দাদার বুকে বউদির স্বপ্ন

সেদিন ভাইয়ের অফিসের খুব জরুরি মিটিং ছিল। সকাল থেকেই বৃষ্টি পড়ছে। বউদি রান্নাঘরে ছিল। আমি ঘুম থেকে উঠে চা খেতে গেলাম। বউদি শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে সরে গিয়ে তার গভীর নাভি আর সাদা ব্রা-এর অংশ দেখাচ্ছিল। তার ঘামে ভেজা ব্লাউজটা শরীরের সাথে লেপটে আছে। আমার চোখটা আটকে গেল সেখানে।

kxz

"রাকিব, চা খাবি? বস, দিচ্ছি।" বউদি হেসে বলল। তার গলার স্বরটা মিষ্টি। আমি চুপচাপ বসলাম। চা দিতে গিয়ে তার হাতটা আমার হাতে ছুঁয়ে গেল। বিদ্যুৎ শক লাগার মতো অনুভূতি হলো। বউদির চোখেও কি কোনো পরিবর্তন দেখলাম? না, হয়তো আমার মনের ভুল।

ভাই সন্ধ্যায় ফিরল না। ফোন করে বলল, "রাত হয়ে যাবে। আয়েশাকে দেখিস।"

kx/춺'

রাতে খাওয়ার পর বউদি টিভিতে সিরিয়াল দেখছিল। আমি পাশে বসলাম। বৃষ্টির শব্দ আর ঘরের মৃদু আলোয় পরিবেশটা রোমান্টিক হয়ে উঠল। বউদির শাড়ির প্যাঁচ খুলে গিয়ে তার একটা উরু প্রায় দেখা যাচ্ছিল। আমি চোখ সরাতে পারছিলাম না।

"রাকিব, তোর কি শরীর খারাপ?" বউদি জিজ্ঞাসা করল। তার হাতটা আমার কপালে রাখল। তার আঙুলগুলো নরম, ঠান্ডা। আমার শরীরে আগুন জ্বলে উঠল।

"না বউদি... তুমি এত সুন্দর কেন?" কথাটা অজান্তেই মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল।

বউদি লজ্জায় লাল হয়ে গেল। "কী বলছিস পাগল! আমি তো তোর বউদি।" কিন্তু তার চোখে কোনো রাগ ছিল না। বরং একটা অদ্ভুত আলো।

সেই রাত থেকে আমার মনে একটা ঝড় শুরু হলো। বউদির প্রতি আকর্ষণ আর লুকিয়ে রাখতে পারছিলাম না।

অধ্যায় ২: গোপন দৃষ্টি

পরের কয়েকদিন আমি বউদিকে লক্ষ্য করতে শুরু করলাম। সকালে যখন সে ঘর ঝাড়ু দিত, তার শাড়ির আঁচল উড়ে তার কোমরের নরম মাংস দেখাত। যখন সে বাথরুম থেকে ভেজা চুলে বের হতো, তার সাদা ম্যাক্সিটা শরীরের প্রতিটা বাঁক অনুসরণ করত। তার স্তন দুটো ভারী, দুলতে দুলতে চলত। আমার মনের ভিতরে একটা পাপবোধ জাগত, কিন্তু শরীরটা সাড়া দিত অন্যভাবে।

একদিন বিকেলে বউদি আমাকে ডাকল, "রাকিব, একটু সাহায্য করবি? ছাদে কাপড় শুকাতে দিতে হবে।"

ছাদে গিয়ে দেখি বাতাসে তার শাড়ি-ব্লাউজ উড়ছে। আমি কাপড়গুলো ধরতে গিয়ে তার একটা কালো ব্রা হাতে নিলাম। নরম কাপড়টা এখনও তার শরীরের গন্ধে ভরা। আমি চুপিচাপ নাকের কাছে নিয়ে গন্ধ শুঁকলাম। বউদি পিছন থেকে দেখে ফেলল।

"কী করছিস তুই?" তার গলা কাঁপছে। কিন্তু সে সরে গেল না।

"বউদি... আমি... তোমাকে..." আমি কথা শেষ করতে পারলাম না।

বউদি চুপ করে আমার দিকে তাকিয়ে রইল। তার চোখে লজ্জা, ভয় আর একটা আকাঙ্ক্ষা মিশে ছিল। "এসব ভাবিস না রাকিব। ভাই জানলে কী হবে?"

