ভালোবাসার আগুন

 c

ঢাকার ভিড়ে ভরা মিরপুরের একটা ছোট অ্যাপার্টমেন্ট। বৃষ্টির শব্দ যেন আকাশ ভেঙে পড়ছে। রাত প্রায় দুটো। আমি, রাহাত, বিছানায় শুয়ে ছটফট করছি। আমার বয়স ২৭। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বোনের বিয়ে হয়ে গেছে অনেক আগে। এখন শুধু আমি আর আমার দাদা আরিফ ভাইয়ের সংসার। আরিফ ভাইয়ের বয়স ৩৫, ব্যাংকে চাকরি। আর তার স্ত্রী—আমার বউদি, নাম সুমি।

kxz

সুমি। শুধু নামটা মনে পড়লেই বুকের ভিতরটা কেঁপে ওঠে। বয়স ২৯। ফর্সা, লম্বা চুল, চোখ দুটো যেন গভীর সমুদ্র। শরীরটা এমন যে, সাধারণ শাড়ি পরলেও পুরুষের মাথা ঘুরে যায়। কিন্তু সে আমার বউদি। আমার দাদার বউ। এই চিন্তাটা প্রতিদিন আমাকে শাস্তি দেয়।

আজ আরিফ ভাই চট্টগ্রামে অফিসের কাজে গেছে। দু-তিন দিন থাকবে না। সুমি একা বাসায়। আর আমি... আমি তার কাছে থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছি। কিন্তু ঝড়ের এই রাতে বিদ্যুতের ঝলকানিতে সবকিছু যেন উন্মাদ হয়ে উঠেছে।

kx/춺'

হঠাৎ দরজায় টোকা।

“রাহাত... ঘুমাওনি?” সুমির নরম গলা।

আমি দরজা খুললাম। সে পরে আছে একটা হালকা নাইটি। বুকের ওপরের অংশটা সামান্য ভেজা। বৃষ্টির ছাট এসেছে বারান্দা থেকে। তার চুল এলোমেলো, ঠোঁট কাঁপছে।

“বিদ্যুতের শব্দে ভয় লাগছে। একা ঘুমাতে পারছি না।” সে চোখ নামিয়ে বলল।

আমার হৃদপিট শব্দ বাড়তে লাগল। “আসো, বসো।”

সে আমার বিছানায় বসল। আমি তার পাশে। দূরত্ব রাখার চেষ্টা করছি, কিন্তু তার শরীর থেকে যে সুবাস আসছে—ফুলের মতো, মেয়েলি, মাদকতাময়—তা আমার সব নিয়ন্ত্রণ নষ্ট করে দিচ্ছে।

“ভাইয়া নেই, তাই ভয় লাগে। তুমি তো সবসময় ব্যস্ত থাকো।” সে আমার হাতটা ধরল। তার আঙুলগুলো ঠান্ডা, কিন্তু নরম।

আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। “সুমি... আমি তোমাকে অনেকদিন ধরে...”

সে আঙুল দিয়ে আমার ঠোঁট চেপে ধরল। “চুপ। আমি জানি। আমিও জানি।”

বিদ্যুৎ চমকাল। তার চোখে আমি দেখলাম আগুন। সে ঝুঁকে এলো। তার ঠোঁট আমার ঠোঁট ছুঁয়ে গেল। প্রথমে নরম, তারপর গভীর। তার জিভ আমার মুখের ভিতর ঢুকে পড়ল। আমি তার কোমর জড়িয়ে ধরলাম। তার নাইটির নিচে কিছু নেই। আমার হাত তার পিঠ বেয়ে নেমে গেল, নিতম্ব স্পর্শ করল। গোল, মোটা, নরম।

“রাহাত... আমাকে ভালোবাসো। আজ রাতটা আমাদের।” সে ফিসফিস করে বলল।

আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। নাইটিটা খুলে ফেললাম। তার শরীরটা পুরো উন্মুক্ত। বড় বড় স্তন, গোলাপি বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে আছে। কোমর সরু, নিতম্ব চওড়া। তার ভেতরের অংশটা চকচক করছে—ইতিমধ্যে ভিজে গেছে।

আমি তার স্তন মুখে নিলাম। চুষতে লাগলাম। সে কেঁপে উঠে আমার চুলে হাত দিল। “আহহ... জোরে... আরও জোরে...”

আমার হাত তার উরুর ভিতরে চলে গেল। দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম। সে চিৎকার করে উঠল। “রাহাত... তুমি আমাকে পাগল করে দিচ্ছো...”

আমি তার সারা শরীর চুমু খেতে খেতে নিচে নামলাম। তার কামানো, গোলাপি যোনিতে জিভ দিলাম। চাটতে লাগলাম। সে পাগলের মতো ছটফট করছে। তার রস আমার মুখে লেগে যাচ্ছে। মিষ্টি, গরম।

“আমি আর পারছি না... ভিতরে এসো... প্লিজ...” সে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল।

আমি আমার প্যান্ট খুললাম। আমার লিঙ্গটা শক্ত হয়ে লাফাচ্ছে। প্রায় সাড়ে ছয় ইঞ্চি, মোটা। সুমি দেখে চোখ বড় বড় করল। “এত বড়... ভাইয়ার তো এর অর্ধেকও না...”

