গ্রামের নাম ছিল হরিপুর। পদ্মা নদীর কোলে বসা ছোট্ট একটা গ্রাম, যেখানে সন্ধ্যা নামলে চাঁদের আলোয় চিকচিক করে ওঠে নদীর জল। আর সেই আলোয় যেন স্বপ্নেরা জেগে ওঠে।
রাহাত ঢাকা থেকে ফিরেছে মাত্র তিনদিন। তার বাবার শরীর খারাপ, তাই জরুরি ছুটি নিয়ে চলে এসেছে গ্রামে। শহরের ব্যস্ততা, অফিসের চাপ, আর সেই একঘেয়ে জীবন ছেড়ে এখানে এসে মনে হয়েছিল সত্যিকারের শান্তি। কিন্তু সে জানত না, এই শান্তির মাঝেই তার জীবনটা একেবারে বদলে যাবে।
সেদিন সন্ধ্যায় নদীর ঘাটে বসে ছিল রাহাত। পায়ের কাছে জলের ঢেউ আছড়ে পড়ছে। হঠাৎ পেছন থেকে একটা মিষ্টি গলার স্বর ভেসে এলো, “দাদা, এত রাতে একা একা কী করছেন?”
ঘুরে তাকাতেই দেখল একটা মেয়ে। পরনে লাল-সাদা শাড়ি, চুল খোলা, চাঁদের আলোয় তার মুখটা যেন জ্যোৎস্নায় ভেসে যাচ্ছে। চোখ দুটো বড় বড়, যেন গভীর কোনো সমুদ্র।
“আরে, তুমি তো ময়না না?” রাহাত অবাক হয়ে বলল। ময়না ছিল তার ছোটবেলার বন্ধু রুবেলের বোন। অনেকদিন দেখা হয়নি।
ময়না হেসে বলল, “চিনতে পেরেছেন তাহলে? আমি ভেবেছিলাম শহরে গিয়ে সব ভুলে গেছেন।”
রাহাত হাসল। “ভোলা যায় নাকি? ছোটবেলায় তো তুমি আমার পিছু ছাড়তে না।”
দুজনে অনেকক্ষণ গল্প করল। ময়না এখন কলেজে পড়ে। গ্রামের স্কুলের পর ঢাকায় যাওয়ার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু বাবা মারা যাওয়ায় আর হয়নি। মা আর দাদার সাথে থাকে। রাহাতও তার জীবনের গল্প বলল। অফিস, প্রমোশন, কিন্তু মনে শান্তি নেই।
সেই রাত থেকে শুরু হলো তাদের দেখা। প্রতিদিন সন্ধ্যায় নদীর ঘাটে। কখনো ময়না ফুল নিয়ে আসত, কখনো রাহাত শহর থেকে আনা চকলেট। কথায় কথায় হাতে হাত লাগত, চোখে চোখ পড়ত।
একদিন বৃষ্টি নামল। রাহাত ছাতা নিয়ে ময়নাকে খুঁজতে গেল। ময়না তার ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। বৃষ্টির ছাঁটে তার শাড়ি ভিজে গেছে। রাহাত ছাতা মাথায় দিয়ে দাঁড়াল।
“আপনি ভিজে যাচ্ছেন,” ময়না বলল লজ্জায়।
“তোমার জন্য ভিজতেও ভালো লাগে,” রাহাত ফিসফিস করে বলল।
ময়নার গাল লাল হয়ে গেল। সে চোখ নামিয়ে নিল। রাহাত তার হাতটা ধরল। নরম, ঠান্ডা হাত। বৃষ্টির শব্দের মাঝে দুজনের হৃদয়ের শব্দই শুধু শোনা যাচ্ছিল।
রাহাত আস্তে করে ময়নার কপালে চুমু খেল। ময়না চোখ বন্ধ করে ফেলল। তার শরীরটা কেঁপে উঠল। “রাহাত ভাইয়া…” সে শুধু এইটুকু বলতে পারল।
“আমি তোমাকে ভালোবাসি, ময়না। অনেকদিন থেকে। ছোটবেলায় বুঝিনি, এখন বুঝেছি,” রাহাত বলল।
ময়না তার বুকে মাথা রাখল। “আমিও… কিন্তু সমাজ কী বলবে? আপনি শহরের ছেলে, আমি গ্রামের মেয়ে।”
“সমাজ যা বলুক, আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারব না।”
