তোমার বুকে আমার চিরকাল

সেদিন অফিস থেকে ফিরতে ফিরতে রাত দশটা বেজে গিয়েছিল। রাহাত দরজা খুলতেই দেখল, ঘরটা মৃদু আলোয় ভরে আছে। আয়েশা পরে ছিল একটা সাদা সিল্কের নাইটি, যেটা তার শরীরের প্রতিটা বাঁক অনুসরণ করে লেপটে আছে। চুল খোলা, ঠোঁটে হালকা লাল লিপস্টিক। রাহাত দরজা বন্ধ করতেই আয়েশা এগিয়ে এসে তার গলা জড়িয়ে ধরল।

kxz

"আজকে তোমার জন্য অপেক্ষা করতে করতে আমার শরীরটা যেন আগুন হয়ে গেছে, রাহাত..." তার কণ্ঠস্বর মিষ্টি, কিন্তু গভীরে একটা আবেদন।

রাহাত তার কোমর জড়িয়ে টেনে নিল নিজের বুকে। তাদের ঠোঁট মিলিত হলো প্রথমে ধীরে, তারপর উন্মাদের মতো। আয়েশার ঠোঁটের স্বাদ মধুর মতো, তার জিভ রাহাতের মুখের ভিতর খেলা করছিল। রাহাতের হাত তার পিঠ বেয়ে নেমে যাচ্ছিল, নাইটির নিচে তার নরম ত্বক স্পর্শ করছিল। আয়েশা একটা ছোট্ট নিঃশ্বাস ফেলে তার কানে ফিসফিস করে বলল, "আজ রাতটা আমাদের... শুধু আমাদের। কোনো অফিস, কোনো ফোন নয়।"

kx/춺'

তারা সোফায় বসল। রাহাত আয়েশার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল। আয়েশা তার চুলে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল, "মনে আছে আমাদের প্রথম রাতের কথা? যখন তুমি আমাকে বলেছিলে, 'তুমি আমার সবকিছু'। আজও সেই কথা সত্যি।"

রাহাত উঠে বসে তার চোখে চোখ রাখল। "তুমি ছাড়া আমার জীবন অন্ধকার, আয়েশা। তোমার শরীর, তোমার আত্মা, সবকিছু আমার।" তার হাত আয়েশার নাইটির স্ট্র্যাপ খুলে দিল। সাদা কাপড়টা ধীরে ধীরে নেমে গেল, উন্মুক্ত করে দিল তার সুন্দর স্তন দুটো। রাহাত মাথা নিচু করে একটা স্তনের বোঁটা মুখে নিল, জিভ দিয়ে চুষতে লাগল। আয়েশা পিঠ মোচড়াতে মোচড়াতে কাঁপতে লাগল, "আহ্... রাহাত... আরো জোরে..."

তাদের শরীর জড়াজড়ি হয়ে গেল। রাহাত আয়েশাকে তুলে নিয়ে শোয়ার ঘরে নিয়ে গেল। বিছানায় শুইয়ে তার পুরো শরীর চুমুতে ভরিয়ে দিল। তার ঘাড়, স্তন, পেট, নাভি — প্রতিটা জায়গায় তার ঠোঁটের ছাপ। আয়েশার হাত রাহাতের প্যান্টের ভিতর ঢুকে তার শক্ত লিঙ্গটা ধরল, ধীরে ধীরে উপর-নিচ করতে লাগল। "তোমার এটা আজ আমার ভিতর চাই... খুব গভীরে।"

রাহাত তার পা দুটো ফাঁক করে তার ভেজা যোনিতে জিভ ঢুকিয়ে দিল। আয়েশা চিৎকার করে উঠল, তার হাত রাহাতের চুল খামচে ধরল। "উফফ... খাও আমাকে... তোমার আয়েশাকে খাও..." রাহাতের জিভ তার ক্লিটোরিস চুষতে চুষতে আঙুল ঢুকিয়ে দিল ভিতরে। আয়েশা কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রথমবার অর্গাজমে কেঁপে উঠল, তার রস রাহাতের মুখে ছড়িয়ে পড়ল।

এবার রাহাত উঠে তার লিঙ্গটা আয়েশার মুখের সামনে নিয়ে গেল। আয়েশা লোভী চোখে তাকিয়ে মুখে নিয়ে চুষতে লাগল, গলা পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছিল। তার জিভ লেহন করছিল প্রতিটা ইঞ্চি। রাহাতের শরীর কাঁপছিল আনন্দে।

"এবার তোমার ভিতরে আসি, প্রিয়তমা।" রাহাত আয়েশার উপর উঠে ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল। আয়েশার যোনি গরম, আর্দ্র আর টাইট। তারা একসাথে নড়াচড়া শুরু করল। প্রথমে ধীর লয়ে, তারপর জোরে জোরে। আয়েশা তার নখ দিয়ে রাহাতের পিঠ আঁচড়াতে লাগল, "জোরে... ফাটিয়ে দাও আমাকে আজ..."

তাদের শরীর ঘামে ভিজে গিয়েছিল। রাহাত তার স্তন চেপে ধরে চুষছিল আর নিচে ধাক্কা দিচ্ছিল। আয়েশা পা দিয়ে তার কোমর জড়িয়ে আরো গভীরে টেনে নিচ্ছিল। দ্বিতীয়বার আয়েশা চিৎকার করে কেঁপে উঠল। রাহাতও আর ধরে রাখতে পারল না, তার বীর্য আয়েশার ভিতর ঢেলে দিল।

কিন্তু রাত এখনো শেষ হয়নি। তারা একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার শুরু করল। এবার আয়েশা উপরে উঠে রাহাতের উপর বসল, তার লিঙ্গটা নিজের ভিতর বসিয়ে দিয়ে উঠানামা করতে লাগল। তার স্তন দুলছিল, চুল উড়ছিল। রাহাত তার কোমর ধরে সাহায্য করছিল। "তুমি আমার রানী... আমার সবকিছু..."

এভাবে রাত গড়িয়ে গেল। তারা বিভিন্ন পজিশনে ভালোবাসল — ডগি স্টাইলে, সাইডে, আবার মিশনারিতে। প্রতিবারই তাদের চোখে ছিল অপার্থিব ভালোবাসা। আয়েশা একবার বলল, "রাহাত, আমরা যদি কখনো আলাদা হয়ে যাই, তাও তোমার স্পর্শ আমার শরীরে লেগে থাকবে চিরকাল।"

ভোর হওয়ার আগে তারা আরেকবার মিলিত হলো। এবার খুব ধীরে, খুব রোমান্টিকভাবে। চুমু খেতে খেতে, চোখে চোখ রেখে। যখন দুজনেই শেষবার কেঁপে উঠল, তখন আয়েশা রাহাতের বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে বলল, "আমি তোমাকে ভালোবাসি... চিরকাল।"

 

....
👁 351