সমুদ্র তীরের অমর প্রেম

একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আয়েশা চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছিল। সকালের নরম রোদ তার মুখে পড়ে সোনালি আভা ছড়াচ্ছে। তার বয়স তিরিশ। লম্বা কালো চুল, গভীর কাজল চোখ আর একটা মিষ্টি হাসি যা দেখলেই মন ভরে যায়। কিন্তু আজ তার চোখে একটু দুঃখের ছায়া।

kxz

রাহাত তার স্বামী। বয়স বত্রিশ। ব্যাংকে চাকরি করে। সকাল সকাল অফিস চলে গেছে। বিয়ের তিন বছর হয়েছে। প্রথম দিকে সবকিছু ছিল স্বপ্নের মতো। কিন্তু এখন রুটিনের চাপে তাদের মাঝে একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আয়েশা চায় রাহাত আবার আগের মতো করে তাকে আদর করুক, সময় দিক।

সন্ধ্যায় রাহাত ফিরল। ক্লান্ত মুখ। আয়েশা দরজা খুলে তাকে জড়িয়ে ধরল। “কত দেরি করলে যে!” রাহাত হাসল, “ট্রাফিক ছিল রে।”

kx/춺'

রাতের খাবার খেতে খেতে আয়েশা বলল, “আমরা কোথাও ঘুরতে যাই না কেন? শুধু অফিস আর বাসা।” রাহাত তার হাত ধরল, “ঠিক আছে। এই উইকেন্ডে কক্সবাজার যাবো। শুধু তুমি আর আমি।”

আয়েশার চোখ চকচক করে উঠল।

সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ। হোটেলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আয়েশা শাড়ির আঁচল উড়িয়ে দিচ্ছে। রাহাত পিছন থেকে এসে তার কোমর জড়িয়ে ধরল। “তোমাকে আজ অনেক সুন্দর লাগছে।” আয়েশা লজ্জায় মুখ লুকাল তার বুকে।

রাহাত তার ঠোঁটে চুমু খেল। প্রথমে নরম, তারপর গভীর। আয়েশার শরীর কেঁপে উঠল। অনেকদিন পর তারা এত কাছাকাছি। রাহাত তাকে তুলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল। আলো নিভিয়ে দিল। শুধু সমুদ্রের আওয়াজ আর তাদের নিঃশ্বাস।

রাহাত আয়েশার শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার কাঁধে চুমু দিল। আয়েশা তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “আমাকে আজ পুরোপুরি তোমার করে নাও।”

তারা একে অপরকে আবিষ্কার করতে লাগল যেন প্রথমবার। রাহাতের ঠোঁট আয়েশার গলা, বুক, নাভি সব জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। আয়েশা তার পিঠ আঁচড়াচ্ছে আনন্দে। যখন রাহাত তার ভিতরে প্রবেশ করল, আয়েশা চিৎকার করে উঠল তার নাম ধরে।

“রাহাত… আরও জোরে… আমি তোমার…”

সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে তাল মিলিয়ে তাদের শরীর নাচছিল। একবার, দুবার, বারবার। ঘামে ভেজা শরীর, জড়াজড়ি করে শুয়ে থাকা। রাহাত আয়েশার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “তোমাকে ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ।”

সূর্য উঠেছে। তারা সমুদ্রের ধারে হাঁটছে। আয়েশা রাহাতের হাত ধরে। “মনে আছে আমাদের প্রথম দেখা?” রাহাত হাসল, “অবশ্যই। তোমার চাচাতো ভাইয়ের বিয়েতে। তুমি লাল শাড়ি পরে এসেছিলে। আমি তোমার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ভুলে গিয়েছিলাম খাবার খেতে।”

আয়েশা লজ্জায় তার বুকে মাথা রাখল। “আমিও তোমাকে দেখে প্রথম দিন থেকেই পাগল হয়ে গিয়েছিলাম।”

তারা সারাদিন সমুদ্রে ঘুরল, ছবি তুলল, নারকেল পানি খেল। সন্ধ্যায় আবার হোটেলে ফিরে এল। এবার আয়েশা নিজে উদ্যোগ নিল। সে রাহাতকে চেয়ারে বসিয়ে তার শার্টের বোতাম খুলতে লাগল। তারপর নিজের ব্লাউজ খুলে তার কোলে উঠে বসল।

“আজ আমি তোমাকে আদর করব।”

আয়েশার ঠোঁট রাহাতের সারা শরীরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার জিভ রাহাতের সবচেয়ে স্পর্শকাতর জায়গায় খেলা করছে। রাহাত আর সহ্য করতে পারল না। তাকে তুলে নিয়ে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই ভালোবাসতে লাগল। আয়েশা তার কাঁধে কামড় দিয়ে চিৎকার করছিল আনন্দে।

“আমি তোমার… শুধু তোমার…”

ঢাকায় ফিরে এসেও তাদের মধ্যে নতুন আগুন জ্বলে উঠেছে। রাহাত প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে আয়েশাকে ছোট ছোট সারপ্রাইজ দিতে লাগল। কখনো ফুল, কখনো তার প্রিয় মিষ্টি, কখনো শুধু একটা চুমু।

একদিন রাতে আয়েশা বলল, “আমি মা হতে চাই।” রাহাত তার পেটে হাত রেখে বলল, “তাহলে আজ থেকে প্র্যাকটিস শুরু করি।”

