আমাজন রেইনফরেস্টের গভীরে, যেখানে সবুজ পাতার সমুদ্র ঢেকে রাখে আকাশ, সেখানে এক প্রাচীন গুহা ছিল। স্থানীয় আদিবাসীরা বলতো, এই গুহা কখনো কাউকে ছাড়ে না যতক্ষণ না সে তার গোপন ইচ্ছা পূরণ করে। ডক্টর রাহাত খান, ৩২ বছর বয়সী বাংলাদেশি প্রকৃতি-গবেষক, সেই গুহার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। লম্বা, চওড়া কাঁধ, কালো চুল, চোখে অদম্য কৌতূহল। তিনি একা ছোট দল নিয়ে গুহা অনুসন্ধান করছিলেন।
হঠাৎ একটা প্রচণ্ড ঝাঁকুনি। ভূমিকম্পের মতো। গুহার মুখের বিশাল পাথর ধসে পড়ল। দুই স্থানীয় গাইড বাইরে ছিল, তারা চিৎকার করে উঠল কিন্তু রাহাত ভিতরে আটকে গেলেন। অন্ধকার, ভারী বাতাস, পানির ফোঁটা পড়ার শব্দ। তার টর্চের আলোয় শুধু পাথরের দেয়াল। ফোনের সিগন্যাল শূন্য।
“কে আছে? সাহায্য!” রাহাত চিৎকার করলেন। কিন্তু শুধু প্রতিধ্বনি।
তিন ঘণ্টা পর…
বাইরে থেকে একটা মেয়েলি কণ্ঠ ভেসে এলো, “হ্যালো? ভিতরে কেউ আছে?”
রাহাতের বুক আনন্দে লাফিয়ে উঠল। “হ্যাঁ! আমি আটকে পড়েছি! প্লিজ!”
মেয়েটির নাম সোফিয়া রদ্রিগেজ। ২৮ বছর, ব্রাজিলিয়ান-ইন্ডিয়ান মিক্সড। লম্বা কালো চুল, গৌরবর্ণ, স্লিম কিন্তু অ্যাথলেটিক শরীর, ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার। সে একা জঙ্গলে ঘুরছিল। ধস দেখে সাহায্য করতে এসেছে।
সোফিয়া দ্রুত কাজ শুরু করল। ছোট ফাঁক দিয়ে পানি, চকলেট, তার রোপ পাঠাল। “সাহায্যের জন্য রেডিও করেছি। কিন্তু এই জঙ্গলে সিগন্যাল খুব খারাপ। বৃষ্টি আসছে। হয়তো কাল সকালের আগে কেউ আসবে না।”
রাহাত বললেন, “আমি একা একা পাগল হয়ে যাচ্ছি। আপনি যদি কথা বলেন…”
সোফিয়া হাসল, “ঠিক আছে। আমি এখানেই আছি।”
রাত নামল। বাইরে বৃষ্টি, ভিতরে অন্ধকার। দুজনে কথা বলতে লাগল। রাহাত বললেন তার ঢাকার জীবন, নদী, পরিবার, গবেষণার স্বপ্ন। সোফিয়া বলল তার রিওর রাস্তা, একা ঘুরে বেড়ানো, জঙ্গলের প্রেম। কথায় কথায় হাসি, গান, স্বপ্ন।
দ্বিতীয় দিন। বৃষ্টি আরো বেড়েছে। সোফিয়া গুহার মুখে ছোট তাঁবু বানাল। রাহাত ভিতর থেকে বললেন, “তুমি চলে যেও না।”
সোফিয়া নরম গলায়, “আমি যাব না।”
তৃতীয় দিন সকালে সোফিয়া সাহস করে একটা ছোট ফাঁক দিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়ল। তার স্লিম শরীর গলে গেল। এখন দুজনই গুহার ভিতরে। অন্ধকারে প্রথম স্পর্শ।
রাহাত তার হাত ধরলেন। “ভয় লাগছে?”
“এখন আর না,” সোফিয়া ফিসফিস করে বলল।
তাদের হাত জড়িয়ে গেল। রাহাত তার কাঁধে হাত রাখলেন। সোফিয়া তার বুকে মাথা রাখল। গুহার ঠান্ডায় তাদের শরীর গরম হয়ে উঠছিল। প্রথম চুমু — নরম, কাঁপা। তারপর গভীর। সোফিয়ার ঠোঁট রাহাতের ঠোঁট চুষতে লাগল। রাহাত তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে তার নিতম্ব চেপে ধরলেন।
“আমি তোমাকে চাই,” সোফিয়া কাঁপা গলায় বলল।
রাহাত তার শার্ট খুলে দিলেন। সোফিয়ার সুন্দর, গোলাকার স্তন বেরিয়ে পড়ল। তিনি একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগলেন, জিভ দিয়ে বোঁটা চাটলেন। সোফিয়া “আহহহ…” করে কেঁপে উঠল। তার হাত রাহাতের প্যান্টের ভিতর ঢুকে তার শক্ত, লম্বা লিঙ্গ ধরল। ধীরে ধীরে উপর-নিচ করতে লাগল।
রাহাত তার প্যান্ট খুলে দিলেন। সোফিয়ার ভেজা, গরম যোনি দেখে তার লিঙ্গ আরো শক্ত হয়ে উঠল। তিনি আঙুল ঢুকিয়ে নাড়াতে লাগলেন। সোফিয়া পাগলের মতো কাঁপছিল। তারপর রাহাত মুখ নামিয়ে তার যোনিতে জিভ দিলেন। গভীরে চাটতে চাটতে তার ক্লিটোরিস চুষলেন। সোফিয়া দুই হাতে তার মাথা চেপে ধরে চিৎকার করে উঠল, “রাহাত… আহহ… আমি যাচ্ছি!”
