ঢাকার একটা ছোট্ট অ্যাপার্টমেন্টের জানালা দিয়ে চাঁদের আলো এসে পড়ছিল বিছানায়। রাত প্রায় এগারোটা। বাইরে বৃষ্টি পড়ছে হালকা হালকা। ঘরের ভিতরে শুধু একটা হালকা নাইট ল্যাম্প জ্বলছে। আর সেই আলোয় দেখা যাচ্ছে আয়েশা আর রাহাতের ছায়া।
আয়েশা বিছানায় শুয়ে আছে, চুলগুলো ছড়িয়ে। তার পরনে একটা সাদা সিল্কের নাইটি, যেটা তার শরীরের প্রতিটা বাঁক অনুসরণ করছে। রাহাত সবে অফিস থেকে ফিরেছে। টাই খুলতে খুলতে সে তার স্ত্রীর দিকে তাকাল। আজ তাদের বিয়ের তিন বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু প্রতিদিনের মতোই আয়েশার চোখে সেই একই আকাঙ্ক্ষা।
“আজকে সারা রাত শুধু তোমার ছোঁয়া চাই,” আয়েশা ফিসফিস করে বলল। তার গলায় একটা মিষ্টি আবদার।
রাহাত হাসল। সে বিছানায় উঠে এসে আয়েশার কপালে একটা চুমু খেল। “তোমার ইচ্ছে আমার কাছে আদেশ। আজ রাতটা শুধু তোমার।”
তার আঙুলগুলো ধীরে ধীরে আয়েশার চুলের ভিতর দিয়ে চলে গেল। নরম করে মাথার ত্বক ঘষতে লাগল। আয়েশা চোখ বন্ধ করে ফেলল। সেই ছোঁয়ায় তার শরীরটা শিহরিত হয়ে উঠল। রাহাতের হাত নেমে এল তার গালে, ঠোঁটে। আলতো করে আঙুল বুলিয়ে দিল। আয়েশার ঠোঁট ফাঁক হয়ে গেল সামান্য।
“তোমার ছোঁয়া যেন আগুন,” আয়েশা বলল।
রাহাত তার ঘাড়ের দিকে মুখ নামাল। ঠোঁট দিয়ে হালকা করে চুমু খেতে খেতে নিচে নামতে লাগল। তার হাতটা আয়েশার কাঁধে, তারপর বাহুতে। প্রতিটা ইঞ্চি জায়গা স্পর্শ করছে যেন প্রথমবারের মতো। আয়েশার শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠছে। সে তার স্বামীর শার্টের বোতাম খুলতে খুলতে বলল, “আমাকে সারা রাত এভাবে ছুঁয়ে যাও। কোনো তাড়াহুড়ো নেই।”
রাহাত শার্ট খুলে ফেলল। তার শক্ত বুক আয়েশার বুকের সাথে লেগে গেল। তাদের শরীরের তাপ মিশে যাচ্ছে। তার হাত আয়েশার পিঠের উপর দিয়ে ঘুরছে। নখ দিয়ে আলতো আঁচড় কাটছে। আয়েশা কেঁপে উঠল। সে তার স্বামীর কোমর জড়িয়ে ধরল।
ঘড়ির কাঁটা এগোচ্ছে। রাত বারোটা বাজল। কিন্তু তাদের ছোঁয়ার খেলা এখনো শুরুই হয়নি পুরোপুরি। রাহাত আয়েশার নাইটির স্ট্র্যাপ নামিয়ে দিল ধীরে ধীরে। তার ঠোঁট এখন আয়েশার কলারবোনের উপর। চুমু, কামড়, চাটা — সব মিলিয়ে এক অপূর্ব অনুভূতি। আয়েশার হাত তার চুলের মধ্যে। সে চাপ দিয়ে আরো কাছে টেনে নিচ্ছে।
“আরো নিচে…” আয়েশা ফিসফিস করল।
রাহাত হাসল। তার হাত নেমে গেল আয়েশার উরুর দিকে। নরম করে থাইয়ের ভিতরের দিকটা ছুঁয়ে দিল। আয়েশার শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। সে তার স্বামীর নাম ধরে ডাকল — “রাহাত… উফফ…”
তারপর অনেকক্ষণ ধরে তারা শুধু একে অপরকে ছুঁয়ে গেল। কোনো কথা নেই, শুধু শ্বাসের শব্দ আর বৃষ্টির শব্দ। রাহাতের আঙুল আয়েশার সব স্পর্শকাতর জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। কখনো হালকা, কখনো চাপ দিয়ে, কখনো নখ দিয়ে। আয়েশা তার প্রতিটা ছোঁয়ায় সাড়া দিচ্ছে পুরো শরীর দিয়ে।
