তোমার চোখের গভীরতায় হারিয়ে গিয়ে আমি বুঝলাম, এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর স্বপ্নটা আমার হাতের মুঠোয় ধরা আছে—তুমি, আমার স্বপ্না।আমি রাহাত, তার স্বামী। আমাদের গল্পটা শুরু হয়েছিল ঢাকার একটা ব্যস্ত রাস্তায়, কিন্তু আজ যেটা লিখতে চলেছি সেটা আমাদের সম্পূর্ণ জীবনের রোমান্টিক যাত্রা—ভালোবাসা, আবেগ, শরীরের টান, ঝগড়া-মান-আবার মিলন, আর সেই অবিশ্বাস্য ঘনিষ্ঠতা যা শুধু আমাদেরই।
সেদিন বৃষ্টি পড়ছিল। ঢাকার রাস্তায় জল জমে গিয়ে ট্রাফিক জ্যাম। আমি অফিস থেকে ফিরছিলাম। বাস থেকে নেমে ছাতা খুলে দৌড়াচ্ছি, হঠাৎ একটা মেয়ে আমার সামনে পিছলে পড়ে যাচ্ছিল। আমি তাকে ধরে ফেললাম। তার চোখ দুটো—কাজল কালো, ভয়ে বড় বড় হয়ে গেছে। “থ্যাংক ইউ,” ফিসফিস করে বলল সে। তার গায়ে হালকা জুঁই ফুলের গন্ধ। আমি হাসলাম, “সাবধানে চলবেন।”সে ছিল স্বপ্না। আমার বন্ধুর ছোট বোন। পরে জানলাম সে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পড়তে এসেছে। তারপর থেকে দেখা হতেই থাকল। কলেজের পর ক্যাফেতে চা খাওয়া, রাতে ফোনে লম্বা কথা। সে বলত, “রাহাত ভাইয়া, আপনার গলার স্বর শুনলে মনে হয় সব ঠিক হয়ে যাবে।” আমি বলতাম, “স্বপ্না, তুমি আমার স্বপ্ন হয়ে গেছ।”
একদিন বৃষ্টির রাতে আমি তাকে বাসায় পৌঁছে দিতে গেলাম। তার রুমে ঢুকতেই সে আমার হাত ধরল। “ভাইয়া... না, রাহাত... আমি তোমাকে ভালোবাসি।” তার ঠোঁট কাঁপছিল। আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। প্রথম চুমু। তার ঠোঁট নরম, মিষ্টি। বৃষ্টির শব্দের সাথে আমাদের নিঃশ্বাস মিশে গেল। সেই রাতে আমরা প্রথমবার এক হয়ে গেলাম। তার শরীরটা যেন স্বপ্নের মতো—নরম, উষ্ণ, পুরোপুরি আমার। আমি তার কপালে চুমু খেয়ে বললাম, “তুমি আমার চিরকালের।”
বিয়ে হয়ে গেল ছয় মাস পর। সবাই বলল, “পারফেক্ট কাপল।”
বিয়ের পর আমরা চট্টগ্রামে একটা ছোট ফ্ল্যাট নিলাম। স্বপ্না ঘর সাজাত। সকালে উঠে সে চা বানিয়ে নিয়ে আসত বিছানায়। আমি তার কোমর জড়িয়ে টেনে নিতাম। “আজ অফিস যাব না,” বলতাম। সে হাসত, “না গেলে কে খাওয়াবে আমাকে?” তারপরও আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিছানায়। তার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি আমি চিনে ফেলেছি—তার গলার নিচের ছোট্ট তিল, কোমরের বাঁক, উরুর নরমতা।
একদিন রাতে সে লজ্জা করে বলল, “রাহাত, আজ আমি তোমাকে পুরোপুরি চাই।” আমি তাকে উপরে তুলে নিলাম। তার চুল এলোমেলো, চোখ বন্ধ, ঠোঁট ফাঁক। সে আমার নাম ধরে কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে উঠল যখন আমরা একসাথে পৌঁছালাম। পরে সে আমার বুকে মাথা রেখে বলল, “তুমি ছাড়া আমার কিছু লাগে না।”
কিন্তু জীবন তো শুধু মধু নয়। ঝগড়া হত। আমি দেরি করে ফিরলে সে রাগ করত। “তুমি আমাকে সময় দাও না!” চিৎকার করে কাঁদত। আমি তাকে জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চাইতাম। তারপর সেই রাগ মেটাতে রাতের আদর আরও তীব্র হত। সে আমার পিঠে নখের দাগ দিয়ে বলত, “আমার রাহাত, শুধু আমার।”
একবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলাম ট্রেনে। রাতের ট্রেন। কেবিনে শুধু আমরা দুজন। স্বপ্না সাদা শাড়ি পরে এসেছিল। জানালা দিয়ে চাঁদের আলো পড়ছিল তার মুখে। “রাহাত, এই যাত্রাটা সারাজীবন মনে থাকবে,” বলল সে।
ট্রেন চলছে। আমি তার কাছে ঘেঁষে বসলাম। তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে গলায় চুমু খেলাম। সে কেঁপে উঠল, “এখানে...?” আমি হাসলাম, “কেউ দেখবে না।” তারপর ধীরে ধীরে তার শাড়ি খুললাম। তার ব্রেসিয়ারের হুক খুলে তার স্তন দুটো আমার হাতে। নরম, গরম। আমি চুষতে শুরু করলাম। স্বপ্না মুখে হাত চাপা দিয়ে কাঁপছিল। “আহ... রাহাত... ধীরে...”
