নিশির অমর প্রেম

রাত এগারোটা বেজে গেছে। ঢাকার শাহজাহানপুরের একটা ছোট ফ্ল্যাটে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আছে রিয়ান। তার হাতে এক কাপ কফি, চোখ দুটো রাস্তার দিকে। বৃষ্টি পড়ছে অঝোরে। আজ তার বয়স ২৮। চাকরি করে একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে। কিন্তু তার মনটা আজ অন্য কোথাও।

kxz

তিন মাস আগে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছিল সে তার বোনের বিয়েতে। সেখানেই প্রথম দেখা হয়েছিল নিশির সাথে। নিশি — তার বোনের সেরা বান্ধবী। লম্বা চুল, গাঢ় কালো চোখ, আর হাসলে গালে দুটো টোল। সেই হাসিটা আজও রিয়ানের মনে গেঁথে আছে।

“রিয়ান ভাইয়া, আপনি কি সত্যি চট্টগ্রাম যাবেন?” — নিশির সেই কথাটা কানে বাজছে। রিয়ান উত্তর দিয়েছিল, “হ্যাঁ, অফিসের কাজে যেতে হবে দুই সপ্তাহের জন্য।”

kx/춺'

সেই থেকে প্রতিদিন চ্যাট। প্রথমে শুধু হাই-হ্যালো, তারপর ধীরে ধীরে গভীর কথা। নিশি বলতো, “আমি চট্টগ্রামের সমুদ্র পছন্দ করি। রাতে যখন ঢেউয়ের শব্দ শুনি, মনে হয় সব সমস্যা ধুয়ে যায়।” রিয়ান উত্তর দিতো, “তাহলে একদিন আমরা একসাথে সমুদ্র দেখবো।”

আজ সেই দিন। কাল সকালে চট্টগ্রামের ট্রেন ধরবে রিয়ান।


পরদিন সকাল। চট্টগ্রাম স্টেশনে নেমে রিয়ান দেখলো নিশি দাঁড়িয়ে আছে। সাদা সালোয়ার কামিজ, চুল খোলা, হাতে একটা ছোট ফুলের তোড়া।

“আপনি এসেছেন!” — নিশির গলায় খুশি।

রিয়ান হেসে বললো, “তুমি না এলে আমি কী করতাম?”

দুজনে রিকশায় করে নিশিদের বাড়ির দিকে গেল। নিশির বাড়ি সমুদ্রের খুব কাছে। পথে তারা অনেক কথা বললো। নিশি বললো তার কলেজ লাইফের গল্প, রিয়ান বললো তার ঢাকার একাকিত্বের কথা।

বিকেলে দুজনে সমুদ্রের ধারে হাঁটতে গেল। সূর্য ডুবছে। লাল আকাশের নিচে নিশির মুখটা আরও সুন্দর লাগছিল। রিয়ানের হাতটা আস্তে আস্তে নিশির হাত ছুঁয়ে গেল। নিশি সরিয়ে নিল না।

“রিয়ান, আমি তোমাকে প্রথম দেখা থেকেই পছন্দ করি।” — নিশি ফিসফিস করে বললো।

রিয়ান তার দিকে তাকিয়ে বললো, “আমিও। তুমি ছাড়া এই তিন মাস আমার কাটছিল না।”

তারা দুজন কাছাকাছি এলো। সমুদ্রের ঢেউ তাদের পায়ে এসে ভাঙছে। রিয়ান নিশির কপালে একটা চুমু দিল। নিশির শরীরটা কেঁপে উঠলো। তারপর নিশি উঠে রিয়ানের ঠোঁটে চুমু খেলো। প্রথম চুমু। নরম, আবেগপূর্ণ। দুজনের শ্বাস এক হয়ে গেল।

সেই রাতে নিশির বাড়িতে কেউ ছিল না। তার বাবা-মা গ্রামে গিয়েছিলেন। রিয়ানকে নিশি তার রুমে নিয়ে গেল।

ঘরটা অন্ধকার। শুধু টেবিল ল্যাম্প জ্বলছে। নিশি লজ্জায় মাথা নিচু করে বললো, “আমি কখনো কাউকে এত কাছে আসতে দেইনি।”

রিয়ান তার চিবুক ধরে মুখ তুলে ধরলো। “আমিও না। তুমি আমার প্রথম সত্যিকারের ভালোবাসা।”

তারা আবার চুমু খেলো। এবার গভীর। রিয়ানের হাত নিশির পিঠে, তারপর কোমরে। নিশির শরীর গরম হয়ে উঠছে। সে রিয়ানের শার্টের বোতাম খুলতে শুরু করলো। রিয়ানের বুকের লোম দেখে তার গাল লাল হয়ে গেল।

রিয়ান নিশির সালোয়ারের দড়ি খুলে দিল। কামিজটা উপরে তুলে তার নরম স্তন দুটো বের করে আনলো। নিশির স্তন দুটো গোল, শক্ত, বাদামী বোঁটা। রিয়ান একটা বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলো। নিশি “আহহহ…” করে কেঁপে উঠলো। তার হাত রিয়ানের মাথায়।

