোবাসা। একদিন বৃষ্টি পড়ছিল। তারা বারান্দায় দাঁড়িয়ে ভিজছিল। ভেজা শরীর নিয়ে আবার বিছানায়। এবার আয়েশা উপরে উঠে বসল। নিজের গতিতে চলতে লাগল। তার স্তন দুলছে। রিয়াজ নিচ থেকে ধরে ধরে চুষছে।
এই পাঁচ বছরে অনেক ঝড় গেছে। আয়েশার মা মারা গিয়েছিল, রিয়াজের চাকরি চলে গিয়েছিল একবার। কিন্তু তারা একে অপরকে ধরে রেখেছিল।
এক রাতে আয়েশা রিয়াজকে বলল, “আমি মা হতে চাই। তোমার সন্তানের।”
রিয়াজ তার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “আমিও চাই। আজ থেকেই শুরু করি।”
সেই রাতটা ছিল তাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর রাত। তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভালোবাসল। বিভিন্ন পজিশনে। কখনো মিশনারি, কখনো ডগি, কখনো আয়েশা উপরে। শেষে দুজনে ঘামে ভিজে জড়াজড়ি করে ঘুমিয়ে পড়ল।
মাসখানেক পর আয়েশা প্রেগন্যান্ট টেস্ট করল। পজিটিভ। রিয়াজ আনন্দে কেঁদে ফেলল। তারা দুজনে জড়িয়ে ধরে কাঁদল।
গল্প এখানে শেষ হয় না। নয় মাস পর একটা সুন্দর মেয়ে জন্ম নিল। নাম রাখল “চাঁদনী”। চাঁদনী রাতের অঙ্গীকারের ফল।
বছরগুলো কেটে যায়। রিয়াজ আর আয়েশা এখনো প্রতি রাতে একে অপরকে নতুন করে আবিষ্কার করে। তাদের ভালোবাসা কখনো পুরনো হয় না। ঝগড়া হয়, কিন্তু মেকআপ সেক্স আরও মধুর হয়।
একদিন চাঁদনী যখন বড় হল, সে তার মা-বাবাকে জিজ্ঞেস করল, “তোমরা এত ভালোবাসো কীভাবে?”
আয়েশা হেসে বলল, “কারণ আমরা একে অপরকে প্রতিদিন বেছে নিই।”
রিয়াজ আয়েশার হাত ধরে বলল, “চাঁদনী রাতের অঙ্গীকার কখনো ভাঙবে না।”
....