রাত তখন প্রায় দুটো। জেলের পুরনো ইটের দেয়ালে একটা ম্লান বাল্ব জ্বলছে। সেল নাম্বার ১৭-এর ভিতরে দুটো লোহার খাট। একটায় শুয়ে আছে রহিম। তার শক্ত বাহু দুটো মাথার নিচে, চোখ খোলা।
হঠাৎ দরজার বাইরে চাবির শব্দ। গার্ড দরজা খুলে একজন মহিলাকে ঠেলে ভিতরে ঢুকিয়ে দিল।
“আজ রাতটা এখানেই থাক। জায়গা নেই অন্য কোথাও।” বলে গার্ড দরজা বন্ধ করে চলে গেল।
আয়েশা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে দেয়ালের কাছে দাঁড়িয়ে রইল। তার লম্বা চুল এলোমেলো, শাড়ির আঁচল খসে পড়েছে। ভরাট বুক উঠানামা করছে দ্রুত শ্বাসে।
রহিম উঠে বসল। তার গভীর কণ্ঠস্বরে বলল, “ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি কিছু করব না... যদি না তুমি চাও।”
আয়েশা চুপ করে রইল। তার চোখে ভয় আর কৌতূহল মিশে আছে। রহিমের চওড়া বুক, পেশীবহুল হাত দেখে তার শরীরে অদ্ভুত একটা শিহরণ খেলে গেল। অনেকদিন পর কোনো পুরুষের এত কাছে।
রহিম আস্তে আস্তে বলল, “তোমার নাম কী?”
“আয়... আয়েশা।” তার গলা কাঁপছে।
“আমি রহিম। এখানে কেন?”
আয়েশা চোখ নামিয়ে বলল, “আমার স্বামীকে... খুনের অভিযোগ। কিন্তু আমি করিনি। ফাঁসানো হয়েছে।”
রহিম হাসল। “এখানে সবাই নির্দোষ।” তারপর উঠে তার কাছে এগিয়ে গেল। আয়েশা পিছিয়ে গেল দেয়ালে। রহিম থেমে গিয়ে বলল, “ভয় নেই। শুয়ে পড়ো। রাতটা অনেক লম্বা।”
কিন্তু আয়েশার শরীর তখন আর নিয়ন্ত্রণে নেই। রহিমের শরীর থেকে পুরুষালি গন্ধ আসছে। তার চোখ দুটো যেন আগুন। আয়েশা অনুভব করল তার ভিতরে অনেকদিনের জমে থাকা আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠছে।
রাত বাড়তে থাকল। দুজনের মাঝে দূরত্ব কমতে শুরু করল। রহিম তার হাত বাড়িয়ে আয়েশার কাঁধে হাত রাখল। আয়েশা প্রথমে কেঁপে উঠল, তারপর চোখ বন্ধ করে ফেলল।
“তোমার শরীর কাঁপছে কেন?” রহিম ফিসফিস করে জিজ্ঞাসা করল।
আয়েশা চোখ খুলে তার দিকে তাকাল। তার চোখে লজ্জা আর আকাঙ্ক্ষা। “অনেকদিন... কেউ আমাকে স্পর্শ করেনি।”
রহিমের ঠোঁটে মৃদু হাসি ফুটল। সে আয়েশার চুলের একগুচ্ছ সরিয়ে তার গালে হাত বুলিয়ে দিল। আয়েশার শ্বাস ভারী হয়ে গেল।
ধীরে ধীরে রহিম তার ঠোঁট এগিয়ে আনল। প্রথম স্পর্শে আয়েশা শিউরে উঠল। তারপর দুজনের ঠোঁট মিলে গেল গভীর চুম্বনে। রহিমের শক্ত হাত আয়েশার কোমর জড়িয়ে ধরল। আয়েশা তার বুকে হাত রেখে চাপ দিল।
চুমু থেকে চুমুতে তাদের শরীর জড়িয়ে যেতে লাগল। রহিমের হাত আয়েশার শাড়ির আঁচলে চলে গেল। আয়েশা বাধা দিল না। বরং তার হাত রহিমের জামার ভিতরে ঢুকে তার গরম বুক স্পর্শ করল।
“আহহ...” আয়েশা নিচু স্বরে কেঁপে উঠল যখন রহিম তার নরম স্তন চেপে ধরল।
রাত তখনও অনেক বাকি। সেল নাম্বার ১৭-এর অন্ধকারে দুজন বন্দির মাঝে নিষিদ্ধ আগুন জ্বলে উঠল..
