শাড়ির আঁচলে লুকানো ভালোবাসা

রাত তখন এগারোটা। ঢাকার একটা ছোট ফ্ল্যাটের বেডরুমে হালকা নীল আলো জ্বলছে। জানালা দিয়ে হালকা বৃষ্টির শব্দ আসছে। আয়েশা শাড়ি পরে বিছানায় বসে আছে। তার লাল-কমলা শাড়িটা কাঁধ থেকে খসে পড়েছে একটু, প্লিটগুলো সুন্দর করে সাজানো। চুল খোলা, একটু ঘামে ভেজা।

kxz

আমি, রাহাত, তার পাশে শুয়ে আছি। আমার নাক দিয়ে পানি পড়ছে। দু'দিন ধরে শর্দি হয়েছে। জ্বর নেই, কিন্তু নাক বন্ধ, মাথা ভারী। আয়েশা সারাদিন আমার খেয়াল রেখেছে — গরম পানি, আদা-চা, ওষুধ। কিন্তু এখন রাত হয়েছে। আমার শরীরটা তার কাছে টেনে নিতে চাইছে।

“কী রে, এখনো ভালো লাগছে না?” আয়েশা আমার কপালে হাত দিয়ে জিজ্ঞাসা করল। তার গলায় চিন্তা আর আদর মিশে আছে।

kx/춺'

আমি তার দিকে তাকিয়ে হাসলাম। নাকটা আবার ঝরঝর করে পানি পড়ছে। টিস্যু খুঁজছিলাম, পাইনি। হঠাৎ একটা পাগলামি মাথায় এল। আমি তার শাড়ির আঁচলটা ধরে নাকটা মুছতে গেলাম।

“এইইই! কী করছিস তুই!” আয়েশা চিৎকার করে উঠল, কিন্তু তার চোখে হাসি। সে শাড়িটা সরিয়ে নিতে চাইল, কিন্তু আমি ছাড়লাম না।

“তোমার শাড়িতে শর্দি মুছতে চাই আজ। এই শাড়িটা তোমার গায়ে লেগে আছে, তোমার গন্ধ আছে... আমার শর্দিটাও তোমার কাছে থাকুক।” আমি বললাম, গলাটা ভাঙা ভাঙা।

আয়েশা লজ্জায় লাল হয়ে গেল। “পাগল! শাড়িটা নতুন... কিন্তু...” সে আর কথা শেষ করল না। তার বদলে আমার মাথাটা তার কোলে টেনে নিল। আমার নাকটা তার শাড়ির আঁচলে ঘষতে লাগলাম। নরম সুতি কাপড়, তার শরীরের উষ্ণতা, হালকা পারফিউমের গন্ধ — সব মিলে আমার শরীরটা শিহরিত হয়ে উঠল।

সে আমার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে ফিসফিস করে বলল, “তোর শর্দিটা আমার শাড়িতে মুছে দে... কিন্তু তারপর আমাকে আদর করবি, কেমন?”

এই শুরু।


আমাদের বিয়ে হয়েছে তিন বছর। আয়েশা আমার চেয়ে চার বছরের ছোট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত, আমি চাকরি করি একটা আইটি কোম্পানিতে। প্রথম দেখাতেই তার হাসিতে পড়ে গিয়েছিলাম। সে খুব লাজুক, কিন্তু একবার গলে গেলে আগুন। আজকের এই শর্দির খেলাটা আমাদের সম্পর্কের আরেকটা নতুন অধ্যায়।

আমি তার শাড়ির আঁচল দিয়ে নাক মুছতে মুছতে তার কোমর জড়িয়ে ধরলাম। তার শাড়ির প্লিটগুলো একটু সরে গেছে। আমার ঠোঁট তার পেটের কাছে ছুঁয়ে গেল। আয়েশা শিউরে উঠল। “ঠান্ডা লাগবে তোর... শর্দি আরও বাড়বে।”

