বৃষ্টি সমুদ্র আর তুমি

রাহাত আর আয়েশা। দুজনের দেখা হয়েছিল ঢাকার একটা বৃষ্টির দিনে। রাহাত তখন একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে মার্কেটিং ম্যানেজার। বয়স ২৯। লম্বা, ফর্সা, চোখে সবসময় একটা স্বপ্নীল দৃষ্টি। আয়েশা ছিল একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির লেকচারার। বয়স ২৫। তার কালো চুল, গভীর চোখ আর মিষ্টি হাসিতে কেউ না পড়ে থাকতে পারত না।

kxz

সেদিন ঢাকায় প্রচণ্ড বৃষ্টি। রাহাত অফিস থেকে ফিরছিল গাড়ি নিয়ে। রাস্তায় জ্যাম। হঠাৎ দেখল একটা মেয়ে ছাতা ছাড়াই দাঁড়িয়ে আছে বাস স্টপে। ভিজে যাচ্ছে পুরোপুরি। তার সাদা সালোয়ার কামিজ লেপটে গেছে শরীরের সাথে। রাহাত গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞাসা করল, “আপনি কোথায় যাবেন? উঠে আসুন, আমি ড্রপ করে দিব।”

আয়েশা প্রথমে ইতস্তত করেছিল। কিন্তু বৃষ্টি আরও বেড়ে যাচ্ছিল। শেষে উঠে পড়ল। গাড়ির ভিতরে দুজনের মধ্যে প্রথম কথা খুব সামান্য। কিন্তু রাহাতের চোখ বারবার চলে যাচ্ছিল আয়েশার ভেজা ঠোঁট আর গলার দিকে। আয়েশা লজ্জায় মাথা নিচু করে ছিল।

kx/춺'

“আমার নাম রাহাত। আপনি?”

“আয়েশা।”

সেই প্রথম দেখা। তারপর থেকে দুজনের মেসেজ শুরু হলো। প্রথমে শুধু “কেমন আছেন”, তারপর ধীরে ধীরে অনেক গভীরে। রাহাত জানতে পারল আয়েশা চট্টগ্রামের মেয়ে, ঢাকায় চাকরি করতে এসেছে। তার বাবা-মা চট্টগ্রামেই থাকেন। আয়েশা খুব স্বপ্ন দেখে — একদিন নিজের লেখা বই প্রকাশ করবে। রাহাত বলল, “তোমার লেখা পড়তে চাই।”

দুই মাস পর তারা প্রথম ডেটে গেল। গুলশানের একটা ছোট ক্যাফেতে। আয়েশা সেদিন নীল সালোয়ার পরে এসেছিল। রাহাতের চোখ আটকে গিয়েছিল তার হাসিতে। কথা বলতে বলতে হাতে হাত লেগে গেল। দুজনেই চুপ করে গেল। রাহাত আস্তে করে আয়েশার আঙুলে চাপ দিল। আয়েশা লজ্জায় লাল হয়ে গেল, কিন্তু হাত সরাল না।

সেই রাতে বাসায় ফিরে রাহাতের মনে হলো, এই মেয়েটাই তার জীবনের।

তারপর কয়েক মাস কেটে গেল। দুজনের সম্পর্ক আরও গভীর হলো। তারা একসাথে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরল — সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সন্ধ্যা, হাতিরঝিলে নৌকা ভ্রমণ, কার্জন হলে বসে আড্ডা। রাহাত আয়েশাকে প্রথম চুমু খেল একটা বৃষ্টির রাতে হাতিরঝিলের পাড়ে। আয়েশা কাঁপছিল। রাহাত তার ভেজা চুল সরিয়ে কপালে, চোখে, তারপর ঠোঁটে চুমু দিয়েছিল। আয়েশার শরীরে একটা অদ্ভুত শিহরণ খেলে গিয়েছিল। সে রাহাতকে জড়িয়ে ধরেছিল শক্ত করে।

“আমি তোমাকে ভালোবাসি, আয়েশা।”

“আমিও… খুব বেশি।”

তারপর একদিন রাহাত আয়েশার বাসায় গেল। আয়েশা একা ছিল। তার রুমমেট বাইরে গিয়েছিল। দরজা বন্ধ করে দুজন বসল সোফায়। কথা বলতে বলতে আয়েশা রাহাতের কোলে মাথা রাখল। রাহাত তার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে আস্তে করে তার গলায় চুমু দিল। আয়েশা চোখ বন্ধ করে ফেলল। রাহাতের হাত তার পিঠ বেয়ে নেমে আসছিল। সালোয়ারের উপর দিয়ে তার কোমর স্পর্শ করল। আয়েশা নিঃশ্বাস ভারী হয়ে গেল।

“রাহাত… আমি ভয় পাচ্ছি।”

“আমি তোমাকে কখনো কষ্ট দিব না।”

সেদিন তারা প্রথমবার শারীরিকভাবে কাছাকাছি হলো। রাহাত আয়েশার কামিজের বোতাম খুলে তার নরম বুকে চুমু দিয়েছিল। আয়েশা কাঁপছিল আনন্দে আর লজ্জায়। রাহাত খুব আস্তে আস্তে তার শরীরকে চিনে নিচ্ছিল। তার ঠোঁট আয়েশার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি ছুঁয়ে যাচ্ছিল। যখন তারা এক হয়ে গেল, আয়েশা রাহাতের পিঠে নখ বসিয়ে দিয়েছিল। দুজনের শরীর একসাথে দুলছিল। বাইরে বৃষ্টি পড়ছিল, ভিতরে তাদের ভালোবাসার ঝড়।