রহিমের ঠোঁট আয়েশার নরম ঠোঁটের উপর চেপে বসেছিল। প্রথমে ছিল শুধু একটা কম্পন, তারপর ধীরে ধীরে চুমু গভীর হয়ে উঠল। আয়েশার শরীর যেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে উঠল। অনেক বছরের জমে থাকা যৌন ক্ষুধা এক নিমেষে জেগে উঠল তার ভিতরে।
রহিমের শক্ত হাত আয়েশার কোমর জড়িয়ে ধরে তাকে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরল। আয়েশার ভরাট, নরম স্তন রহিমের শক্ত বুকের সাথে ঘষা খেয়ে যাচ্ছিল। তার শাড়ির আঁচল পুরোপুরি খসে পড়ে গিয়েছে। রহিমের হাত আস্তে আস্তে উপরে উঠে আয়েশার পিঠ বেয়ে নেমে এলো, তারপর তার নিতম্বের উপর চেপে ধরল।
“আহহহ… রহিম…” আয়েশা ফিসফিস করে কেঁপে উঠল। তার গলা থেকে আর্তনাদের মতো শব্দ বেরিয়ে এলো।
রহিম তার ঠোঁট সরিয়ে আয়েশার গলায় চুমু খেতে শুরু করল। তার জিভ দিয়ে আয়েশার ঘাড় চেটে চুষতে লাগল। আয়েশার শরীর পুরোপুরি নরম হয়ে গিয়েছে। সে আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিল না। তার হাত রহিমের জামার ভিতর ঢুকে তার পেশীবহুল বুক মুঠো করে ধরল।
রহিম হঠাৎ আয়েশাকে তুলে নিয়ে তার খাটের উপর শুইয়ে দিল। আয়েশা লজ্জায় চোখ বন্ধ করে ফেলল, কিন্তু তার শরীর বলছিল অন্য কথা। রহিম তার উপর উঠে এসে তার শাড়ির কুঁচি সরিয়ে দিল। আয়েশার সাদা, মসৃণ উরু দুটো দেখে রহিমের চোখে আগুন জ্বলে উঠল।
“তুমি অনেক সুন্দরী আয়েশা… জেলের অন্ধকারেও তোমার শরীর যেন আলো ছড়াচ্ছে।” বলে রহিম তার উরুর ভিতর হাত বুলিয়ে দিল।
আয়েশা শিউরে উঠে দুই পা একটু ফাঁক করে দিল। রহিমের আঙুল ধীরে ধীরে তার ভেজা গোপন জায়গায় পৌঁছে গেল। আয়েশা জোরে কেঁপে উঠল।
“উফফফ… রহিম… আস্তে…” তার গলা ভেঙে যাচ্ছিল।
রহিম তার আঙুল দিয়ে আয়েশার ক্লিটোরিস ঘষতে শুরু করল। আয়েশার শরীর থেকে রস গড়িয়ে পড়ছিল। সে দুই হাত দিয়ে রহিমের মাথা চেপে ধরে তার চুল খামচে ধরল। রহিম নিচে নেমে তার উরুর ভিতর মুখ ডুবিয়ে দিল। তার জিভ দিয়ে আয়েশার ভেজা যোনি চাটতে লাগল, চুষতে লাগল।
“আআআহহহহ… রহিমমম… এটা কী করছো… আহহহ!” আয়েশা আর নিজেকে সামলাতে পারছিল না। তার শরীর বারবার কেঁপে উঠছিল। মিনিট খানেকের মধ্যেই তার প্রথম অর্গাজম হয়ে গেল। তার শরীর শক্ত হয়ে গিয়ে তারপর ঢিলে হয়ে পড়ল।
কিন্তু রহিম থামল না। সে তার প্যান্ট খুলে ফেলল। তার মোটা, শক্ত লিঙ্গ বেরিয়ে পড়ল। আয়েশা দেখে চোখ বড় বড় করে ফেলল। অনেকদিন পর এত বড় আর শক্ত পুরুষাঙ্গ দেখছে সে।
