বৃষ্টির শব্দে ভরা সেই রাতটা কখনো ভুলব না। ঢাকার একটা ছোট অ্যাপার্টমেন্টের ছাদে দাঁড়িয়ে আমি আর মেঘলা। চারদিকে অন্ধকার, শুধু নিচের রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের আলোয় তার ভেজা চুল চকচক করছিল। মেঘলা আমার পাশে দাঁড়িয়ে, তার সাদা শাড়ির আঁচল বৃষ্টিতে ভিজে শরীরের সাথে লেপটে গেছে। তার বুকের উঠানামা দেখে আমার হৃদয়টা ধকধক করে উঠল।
“রাহাত, এটা ঠিক না,” মেঘলা ফিসফিস করে বলল, কিন্তু তার চোখে যে আগুন জ্বলছিল, সেটা লুকানো যায়নি। আমি তার হাতটা ধরলাম। “মেঘলা, আমরা তো শুধু একে অপরকে ভালোবাসি। কেউ জানবে না। এই রাতটা আমাদের।”
মেঘলা আমার বোনের বান্ধবী। আমার বোনের বিয়ে হয়েছে দু’বছর আগে। মেঘলা প্রায়ই আমাদের বাসায় আসত। প্রথম দেখায়ই তার হাসিতে আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম। লম্বা চুল, ফর্সা গায়ের রং, আর সেই দুষ্টু চোখ। সে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ে, ইংরেজি বিভাগ। আমি একটা ছোট কোম্পানিতে চাকরি করি। আমাদের মধ্যে প্রেমটা গোপনে শুরু হয়েছিল ছয় মাস আগে। কলেজের লাইব্রেরিতে, ফোনের মেসেজে, আর কখনো কখনো রাতে ছাদে। কিন্তু কখনো শারীরিকভাবে এত কাছাকাছি হয়নি। আজ রাতে সব বাধা ভেঙে পড়বে।
আমার বাবা-মা গ্রামে গিয়েছে দাদুর অসুস্থতার খবরে। বোনও স্বামীর সাথে অন্য শহরে। বাসায় শুধু আমি। মেঘলা বলেছিল, “আজ রাতে আমি আসব। কেউ যেন না জানে।”
সে এসেছে সন্ধ্যায়, ভিজে কাপড়ে। আমি তাকে ভেতরে নিয়ে এসেছি। দরজা বন্ধ করে দিয়েছি। এখন ছাদে দাঁড়িয়ে তার শরীরের গন্ধে আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম।
“চল, ভেতরে যাই,” আমি বললাম। মেঘলা লজ্জায় মাথা নিচু করল, কিন্তু আমার হাত ছাড়ল না।
ঘরে ঢুকতেই আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। তার ভেজা শাড়ি থেকে ঠান্ডা অনুভূতি, কিন্তু তার শরীর গরম। আমার ঠোঁট তার ঠোঁটে। প্রথম চুমু। ধীরে ধীরে, নরম। তারপর গভীর। তার জিভ আমার জিভের সাথে খেলা করছিল। আমার হাত তার পিঠ বেয়ে নামতে নামতে তার নিতম্বে চলে গেল। মেঘলা কেঁপে উঠল।
“রাহাত… আমি ভয় পাচ্ছি,” সে ফিসফিস করল।
“আমিও। কিন্তু তোমাকে ছাড়া আমি আর পারছি না।”
আমি তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিলাম। তার ব্লাউজের বোতাম খুলতে খুলতে তার সাদা ব্রা বেরিয়ে পড়ল। তার স্তন দুটো ভারী, গোলাকার। আমি একটা হাত দিয়ে চেপে ধরলাম। মেঘলা “আহ্” করে উঠল। আমি তার গলায় চুমু খেতে খেতে নামতে লাগলাম। ব্লাউজ খুলে ফেললাম। ব্রা’র হুক খুলে তার স্তন দুটো মুক্ত করে দিলাম। আমার মুখ একটা স্তনে। চুষতে চুষতে তার বোঁটা শক্ত হয়ে গেল। মেঘলার হাত আমার চুলে জড়িয়ে ধরল।
“আরো জোরে… প্লিজ,” সে বলল।
আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তার শাড়ি সম্পূর্ণ খুলে ফেললাম। তার প্যান্টি ভিজে গেছে। আমি আঙুল দিয়ে ঘষতে লাগলাম। মেঘলা ছটফট করছিল। “রাহাত… ভেতরে… চাই।”
আমি আমার কাপড় খুলে ফেললাম। আমার লিঙ্গ শক্ত হয়ে উঠেছে। মেঘলা হাত দিয়ে ধরল, আস্তে আস্তে ঘষতে লাগল। তারপর মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। তার গরম মুখের ভেতর আমি আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলাম না।
