প্রেমের ফুল ফুটল বৃষ্টিতে

ঢাকার ভিড়ে ভরা রাস্তায়, মেঘলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে ছিল রাহাত। তার হাতে একটা পুরনো ব্যাগ, কাঁধে ল্যাপটপের স্ট্র্যাপ। আজ তার ইন্টারভিউ ছিল একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে। কিন্তু মনটা কেমন যেন উদাস। বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে। হালকা ফোঁটা, যেন আকাশও তার মনের কথা বলছে।

kxz

রাহাতের বয়স ২৮। চট্টগ্রামের একটা ছোট গ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছে সাত বছর আগে। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। মায়ের একমাত্র ছেলে। বাবা চলে গেছেন অনেক আগে। জীবনটা কাজ আর দায়িত্বের মাঝে বন্দি। প্রেম? সেটা তার কাছে শুধুই সিনেমার গল্প।

বৃষ্টি বাড়ছে। রাহাত একটা রিকশা নিয়ে বাসার দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ একটা মেয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে পিছলে পড়ল। তার ছাতাটা উড়ে গেল। রাহাত দৌড়ে গিয়ে তাকে ধরল।

kx/춺'

“সাবধান! আপনি ঠিক আছেন তো?” রাহাতের গলায় চিন্তা।

মেয়েটি মুখ তুলল। তার চোখ দুটো যেন বৃষ্টির ফোঁটার মতো স্বচ্ছ। লম্বা চুল ভিজে গেছে, ঠোঁটে হালকা হাসি। “ধন্যবাদ। আমি... আমি ঠিক আছি। নাম আয়েশা।”

আয়েশা। নামটা যেন হৃদয়ে বাজল। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, মাস্টার্স করছে ইংরেজিতে। বাড়ি চট্টগ্রামের কাছাকাছি একটা গ্রামে। আজ তার বন্ধুর বাসায় যাচ্ছিল।

রাহাত তাকে তার ছাতার নিচে নিয়ে এল। “আমি রাহাত। এই বৃষ্টিতে একা যাবেন না। চলুন, আমি আপনাকে পৌঁছে দিই।”

সেই প্রথম দেখা। কিন্তু সেই মুহূর্ত থেকেই কিছু একটা শুরু হয়ে গেল।

পরের দিন রাহাতের ফোন বেজে উঠল। অচেনা নাম্বার। “হ্যালো, রাহাত? আমি আয়েশা। গতকালের জন্য থ্যাংক ইউ। আপনার ছাতাটা আমার কাছে আছে। কীভাবে ফেরত দেব?”

তারা দেখা করল ক্যাফেতে। বৃষ্টি আবার পড়ছে। কফির কাপ হাতে নিয়ে তারা কথা বলতে শুরু করল। আয়েশার গলা মিষ্টি, হাসি যেন ফুলের মতো। সে বলল তার স্বপ্নের কথা—একদিন একটা বই লিখবে, প্রেমের গল্প। রাহাত বলল তার গ্রামের কথা, যেখানে নদীর পাড়ে বসে সূর্যাস্ত দেখত।

দিনগুলো কেটে যেতে লাগল। প্রতি সপ্তাহে তারা দেখা করত। কখনো পার্কে, কখনো বইয়ের দোকানে। আয়েশা রাহাতকে তার কবিতা শোনাত। রাহাত আয়েশাকে তার কোডিংয়ের গল্প বলত। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে দূরত্ব কমে আসছিল।

একদিন তারা চট্টগ্রাম যাওয়ার ট্রেনে উঠল। আয়েশার পরীক্ষা শেষ, রাহাতেরও ছুটি। ট্রেনের জানালা দিয়ে বৃষ্টি পড়ছে। আয়েশা রাহাতের কাঁধে মাথা রাখল। “তুমি জানো, প্রথম দিন যখন তুমি আমাকে ধরেছিলে, তখনই মনে হয়েছিল এই ছেলেটাই আমার জন্য।”

রাহাত তার হাত চেপে ধরল। “আমিও। তোমার চোখ দেখে মনে হয়েছিল, এই মেয়েটার জন্য আমি সবকিছু ছেড়ে দিতে পারি।”

