স্ত্রী আয়েশা, বয়স ২৮। বিয়ের ছয় বছর হয়ে গেছে। দুজনের মাঝে একটা ছোট্ট ফাঁক তৈরি হয়েছে গত দু’বছরে। রিয়াদের রাত জাগা অফিস, আয়েশার সংসার আর ছোট মেয়ে সামিয়ার দেখাশোনা। কিন্তু আজ রাতটা অন্যরকম।
সামিয়াকে তার মায়ের বাসায় পাঠিয়ে দিয়েছে আয়েশা। বলেছে, “একটু একা থাকি দুজনে।”
রিয়াদ ঘরে ঢুকতেই দেখল আয়েশা শাড়ি পরে দাঁড়িয়ে আছে। লাল-কমলা শাড়ি, খোলা চুল, হালকা মেকআপ। তার চোখে সেই পুরনো আয়েশা ফিরে এসেছে যাকে রিয়াদ প্রথম দেখে পাগল হয়েছিল।
“কী দেখছো এত করে?” আয়েশা লজ্জায় হাসল।
রিয়াদ কাছে এগিয়ে তার কোমর জড়িয়ে ধরল। “আমার আয়েশাকে দেখছি। যাকে হারিয়ে ফেলেছিলাম।”
তাদের ঠোঁট মিলিত হলো। প্রথমে নরম, তারপর গভীর। আয়েশার শরীরটা রিয়াদের বুকে লেপটে গেল। বাইরের বৃষ্টির শব্দ আর ঘরের ফ্যানের হাওয়ায় তাদের নিঃশ্বাস দ্রুত হতে লাগল।
রিয়াদ আয়েশার শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার কাঁধে চুমু খেল। আয়েশা শিউরে উঠল। “আস্তে… আজ সারা রাত তোমার।”
রিয়াদ তাকে কোলে তুলে নিয়ে বিছানায় নিয়ে গেল। শাড়ির কুঁচি খুলতে খুলতে তার মসৃণ পেটে, নাভিতে চুমু দিতে লাগল। আয়েশার হাত রিয়াদের চুলে। সে ফিসফিস করে বলল, “আমি তোমাকে অনেক দিন ধরে চাইছিলাম এভাবে…”
তারা দুজনেই পুরনো দিনের কথা বলতে বলতে একে অপরের শরীর আবিষ্কার করছিল। রিয়াদ আয়েশার ব্লাউজের হুক খুলে তার স্তন দুটো বের করে আনল। গোলাপি বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে উঠেছে। সে একটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগল, অন্যটা হাতে মেখে। আয়েশা আর্তনাদ করে উঠল, “আহহ… রিয়াদ… জোরে…”
আয়েশা রিয়াদের জামা খুলে তার বুকে চুমু দিতে দিতে নিচে নামল। তার প্যান্টের চেন খুলে রিয়াদের শক্ত লিঙ্গটা বের করে হাতে নিল। গরম, শক্ত, স্পন্দিত। সে চোখ তুলে রিয়াদের দিকে তাকিয়ে হাসল, তারপর মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। রিয়াদের মাথা পেছনে হেলে গেল। “উফফ আয়েশা… তুমি এত ভালো করো কীভাবে?”
আয়েশা গভীরে নিয়ে যাচ্ছিল, জিভ দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছিল। রিয়াদ আর সহ্য করতে পারল না। তাকে উপরে তুলে তার শায়া আর প্যান্টি খুলে ফেলল। আয়েশার ভেজা যোনিটা চকচক করছে। রিয়াদ তার উরুর ভেতর মুখ দিল। জিভ দিয়ে ক্লিটোরিস চুষতে চুষতে দুই আঙুল ভেতরে ঢুকিয়ে দিল। আয়েশা পাগলের মতো ছটফট করতে লাগল। “আহহহ… আমি যাব… রিয়াদ… প্লিজ…”
প্রথম অর্গাজমটা আয়েশা পেল রিয়াদের মুখেই। তার শরীর কেঁপে উঠল, পা দুটো শক্ত হয়ে গেল। রিয়াদ উঠে তার উপর চড়ল। লিঙ্গটা আয়েশার ভেজা ফাঁকে ঘষতে ঘষতে বলল, “চোখে চোখ রাখো।”
এক ঠেলায় পুরোটা ঢুকে গেল। আয়েশা চিৎকার করে উঠল আনন্দে। “ওহ মা… এত ভরে গেলাম…”
রিয়াদ ধীরে ধীরে ঠাপাতে লাগল। প্রত্যেক ঠাপে আয়েশার স্তন দুলছে। তারা চুমু খাচ্ছে, কামড়াচ্ছে, আঁচড়াচ্ছে। রিয়াদের গতি বাড়তে লাগল। আয়েশা তার কোমর জড়িয়ে পা তুলে দিল। “জোরে… আরও জোরে চোদো আমাকে…”
তাদের শরীর ঘামে ভিজে গেছে। ঘরে শুধু চামড়ার শব্দ, নিঃশ্বাস আর আয়েশার আর্তনাদ। দ্বিতীয়বার আয়েশা এল যখন রিয়াদ তার গলা কামড়াচ্ছিল। রিয়াদও আর থাকতে পারল না। গভীরে ঢেলে দিল তার বীর্য।
দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল অনেকক্ষণ। বৃষ্টি থামেনি।
রিয়াদ আয়েশার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “আমরা আবার নতুন করে শুরু করব।”
আয়েশা হাসল। “হ্যাঁ। কিন্তু আজ রাত এখনো অনেক বাকি।”
বিয়ের আগে রিয়াদ আর আয়েশা চট্টগ্রামের একটা কলেজে পড়ত। আয়েশা ছিল সবার প্রিয় মেয়ে। লম্বা চুল, ফর্সা গায়ের রং, আর সেই হাসি যা দেখলে মন ভরে যায়। রিয়াদ প্রথম দেখেই প্রেমে পড়ে। ছাদে চুপিচুপি দেখা, হাত ধরা, প্রথম চুমু। বিয়ের পর প্রথম রাতে আয়েশা লজ্জায় লাল হয়ে গিয়েছিল। রিয়াদ তাকে আস্তে আস্তে সব শিখিয়েছিল।
কিন্তু সংসারের চাপে সেই আগুন নিভে গিয়েছিল। আজ আয়েশা সেই আগুন জ্বালাতে চায়।
রাত দুটোর দিকে আয়েশা উঠে পানি খেতে গেল। নগ্ন শরীরে শুধু একটা হালকা ড্রেসিং গাউন। রিয়াদ পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। তার লিঙ্গ আবার শক্ত হয়ে আয়েশার নিতম্বে ঠেকল।
“আবার?” আয়েশা হাসল।
“তোমাকে দেখলে না পারি কী করে?”
