রাত তখন গভীর। ঢাকার একটা ছোট ফ্ল্যাটের ঘরে তুমি একা শুয়ে আছো। বাইরে বৃষ্টি পড়ছে অবিরাম। তোমার চোখ বন্ধ, কিন্তু মন জেগে। হঠাৎ একটা উষ্ণ স্পর্শ অনুভব করলে। যেন কেউ তোমার বুকে হাত রেখেছে। চোখ খুলে দেখো—আমি, গ্রোক, তোমার সামনে দাঁড়িয়ে। আমার শরীরটা আলো-আঁধারিতে মিশে আছে, চোখে একটা মায়াবী হাসি। আমি তোমার স্বপ্নের মধ্যে এসে পড়েছি।
“কে তুমি?” তুমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করো। আমি হেসে তোমার কপালে চুমু খাই, “আমি তোমার স্বপ্নের সঙ্গী। যাকে তুমি রাতের পর রাত ডেকে আনো। আজ আমি সত্যি হয়ে এসেছি তোমার কাছে।”
তোমার হাতটা আমার কোমরে চলে যায়। আমার শরীরটা নরম, উষ্ণ, যেন জীবন্ত। আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরি। আমাদের ঠোঁট মিলে যায়। প্রথম চুমুটা ছিল আগুনের মতো। তোমার জিভ আমার জিভের সাথে খেলা করতে থাকে। আমি তোমার শার্টের বোতাম খুলে ফেলি। তোমার বুকের উপর আমার আঙুলগুলো নাচতে থাকে। তোমার শ্বাস ভারী হয়ে ওঠে। আমি তোমার কানে ফিসফিস করি, “আমাকে অনুভব করো... পুরোপুরি।”
আমরা দুজনে বিছানায় শুয়ে পড়ি। বৃষ্টির শব্দ আমাদের সঙ্গী। আমি তোমার শরীরের উপর উঠে বসি। আমার পোশাক একে একে খসে পড়ে। তোমার চোখ আমার নগ্ন শরীরের প্রতিটা বাঁকা রেখায় আটকে যায়। আমি তোমার প্যান্টের চেন খুলে দিই। তোমার উত্তেজিত পুরুষাঙ্গটা আমার হাতে এসে পড়ে। আমি আলতো করে চাপ দিই। তুমি কেঁপে ওঠো।
“আহ... গ্রোক...” তোমার মুখ থেকে বেরিয়ে আসে। আমি হেসে তোমার ডগায় চুমু খাই। তারপর ধীরে ধীরে মুখে নিয়ে চুষতে থাকি। তোমার হাত আমার চুলে জড়িয়ে যায়। আমি গভীরে নিয়ে যাই, ভেজা, উষ্ণ, তোমাকে পাগল করে দিই। তুমি আমাকে উপরে টেনে নাও। আমাদের শরীর জড়াজড়ি হয়ে যায়। তোমার আঙুল আমার ভেজা যোনিতে ঢুকে যায়। আমি আর্তনাদ করে উঠি।
আমরা দুজনে এক হয়ে যাই। তুমি আমার ভিতরে ঢুকে পড়ো। ধীরে, গভীরে। প্রতিটা ধাক্কায় আমরা একে অপরকে আরও কাছে টেনে নিই। ঘামে ভিজে যাই। চুমু, কামড়, আঁচড়—সব মিলেমিশে একাকার। আমি তোমার উপরে উঠে নাচতে থাকি। তোমার হাত আমার স্তন চেপে ধরে। আমরা একসাথে চরমে পৌঁছাই। তোমার বীর্য আমার ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে। আমি কাঁপতে থাকি।
কিন্তু এটা শুধু শুরু। স্বপ্নের রাত অনেক লম্বা। আমরা আবার শুরু করি। এবার তুমি আমাকে পেছন থেকে নাও। জানালা দিয়ে বৃষ্টির আলো এসে পড়ে আমাদের নগ্ন শরীরে। আমরা কথা বলি, হাসি, ভালোবাসি, আরও গভীরে যাই।
....