প্রথম অর্গাজমে সোফিয়া কেঁপে উঠল। তারপর সে রাহাতকে শুইয়ে দিয়ে তার লিঙ্গ মুখে নিল। গভীরে নিয়ে চুষতে লাগল, জিভ দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে। রাহাতের নিঃশ্বাস ভারী হয়ে গেল।
“আমি আর পারছি না,” রাহাত বললেন।
সোফিয়া উপরে উঠে তার লিঙ্গ নিজের যোনিতে বসিয়ে দিল। ধীরে ধীরে নামতে লাগল। “উফফফ… খুব বড়…” সে কাঁপা গলায় বলল। পুরোটা ঢোকার পর সে উপর-নিচ করতে শুরু করল। রাহাত তার স্তন দুটো চেপে ধরে নিচ থেকে ধাক্কা দিতে লাগলেন।
গুহার ভিতরে তাদের নিঃশ্বাস, চুমুর শব্দ, শরীরের ঠোকার শব্দ মিশে গেল বৃষ্টির সাথে। সোফিয়া জোরে জোরে চড়তে লাগল। তারপর রাহাত তাকে নিচে শুইয়ে পা কাঁধে তুলে জোরে জোরে ঢুকাতে লাগলেন। সোফিয়া নখ দিয়ে তার পিঠ আঁচড়াতে লাগল।
“আমার ভিতরে দাও… সবটা!” সোফিয়া চিৎকার করল।
রাহাত তার যোনির ভিতরে গরম বীর্য ঢেলে দিলেন। দুজন জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল।
কিন্তু এখানেই শেষ নয়।
পরের কয়েকদিন তারা গুহায় কাটাল। সকালে কথা, গল্প, হাসি। দুপুরে খাবার ভাগ করে খাওয়া। রাতে আবার আদর।
চতুর্থ দিন — তারা নগ্ন হয়ে শুয়ে ছিল। রাহাত সোফিয়ার পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলেন। তার লিঙ্গ তার নিতম্বের ফাঁকে ঘষতে লাগল। সোফিয়া পিছনে হাত দিয়ে তাকে ধরে নিজের যোনিতে ঢুকিয়ে নিল। ডগি স্টাইলে জোরে জোরে চলতে লাগল। রাহাত তার চুল ধরে টেনে ধাক্কা দিতে লাগলেন। সোফিয়া বারবার অর্গাজম করল।
পঞ্চম দিন — তারা একে অপরের শরীরের প্রতিটা অংশ চিনে ফেলেছে। সোফিয়া রাহাতের লিঙ্গ চুষতে চুষতে তার বল দুটো চেপে ধরত। রাহাত তার যোনি আর পায়ুপথে আঙুল ঢুকিয়ে খেলা করতেন। একবার তিনি সোফিয়াকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চোদলেন। সোফিয়ার পা মাটি থেকে উঠে গিয়েছিল।
ষষ্ঠ দিন — তারা খুব নরম করে ভালোবাসল। দীর্ঘ চুমু, শরীর বুলানো, ধীরে ধীরে মিলন। সোফিয়া বলল, “এই গুহা আমাদের বিয়ে দিয়েছে।”
রাহাত বললেন, “তুমি আমার। চিরকাল।”
সপ্তম দিন সকালে উদ্ধারকারী দল এলো। পাথর সরিয়ে তাদের বের করল। বাইরের আলোয় দুজন একে অপরের দিকে তাকিয়ে হাসল। তাদের চোখে নতুন ভালোবাসা।
রাহাত সোফিয়ার হাত ধরে বললেন, “চলো, আমার দেশে যাই। তারপর তোমার দেশে।”
সোফিয়া তার গালে চুমু দিয়ে বলল, “যেখানেই যাই, তোমার সাথে।”
তাদের গল্প আমাজনের গুহা থেকে শুরু হয়ে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ল। প্রতি রাতে তারা সেই গুহার স্মৃতি মনে করে একে অপরকে আরো জোরে আঁকড়ে ধরত।
শেষ
....