ট্রেন চলছে। বাইরে সবুজ মাঠ, নদী। তাদের হাত জড়িয়ে আছে। আয়েশার ঠোঁটে হালকা স্পর্শ। প্রথম চুমু। নরম, আবেগে ভরা। বৃষ্টির শব্দের সাথে মিলে যেন সুর বাজছে।

চট্টগ্রামে পৌঁছে তারা গ্রামে গেল। আয়েশার বাড়ি। তার মা খুব খুশি হলেন রাহাতকে দেখে। “বাবা, তুমি তো আমাদের জামাইয়ের মতো।”

সন্ধ্যায় নদীর পাড়ে বসল তারা। আকাশে তারা ফুটেছে। আয়েশা বলল, “রাহাত, আমি তোমাকে ভালোবাসি। খুব গভীরভাবে।”

রাহাত তাকে জড়িয়ে ধরল। তার শরীরের উষ্ণতা, ভিজে চুলের গন্ধ। তারা চুমু খেল দীর্ঘক্ষণ। হাতগুলো একে অপরের শরীরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আয়েশার নরম বুক রাহাতের বুকে চেপে আছে। বৃষ্টি শুরু হল আবার। তারা ভিজতে ভিজতে হাসছে। রাহাত আয়েশার কপালে চুমু দিল, গালে, ঠোঁটে। তার হাত আয়েশার কোমরে। আয়েশা ফিসফিস করে বলল, “আমি তোমার। পুরোপুরি।”

সেই রাতে তারা একে অপরের কাছে সমর্পিত হল। নদীর শব্দ, বৃষ্টির ঝমঝম, আর তাদের হৃদয়ের তাল। আয়েশার শরীর রাহাতের আদরে ফুলের মতো ফুটে উঠল। প্রতিটা স্পর্শে ভালোবাসা, প্রতিটা চুমুতে প্রতিশ্রুতি। তারা এক হয়ে গেল। শরীর আর আত্মা।

কিন্তু প্রেমের গল্পে বাধা আসবেই। আয়েশার বাবা চাইতেন না শহুরে ছেলের সাথে তার মেয়ের বিয়ে। রাহাতের চাকরিও অনিশ্চিত। একদিন ঝগড়া হল। আয়েশা কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না।”

রাহাত বলল, “আমি লড়ব। তোমার জন্য সবকিছু।”

সে চাকরি ছেড়ে নিজের স্টার্টআপ শুরু করল। আয়েশা তার বই লিখতে শুরু করল। মাসের পর মাস কষ্ট। কিন্তু তাদের ভালোবাসা অটুট। প্রতি সপ্তাহে ফোন কলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা। ভিডিও কলে আয়েশা তার নতুন কবিতা পড়ে শোনায়। রাহাত তাকে বলে কতটা মিস করে তার ঠোঁট, তার আলিঙ্গন।

এক বছর পর। রাহাতের স্টার্টআপ সফল হল। আয়েশার বই প্রকাশিত হল—“বৃষ্টির ছোঁয়ায় প্রেম”। বইয়ের লঞ্চে আয়েশার বাবা এসেছিলেন। রাহাতকে দেখে বললেন, “বাবা, তুমি সত্যিই আমার মেয়ের যোগ্য।”

বিয়ে হল। সেই গ্রামে, নদীর পাড়ে। বৃষ্টি পড়ছিল। আয়েশা লাল শাড়িতে, রাহাত সাদা পাঞ্জাবিতে। তাদের চোখে শুধু ভালোবাসা।

বিয়ের রাতে তারা আবার একা হল। ঘরে মোমবাতির আলো। আয়েশা রাহাতের বুকে মাথা রেখে বলল, “এই প্রেম চিরকালের।”

রাহাত তার স্তন স্পর্শ করে, গলায় চুমু দিয়ে বলল, “হ্যাঁ, আমার রানী। তুমি আমার সব।”

তারা আবার মিলিত হল। এবার আরও গভীর, আরও আবেগপূর্ণ। শরীরের প্রতিটা অংশ একে অপরের। আয়েশার নিঃশ্বাস ভারী, রাহাতের আদরে সে কেঁপে উঠছে। তারা একসাথে চূড়ায় পৌঁছাল। ভালোবাসার পরম আনন্দে।