“তোমার শরীরের উষ্ণতায় সব ঠিক হয়ে যাবে।” আমি বললাম।

সে আমাকে জড়িয়ে ধরল। তার বুক আমার মাথায় চেপে গেল। শাড়ির নরম কাপড়ের ভেতর তার শরীরের উত্তাপ অনুভব করছি। আমার হাত তার পিঠ বেয়ে নামতে লাগল। শাড়ির কুঁচি খুলে দিলাম ধীরে ধীরে। সে বাধা দিল না। বরং আমার কানে কানে ফিসফিস করল, “আজ রাতটা তোর শর্দির রাত... আমার শাড়ি তোর সবকিছু নেবে।”

আমরা দুজনেই হেসে উঠলাম। তারপর আদরের ঝড় উঠল।

আমি তার শাড়িটা পুরোপুরি খুলে ফেললাম না। শুধু আঁচলটা আর প্লিটটা সরিয়ে রাখলাম। তার ব্লাউজের হুক খুলতে খুলতে বললাম, “এই শাড়িতে তোমার ঘাম, তোমার গন্ধ, আমার শর্দি — সব মিশে একাকার হয়ে যাক।”

সে আমার টি-শার্ট খুলে দিল। আমার বুকে চুমু খেতে খেতে বলল, “তোর শর্দির ফোঁটা আমার শাড়িতে লেগে থাকুক... কাল সকালে পরব যখন অফিস যাবি, তখন মনে পড়বে আমাকে।”

আমাদের আদর বাড়তে লাগল। তার শরীর আমার শরীরের সাথে জড়িয়ে গেল। শাড়ির কাপড়টা আমাদের মাঝে থেকে গেল। কখনো সেটা আমার মুখে চেপে ধরছে সে, কখনো আমি তার শরীর মুছছি শাড়ি দিয়ে। শর্দির কারণে আমার নিঃশ্বাস ভারী, কিন্তু সেই ভারী নিঃশ্বাস তার গলায়, কানে, বুকে লাগছে — সে আরও উত্তেজিত হয়ে উঠছে।

“আরও জোরে... তোর শর্দি আমার গায়ে মাখিয়ে দে...” সে ফিসফিস করে বলল।

রাত গভীর হল। বৃষ্টির শব্দ বেড়েছে। আমরা দুজন একে অপরের মধ্যে হারিয়ে গেলাম। শাড়িটা এখন আমাদের বিছানায় ছড়ানো, কোথাও শর্দির দাগ, কোথাও ঘামের দাগ, কোথাও আদরের চিহ্ন।


পরের দিন সকাল।

আয়েশা উঠে শাড়িটা পরতে যাচ্ছে। আমি তাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম। “এই শাড়ি আজ পরিস না। কাল রাতের স্মৃতি এখনো লেগে আছে।”

সে হাসল। “পাগলামি করিস না। অফিস যেতে হবে।”

কিন্তু আমি ছাড়লাম না। তার শাড়ির আঁচলে আবার নাক ঘষলাম। এখন শর্দি কমেছে, কিন্তু খেলাটা চালিয়ে যাচ্ছি। সে লজ্জায় মাথা নিচু করল। তারপর আমাকে ঘুরিয়ে চুমু খেল। “ঠিক আছে... কিন্তু আজ রাতে আবার নতুন শাড়ি নিয়ে আসব। তোর শর্দি যতদিন আছে, ততদিন আমার শাড়ি তোর।”

এভাবে আমাদের দিনগুলো কাটতে লাগল। শর্দিটা সেরে গেলেও খেলাটা থেকে গেল। প্রতি রাতে নতুন নতুন শাড়ি, নতুন নতুন আদর। কখনো সে শাড়ি পরে রান্না করতে করতে আমাকে ডাকে, আমি পেছন থেকে জড়িয়ে তার শাড়িতে মুখ ঘষি। কখনো অফিস থেকে ফিরে তার শাড়ির আঁচলে মুখ লুকাই।

একদিন অফিসে বসে আছি। হঠাৎ নাক দিয়ে পানি পড়ছে। টিস্যু নেই। মোবাইলে আয়েশাকে মেসেজ: “তোমার শাড়িতে শর্দি মুছতে চাই এখন।”

সে রিপ্লাই দিল: “বাসায় আয়... শাড়ি পরে অপেক্ষা করছি। ❤️”

....
👁 425