সেই রাতে বৃষ্টির মাঝে তারা প্রথমবার কাছে এলো। রাহাত ময়নাকে জড়িয়ে ধরল। তার ভেজা শাড়ির নিচে ময়নার উষ্ণ শরীর। চুমুতে চুমু মিশল। ময়নার ঠোঁট ছিল মধুর মতো মিষ্টি। রাহাতের হাত তার পিঠ বেয়ে নেমে গেল। ময়না ফিসফিস করে বলল, “আমাকে আপনার করে নিন…”
তারা ঘরের ভিতর চলে গেল। মোমবাতির আলোয় ময়নার শরীর যেন সোনালি হয়ে উঠল। রাহাত আস্তে করে তার শাড়ির আঁচল সরাল। ময়নার বুক উঠানামা করছিল। সে লজ্জায় চোখ বন্ধ করে রাখল। রাহাত তার গলায়, কাঁধে, বুকে চুমু দিতে দিতে নামল। ময়নার শ্বাস দ্রুত হয়ে গেল।
“রাহাত… আরও কাছে আসুন,” ময়না বলল।
রাহাত তাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। তাদের শরীর এক হয়ে গেল। নদীর স্রোতের মতো তাদের ভালোবাসা প্রবাহিত হলো সারা রাত। ময়না তার নখ দিয়ে রাহাতের পিঠ আঁচড়াতে আঁচড়াতে কাঁপছিল। প্রত্যেকটা স্পর্শে যেন আগুন জ্বলে উঠছিল। চাঁদের আলো জানালা দিয়ে এসে তাদের শরীরে পড়ছিল।
সকালে ময়না লজ্জায় মুখ লুকাল। রাহাত তাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “এখন থেকে তুমি আমার।”
কিন্তু সমস্যা শুরু হলো এরপর।
ময়নার দাদা রুবেল ছিল গ্রামের একজন কড়া মানুষ। সে জানতে পারল রাহাত আর ময়নার মধ্যে কিছু চলছে। একদিন সন্ধ্যায় রুবেল রাহাতের বাড়িতে এসে হাজির।
“রাহাত, তুই আমার বোনের সাথে কী করছিস? সে তো এখনো ছোট। সমাজ কী বলবে?” রুবেল রাগ করে বলল।
রাহাত শান্ত গলায় বলল, “দাদা, আমি ময়নাকে সত্যিকারের ভালোবাসি। বিয়ে করতে চাই। শহরে আমার ভালো চাকরি আছে। ওকে সুখে রাখব।”
রুবেল প্রথমে রাজি হয়নি। গ্রামের মানুষজনের কথা, সম্মানের ভয়। কিন্তু ময়না যখন কেঁদে দাদার পায়ে পড়ল, তখন রুবেল নরম হয়ে গেল। “ঠিক আছে, কিন্তু বিয়ে করতে হবে। কোনো ফাঁকি নয়।”
এরপর শুরু হলো তাদের প্রেমের নতুন অধ্যায়। বিয়ে ঠিক হয়ে গেল এক মাস পর। কিন্তু তার আগে আরও অনেক মধুর মুহূর্ত কাটল।
প্রতি রাতে নদীর ধারে তারা দেখা করত। একদিন চাঁদের আলোয় ময়না তার নতুন শাড়ি পরে এসেছিল। রাহাত তাকে দেখে মুগ্ধ। “তুমি যেন চাঁদের টুকরো।”
ময়না লজ্জায় মাথা নিচু করল। রাহাত তার চিবুক তুলে চুমু খেল। চুমুটা ধীরে ধীরে গভীর হলো। তাদের জিভ মিশে গেল, শ্বাস মিশে গেল। রাহাতের হাত ময়নার কোমর বেয়ে উঠে তার বুকে চলে গেল। ময়না আলতো করে কেঁপে উঠল। “এখানে না… কেউ দেখে ফেলবে।”
রাহাত তাকে হাত ধরে নিয়ে গেল তার পুরনো আমবাগানের দিকে। সেখানে কেউ আসত না। গাছের নিচে শুকনো পাতার উপর তারা শুয়ে পড়ল। রাহাত ময়নার শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার স্তন উন্মুক্ত করল। চাঁদের আলোয় সাদা স্তন দুটো যেন জ্বলছিল। রাহাত মুখ নামিয়ে চুষতে লাগল। ময়না তার চুল খামচে ধরে আর্তনাদ করে উঠল, “আহ্… রাহাত… আরও জোরে…”
