রাহুলের বয়স ২৬। সে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করে। তার বড় ভাই আরমান, বয়স ৩২, একটা ব্যাংকে চাকরি করে। আরমানের বিয়ে হয়েছে প্রায় তিন বছর আগে। তার স্ত্রী, আয়েশা – রাহুলের বেয়াইন। আয়েশার বয়স ২৮। সে দেখতে অসম্ভব সুন্দরী। লম্বা চুল, গৌরবর্ণ, চোখ দুটো যেন গভীর সমুদ্র। তার হাসিতে একটা মায়া আছে যা যেকোনো পুরুষের মন কেড়ে নেয়।
রাহুল প্রথমদিকে আয়েশাকে শুধু বড় ভাইয়ের স্ত্রী হিসেবেই দেখতো। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে কিছু একটা বদলে যাচ্ছিল। আরমানের চাকরির কারণে প্রায়ই রাত করে বাড়ি ফিরতে হতো। আয়েশা তখন একা থাকতো। রাহুল অফিস থেকে ফিরে তার সাথে কথা বলতো, চা খেতো, টিভি দেখতো। ধীরে ধীরে তাদের কথাবার্তা বাড়তে শুরু করলো।
একদিন সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল জোরে। আরমান ফোন করে বললো, “আজ রাতে ফিরতে পারবো না। মিটিং আছে। আয়েশাকে বলিস খেয়ে নিতে।” রাহুল বাড়ি ফিরে দেখলো আয়েশা রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে আছে। তার পরনে একটা হালকা সালোয়ার কামিজ, চুল খোলা। বৃষ্টির আওয়াজের মাঝে তার সুন্দর মুখটা দেখে রাহুলের বুকটা ধক করে উঠলো।
“বেয়াইন, ভাইয়া আসবে না আজ। চলো, একসাথে খাই।” রাহুল বললো।
আয়েশা হাসলো, “ঠিক আছে। তুমি বসো, আমি খাবার গরম করছি।”
খেতে খেতে তারা অনেক কথা বললো। আয়েশা বললো তার ছোটবেলার গল্প, কীভাবে ঢাকায় এসেছে, কীভাবে আরমানের সাথে বিয়ে হয়েছে। রাহুল লক্ষ্য করলো, আয়েশার চোখে একটা দুঃখের ছায়া। আরমানের ব্যস্ততার কারণে সে একা অনুভব করে।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আয়েশা রাহুলকে এক গ্লাস দুধ দিলো। তার হাত রাহুলের হাতে ছুঁয়ে গেলো। সেই স্পর্শে রাহুলের শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেলো। সে রাতে ঘুমাতে পারলো না। আয়েশার মুখটা বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল।
পরের কয়েক সপ্তাহে তাদের সম্পর্ক আরও কাছাকাছি হতে লাগলো। রাহুল অফিস থেকে ফিরে আয়েশার জন্য ছোট ছোট গিফট আনতে শুরু করলো – কখনো ফুল, কখনো তার পছন্দের চকলেট। আয়েশা প্রথমে লজ্জা পেতো, কিন্তু পরে হাসিমুখে নিতো।
একদিন রাতে লোডশেডিং হলো। পুরো বাড়ি অন্ধকার। আয়েশা ভয় পেয়ে রাহুলের ঘরে এলো। “রাহুল, আমার একা লাগছে। একটু গল্প বলো।”
তারা বিছানায় বসে গল্প করতে লাগলো। আয়েশা তার কাঁধে মাথা রাখলো। রাহুলের হাতটা আপনা-আপনি আয়েশার কোমরে চলে গেলো। তারা দুজনেই চুপ করে গেলো। শুধু হৃদয়ের ধুকধুক শব্দ শোনা যাচ্ছিল।
“বেয়াইন... আমি তোমাকে...” রাহুল কথা শেষ করতে পারলো না। আয়েশা তার ঠোঁটে আঙুল দিয়ে চুপ করিয়ে দিলো। “জানি রাহুল। আমিও তোমাকে অনেকদিন ধরে অন্য চোখে দেখছি। কিন্তু এটা ঠিক না...”