রহিম আয়েশার পা দুটো কাঁধের উপর তুলে তার যোনির মুখে লিঙ্গটা ঘষতে লাগল। তারপর ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিতে শুরু করল।
“উফফফ… খুব বড়… আস্তে রহিম…” আয়েশা কাতরাতে লাগল।
রহিম পুরোটা ঢুকিয়ে দিয়ে আয়েশাকে জড়িয়ে ধরল। তারপর ধীরে ধীরে উঠানামা শুরু করল। প্রত্যেক ধাক্কায় আয়েশার স্তন দুলছিল। রহিম এক হাতে তার স্তন চেপে ধরে চুষতে লাগল, অন্য হাতে তার নিতম্ব চেপে ধরে আরও জোরে ধাক্কা দিতে লাগল।
সেলের ভিতরে শুধু তাদের শ্বাসের শব্দ, চামড়ার ঘষা লাগার শব্দ আর আয়েশার কাতরানি ভেসে বেড়াচ্ছিল।
“আমাকে আরও জোরে চাও… রহিম… ভুলিয়ে দাও সব…” আয়েশা চোখ বন্ধ করে বলল।
রহিমের গতি বেড়ে গেল। সে আয়েশাকে কুকুরের মতো ঘুরিয়ে দিয়ে পেছন থেকে ঢুকিয়ে দিল। আয়েশার নিতম্ব চেপে ধরে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। আয়েশা বালিশ কামড়ে ধরে চিৎকার চেপে রাখছিল।
দুজনেরই দ্বিতীয়বার অর্গাজম হলো প্রায় একসাথে। রহিম আয়েশার ভিতরে তার বীর্য ঢেলে দিল। দুজন জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। ঘামে ভেজা শরীর, দ্রুত শ্বাস।
রহিম আয়েশার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “এটা শুরু মাত্র… এই জেল আমাদের আর আলাদা করতে পারবে না।”
আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে বলল, “আমি তোমার… পুরোপুরি তোমার।
রাত তখন চারটে বাজে। সেল নাম্বার ১৭-এর ছোট জানালা দিয়ে একফালি চাঁদের আলো এসে পড়েছে দুজনের ঘামে ভেজা শরীরের উপর। আয়েশা রহিমের বুকের উপর শুয়ে আছে, তার একটা পা রহিমের উরুর উপর জড়ানো। রহিমের হাত আয়েশার নগ্ন পিঠ বেয়ে আস্তে আস্তে নেমে তার নিতম্বে বুলিয়ে দিচ্ছে।
“আরও চাই?” রহিম ফিসফিস করে জিজ্ঞাসা করল, তার গলায় ক্ষুধা।
আয়েশা মুখ তুলে তার চোখে চোখ রাখল। তার চোখ দুটো এখনও আবেগে ঝকঝক করছে। “হ্যাঁ… আমাকে পুরোপুরি ভরিয়ে দাও রহিম। এই জেলের প্রতিটা রাত আমি তোমার করে নিতে চাই।”
রহিম হাসল। সে আয়েশাকে উল্টে দিয়ে তার উপর উঠে বসল। আয়েশার দুই স্তন এখন পুরোপুরি তার সামনে। সে দুই হাতে দুটো স্তন চেপে ধরে জোরে জোরে মালিশ করতে লাগল। আয়েশার নরম স্তন তার আঙুলের ফাঁকে বেরিয়ে যাচ্ছিল। রহিম মাথা নিচু করে একটা স্তনের বোঁটা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে লাগল, অন্যটা আঙুল দিয়ে টিপতে লাগল।
“আআআহহহ… কামড়াও… জোরে…” আয়েশা তার চুল খামচে ধরে বলল।
