আয়েশার চাঁদনি স্পর্শ

রাতের আকাশে চাঁদটা যেন একটা রুপোলি থালার মতো ঝুলছিল। ঢাকার বাইরে, সাভারের কাছে একটা ছোট্ট বাগানবাড়িতে আমরা দুজন। আয়েশা আর আমি। বিয়ের পর তিন বছর কেটে গেছে, কিন্তু আজকের রাতটা যেন আমাদের প্রথম রাতের মতোই নতুন।

kxz

আয়েশা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। তার লম্বা কালো চুলগুলো হাওয়ায় উড়ছিল। সাদা শাড়ির আঁচলটা তার কাঁধ থেকে খসে পড়েছে। চাঁদের আলো তার মুখে পড়ে একটা সোনালি আভা তৈরি করছিল। আমি পেছন থেকে এসে তার কোমর জড়িয়ে ধরলাম।

“কী দেখছো এত মন দিয়ে?” আমি তার কানের কাছে ফিসফিস করে বললাম।

kx/춺'

আয়েশা মাথা ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকাল। তার চোখে চাঁদের আলোর প্রতিফলন। “চাঁদনি। এই আলোটা... যেন আমাকে ছুঁয়ে যাচ্ছে। ঠান্ডা, নরম, কিন্তু গভীর।” তার গলায় একটা স্বপ্নিল সুর।

আমি তার হাত ধরে বারান্দায় নিয়ে গেলাম। বাগানের ফুলগুলো চাঁদের আলোয় ঝলমল করছিল। জুঁই আর গোলাপের মিষ্টি গন্ধ বাতাসে ভাসছিল। আমরা দুজন একটা চেয়ারে বসলাম। আয়েশা আমার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল। তার শরীরটা আমার বুকে লেগে ছিল। চাঁদের আলো তার গলা, কাঁধ, আর খোলা পিঠে পড়ছিল।

“তোমার এই চাঁদনি স্পর্শটা আমি অনুভব করতে চাই,” আমি বললাম। আমার আঙুলগুলো তার গলা থেকে নেমে আস্তে আস্তে তার পিঠে চলতে লাগল। আয়েশা চোখ বন্ধ করে ফেলল। তার ঠোঁটে একটা হালকা হাসি।

“আমারও। চাঁদ যেন আমাদের জন্যই আলো ছড়াচ্ছে আজ।” তার হাত আমার বুকে রাখল। তার আঙুলগুলো আমার শার্টের বোতাম খুলতে শুরু করল।

আমরা কথা বলতে বলতে চুমু খেলাম। প্রথমে হালকা, তারপর গভীর। আয়েশার ঠোঁটগুলো মধুর মতো মিষ্টি। চাঁদের আলো আমাদের শরীরে পড়ে যেন একটা রুপোলি চাদর বিছিয়ে দিচ্ছিল। আমি তাকে কোলে করে বিছানায় নিয়ে গেলাম। জানালা দিয়ে চাঁদের আলো সরাসরি বিছানায় পড়ছিল।

আয়েশার শাড়ির আঁচলটা খুলে ফেললাম। তার ব্লাউজের হুক খুলতে খুলতে আমার হাত কাঁপছিল। সে আমার দিকে তাকিয়ে হাসল। “ভয় পাচ্ছো নাকি?”

“না, শুধু তোমাকে আরেকটু বেশি করে অনুভব করতে চাই।”

তার ব্লাউজ খুলে গেল। চাঁদের আলো তার সাদা ব্রায়ে পড়ে চকচক করছিল। আমি তার ঘাড়ে চুমু খেলাম। তারপর নামতে নামতে তার কাঁধ, বুকের উপর। আয়েশা নিঃশ্বাস নিতে নিতে আমার চুলে হাত বুলাতে লাগল। তার আঙুলগুলো আমার মাথায় জড়িয়ে গেল।

“আহ... এই স্পর্শটা...” সে ফিসফিস করে বলল।

আমি তার শাড়ির কুঁচি খুললাম। তার পেটের নরম ত্বকে চাঁদের আলো পড়ছিল। আমার ঠোঁট সেখানে ছুঁয়ে গেল। আয়েশা শরীরটা একটু কেঁপে উঠল। তার হাত আমার পিঠে নখ বসিয়ে দিল।

রাত গভীর হচ্ছিল। বাইরে পোকার ডাক আর হাওয়ার শব্দ। ভেতরে শুধু আমাদের নিঃশ্বাস আর চুমুর শব্দ। আমি তার সমস্ত শরীর চাঁদের আলোয় ভিজিয়ে দিতে চাইছিলাম। তার প্রতিটা ইঞ্চি ছুঁয়ে, চুমু খেয়ে, আদর করে। আয়েশাও আমাকে একইভাবে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। তার ঠোঁট আমার বুকে, পেটে, আর নিচে নেমে যাচ্ছিল।

যখন আমরা এক হয়ে গেলাম, তখন চাঁদটা জানালা দিয়ে সরাসরি আমাদের উপর তাকিয়ে ছিল। আয়েশার চোখে পানি চিকচিক করছিল। সুখের, ভালোবাসার পানি। “আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি,” সে বলল। তার গলা কাঁপছিল।

“আমিও। তুমি আমার চাঁদনি। আমার সব আলো।”

আমরা অনেকক্ষণ একে অপরকে জড়িয়ে শুয়ে রইলাম। চাঁদের আলো আমাদের শরীরে খেলা করছিল। কখনো তার বুকে, কখনো তার উরুতে, কখনো আমাদের জড়ানো হাতে।

রাত আরো গভীর হলো। আমরা আবার একে অপরের কাছে ফিরে গেলাম। এবার আরো ধীরে, আরো গভীরে। আয়েশা আমার উপর উঠে বসল। তার লম্বা চুল চাঁদের আলোয় ঝলমল করছিল। সে নড়াচড়া করছিল ধীর লয়ে। তার বুক উঠানামা করছিল। আমি তার কোমর ধরে তাকে সাহায্য করছিলাম। আমাদের নিঃশ্বাস এক হয়ে গিয়েছিল।

“এই চাঁদনি স্পর্শ... কখনো ভুলব না,” আয়েশা বলল। তার গলা ভেঙে যাচ্ছিল সুখে।

আমি তাকে কাছে টেনে নিলাম। আমাদের শরীর একসাথে কেঁপে উঠল। চূড়ান্ত মুহূর্তে আমরা দুজন একসাথে চিৎকার করে উঠলাম। চাঁদটা যেন আমাদের সাক্ষী হয়ে রইল।

পরে আমরা ঘুমিয়ে পড়লাম। আয়েশা আমার বুকে মাথা রেখে। তার হাত আমার বুকে। চাঁদের আলো এখনো ঘরে ঢুকছিল। যেন আমাদের ভালোবাসার গল্পটা আরো লিখতে চাইছিল।

সকালে ঘুম ভাঙল আয়েশার চুমুতে। “আজ আবার চাঁদ উঠবে। আবার আমরা...” সে লজ্জায় হাসল।

আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। “প্রতি রাতই আমাদের চাঁদনি রাত।”

 

....
👁 152