বছর গড়াল। তাদের একটা সন্তান হল। ছোট্ট মেয়ে, নাম বৃষ্টি। তারা সুখী পরিবার। রাহাত এখনো আয়েশাকে প্রতিদিন বলে, “তুমি আমার জীবনের বৃষ্টি।”

আয়েশা হেসে বলে, “আর তুমি আমার ফুল।”

তাদের প্রেম চিরকাল বেঁচে রইল বৃষ্টির ছোঁয়ায়।

রাহাত যখন আয়েশাকে ধরল, তখন তার হাতের স্পর্শে আয়েশার শরীর কেঁপে উঠেছিল। ভিজে যাওয়া শাড়ির আঁচল সরে গিয়ে তার কাঁধ দেখা যাচ্ছিল। রাহাত লজ্জায় চোখ সরিয়ে নিল। কিন্তু আয়েশার চোখে কৃতজ্ঞতা আর কিছু একটা ছিল—আকর্ষণ।

ক্যাফেতে বসে তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলল। আয়েশা বলল তার ছোটবেলার কথা। গ্রামের নদীতে সাঁতার, বৃষ্টিতে ভিজে নাচা। রাহাত বলল তার একাকিত্বের কথা। “তোমার সাথে কথা বললে মনে হয় জীবনটা অনেক সুন্দর।”

তাদের প্রথম ডেটে তারা পার্কে গেল। বেঞ্চে বসে আয়েশা রাহাতের হাত ধরল। “আমি ভয় পাই না তোমার সাথে। মনে হয় তুমি আমাকে রক্ষা করবে।”

রাহাত তার কপালে চুমু দিল। হালকা, কিন্তু হৃদয় ছুঁয়ে গেল

ট্রেনের কম্পার্টমেন্টে তারা পাশাপাশি। আয়েশা রাহাতের বুকে হেলান দিয়ে আছে। তার হাত রাহাতের বুকে। রাহাত আয়েশার চুলে আঙুল চালাচ্ছে। বাইরে বৃষ্টি। ভেতরে তাদের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত।

“চুমু দাও,” আয়েশা ফিসফিস করল। রাহাত তার ঠোঁট ধরল। নরম, ভেজা, মধুর মতো। তাদের জিভ মিলিত হল। আয়েশার হাত রাহাতের পিঠে। রাহাত তার কোমর জড়িয়ে ধরল। ট্রেনের দোলায় তাদের শরীর আরও কাছে আসছে। আয়েশার স্তন রাহাতের বুকে চাপছে। তারা ভুলে গেল চারপাশ। শুধু একে অপর।

নদীর পাড়ে তারা শুয়ে আছে। বৃষ্টির ফোঁটা পড়ছে তাদের শরীরে। আয়েশা তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে রাহাতকে কাছে টানল। “আমাকে আদর করো।”

রাহাত তার গলা, কাঁধ, বুক চুমুতে ভরিয়ে দিল। আয়েশার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে গেল। তার হাত রাহাতের শার্টের বোতাম খুলছে। রাহাতের শক্ত বুক স্পর্শ করে আয়েশা কেঁপে উঠল। তারা একে অপরের কাপড় সরিয়ে দিল। বৃষ্টির পানিতে তাদের শরীর ভিজে চকচক করছে।

রাহাত আয়েশার নরম শরীরে হাত বুলাল। তার স্তন মুঠোয় নিয়ে আদর করল। আয়েশা আর্তনাদ করে উঠল আনন্দে। “আরও... আরও কাছে আসো।”

তারা মিলিত হল। রাহাত ধীরে ধীরে প্রবেশ করল আয়েশার শরীরে। তাদের তাল মিলল বৃষ্টির তালে। আয়েশা রাহাতের পিঠ আঁচড়াচ্ছে, চুমু খাচ্ছে। চূড়ায় পৌঁছে তারা একসাথে চিৎকার করে উঠল। ভালোবাসার পরম মিলন।

 

....
👁 652