রহিমের লিঙ্গ আবার শক্ত হয়ে উঠেছে। সে আয়েশার পা দুটো ফাঁক করে তার মাঝে বসল। এবার আর আস্তে নয়। সে এক ঝটকায় পুরো লিঙ্গটা আয়েশার ভিতর ঢুকিয়ে দিল।
“উফফফফফ!!!” আয়েশা জোরে কেঁপে উঠল। তার যোনি এখনও আগের রসে ভেজা ছিল, তাই সহজেই গ্রহণ করল। রহিম দুই হাতে তার কোমর চেপে ধরে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। প্রত্যেক ধাক্কায় আয়েশার স্তন লাফাচ্ছিল, তার মুখ থেকে অস্ফুট আর্তনাদ বেরিয়ে আসছিল।
“শব্দ করো না… গার্ড আসতে পারে…” রহিম বলল, কিন্তু নিজেই তার গতি কমাল না।
আয়েশা বালিশ কামড়ে ধরে শব্দ চেপে রাখার চেষ্টা করছিল, কিন্তু রহিমের প্রত্যেক ধাক্কায় তার শরীর থরথর করে কাঁপছিল। রহিম হঠাৎ থেমে গিয়ে আয়েশাকে উঠিয়ে বসাল। এবার কুকুরের মতো পেছন থেকে। আয়েশা চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়াল। রহিম পেছন থেকে তার নিতম্ব চেপে ধরে আবার ঢুকিয়ে দিল।
এই পজিশনে তার লিঙ্গ আরও গভীরে চলে যাচ্ছিল। আয়েশার চুল ধরে টেনে রহিম জোরে জোরে ঠাপাতে লাগল। তার বল দুটো আয়েশার নিতম্বে আছড়ে পড়ছিল।
“আহহহহ রহিম… আমি আর পারছি না… ফেটে যাব… আআআহহ!”
রহিম এক হাত দিয়ে সামনে বাড়িয়ে আয়েশার ক্লিটোরিস ঘষতে লাগল। আয়েশার শরীর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে শক্ত হয়ে গেল। তার যোনি রহিমের লিঙ্গকে শক্ত করে চেপে ধরল। সে প্রচণ্ড জোরে অর্গাজম করল। তার রস গড়িয়ে রহিমের উরু ভিজিয়ে দিল।
কিন্তু রহিম এখনও থামেনি। সে আয়েশাকে ঘুরিয়ে তার মুখের সামনে লিঙ্গটা ধরল। আয়েশা লজ্জা ভুলে মুখ হাঁ করে নিয়ে চুষতে শুরু করল। তার জিভ দিয়ে লিঙ্গের মাথা চেটে, চুষে, গলার ভিতর নিয়ে যাচ্ছিল। রহিম তার মাথা ধরে জোরে জোরে মুখে ঠাপাতে লাগল।
“আমি আসছি…” রহিম গর্জন করে বলল।
আয়েশা মুখ সরাল না। রহিম তার মুখের ভিতর প্রচুর বীর্য ঢেলে দিল। আয়েশা সবটা গিলে ফেলল, তারপর রহিমের লিঙ্গ চেটে পরিষ্কার করে দিল।
দুজনে আবার জড়াজড়ি করে শুয়ে পড়ল। আয়েশা রহিমের বুকে মাথা রেখে বলল, “এই জেল এখন আমার স্বর্গ হয়ে গেছে।”
রহিম তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “কিন্তু এখানে বিপদও আছে। গার্ডরা যদি সন্দেহ করে… আর অন্য বন্দিরা…”
আয়েশা তার ঠোঁটে আঙুল দিয়ে চুপ করিয়ে দিয়ে বলল, “এখন শুধু আমাদের রাত। কাল সকালে ভাবব।”