রাত একটা বাজল। তারা এখনো পুরোপুরি নগ্ন হয়নি। কিন্তু তাদের শরীরের প্রতিটা অংশ একে অপরের সাথে জড়িয়ে। রাহাত আয়েশাকে কোলে তুলে নিল। আয়েশা তার গলা জড়িয়ে চুমু খেতে লাগল। তাদের ঠোঁট মিলিত হলো দীর্ঘক্ষণ। ভেজা, গভীর, আবেগপূর্ণ চুমু। রাহাতের হাত আয়েশার নিতম্বে। আলতো করে চাপ দিচ্ছে, মালিশ করছে।
“তুমি আমার সব,” রাহাত বলল ফিসফিস করে।
আয়েশা তার কানে কামড় দিয়ে বলল, “আর তুমি আমার স্বর্গ।”
তারা বিছানায় ফিরে এল। এবার পুরোপুরি নগ্ন। রাহাত আয়েশার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি চুমু খেয়ে যাচ্ছে। তার স্তন, পেট, নাভি, উরু — সব। আয়েশা তার স্বামীর শরীরও একইভাবে ছুঁয়ে যাচ্ছে। তার হাত রাহাতের বুকে, পেটে, তারপর আরো নিচে। তারা একে অপরকে আদর করছে ধীরে ধীরে, যেন সময় থেমে গেছে।
রাত দুটো। তারা এখনো মিলিত হয়নি পুরোপুরি। শুধু ছোঁয়া, চুমু, আদর। আয়েশার শরীর ঘামে ভিজে গেছে। রাহাত তার কানের কাছে ফিসফিস করছে প্রেমের কথা — কতটা ভালোবাসে, কতটা চায়। আয়েশা তার পিঠ আঁচড়াচ্ছে আনন্দে।
অবশেষে যখন তারা এক হয়ে গেল, সেটা ছিল ধীর, গভীর, তীব্র। প্রতিটা মুভমেন্টে ছোঁয়ার ম্যাজিক। তারা চোখে চোখ রেখে দেখছে একে অপরকে। আয়েশার চোখে জল এসে গেল আনন্দে। রাহাত তার চোখের জল চুমু খেয়ে মুছে দিল।
তারা একসাথে চূড়ায় পৌঁছাল। কিন্তু রাত এখনো শেষ হয়নি। তারা জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। রাহাত আয়েশার চুলে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে শুয়ে আছে।
রাত তিনটা। আবার ছোঁয়া শুরু হলো। এবার আরো নরম, আরো রোমান্টিক। তারা কথা বলছে তাদের প্রথম দেখার দিনের কথা, বিয়ের রাতের কথা, ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথা। আর তার মাঝে মাঝে চুমু, আদর, ছোঁয়া।
ভোর চারটায় তারা আবার মিলিত হলো। এবার আরো তীব্র, আরো আবেগপূর্ণ। আয়েশা তার স্বামীর নাম ধরে চিৎকার করে উঠল। রাহাত তাকে জড়িয়ে ধরে রাখল শক্ত করে।
রাত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা একে অপরকে ছুঁয়ে গেল। কখনো ঘুমিয়ে, কখনো জেগে। ছোঁয়া কখনো থামল না।
সকাল হলো। সূর্য উঠল। আয়েশা রাহাতের বুকে মাথা রেখে বলল, “এই রাতটা আমি কখনো ভুলব না। তোমার ছোঁয়ায় সারা রাত… এটাই আমার সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি।”
রাহাত তার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “প্রতি রাত এরকম হবে। কারণ তুমি আমার। চিরকাল।”
তারা জড়াজড়ি করে আরো কিছুক্ষণ শুয়ে রইল। বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে। কিন্তু তাদের ভিতরের ঝড় এখনো চলছে।
....