ট্রেনের কামরায় প্রথম দেখা হয়েছিল তাদের। রিয়া আর সায়েম। রিয়া ছিল চট্টগ্রামের একটা কলেজের শিক্ষিকা, সায়েম ঢাকায় একটা আইটি কোম্পানির ম্যানেজার। বিয়ের পর এটাই তাদের প্রথম একসাথে লম্বা ভ্রমণ। রিয়ার বাবার বাড়ি চট্টগ্রামের একটা ছোট গ্রামে। সেখানে যাচ্ছিল তারা হানিমুনের মতো করে।
রিয়া জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিল। তার লম্বা কালো চুল বাতাসে উড়ছিল। সায়েম পাশে বসে তার হাতটা চেপে ধরল। “ভয় লাগছে নাকি?” সায়েম জিজ্ঞেস করল নরম গলায়।
রিয়া লজ্জায় মাথা নিচু করল। “না... শুধু... এতদিন পর একসাথে এভাবে...” তার গলা কেঁপে গেল। বিয়ের আগে তারা খুব কম সময় একা কাটিয়েছিল। শুধু কয়েকটা ফোন আর ভিডিও কলে। আজ রাতটা তাদের।
ট্রেন যখন চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাল, তখন রাত হয়ে গেছে। সায়েমের গাড়ি অপেক্ষা করছিল। গ্রামের রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে চাঁদ উঠেছিল আকাশে। রিয়া সায়েমের কাঁধে মাথা রেখে চুপ করে বসে ছিল। তার শরীরে একটা অদ্ভুত উত্তেজনা।
গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিল। রিয়ার মা-বাবা তাদের জন্য আলাদা ঘর সাজিয়ে রেখেছিলেন। ঘরটা ছোট কিন্তু সুন্দর। জানালা দিয়ে চাঁদের আলো এসে পড়ছিল বিছানায়। রিয়া লজ্জায় বাথরুমে ঢুকে সালোয়ার কামিজ খুলে একটা হালকা নাইটি পরে এল। সাদা নাইটি, যেটা তার বুকের উপরের অংশটা সামান্য দেখাচ্ছিল।
সায়েম বিছানায় বসে অপেক্ষা করছিল। তার চোখে ক্ষুধা। রিয়া এসে তার পাশে বসতেই সে তার হাতটা ধরে কাছে টেনে নিল। “তুমি খুব সুন্দর লাগছে আজ,” ফিসফিস করে বলল সে।
রিয়ার গাল লাল হয়ে গেল। “থামো... লজ্জা লাগছে।”
সায়েম হাসল। তার ঠোঁট রিয়ার কপালে ছুঁয়ে গেল, তারপর চোখ, তারপর গাল। ধীরে ধীরে তার ঠোঁট নেমে এল রিয়ার ঠোঁটে। প্রথম চুমু ছিল নরম, অন্বেষণকারী। রিয়া চোখ বন্ধ করে সাড়া দিল। তার হাত সায়েমের বুকে রাখা। সায়েমের জিভ রিয়ার ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে ঢুকে গেল। রিয়া কেঁপে উঠল। তার শরীরে একটা তরঙ্গ বয়ে গেল।
চুমু গভীর হতে লাগল। সায়েমের হাত রিয়ার পিঠ বেয়ে নেমে তার কোমর জড়িয়ে ধরল। রিয়া তার বুকে চেপে বসল। তার নাইটির নিচে কোনো ব্রা ছিল না। সায়েমের বুকের সাথে তার নরম স্তন ঘষা খাচ্ছিল। সায়েমের শ্বাস ভারী হয়ে গেল।
“রিয়া... আমি তোমাকে অনেকদিন ধরে চাইছি,” সায়েম বলল গলা ভেঙে।
রিয়া তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “আমিও...”
সায়েম রিয়াকে বিছানায় শুইয়ে দিল। চাঁদের আলোয় তার শরীরটা জ্বলজ্বল করছিল। সে রিয়ার নাইটির স্ট্র্যাপটা ধীরে ধীরে নামিয়ে দিল। রিয়ার গোলাকার স্তন দুটো বেরিয়ে পড়ল। গোলাপি বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে উঠেছিল। সায়েম একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। রিয়া আঃ করে উঠল। তার হাত সায়েমের মাথায় চেপে ধরল।
“আহ্... সায়েম... ধীরে...”