“রিয়ান… আরও জোরে…”

রিয়ান দুই স্তনই সমানভাবে চুষতে লাগলো। তার হাত নিশির প্যান্টির ভিতরে চলে গেল। নিশির ভোদাটা ভিজে গেছে। আঙুল দিয়ে রিয়ান তার ক্লিটোরিস ঘষতে লাগলো। নিশি পাগলের মতো শ্বাস নিচ্ছে।

“আমি আর পারছি না… ভিতরে আসো…”

রিয়ান তার প্যান্ট খুলে তার শক্ত লিঙ্গ বের করলো। নিশি হাত দিয়ে ধরে নাড়াতে লাগলো। তারপর রিয়ান নিশিকে বিছানায় শুইয়ে তার পা দুটো ফাঁক করে লিঙ্গটা তার ভোদায় ঢুকিয়ে দিল।

“উফফফ… খুব বড়…” নিশি চিৎকার করে উঠলো।

রিয়ান ধীরে ধীরে ঠাপাতে শুরু করলো। প্রত্যেক ঠাপে নিশির শরীর কেঁপে উঠছে। তার স্তন দুটো লাফাচ্ছে। রিয়ান তার ঠোঁট চুষছে, আর নিচে জোরে জোরে ঢুকাচ্ছে।

“নিশি… আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি…”

“আমিও… আরও জোরে… ভরে দাও আমাকে…”

দুজনে ঘামে ভিজে গেল। রিয়ান নিশির উপর শুয়ে পুরো শক্তি দিয়ে ঠাপাতে লাগলো। নিশির ভোদা থেকে রস বেরোচ্ছে। অবশেষে দুজন একসাথে ক্লাইম্যাক্স করলো। রিয়ান তার বীর্য নিশির ভিতরে ঢেলে দিল।

দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইলো। নিশি রিয়ানের বুকে মাথা রেখে বললো, “এটা আমার জীবনের সেরা রাত।”


পরের কয়েকদিন তারা একসাথে অনেক সময় কাটালো। অফিসের কাজ শেষ করে রিয়ান নিশির কাছে চলে আসতো। তারা সমুদ্রে ঘুরতো, পাহাড়ে উঠতো, আর রাতে একে অপরের শরীরে হারিয়ে যেতো।

একদিন বৃষ্টির রাতে নিশি বললো, “রিয়ান, আমি তোমার সাথে ঢাকায় চলে যেতে চাই।”

রিয়ান তার চোখে চোখ রেখে বললো, “তুমি আমার বউ হয়ে যাবে?”

নিশি লজ্জায় মাথা নিচু করে হ্যাঁ বললো।

তারপরের দিনগুলোতে তারা বিয়ে করার পরিকল্পনা করতে লাগলো। কিন্তু সমস্যা দেখা দিল নিশির বাবা-মায়ের কাছে। তারা চান নিশি চট্টগ্রামেই বিয়ে করুক।

রিয়ান আর নিশি দুজনে মিলে অনেক কথা বললো। এক রাতে নিশির বাবার সামনে রিয়ান সব খুলে বললো। “আমি নিশিকে সত্যিকারের ভালোবাসি। তাকে কখনো কষ্ট দিব না।”

নিশির বাবা প্রথমে রাগ করলেন, কিন্তু পরে তাদের ভালোবাসা দেখে রাজি হয়ে গেলেন।

বিয়ে হলো চট্টগ্রামের একটা সুন্দর রিসোর্টে। সমুদ্রের ধারে। অনেক অতিথি। নিশি লাল বেনারসি পরে অপূর্ব লাগছিল। রিয়ান তার হাত ধরে বললো, “তুমি আমার জীবন।”

বিয়ের রাতে তারা আবার এক হয়ে গেল। এবার আরও বেশি আবেগে। রিয়ান নিশিকে সারা রাত ধরে চুমু খেলো, তার শরীরের প্রতিটা অংশ চেটে চুষে। নিশি তার লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলো। তারপর রিয়ান তাকে ডগি স্টাইলে নিয়ে জোরে ঠাপাতে লাগলো। নিশির চিৎকারে ঘর ভরে গেল। “আরও… ভাঙো আমাকে… তোমার বউকে…”

সকালে তারা জড়াজড়ি করে ঘুমালো।


বিয়ের পর তারা ঢাকায় চলে এলো। নতুন ফ্ল্যাট। নতুন জীবন। প্রতি সন্ধ্যায় রিয়ান অফিস থেকে ফিরলে নিশি তাকে জড়িয়ে ধরে। তারা রান্না করে, খায়, তারপর বিছানায়।

কখনো রান্নাঘরে, কখনো বাথরুমে, কখনো বারান্দায় — তাদের ভালোবাসার কোনো সীমা নেই।

একদিন নিশি বললো, “আমি মা হতে চাই।”

রিয়ান তার পেটে হাত রেখে বললো, “আমাদের ছোট্ট পরিবার হবে।”

তাদের ভালোবাসা দিন দিন আরও গভীর হতে লাগলো। সমুদ্রের মতো অসীম, আকাশের মতো বিশাল।

 

 

....
👁 409