আমি তার উরুর মাঝে বসলাম। ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিলাম। প্রথমে টাইট লাগল। সে দাঁত কামড়ে ফেলল। তারপর পুরোটা ঢুকে গেল। গরম, ভেজা, আঁটসাঁট। আমি ধাক্কা দিতে লাগলাম।

“আহহহ... মারো... জোরে মারো রাহাত... আমি তোমার... তোমারই...” সে চিৎকার করছে।

আমি তার স্তন চেপে ধরে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। বিছানা কাঁপছে। ঘামে দুজন ভিজে যাচ্ছি। তার যোনি আমার লিঙ্গ চেপে ধরছে। কিছুক্ষণ পর সে কেঁপে উঠে অর্গাজমে চলে গেল। তার শরীর শক্ত হয়ে গেল, চোখ উল্টে গেল।

আমি থামলাম না। তাকে উপুড় করে দিলাম। পেছন থেকে ঢুকিয়ে দিলাম। তার নিতম্ব দুটো আমার কোমরে লাগছে—ফট ফট শব্দ হচ্ছে। আমি তার চুল ধরে টেনে ধরলাম।

“তুমি আমার রানী... আমার সব...”

আরও অনেকক্ষণ ধরে আমরা বিভিন্ন পজিশনে ভালোবাসলাম। মিশনারি, ডগি, কাউগার্ল—সব। শেষে আমি তার মুখের ভিতর ঢেলে দিলাম। সে সবটা গিলে নিল।

এরপর আমরা জড়াজড়ি করে শুয়ে রইলাম। বৃষ্টি থামেনি।

সুমির সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল তার বিয়ের দিন। আরিফ ভাই তাকে নিয়ে এসেছিল। সেই থেকে আমি তার দিকে তাকাতে পারতাম না। কিন্তু সুমি ছিল অন্যরকম। সে আমার সাথে খুব স্বাভাবিকভাবে কথা বলত। রান্না করে খাওয়াত, আমার জামা ইস্ত্রি করে দিত। তার চোখে কখনো একটা আলাদা চাউনি দেখতাম।

একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখি সে কাঁদছে। আরিফ ভাইয়ের সাথে ঝগড়া হয়েছে। সে বলেছিল, “ভাইয়া আর আমাকে সময় দেয় না। তুমি তো থাকো, তবু মনে হয় একা।”

সেদিন থেকে আমাদের মধ্যে একটা অদৃশ্য টান তৈরি হয়। ছোট ছোট স্পর্শ, রাতে একসাথে টিভি দেখা, তার হাসি—সবকিছু আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল।

ঝড়ের রাতের পরের দিন:

সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি সুমি রান্নাঘরে। পরনে লাল শাড়ি, চুল খোলা। আমি পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম। তার কানে কামড় দিলাম।

“আহ... রাহাত... দিনের বেলা...”

কিন্তু আমি থামিনি। তাকে রান্নাঘরের টেবিলে বসিয়ে তার শাড়ি তুলে দিলাম। কোনো প্যান্টি নেই। আমি সোজা ঢুকে পড়লাম। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। সে টেবিল চেপে ধরে কাঁপছে। “আমাকে তোমার করে নাও... প্রতিদিন...”

এভাবে তিনদিন কেটে গেল। আমরা বাসার প্রতিটা কোণে ভালোবাসলাম—বাথরুমে, বারান্দায়, সোফায়। সুমি বলত, “আমি আরিফ ভাইয়ের কাছে ফিরে যাব না। তোমার সাথে চলে যাব।”

একদিন রাতে সে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি রাহাত। এটা শুধু শরীর না। তোমার সাথে থাকলে আমি পুরো মানুষ হয়ে যাই।”

আমি তার চোখের জল মুছে দিয়ে বললাম, “আমিও তোমাকে ছাড়া বাঁচব না।”

তারপর আমরা আবার মিলিত হলাম। এবার খুব ধীরে, রোমান্টিকভাবে। আমি তার প্রতিটা অঙ্গ চুমু খেলাম। তার পায়ের আঙুল থেকে শুরু করে কপাল পর্যন্ত। সে আমার লিঙ্গটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগল—গভীর গলায় নিয়ে, জিভ দিয়ে চাটতে চাটতে। আমি তার মাথা ধরে ধীরে ধীরে ঠাপ দিচ্ছি।

শেষে সে উপরে উঠে বসল। তার স্তন দুলছে। সে নিজে নিজে উঠানামা করছে। “দেখো... তোমার জিনিসটা আমার ভিতরে কেমন ফিট হয়ে গেছে...”

আমাদের দুজনেরই একসাথে ক্লাইম্যাক্স হল। তার ভিতরে ঢেলে দিলাম। গরম বীর্য তার যোনি ভরে দিল

তিনদিন পর আরিফ ভাই ফিরে এল। কিন্তু আমাদের মধ্যে যে আগুন জ্বলছে, তা আর নেভানো যায় না। সুমি রাতে চুপিচুপি আমার ঘরে আসে। আমরা চুপিসারে ভালোবাসি। একদিন আরিফ ভাইয়ের সামনেও সুমি আমার পায়ে পা ঘষে দেয়। ঝুঁকি নিয়ে।

শেষমেশ আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম—আমরা একসাথে চলে যাব। ঢাকা ছেড়ে চট্টগ্রামে নতুন জীবন শুরু করব।

এক ঝড়ের রাতে আবার আমরা জড়িয়ে পড়লাম। এবার আরও তীব্র, আরও বেশি আবেগে। সুমি বলল, “আমি তোমার বাচ্চা নিতে চাই রাহাত। তোমার সন্তান।”

আমি তার ভিতরে ঢেলে দিলাম। আমাদের ভালোবাসা এখন আর শুধু শরীর না—এটা জীবনের অংশ হয়ে গেছে।

....
👁 783