কিন্তু সেই মুহূর্ত থেকে দূরত্ব কমতে শুরু করল। রাতে খাওয়ার পর আমরা একসাথে বসে গল্প করতাম। ভাই যখন অফিসে থাকত, বউদি আমার কাছে বসে টিভি দেখত। তার শরীরের উত্তাপ আমি অনুভব করতাম। একদিন তার হাতটা আমার কাঁধে পড়ল। আমি সাহস করে তার হাতটা চেপে ধরলাম। বউদি হাত সরাল না।

অধ্যায় ৩: প্রথম স্পর্শের আগুন

এক বৃষ্টির রাত। ভাই চট্টগ্রামে ট্যুরে গেছে তিন দিনের জন্য। বাড়িতে শুধু আমি আর বউদি। লোডশেডিং হয়েছে। মোমবাতি জ্বালিয়ে বসে আছি দুজনে। বউদি একটা পাতলা নাইটি পরে আছে। তার শরীরের আউটলাইন স্পষ্ট।

"রাকিব, ভয় লাগছে।" বউদি আমার কাছে সরে এল। তার উরু আমার উরুর সাথে লাগল।

আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। তার কাঁধে হাত রাখলাম। "বউদি, আমি তোমাকে অনেক দিন ধরে চাই।"

বউদি কাঁপতে কাঁপতে বলল, "এটা পাপ রাকিব... কিন্তু আমিও... ভাইয়ের সাথে অনেকদিন ধরে শারীরিক সম্পর্ক নেই। সে সবসময় ব্যস্ত।"

আমার হৃদয়টা লাফিয়ে উঠল। আমি তার মুখটা তুলে ধরলাম। তার ঠোঁটে আমার ঠোঁট লাগালাম। প্রথম চুমু। নরম, ভেজা, মিষ্টি। বউদি প্রথমে জড়িয়ে ধরল, তারপর সাড়া দিল। তার জিভ আমার জিভের সাথে খেলতে লাগল। আমার হাতটা তার পিঠ বেয়ে নেমে তার নিতম্ব চেপে ধরল।

"আহ... রাকিব..." বউদি ফিসফিস করে বলল।

আমি তাকে কোলে তুলে নিয়ে বিছানায় নিয়ে গেলাম। মোমবাতির আলোয় তার শরীরটা সোনালি দেখাচ্ছিল। নাইটিটা খুলে ফেললাম। তার সাদা ব্রা আর প্যান্টি। স্তন দুটো ভারী, ব্রা থেকে উপচে পড়ছে। আমি ব্রা খুলে তার স্তনবৃন্ত চুষতে লাগলাম। বউদি আর্তনাদ করে উঠল, "উফফ... জোরে চুষ... অনেকদিন পর..."

আমার হাত নেমে গেল তার উরুর ভিতরে। তার প্যান্টি ভিজে গেছে। আঙুল দিয়ে তার গোপন জায়গাটা ছুঁয়ে দেখলাম — গরম, ভেজা, কোমল। বউদি আমার প্যান্টের ভিতর হাত ঢুকিয়ে আমার শক্ত লিঙ্গটা ধরল। "বড় হয়ে গেছে তোর... আমার জন্য?"

আমি তার প্যান্টি খুলে ফেললাম। তার কামানো যোনিটা দেখে আমার মাথা ঘুরে গেল। জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করলাম। বউদি আমার চুল খামচে ধরে কাঁপতে লাগল। "আহহ... রাকিব... মরে যাব... আরও জোরে..."

প্রথমবারের মতো আমি তার ভিতরে ঢুকলাম। ধীরে ধীরে, পুরোটা। বউদির চোখ বন্ধ, মুখ দিয়ে শুধু আনন্দের শব্দ বেরোচ্ছে। আমরা দুজনে একসাথে উঠতে লাগলাম। তার নখ আমার পিঠে বসে যাচ্ছিল। অনেকক্ষণ ধরে চলল সেই মিলন। শেষে আমি তার ভিতরেই ঢেলে দিলাম।

বউদি আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলল, "এটা ভুল... কিন্তু আমি তোকে ভালোবাসি রাকিব।"

অধ্যায় ৪: ভালোবাসার গভীরতা

পরের দিনগুলোতে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হলো। ভাই যখন বাড়িতে থাকত, আমরা চোখে চোখে কথা বলতাম। রাতে ভাই ঘুমিয়ে গেলে বউদি চুপিচাপ আমার ঘরে চলে আসত। কখনো রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চুমু খেতাম। কখনো ছাদে বৃষ্টিতে ভিজে শরীর মিশিয়ে দিতাম।

একদিন বউদি বলল, "রাকিব, আমি তোর সাথে পালিয়ে যেতে চাই। কিন্তু পরিবার..."

আমি তাকে আশ্বাস দিলাম। ধীরে ধীরে আমাদের ভালোবাসা শারীরিক থেকে মানসিকেও ছড়িয়ে পড়ল। বউদি আমাকে তার জীবনের কথা বলত — কীভাবে সে ভাইয়ের সাথে অসুখী, কীভাবে সে আমার দিকে আকৃষ্ট হয়েছিল প্রথম থেকেই।

এক সন্ধ্যায় বউদি নতুন করে সাজল। লাল শাড়ি, গাঢ় মেকআপ। "তোর জন্য সাজলাম।" বলে সে আমার কোলে বসল। আমরা আবার মিলিত হলাম — এবার আরও আগ্রাসীভাবে। বউদি উপরে উঠে নিজেকে চালাতে লাগল। তার স্তন দুলছিল, ঘামে চকচক করছিল। "তোর লিঙ্গটা আমার ভিতর পুরোটা নিয়ে নে... আহহ..."

আমাদের এই গোপন ভালোবাসা চলতে থাকল। 

 

....
👁 740