ভাবির কোলে প্রেমের আগুন

রাতের আকাশে তারারা যেন আমাদের গোপন প্রেমের সাক্ষী হয়ে জ্বলছিল, আর তোমার চোখের গভীরে ডুবে আমি প্রথমবার বুঝলাম, ভালোবাসা কখনো সম্পর্কের সীমানা মানে না।

kxz

আমার নাম রাহাত। বয়স ২৮। ঢাকার একটা বেসরকারি কোম্পানিতে মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করি। আমার বড় ভাই রাকিব সৌদি আরবে চাকরি করে, প্রায় দু’বছর ধরে দেশে আসেনি। তার বউ, আমার ভাবি—নাম আয়েশা। বয়স ২৬। সুন্দরী, লম্বা চুল, গায়ের রং দুধের মতো ফর্সা, আর চোখ দুটো যেন গভীর সমুদ্র। ভাবি দেখতে এত সুন্দর যে পাড়ার ছেলেরা পর্যন্ত তার দিকে তাকিয়ে থাকে। কিন্তু সে সবসময় ঘরের ভেতর সীমাবদ্ধ, শান্ত, লাজুক।

আমরা তিনজন একসাথে থাকতাম গাজীপুরের একটা দোতলা বাড়িতে। ভাই চলে যাওয়ার পর থেকে আমি আর ভাবি। প্রথমদিকে সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। আমি অফিস, সে ঘর সামলাত। কিন্তু ধীরে ধীরে একটা অদ্ভুত টান অনুভব করতে শুরু করলাম। রাতে যখন সে রান্না করত, তার শাড়ির আঁচল সরে গিয়ে কোমরের নরম ত্বক দেখা যেত, তখন আমার বুকের ভেতর কেমন করে উঠত। কিন্তু সে তো আমার ভাবি। এমন চিন্তা করাটাও পাপ।

kx/춺'

একদিন বৃষ্টির রাত। বিদ্যুৎ চলে গেছে। আমি অফিস থেকে ভিজে ফিরলাম। ভাবি দরজা খুলে দিয়ে বলল, “রাহাত, এত ভিজে গেলে কেন? জ্বর আসবে তো!” তার গলায় যে চিন্তা, সেটা শুনে আমার মন গলে গেল। সে তোমালে দিয়ে আমার চুল মুছিয়ে দিল। তার আঙুল আমার কপালে ছুঁয়ে গেল। সেই স্পর্শে আমার শরীর কেঁপে উঠল।

“ভাবি, তুমি কেন এত যত্ন করো?” আমি জিজ্ঞাসা করলাম।

সে লজ্জায় মাথা নিচু করে বলল, “তুমি তো আমার ছোট ভাইয়ের মতো।”

কিন্তু তার চোখে সেই কথা বলছিল না। সেই রাত থেকে আমাদের মধ্যে একটা অদৃশ্য সুতো বাঁধা হয়ে গেল।

পরের কয়েকদিন আমি ইচ্ছে করে বাড়িতে বেশি সময় কাটাতে শুরু করলাম। সন্ধ্যায় ছাদে বসে গল্প করতাম। ভাবি তার জীবনের কথা বলত—কীভাবে বিয়ের পর ভাইয়ের সাথে সুখে ছিল, কিন্তু এখন একা লাগে। আমি তাকে সান্ত্বনা দিতাম। একদিন সে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “রাহাত, মানুষটা তো ফোনেও ঠিকমতো কথা বলে না। আমি কি অপরাধ করেছি?”

আমি তার হাত ধরে বললাম, “ভাবি, তুমি একা নও। আমি আছি।” সেই মুহূর্তে তার চোখে জল আর কৃতজ্ঞতা মিশে গেল। সে আমার বুকে মাথা রাখল। আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল। তার গায়ের সুবাস, তার নরম শরীর—সবকিছু আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। কিন্তু আমি নিজেকে সামলালাম।

এরপর থেকে আমাদের সম্পর্ক ধীরে ধীরে বদলাতে লাগল। সকালে চা দিতে এসে সে আমার কাঁধে হাত রাখত। রাতে টিভি দেখতে দেখতে তার পা আমার পায়ের সাথে ছুঁয়ে যেত। আমি আর সহ্য করতে পারছিলাম না।