সেই রাতটা ছিল আরও বেশি তীব্র। আয়েশা তার সব লজ্জা ভুলে গিয়ে রাহাতকে বলছিল কীভাবে চায়। রাহাত তাকে চারদিক থেকে ভরিয়ে দিচ্ছিল।

আয়েশা প্রেগন্যান্ট। রাহাত তার পাশে সারাক্ষণ। রাতে ঘুমের মধ্যেও আয়েশার পেটে হাত রেখে থাকে।

এক রাতে আয়েশা জেগে উঠে দেখে রাহাত তার দিকে তাকিয়ে আছে। “কী দেখছ?” “আমার পুরো পৃথিবী।”

তারা আবার ভালোবাসল। এবার অনেক নরম, অনেক যত্ন করে। আয়েশার শরীর এখন আরও সংবেদনশীল। রাহাত তার প্রতিটা ইচ্ছা পূরণ করছে। তার স্তন, তার ঊরু, তার সব জায়গায় নরম চুমু। আয়েশা তার নাম ধরে কেঁদে ফেলল আনন্দে।

নয় মাস পর তাদের একটা সুন্দর মেয়ে হল। নাম রাখলেন “আরিশা”।

রাহাত আয়েশার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “তোমার জন্যই আমার জীবন এত সুন্দর।” আয়েশা তার হাত ধরে বলল, “তুমি না থাকলে আমি কিছুই না।”

তাদের প্রেম চলতে থাকল। প্রতি রাতে, প্রতি মুহূর্তে। কখনো রাগ, কখনো হাসি, কখনো তীব্র আকাঙ্ক্ষা, কখনো নরম স্নেহ। কিন্তু সবসময় একে অপরের প্রতি অটুট ভালোবাসা

আয়েশা আর রাহাতের প্রথম দেখার দিনটা ছিল বৃষ্টির দিন। চাচাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান। আয়েশা লাল শাড়ি পরে সিঁড়ি দিয়ে নামছিল। রাহাত তখন বন্ধুদের সাথে গল্প করছিল। হঠাৎ তার চোখ আটকে গেল আয়েশার দিকে। সেই মুহূর্তে তার মনে হয়েছিল, এই মেয়েটাই তার জন্য।

পরে তারা কথা বলতে শুরু করে। রাহাতের মজার কথায় আয়েশা হাসতে হাসতে লুটোপুটি খাচ্ছিল। তারপর ফোন নাম্বার বিনিময়। রাতের পর রাত কথা। একদিন রাহাত প্রপোজ করল। আয়েশা লজ্জায় “হ্যাঁ” বলেছিল।

বিয়ের পর প্রথম রাত। আয়েশা ভয়ে কাঁপছিল। রাহাত তাকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল, “আমি তোমাকে কখনো কষ্ট দিব না।” তারপর ধীরে ধীরে তাকে সবকিছু শিখিয়েছিল। আয়েশা প্রথমবার তার স্পর্শে কেঁপে উঠেছিল। রাহাত তার প্রতিটা অংশ চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছিল। যখন তারা এক হয়ে গিয়েছিল, আয়েশা তার কানে ফিসফিস করে বলেছিল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি।”

তারপর দিনগুলো কেটেছে। কখনো ঝগড়া হয়েছে, কখনো মেকআপ সেক্স হয়েছে। একবার রাহাত অফিসের চাপে রেগে গিয়ে চিৎকার করেছিল। আয়েশা কেঁদে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল। রাহাত পরে দরজার বাইরে বসে ক্ষমা চেয়েছিল। তারপর যখন দরজা খুলেছে, রাহাত তাকে তুলে নিয়ে বিছানায় নিয়ে গিয়ে এত জোরে ভালোবেসেছিল যে আয়েশা ভুলেই গিয়েছিল সব রাগ।

কক্সবাজারের সেই ট্রিপে আরও অনেক স্মৃতি। একদিন সকালে তারা বিচে একা ছিল। রাহাত আয়েশাকে কোলে তুলে সমুদ্রের পানিতে নামিয়েছিল। ভিজে যাওয়া শাড়িতে আয়েশাকে দেখে রাহাতের চোখ পাল্টে গিয়েছিল। হোটেলে ফিরে তারা ভিজা কাপড়েই একে অপরকে খেয়ে ফেলেছিল প্রায়। আয়েশা রাহাতের উপর উঠে নিজের গতিতে চলছিল, তার স্তন দুলছিল, রাহাত তার কোমর ধরে সাহায্য করছিল। দুজনেই একসাথে চরমে পৌঁছেছিল।

আরেকদিন রাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে তারা চাঁদ দেখছিল। রাহাত পিছন থেকে আয়েশার শাড়ি তুলে তার ভিতরে ঢুকে পড়েছিল। আয়েশা সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে কামড় দিয়ে ঠোঁট চেপে রেখেছিল যাতে কেউ না শোনে। কিন্তু আনন্দের তীব্রতায় সে ফিসফিস করে বলছিল, “আরও গভীরে… তোমার সবটা দাও আমাকে…”

তাদের জীবনে এমন অনেক রাত এসেছে। যখন আয়েশা মা হওয়ার পরও তাদের আকাঙ্ক্ষা কমেনি। শুধু আরও পরিণত, আরও গভীর হয়েছে।

আজও তারা একসাথে শুয়ে থাকে। আয়েশা রাহাতের বুকে মাথা রেখে। রাহাত তার চুলে হাত বুলায়।

“আমাদের গল্পটা কখনো শেষ হবে না।” “কখনো না।”

 

....
👁 443