ময়নার হাত রাহাতের প্যান্টের ভিতর ঢুকে গেল। তার শক্ত লিঙ্গটা হাতে নিয়ে আস্তে আস্তে ঘষতে লাগল। রাহাত আর সহ্য করতে পারল না। সে ময়নার শাড়ি পুরো তুলে দিল। ময়নার ভেজা যোনিতে আঙুল দিয়ে খেলতে লাগল। ময়না পাগলের মতো ছটফট করছিল।
“আমার ভিতরে আসুন… প্লিজ…” ময়না কাতর গলায় বলল।
রাহাত তার উপর উঠল। এক ঠেলায় ঢুকে গেল পুরোটা। ময়না চিৎকার করে উঠল আনন্দে। তারপর শুরু হলো তাদের তাল। ধীরে ধীরে জোরে জোরে। আমবাগানের নিস্তব্ধতা ভেঙে তাদের শ্বাস আর আর্তনাদ মিশে যাচ্ছিল। ময়নার নখ রাহাতের পিঠে গেঁথে যাচ্ছিল। কয়েক মিনিট পর দুজনেই একসাথে চরমে পৌঁছে গেল। রাহাত ময়নার ভিতরে তার বীর্য ঢেলে দিল।
তারা ক্লান্ত হয়ে একে অপরের বুকে শুয়ে রইল। ময়না বলল, “আমি তোমারই। চিরকাল।”
বিয়ের আগের দিনগুলো এভাবেই কাটছিল। কখনো নদীতে স্নানের সময়, কখনো ঘরের ছাদে, কখনো ধানখেতের আড়ালে। তাদের শরীর যেন একে অপরের জন্যই তৈরি হয়েছিল। রাহাত ময়নাকে শেখাতে শেখাতে নতুন নতুন আনন্দ দিত। ময়নাও লজ্জা ছেড়ে সাহসী হয়ে উঠছিল। একদিন সে নিজে উপরে উঠে রাহাতকে চড়ে চুমু খেতে খেতে নাচতে লাগল। রাহাত তার কোমর ধরে তাল মেলাতে মেলাতে বলছিল, “তুমি আমার রানী।”
অবশেষে বিয়ে হলো। গ্রামের সবাই এলো। ময়নাকে সাজানো হয়েছিল লাল বেনারসিতে। রাহাতের চোখে পানি চলে এসেছিল তাকে দেখে। রাতে বাসর ঘরে যখন সবাই চলে গেল, তখন রাহাত ময়নাকে কোলে তুলে নিল।
“আজ থেকে তুমি আমার স্ত্রী,” বলে সে তাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। সারা রাত ধরে তারা ভালোবাসল। কোনো লজ্জা নেই, শুধু আনন্দ। রাহাত ময়নার প্রতিটা অঙ্গ চুমু দিয়ে পূজা করল। ময়না তার স্বামীর লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষতে লাগল, যা সে আগে কখনো করেনি। রাহাত আনন্দে গোঙাতে লাগল। তারপর আবার মিলিত হলো দুজন। এবার আরও গভীর, আরও জোরে।
বিয়ের পর রাহাত ময়নাকে নিয়ে ঢাকায় চলে গেল। নতুন ফ্ল্যাটে নতুন জীবন। কিন্তু গ্রামের স্মৃতি তারা ভোলেনি। প্রতি উইকেন্ডে তারা গ্রামে যেত। নদীর ধারে বসে পুরনো দিনের কথা বলত।
এক বছর পর ময়না গর্ভবতী হলো। রাহাত খুশিতে উন্মাদ। রাতে সে ময়নার পেটে কান লাগিয়ে শুনত। ময়না হেসে বলত, “আমাদের ভালোবাসার ফল।”
তাদের জীবনটা হয়ে উঠল পূর্ণ। সমাজের সব বাধা তারা পেরিয়ে এসেছিল। চাঁদের আলোয় যে প্রেম শুরু হয়েছিল, সেটা চিরকালের জন্য জ্বলতে থাকল।