অপেক্ষার পরে ভালোবাসা

ঢাকার ভিড়ে ভরা রাস্তায় প্রথমবার তাকে দেখেছিলাম। বৃষ্টি পড়ছিল অল্প অল্প। সে একটা কালো ছাতা মাথায় দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল রিকশা স্ট্যান্ডের পাশে। তার চোখ দুটো যেন অন্য কোনো জগতের। গাঢ় কালো, কিন্তু ভিতরে একটা আলো জ্বলছে। আমি নাম রাহাত। সবে চাকরি পেয়েছি একটা আইটি কোম্পানিতে। সেদিন অফিস থেকে ফিরছিলাম। চোখাচোখি হতেই সে একটু হাসল। সেই হাসিতে আমার বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠল।

kxz

“আপনার ছাতাটা...” আমি বললাম, কারণ তার ছাতাটা একটু ফুটো হয়ে গিয়েছিল। সে লজ্জা পেয়ে হেসে বলল, “ঠিক আছে, অভ্যাস হয়ে গেছে।”

তার নাম ছিল নুসরাত। পরে জেনেছিলাম। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স করছে ইংরেজি সাহিত্যে। আমরা সেইদিন থেকে কথা বলা শুরু করলাম। প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে, তারপর কলেজের কাছে চা খেতে খেতে। তার কথা বলার ধরনটা ছিল অন্যরকম। প্রতিটা কথায় কবিতার ছোঁয়া। সে বলত, “জীবনটা একটা অসমাপ্ত কবিতা রাহাত, শুধু সঠিক মানুষটা এলে তা পূর্ণ হয়।”

kx/춺'

দিন যত যাচ্ছিল, আমাদের মধ্যে দূরত্ব কমছিল। একদিন বিকেলে আমরা হাত ধরে হাঁটছিলাম রমনা পার্কে। বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছিল আবার। সে আমার কাঁধে মাথা রাখল। তার চুলের গন্ধে আমি হারিয়ে যাচ্ছিলাম। “রাহাত, তোমার চোখে আমি নিজেকে দেখতে পাই,” ফিসফিস করে বলল সে। আমি তার কপালে চুমু খেলাম। সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল পুরো পৃথিবী থেমে গেছে।

কয়েক মাস পর আমরা একটা ছোট্ট ট্রিপে গেলাম কক্সবাজার। অফিসের ছুটি নিয়ে। সমুদ্রের ধারে বসে সূর্যাস্ত দেখছিলাম। তার হাত আমার হাতে। ঢেউয়ের শব্দ, হাওয়ার স্পর্শ, আর তার শরীরের উষ্ণতা। সে আমার দিকে তাকাল। তার চোখে স্বপ্ন আর আকাঙ্ক্ষা মিশে ছিল।

“আমাকে ভালোবাসো রাহাত,” সে বলল। “আমি তো তোমাকে পাগলের মতো ভালোবাসি নুসরাত।”

সেই রাতে হোটেলের ঘরে আমরা প্রথমবার একে অপরের কাছে সম্পূর্ণ হয়ে গেলাম। তার শরীরটা ছিল নরম, উষ্ণ। আমি তার ঠোঁটে চুমু খাচ্ছিলাম ধীরে ধীরে। তার হাত আমার পিঠে আঁচড় কাটছিল। “আরও কাছে এসো,” সে ফিসফিস করল। আমরা এক হয়ে গেলাম। সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো উত্থান-পতন। তার চোখ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আনন্দে। আমি তার কানে কানে বললাম, “তুমি আমার স্বপ্ন নুসরাত।”

সকালে উঠে সে আমার বুকে মাথা রেখে শুয়ে ছিল। তার আঙুল দিয়ে আমার বুকে আঁকিবুকি কাটছিল। “এই মুহূর্তটা যেন চিরকাল থাকে,” বলল সে। আমি তার চুলে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলাম।

ঢাকায় ফিরে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হল। কিন্তু জীবন তো সবসময় সহজ নয়। নুসরাতের বাবা ছিলেন খুব রক্ষণশীল। তিনি চাইতেন না তার মেয়ে কোনো “আইটি ছেলে”র সাথে থাকুক। একদিন তার বাসায় ডাক পড়ল। আমি গেলাম। তার বাবা বললেন, “তোমরা দুজন যদি সত্যিই ভালোবাসো, তাহলে অপেক্ষা করো। আমি দেখতে চাই তোমার যোগ্যতা।”

আমরা অপেক্ষা করলাম। দুই বছর। এই দুই বছরে আমাদের ভালোবাসা আরও পরীক্ষিত হল। অনেক ঝগড়া, অনেক আদর, অনেক রাত জেগে কথা বলা। একদিন রাতে সে আমার ফ্ল্যাটে এল। বৃষ্টি পড়ছিল জোরে। তার ভিজে যাওয়া শাড়ি শরীরে লেপটে ছিল। আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। তার ঠোঁটে ঠোঁট রাখলাম। আমাদের শরীর জ্বলে উঠছিল।

আমি তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিলাম। তার স্তন দুটো আমার হাতে। নরম, গোলাপি বোঁটা। আমি চুষতে শুরু করলাম। সে কেঁপে উঠে আমার মাথা চেপে ধরল। “আহ্ রাহাত... আরও জোরে...” তার হাত নেমে গেল আমার প্যান্টের ভিতর। আমার শক্ত হয়ে ওঠা পুরুষাঙ্গ ধরে আস্তে আস্তে নাড়াচ্ছিল। আমি তার শাড়ি পুরো খুলে ফেললাম। তার প্যান্টি ভিজে গিয়েছিল। আমি আঙুল দিয়ে তার গোপন জায়গায় স্পর্শ করলাম। সে আর্তনাদ করে উঠল।

আমরা বিছানায় শুয়ে পড়লাম। আমি তার উপর উঠে তার ভিতরে প্রবেশ করলাম ধীরে ধীরে। তার চোখে পানি চলে এসেছিল আনন্দে। “তোমার ভিতরে আমি পুরোপুরি হারিয়ে যেতে চাই,” আমি বললাম। আমাদের শরীর একসাথে নাচছিল। ঘাম, চুমু, আর্তনাদ। সে আমার কোমর জড়িয়ে ধরে নিজেকে আরও গভীরে নিয়ে যাচ্ছিল। শেষ মুহূর্তে আমরা একসাথে চূড়ায় পৌঁছালাম। তার শরীর কেঁপে উঠছিল। আমি তার ভিতরে ঢেলে দিলাম আমার ভালোবাসা।

পরের দিন সকালে সে আমার বুকে শুয়ে বলল, “তোমার চোখে আমি স্বপ্ন দেখি রাহাত। এই স্বপ্ন কখনো ভাঙবে না।”

দুই বছর পর তার বাবা রাজি হলেন। আমাদের বিয়ে হল। ছোট্ট অনুষ্ঠান। নুসরাত সেইদিন লাল বেনারসি পরে এসেছিল। তার চোখে সেই একই স্বপ্ন। বিয়ের রাতে আমরা আবার এক হয়ে গেলাম। এবার আরও ধীরে, আরও গভীরে। তার শরীর এখন আমার। তার আত্মা আমার।

 

....
👁 391