কিছুক্ষণ পর আমি তার উপর উঠলাম। তার পা দুটো ফাঁক করে আমার লিঙ্গ তার ভেজা যোনিতে ঢোকালাম। ধীরে ধীরে। মেঘলা চিৎকার করে উঠল, “আআআহ্! ব্যথা লাগছে… কিন্তু থামিও না।”
আমি ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে পুরোটা ভরে দিলাম। তারপর গতি বাড়ালাম। প্রত্যেক ঠাপে তার স্তন দুলছিল। আমি চুমু খাচ্ছিলাম, কামড়াচ্ছিলাম। মেঘলা আমার পিঠে নখ বসিয়ে দিচ্ছিল। “ফাস্টার… রাহাত… আমি তোমার।”
আমরা দুজন ঘামে ভিজে গেলাম। প্রথমবার সে অর্গাজমে পৌঁছালো, তার শরীর কেঁপে উঠল। আমিও তার ভেতরে ঢেলে দিলাম। কিন্তু রাতটা তো এখানেই শেষ নয়।
আমরা কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলাম। তারপর আবার শুরু। এবার সে উপরে উঠল। তার নিতম্ব আমার কোলে উঠানামা করছিল। তার চুল আমার মুখে এসে পড়ছিল। আমি তার স্তন চেপে ধরে নিচ থেকে ঠাপ দিচ্ছিলাম।
রাত গভীর হতে হতে আমরা বাথরুমে গেলাম। শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে আবার মিলিত হলাম। পানির শব্দের সাথে তার আর্তনাদ মিশে যাচ্ছিল
ঢাকার গরমে হাঁপিয়ে উঠছিলাম সেদিন। অফিস থেকে ফিরে ছাদে এসে দাঁড়িয়েছি। হঠাৎ পিছন থেকে মেঘলার গলা, “কী রে, একা একা কী করছিস?”
মেঘলা এসেছে বোনের সাথে দেখা করতে। কিন্তু বোন বেরিয়েছে। সে একা বসে আছে। তার পরনে একটা হালকা সালোয়ার কামিজ। কামিজের উপরের দুটো বোতাম খোলা। তার ক্লিভেজ দেখে আমার চোখ আটকে গেল।
“তোর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম,” আমি হাসতে হাসতে বললাম।
সেই থেকে কথা শুরু। ছয় মাসের গোপন প্রেম। মেসেজে “I love you”, রাতে ফোনে ফিসফিস, আর কখনো চুপিসারে চুমু। আজ সুযোগ এসেছে।
মেঘলার বয়স ২২। আমার ২৬। সে খুব সুন্দরী। তার চোখ দুটো বড় বড়, ঠোঁট পুরু। শরীরটা পারফেক্ট কার্ভ – ৩৪-২৮-৩৬।
রাত ৯টায় সে এলো। দরজা খুলতেই সে আমাকে জড়িয়ে ধরল। “আজ সারা রাত তোর সাথে। কেউ নেই তো?”
“না। পুরো বাসা আমাদের।”
আমি তাকে নিয়ে সোজা বেডরুমে। লাইট কমিয়ে দিলাম। রোমান্টিক মিউজিক চালালাম। তারপর ধীরে ধীরে তার কাপড় খুলতে শুরু করলাম।
প্রথমে সালোয়ার খুললাম। তার সাদা প্যান্টি। তারপর কামিজ। ব্রা খুলে তার স্তন মুক্ত। আমি একটা একটা করে চুষতে লাগলাম। তার হাত আমার প্যান্টের ভেতর ঢুকে আমার শক্ত লিঙ্গ ধরল।
“এত বড়?” সে লজ্জায় বলল।
“তোর জন্যই,” আমি বললাম।
তারপর আমরা পুরোপুরি নগ্ন। বিছানায়। আমি তার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি চুমু খেলাম – গলা, স্তন, পেট, উরু, এমনকি তার ভেজা যোনিতেও জিভ দিয়ে চাটলাম। মেঘলা পাগলের মতো ছটফট করছিল। “আমাকে তোর করে নে রাহাত!”
প্রথম প্রবেশের সময় তার চোখে পানি চলে এসেছিল। কিন্তু ব্যথা কমে গেলে সে নিজেই নিতম্ব তুলে তাল মেলাতে লাগল। আমরা দুই ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন পজিশনে মিলিত হলাম – মিশনারি, ডগি, কাউগার্ল, স্পুনিং। প্রত্যেকবারই নতুন অনুভূতি।
রাত ২টায় আমরা খেতে বসলাম। নগ্ন অবস্থায়। খেতে খেতে আবার শুরু। টেবিলের উপর তাকে শুইয়ে পেছন থেকে। তারপর আবার শোয়া।
ভোর ৫টায় আমরা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। জড়াজড়ি করে। তার মাথা আমার বুকে।
“এই গোপন রাতটা আমাদের চিরকাল মনে থাকবে,” মেঘলা ঘুমের আগে বলল।
আমি তার কপালে চুমু দিলাম। “ভালোবাসি তোকে, মেঘলা।”