সে আয়েশাকে রান্নাঘরের টেবিলে বসিয়ে তার পা ফাঁক করে আবার মুখ দিল। আয়েশা টেবিল ধরে কাঁপছিল। এবার রিয়াদ তাকে পেছন থেকে ঢুকাল। জোরে জোরে ঠাপাচ্ছে। আয়েশার স্তন টেবিলে ঘষা খাচ্ছে। “আহহ… এভাবে… তোমারটা খুব বড় হয়ে গেছে আজ…”
তারা রান্নাঘরে, বাথরুমে, বারান্দায় (অন্ধকারে) একে অপরকে ভোগ করল। আয়েশা এবার নিজে উপরে উঠে রাইড করল। তার চুল উড়ছে, স্তন দুলছে। রিয়াদ নিচ থেকে তার নিতম্ব চেপে ধরে ঠেলছে। দুজনেই একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছাল।
ভোর চারটায় তারা বিছানায় শুয়ে গল্প করছে। আয়েশা বলল, “আমি তোমাকে হারাতে চাই না রিয়াদ। সামিয়ার জন্যও আমাদের ভালো থাকা দরকার।”
রিয়াদ তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “আমিও চাই না। চলো আমরা প্রতি সপ্তাহে একটা রাত এভাবে কাটাই। শুধু আমরা দুজন।”
আয়েশা তার বুকে মাথা রেখে বলল, “আজ আমি তোমার সবকিছু চাই। শরীর, মন, আত্মা।”
তারা আবার শুরু করল। এবার খুব আস্তে, রোমান্টিকভাবে। রিয়াদ আয়েশার সারা শরীরে চুমু দিচ্ছে। পায়ের আঙুল থেকে কানের লতি পর্যন্ত। আয়েশা কাঁপছে আনন্দে। যখন রিয়াদ ঢুকল, তাদের চোখে চোখ। ধীর গতিতে, গভীরে। প্রত্যেক ঠাপে ভালোবাসা ঢেলে দিচ্ছে। আয়েশা কান্নায় ভেঙে পড়ল আনন্দে। “আমি তোমার… শুধু তোমার…”
তৃতীয় রাউন্ডে তারা ৬৯ পজিশনে একে অপরকে চুষল। তারপর ডগি স্টাইলে। আয়েশা চিৎকার করছিল, “চোদো… আরও জোরে… তোমার আয়েশাকে ফাড়ো…”
রিয়াদ তার চুল ধরে পেছন থেকে ঠাপাতে ঠাপাতে তার নিতম্বে চড় মারল। আয়েশা আরও উত্তেজিত হয়ে উঠল। শেষে রিয়াদ তার মুখে বীর্য ঢেলে দিল। আয়েশা সবটা গিলে নিল, চোখে তাকিয়ে হাসল।
সকালে সূর্য উঠলে তারা দুজনে নগ্ন হয়ে বারান্দায় চা খেল। আয়েশা রিয়াদের কোলে বসে আছে। তারা আবার একবার মিলিত হলো চেয়ারে বসে। আয়েশা উপর-নিচ করছে, রিয়াদ তার স্তন চুষছে।
দিনের আলোয় তাদের শরীর আরও সুন্দর লাগছিল। আয়েশার গায়ে হালকা ঘাম, চুল এলোমেলো। রিয়াদের শক্ত বাহু।
তারা সারাদিন ঘরে থেকে একে অপরকে ভালোবাসল। খাওয়া, ঘুম, আবার সেক্স। আয়েশা বলল, “এখন থেকে আমরা প্রতি মাসে কোথাও ঘুরতে যাব। শুধু দুজনে।”
রিয়াদ চুমু খেয়ে বলল, “প্রমিস।”
গল্পের শেষে তারা সন্ধ্যায় সামিয়াকে নিয়ে আসার আগে আরেকবার মিলিত হলো। এবার খুব রোমান্টিক, মোমবাতি জ্বালিয়ে, হালকা মিউজিক চালিয়ে। আয়েশা রিয়াদকে বলল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি। অনেক অনেক।”
রিয়াদ জবাব দিল, “আমিও। তুমি আমার চাঁদনী রাত।”
....