বিয়ের দিনটা ছিল স্বপ্নের মতো। নিশা আর রাহাতের বিয়ে হয়েছিল ঢাকার গুলশানের একটা বড় ব্যাংকোয়েট হলে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সবকিছু যেন একটা রূপকথা। নিশার বাসায় মেয়েরা সবাই মিলে তাকে সাজিয়েছিল। লাল বেনারসি শাড়ি, সোনার গয়না, মাথায় ফুলের মালা, হাতে লাল মেহেদি — নিশা দেখতে ঠিক যেন কোনো পরীর মতো। তার ফর্সা গাল লজ্জায় লাল হয়ে ছিল, চোখ দুটোতে মিশে ছিল উত্তেজনা আর একটু ভয়।
“মা, আমি কি ঠিক করছি?” নিশা তার মায়ের কাছে জিজ্ঞাসা করেছিল। মা তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিলেন, “রাহাত খুব ভালো ছেলে। তোর সাথে অনেক সুখে থাকবি মা।”
রাহাত তার বাসায় প্রস্তুত হচ্ছিল। কালো শেরওয়ানি পরে সে আরও সুদর্শন লাগছিল। তার বাবা তাকে বলেছিলেন, “ছেলে, আজ থেকে তুই শুধু আমাদের নয়, নিশারও। তার যত্ন নিবি, ভালোবাসবি।”
বিয়ের হলে যখন নিশা ঢুকল, সবাই মুগ্ধ। রাহাত তার দিকে তাকিয়ে হাসল। কাজীর সামনে দাঁড়িয়ে “কবুল” বলার সময় নিশার গলা কেঁপে গিয়েছিল। কিন্তু সে “হ্যাঁ” বলেছিল। রাহাতও একই কথা বলেছিল। বিয়ের পর ফটোসেশন, খাওয়াদাওয়া, নাচগান — সব শেষ হতে হতে রাত ১১টা বেজে গেল।
বরযাত্রী নিয়ে তারা রাহাতের নতুন ফ্ল্যাটে এল। মিরপুরের এই ফ্ল্যাটটা দুজনের জন্য নতুন করে সাজানো হয়েছিল। বেডরুমে লাল-সাদা গোলাপের ডেকোরেশন, বিছানায় গোলাপের পাপড়ি ছড়ানো, মৃদু নীল-হলুদ লাইট জ্বলছে। জানালা দিয়ে পূর্ণিমার চাঁদের আলো এসে পড়ছিল বিছানায়।
সবাই চলে যাওয়ার পর ঘরটা একদম চুপচাপ। নিশা বিছানার এক কোণে বসে আছে, মাথা নিচু করে। তার হাত কাঁপছে। রাহাত দরজা বন্ধ করে ধীর পায়ে তার কাছে এগিয়ে গেল।
“নিশা…” তার গলা খুব নরম।
নিশা চোখ তুলে তাকাল। তার চোখে লজ্জা আর ভালোবাসা। রাহাত তার পাশে বসে তার একটা হাত নিজের হাতে তুলে নিল। হাতটা ঠান্ডা। সে আলতো করে চুমু খেল।
“আজ থেকে তুমি আমার সব। ভয় পেয়ো না সোনা। আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।”
নিশা কিছু বলতে পারল না, শুধু মাথা নেড়ে হাসল। রাহাত তার চিবুকটা আলতো করে তুলে ধরল। তারপর ধীরে ধীরে তার ঠোঁটে চুমু দিল। প্রথম চুমু — নরম, ভয়ে ভয়ে। কিন্তু কয়েক সেকেন্ড পর চুমু গভীর হয়ে গেল। নিশার শরীর কেঁপে উঠল। তার হাত অনিচ্ছায় রাহাতের বুকে চলে গেল।
রাহাত তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে কাঁধে চুমু দিতে লাগল। নিশা “উফফ…” করে শব্দ করল। রাহাত তার কানের লতিতে চুমু দিয়ে ফিসফিস করে বলল, “তোমাকে এত সুন্দর লাগছে আজ… আমি সারাজীবন তোমার এই লজ্জাটা দেখতে চাই।”
ধীরে ধীরে রাহাত নিশার শাড়ি খুলতে শুরু করল। শাড়ির কুঁচি খুলে গেল, তারপর ব্লাউজের হুক। নিশা লজ্জায় চোখ বন্ধ করে ফেলেছিল। তার সাদা সিল্কের ব্রা আর পেটিকোট চাঁদের আলোয় ঝকমক করছিল। রাহাত তার পিঠে হাত বুলিয়ে ব্রা’র হুক খুলে দিল। নিশার দুটো সুন্দর স্তন বেরিয়ে পড়ল। রাহাত একটা স্তনে আলতো চুমু দিল, তারপর চুষতে লাগল। নিশা তার চুলে হাত চেপে ধরল, “আহহ… রাহাত…”