দুজনে চুমু খেতে খেতে আবার ঘুমিয়ে পড়ল। কিন্তু সেলের বাইরে গার্ডের পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছিল…
পরের কয়েকদিন জেলের রুটিন চলতে লাগল। দিনের বেলায় রহিম আর আয়েশা আলাদা থাকত। কিন্তু রাত হলেই সেল নাম্বার ১৭ হয়ে উঠত তাদের নিজস্ব স্বর্গ। প্রতি রাতে তাদের শরীর এক হয়ে যেত।
রহিম আয়েশাকে নিয়ে নতুন নতুন পজিশনে চড়া উত্তেজনায় ভাসাত। এক রাতে সে আয়েশাকে সেলের গরাদে ধরে দাঁড় করিয়ে পেছন থেকে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগল। আয়েশা গরাদ চেপে ধরে কাঁপতে কাঁপতে বলছিল, “আরও জোরে… আমাকে তোমার করে নাও রহিম…”
কিন্তু একদিন রাতে গার্ডের পায়ের শব্দের সাথে টর্চের আলো এসে পড়ল। তারা দুজনে দ্রুত আলাদা হয়ে গেল। গার্ড সন্দেহ করে বলল, “কী হচ্ছে এখানে?” রহিম চুপ করে রইল। আয়েশা ভয়ে কাঁপছিল।
সেই রাত থেকে ঝুঁকি বেড়ে গেল। কিন্তু তাদের আকাঙ্ক্ষা আরও বেড়ে গেল।
রহিম একদিন আয়েশাকে বলল, “এভাবে আর কতদিন? আমরা পালাব।” আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে বলল, “যেখানেই যাব, তোমার সাথে যাব।”
তারা পালানোর প্ল্যান করতে লাগল। রহিমের বাইরের কিছু পুরনো কানেকশন ছিল। কিন্তু তার আগে আরও কয়েকটা রাত তারা উন্মাদের মতো মিলিত হলো।
এক রাতে আয়েশা রহিমের উপর উঠে বসে নিজেই নড়াচড়া করতে লাগল। তার ভরাট স্তন দুলছিল, ঘামে চকচক করছিল। রহিম নিচ থেকে তার নিতম্ব চেপে ধরে উপরে ধাক্কা দিচ্ছিল। দুজনেই একসাথে চিৎকার করে অর্গাজম করল।
পালানোর রাত এসে গেল। জেলের পেছনের দেয়ালে একটা ছোট ফাঁক ছিল। রহিম আয়েশাকে কাঁধে নিয়ে দেয়াল টপকে বেরিয়ে গেল। বাইরে তাদের জন্য একটা গাড়ি অপেক্ষা করছিল।
পালিয়ে গিয়ে তারা একটা নির্জন গ্রামের ঘরে আশ্রয় নিল। সেখানে কোনো ভয় ছিল না। প্রথম রাতে তারা পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে মিলিত হলো।
রহিম আয়েশাকে বিছানায় শুইয়ে তার পুরো শরীর চুমুতে ভরিয়ে দিল। তারপর তার পা দুটো কাঁধে তুলে খুব ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল। আয়েশা তার গলা জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি রহিম… চিরকাল তোমার।”
রহিমের গতি বাড়তে লাগল। ঘর ভরে উঠল তাদের আর্তনাদে। তারা একের পর এক অর্গাজম করতে লাগল। শেষে রহিম আয়েশার ভিতরে তার বীর্য ঢেলে দিয়ে তার উপর শুয়ে পড়ল।
“এখন আমরা মুক্ত।” রহিম বলল। আয়েশা হাসতে হাসতে বলল, “আমার শরীর এখনও তোমার জন্য কাঁপছে।
সমাপ্তি
....