ট্রেনের দুলুনির সাথে আমাদের শরীর দুলছিল। আমি তাকে বার্থে শুইয়ে তার প্যান্টি সরিয়ে দিলাম। তার ভেতরটা ভিজে গেছে। আমার আঙুল ঢুকিয়ে দিতেই সে কেঁপে উঠে আমাকে জড়িয়ে ধরল। তারপর আমি ঢুকে পড়লাম। গভীরে। ট্রেনের শব্দ ঢেকে দিচ্ছিল তার আওয়াজ। “আমার স্বপ্ন... আমার সব... আরও জোরে...” সে ফিসফিস করছিল। আমরা একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছালাম। তারপর সারারাত জড়াজড়ি করে ঘুমালাম। চট্টগ্রাম পৌঁছে সে লজ্জায় লাল হয়ে বলল, “তুমি পাগল!”
ছুটিতে আমরা তার গ্রামের বাড়িতে গেলাম। নদীর পাশে ছোট্ট বাড়ি। রাতে বিদ্যুৎ চলে গেল। মোমবাতির আলোয় স্বপ্না খুব সুন্দর লাগছিল। আমি তাকে নিয়ে ছাদে উঠলাম। তার হাত ধরে বললাম, “স্বপ্না, তুমি না থাকলে আমি কী করতাম?” সে আমার বুকে মাথা রেখে বলল, “আমিও তোমাকে ছাড়া অসম্পূর্ণ।”
সেখানে এক রাতে আমরা খোলা ছাদে ভালোবাসলাম। তার শরীরে চাঁদের আলো পড়ে চকচক করছিল। আমি তার পুরো শরীর চুমুতে ভরিয়ে দিলাম—গলা থেকে নাভি, তারপর আরও নিচে। সে আমার চুল ধরে কাঁপছিল। “রাহাত... আমি আর পারছি না... এসো...” আমি তাকে নিয়ে এক হয়ে গেলাম। তার পা আমার কোমরে জড়ানো, শরীর মিলে একাকার। সেই রাতে আমরা দুবার ভালোবাসলাম। ভোরে সে আমাকে জড়িয়ে বলল, “এই জীবনটা শুধু তোমার সাথে চাই।”
জীবনে ঝড় এল। আমার চাকরি চলে গেল। স্বপ্না কাঁদল, কিন্তু বলল, “আমরা একসাথে সব পারব।” সে একটা ছোট চাকরি নিল। রাতে ফিরে ক্লান্ত হয়ে এলেও আমাকে আদর করত। একদিন সে বলল, “আজ আমি তোমাকে সারপ্রাইজ দিব।” ঘরে ঢুকে দেখি সে লাল নাইটি পরে, মেকআপ করে অপেক্ষা করছে।
সেই রাতটা ছিল অবিস্মরণীয়। সে আমাকে চেয়ারে বসিয়ে রেখে নাচল। তারপর ধীরে ধীরে নাইটি খুলল। তার নগ্ন শরীর আমার সামনে। আমি তাকে কোলে তুলে বিছানায় নিয়ে গেলাম। এবার খুব আস্তে আস্তে। চুমু, আদর, তারপর গভীর মিলন। সে আমার কানে কানে বলছিল, “তুমি আমার রাজা... আমার সব... আমি তোমার রানি।” আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা একে অপরের মধ্যে হারিয়ে গেলাম।
পরে সে গর্ভবতী হল। আমাদের ছোট্ট মেয়ে এল। স্বপ্না মা হয়েও তার রোমান্স হারায়নি। রাতে বাচ্চা ঘুমালে সে আমার কাছে আসত। “এখনও তোমাকে চাই,” বলে হাসত। তার শরীর আরও নারীসুলভ হয়েছে। আমি তাকে আরও বেশি ভালোবাসতাম।
আজ আমরা বিয়ের দশ বছর পূর্ণ করলাম। স্বপ্না এখনও সেই প্রথম দিনের মতো সুন্দর। আমি তাকে নিয়ে সমুদ্রের ধারে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সন্ধ্যায় সে আমার কাঁধে মাথা রেখে বলল, “রাহাত, তোমার সাথে এই জীবনটা স্বপ্নের চেয়েও সুন্দর।”
আমি তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বললাম, “তুমি আমার সবকিছু, স্বপ্না।”
আমাদের গল্প এখনও চলছে। প্রতিদিন নতুন করে ভালোবাসা, নতুন করে আদর, নতুন করে মিলন। স্বপ্না—আমার প্রেম, আমার স্ত্রী, আমার স্বপ্ন।
....