রাহাত তার পেটিকোট আর প্যান্টিও খুলে দিল। নিশা এখন পুরোপুরি নগ্ন। তার ফর্সা ত্বক, গোলাকার স্তন, সরু কোমর, মোটা উরু আর নিচের নরম অংশ — সব চাঁদের আলোয় উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল। রাহাত তার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চিতে চুমু দিতে লাগল। নাভিতে জিভ ঘুরিয়ে দিল, উরুর ভিতরে চুমু দিল।
নিশাও সাহস করে রাহাতের শেরওয়ানির বোতাম খুলল। তার বুকের লোম দেখে লজ্জায় মুখ লুকাল। রাহাত নিজের বাকি কাপড় খুলে ফেলল। তার শক্ত শরীর আর উত্তেজিত লিঙ্গ দেখে নিশা চোখ সরিয়ে নিল।
দুজনে জড়িয়ে ধরে বিছানায় শুয়ে পড়ল। রাহাত নিশার পায়ের ফাঁকে মুখ নামিয়ে তার নরম জায়গাটা জিভ দিয়ে চাটতে লাগল। নিশা শরীর তোলপাড় করে কাতরাতে লাগল, “আআহহ… রাহাত… কী করছো…” কয়েক মিনিট পর নিশার শরীর কেঁপে প্রথমবার চরমে পৌঁছাল।
রাহাত উঠে তার ওপর শুয়ে পড়ল। তার লিঙ্গ নিশার প্রবেশদ্বারে ঠেকিয়ে ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল। নিশা প্রথমে ব্যথায় কুঁকড়ে গেল, “উউউহহ…” কিন্তু রাহাত থেমে থেমে চলতে লাগল। ব্যথা কমে আরাম আসতে শুরু করল। দুজনের শরীর একসাথে নড়তে লাগল। চুমু, কামড়, আঁচড় — সব মিলে ঘর ভরে গেল কাতরানিতে।
প্রথম রাউন্ডে দুজনে একসাথে চরমে পৌঁছাল। রাহাত নিশার ভিতরে তার বীর্য ঢেলে দিল। দুজনে জড়িয়ে ধরে ঘামে ভেজা অবস্থায় শুয়ে রইল।
কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে রাহাত আবার শুরু করল। এবার নিশাকে উপরে তুলে দিল। নিশা নিজে নড়াচড়া করতে লাগল। তার স্তন দুলছিল। রাহাত সেগুলো চেপে ধরে উপভোগ করছিল। এবার আরও জোরে, আরও দীর্ঘ সময় চলল। নিশা দুবার চরমে গেল।
রাত ৩টা বাজল। দুজনে ক্লান্ত হয়ে শুয়ে আছে। রাহাত নিশার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর উপহার। আমি তোমাকে সারাজীবন এভাবে ভালোবাসব।”
নিশা তার বুকে মাথা রেখে বলল, “আমিও তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসি। আজকের এই রাতটা কখনো ভুলব না।”
তারপর তারা অনেক কথা বলল — প্রথম দেখার দিন, প্রেমের কথা, ভবিষ্যতের স্বপ্ন, কোথায় বেড়াতে যাবে, কয়টা বাচ্চা হবে — সব। মাঝে মাঝে আবার চুমু, আদর। রাত শেষ হয়ে ভোরের আলো ফুটল। চাঁদের আলো মিলিয়ে সূর্যের আলো এসে পড়ল তাদের নগ্ন শরীরে।
রাহাত নিশার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “এই প্রথম রাতটা আমাদের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় রাত। আরও অনেক অনেক রাত আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।”
নিশা হেসে তার বুকে আরও জড়িয়ে ধরল। দুজনে নতুন জীবন শুরু করল।
গল্প শেষ।
....