তবুও সেই রাতে তারা কাছাকাছি হয়ে শুয়ে রইলো। কোনো শারীরিক সম্পর্ক হলো না, কিন্তু প্রেমের বীজ বপন হয়ে গেলো।
আরমান যখন অফিসের কাজে চট্টগ্রামে দুই সপ্তাহের জন্য যেতে হলো, তখন সুযোগ এলো। আয়েশা আর রাহুল একা বাড়িতে। প্রথমদিন তারা সিনেমা দেখলো, একসাথে রান্না করলো। রাতে আয়েশা একটা সুন্দর নাইটি পরে এলো। তার শরীরের আকৃতি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।
“রাহুল, তুমি কি আমাকে সত্যি ভালোবাসো?” আয়েশা জিজ্ঞাসা করলো।
রাহুল তার হাত ধরে বললো, “হ্যাঁ বেয়াইন। প্রথম দেখা থেকেই। তোমার হাসি, তোমার চোখ, তোমার সবকিছু আমাকে পাগল করে দিয়েছে। আমি জানি এটা ভুল, কিন্তু আমি নিজেকে আটকাতে পারছি না।”
আয়েশা কাঁদতে কাঁদতে রাহুলকে জড়িয়ে ধরলো। “আমিও তোমাকে ভালোবাসি। আরমানের সাথে সম্পর্কটা আর আগের মতো নেই। সে শুধু কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তুমি আমাকে যত্ন করে, ভালোবাসো।”
সেই রাতে প্রথমবার তারা চুমু খেলো। আয়েশার নরম ঠোঁট রাহুলের ঠোঁটে মিশে গেলো। চুমুটা ধীরে ধীরে গভীর হলো। রাহুল তার গাল, ঘাড় চুমু খেতে লাগলো। আয়েশা আলতো করে কেঁপে উঠছিল।
তারা বিছানায় শুয়ে পড়লো। রাহুল আয়েশার নাইটির বোতাম খুলতে লাগলো। তার সুন্দর স্তন দুটো বেরিয়ে এলো। রাহুল সেগুলো আদর করতে লাগলো। আয়েশা মৃদু স্বরে কেঁপে উঠে বললো, “আহ রাহুল... ধীরে...”
রাহুল তার শরীরের প্রতিটা অংশ চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিলো। তারপর ধীরে ধীরে তাদের শরীর এক হয়ে গেলো। আয়েশার ভেতরে প্রবেশ করার সময় সে আর্তনাদ করে উঠলো। “রাহুল... আমার সব তুমি...”
সেই রাতটা তাদের জীবনের সবচেয়ে রোমান্টিক রাত হয়ে রইলো। তারা বারবার একে অপরকে ভালোবাসলো, আদর করলো, কথা বললো।
পরের দিনগুলোতে তাদের প্রেম আরও গভীর হলো। তারা একসাথে বেরোতো, গোপনে ডেট করতো। আয়েশা রাহুলের জন্য বিশেষ রান্না করতো। রাতে তারা একে অপরের শরীরে হারিয়ে যেতো।
কিন্তু একদিন আরমান আগে ফিরে এলো। সে কিছু সন্দেহ করলো না, কিন্তু রাহুল আর আয়েশা সাবধান হয়ে গেলো। তবুও তাদের প্রেম থামলো না। তারা গোপনে মেসেজ করতো, ছোট ছোট সময়ে আদর করতো।
একদিন আয়েশা বললো, “রাহুল, আমি তোমার সাথে পালিয়ে যেতে চাই। কিন্তু সমাজ... পরিবার...”
রাহুল তাকে জড়িয়ে ধরে বললো, “আমরা সাবধানে থাকবো। তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারবো না আয়েশা। তুমি আমার সব।”
তাদের সম্পর্ক আরও রোমান্টিক হয়ে উঠলো। তারা কল্পনা করতো ভবিষ্যতের – একটা ছোট্ট ঘর, শুধু তাদের দুজনের।
গল্পের শেষে, আরমান একটা বড় প্রমোশন পেয়ে আরও ব্যস্ত হয়ে পড়লো। আয়েশা আর রাহুল তাদের প্রেমকে আরও গভীরভাবে উপভোগ করতে লাগলো। একটা সপ্তাহান্তে তারা কক্সবাজারে গোপনে বেড়াতে গেলো। সেখানে সমুদ্রের ধারে, হোটেলের রুমে তারা সারারাত প্রেম করলো। আয়েশা রাহুলের বুকে মাথা রেখে বললো, “তুমি আমার সত্যিকারের ভালোবাসা।”
রাহুল তার চুলে হাত বুলিয়ে বললো, “আমরা চিরকাল এভাবে থাকবো।”
গল্পটা শেষ হয় তাদের এই গোপন কিন্তু গভীর প্রেমের মাধ্যমে। সমাজের বাধা সত্ত্বেও তাদের ভালোবাসা অটুট থাকে।
....