সেই রাতের পর তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হলো। কয়েক মাস পর রাহাত আয়েশার বাবা-মায়ের কাছে প্রস্তাব দিল। বিয়ে হয়ে গেল সহজভাবে। বিয়ের পর তারা চট্টগ্রামে হানিমুনে গেল।

চট্টগ্রামের সমুদ্র সৈকতে সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে রাহাত আয়েশাকে জড়িয়ে ধরল। “তোমাকে ছাড়া আমি কিছু ভাবতে পারি না।”

আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে বলল, “আমিও না। তুমি আমার সব।”

হোটেলের রুমে ফিরে তারা আবার একে অপরকে আবিষ্কার করল। এবার আর লজ্জা নয়, শুধু আবেগ। রাহাত আয়েশাকে বিছানায় শুইয়ে তার পুরো শরীরে চুমুর বৃষ্টি ঝরাল। আয়েশার শরীর কাঁপছিল। তার নরম স্তন, কোমর, উরু — সবকিছু রাহাতের ঠোঁটের স্পর্শে ফুলে উঠছিল। যখন রাহাত তার ভিতরে প্রবেশ করল, আয়েশা চিৎকার করে উঠল আনন্দে। “আরও জোরে… রাহাত… আমার সব তুমি।”

সারা রাত তারা একে অপরকে ভালোবাসল। কখনো আস্তে, কখনো উন্মাদের মতো। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দের সাথে তাদের নিঃশ্বাস মিলে যাচ্ছিল।

বিয়ের পর এক বছর কেটে গেল। তাদের সম্পর্ক এখনও তাজা। রাহাত প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে। আয়েশা রান্না করে তার প্রিয় খাবার। রাতে তারা একসাথে শুয়ে গল্প করে। কখনো কখনো রাহাত আয়েশাকে অফিস থেকে সারপ্রাইজ দিয়ে নিয়ে যায়।

একদিন আয়েশা বলল, “আমি মা হতে চাই।”

রাহাত তার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “আমিও। তুমি আমার সন্তানের মা হবে — এর চেয়ে সুন্দর আর কী হতে পারে?”

সেই রাতটা ছিল বিশেষ। আয়েশা সেদিন লাল শাড়ি পরেছিল। রাহাত তাকে দেখে পাগল হয়ে গেল। শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার কাঁধে চুমু দিতে দিতে সে আয়েশাকে বিছানায় নিয়ে গেল। আয়েশার শাড়ি খুলে গেল ধীরে ধীরে। তার নগ্ন শরীর চাঁদের আলোয় ঝলমল করছিল। রাহাত তার স্তন চুষতে চুষতে নিচে নেমে গেল। আয়েশা তার চুল ধরে কাঁপছিল। “আহহ… রাহাত… আর পারছি না…”

যখন তারা মিলিত হলো, আয়েশা রাহাতকে পুরোপুরি নিজের ভিতরে নিয়ে নিল। দুজনের শরীর এক হয়ে গেল। ঘামে ভিজে যাচ্ছিল সব। আয়েশা রাহাতের কানে কানে বলছিল, “আমাকে তোমার করে দাও… সব দাও…”

সেই রাতের পর কয়েক মাস পর আয়েশা প্রেগন্যান্ট হলো। রাহাত খুশিতে পাগল হয়ে গেল। সে আয়েশার পেটে হাত রেখে বলত, “আমাদের ছোট্ট বেবি।”

গর্ভাবস্থায়ও তাদের ভালোবাসা কমেনি। রাহাত আয়েশাকে আরও বেশি যত্ন করত। রাতে তার পা টিপে দিত, পেটে তেল মাখিয়ে দিত। আয়েশা লজ্জা পেয়ে বলত, “এখনও আমাকে এত সুন্দর লাগে তোমার?”

রাহাত হেসে বলত, “তুমি প্রতিদিন আরও সুন্দর হচ্ছ।”

সন্তান জন্মের পর তাদের জীবন আরও সুন্দর হয়ে উঠল। ছোট্ট রিয়ানকে নিয়ে তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াত করত। রাহাত আয়েশাকে এখনও প্রথম দিনের মতো ভালোবাসে। প্রতি বছর তাদের অ্যানিভার্সারিতে তারা চট্টগ্রামের সমুদ্রে যায়। সেখানে একই হোটেলে থেকে সেই প্রথম হানিমুনের রাতের মতো করে ভালোবাসে।

আয়েশা একদিন রাহাতকে জড়িয়ে ধরে বলল, “তুমি না থাকলে আমি কী করতাম?”

রাহাত তার চোখে চুমু দিয়ে বলল, “আমি তো সবসময় তোমার সাথে আছি। এই ভালোবাসা কখনো শেষ হবে না।”

তাদের গল্প এভাবেই চলতে থাকল — ঢাকার বৃষ্টি আর চট্টগ্রামের সমুদ্রের মতো, চিরকালের জন্য।

....
👁 635