এক রাতে ঝড় উঠল। ভাবি ভয়ে আমার ঘরে এসে বলল, “রাহাত, একা ঘুমাতে পারছি না।” আমি তাকে বিছানায় বসালাম। সে আমার কাছে ঘেঁষে বসল। তার শাড়ির পাড় সরে গিয়ে তার উরু দেখা যাচ্ছিল। আমার হাত অজান্তেই তার কোমরে চলে গেল।

“রাহাত…” সে ফিসফিস করে বলল, কিন্তু সরে গেল না।

আমি তার চিবুক তুলে ধরে বললাম, “ভাবি, আমি তোমাকে অনেকদিন ধরে চাই। এটা পাপ জানি, কিন্তু আমি নিজেকে আর আটকাতে পারছি না।”

তার চোখে লজ্জা, ভয় আর আকাঙ্ক্ষা মিশে গেল। “আমিও… তোমাকে ছাড়া এখন আর কিছু ভাবতে পারি না,” বলে সে চোখ বন্ধ করল।

সেই রাতে আমাদের প্রথম চুমু হল। তার ঠোঁট নরম, মিষ্টি। আমি তাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে খেতে তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিলাম। তার স্তন দুটো উঠে পড়ল। আমি সেগুলোতে মুখ দিলাম। ভাবি কেঁপে উঠে আমার চুলে হাত বুলাতে লাগল। “আহ্ রাহাত… ধীরে…” তার গলা থেকে মিষ্টি আওয়াজ বের হচ্ছিল।

আমি তার শাড়ি পুরো খুলে ফেললাম। তার নগ্ন শরীর চাঁদের আলোয় ঝলমল করছিল। তার ভেজা যোনিতে আঙুল দিতেই সে চিৎকার করে উঠল। আমি তাকে চুমু খেতে খেতে তার ওপর উঠে গেলাম। আমার শক্ত লিঙ্গ তার ভেতর ঢুকিয়ে দিতেই সে আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আমার স্বামী নয়, তুমিই এখন আমার সব।”

সেই রাতে আমরা বারবার মিলিত হলাম। তার শরীর আমার শরীরের সাথে মিশে গেল। সকাল হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা একে অপরকে আবিষ্কার করলাম।

এরপর থেকে আমাদের জীবন বদলে গেল। দিনের বেলা সে স্বাভাবিক ভাবি, কিন্তু রাত হলেই আমাদের প্রেমের জগৎ। কখনো রান্নাঘরে, কখনো ছাদে, কখনো বাথরুমে। সে আমাকে বলত, “তোমার সাথে এই পাপের আনন্দই আমার সবচেয়ে বড় সুখ।”

একদিন ভাই ফোন করে বলল সে ছুটিতে আসছে। আমরা দুজনেই চিন্তায় পড়লাম। কিন্তু ভাবি বলল, “যা হয় হবে। তোমাকে ছেড়ে আমি থাকতে পারব না।”

ভাই আসার আগের রাতে আমরা আরও তীব্রভাবে মিলিত হলাম। সে আমার কানে কানে বলল, “রাহাত, আমি তোমার বাচ্চা নিতে চাই। তোমারই।”

সেই রাতে আমরা কোনো সুরক্ষা ব্যবহার করিনি। তার শরীর আমার বীর্যে ভরে গেল।

ভাই আসার পরও আমাদের সম্পর্ক চলতে লাগল। গোপনে, কিন্তু আরও গভীরভাবে। ভাই অফিস গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে মিলিত হতাম। ভাবি এখন পুরোপুরি আমার। তার শরীর, তার মন, তার আত্মা—সব আমার।

একদিন ভাবি জানাল সে প্রেগন্যান্ট। আমরা দুজনেই খুশিতে কেঁদে ফেললাম। ভাই ভাবল তার বাচ্চা। কিন্তু আমরা জানি এটা আমাদের প্রেমের ফসল।

আমাদের এই গোপন প্রেম আজও চলছে। রাতের আকাশে তারারা এখনো আমাদের দেখে। আর ভাবি আমার কানে কানে বলে, “তুমি আমার প্রথম এবং শেষ ভালোবাসা।”

 

....
👁 691