সায়েম অন্য স্তনটাও একইভাবে আদর করল। তার হাত রিয়ার উরুর ভিতরে ঢুকে গেল। রিয়ার প্যান্টি ভিজে গিয়েছিল। সে আঙুল দিয়ে সেই ভেজা জায়গাটা ছুঁয়ে দেখল। রিয়া শরীর মুচড়ে উঠল।
“তুমি এত ভিজে গেছ...” সায়েম ফিসফিস করল।
রিয়া লজ্জায় মুখ ঢেকে ফেলল। সায়েম তার হাত সরিয়ে চুমু খেল। তারপর ধীরে ধীরে নিচে নেমে গেল। রিয়ার নাইটি পুরোপুরি তুলে দিয়ে তার প্যান্টি খুলে ফেলল। রিয়ার কামানো, গোলাপি যোনিটা চাঁদের আলোয় চকচক করছিল। সায়েম মুখ নামিয়ে চুমু খেল সেখানে।
রিয়া চিৎকার করে উঠল, “আআআহ্! না... ওখানে না...”
কিন্তু সায়েম থামল না। তার জিভ রিয়ার ক্লিটোরিস চাটতে লাগল। রিয়ার পা দুটো কাঁপছিল। সে সায়েমের মাথা চেপে ধরে শরীর তোলপাড় করছিল। কয়েক মিনিটের মধ্যে রিয়া প্রথম অর্গাজমে পৌঁছে গেল। তার শরীর শক্ত হয়ে গেল, তারপর ঢিলে হয়ে গেল।
সায়েম উঠে তার জামা খুলে ফেলল। তার শক্ত লিঙ্গটা বেরিয়ে পড়ল। রিয়া লজ্জায় চোখ সরিয়ে নিল, কিন্তু কৌতূহলেও তাকিয়ে রইল। সায়েম তার উপর উঠে এল। “চাইলে থামিয়ে দিতে পারো,” বলল সে।
রিয়া মাথা নাড়ল। “না... আমি চাই।”
সায়েম ধীরে ধীরে তার লিঙ্গটা রিয়ার যোনিতে ঢোকাল। রিয়া কষ্টে-আনন্দে কাঁদিয়ে উঠল। “আহ্... ব্যথা করছে...”
“ধীরে... রিল্যাক্স করো,” সায়েম বলে তার ঠোঁট চুমু খেল। ধীরে ধীরে পুরোটা ঢুকে গেল। তারপর সে নড়াচড়া শুরু করল। প্রথমে ধীরে, তারপর জোরে।
রিয়ার নখ সায়েমের পিঠে বসে যাচ্ছিল। “আরও জোরে... সায়েম... প্লিজ...”
তারা দুজন একসাথে ছন্দে নড়ছিল। ঘর ভরে গেল তাদের হাঁপানি আর আঃ উঃ শব্দে। চাঁদের আলোয় তাদের ঘামে ভেজা শরীর চকচক করছিল। সায়েম রিয়ার স্তন চেপে ধরে জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগল।
“আমি আসছি... রিয়া...” সায়েম বলল।
“আমিও... একসাথে...” রিয়া কাঁপতে কাঁপতে বলল।
দুজন একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছাল। সায়েম রিয়ার ভিতরে তার বীর্য ঢেলে দিল। রিয়া শরীর কুঁকড়ে তার কোমর জড়িয়ে ধরল।
তারা অনেকক্ষণ জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। সায়েম রিয়ার চুলে হাত বুলাচ্ছিল। “আমি তোমাকে ভালোবাসি,” বলল সে।
রিয়া তার বুকে মুখ গুঁজে বলল, “আমিও... চিরকাল।”
সকালে উঠে রিয়া লজ্জায় মুখ লুকিয়ে ছিল। সায়েম তাকে জড়িয়ে ধরে হাসছিল। “লজ্জা কীসের? তুমি তো আমার বউ।”
দিনটা কাটল গ্রামের বাড়িতে। রিয়ার মা-বাবা খুব খুশি। সন্ধ্যায় তারা দুজন নদীর ধারে হাঁটতে গেল। চাঁদ উঠেছিল আবার। নদীর পাড়ে একটা নির্জন জায়গায় বসে সায়েম রিয়াকে কোলে টেনে নিল।
“এখানে? কেউ দেখে ফেলবে না তো?” রিয়া ভয়ে ভয়ে বলল।
“কে দেখবে এই অন্ধকারে?” সায়েম তার ঠোঁট কামড়ে দিল।
রিয়ার শাড়ির আঁচল সরিয়ে সে তার বুকে হাত দিল। রিয়া এবার আর লজ্জা করল না। সে নিজেই সায়েমের প্যান্টের চেন খুলে তার শক্ত লিঙ্গ বের করে হাতে নিল। ধীরে ধীরে উপর-নিচ করতে লাগল। সায়েম আঃ করে উঠল।
সে রিয়াকে শাড়ি তুলে প্যান্টি সরিয়ে তার উপর বসিয়ে দিল। রিয়া এবার নিজেই নড়াচড়া করছিল। তার স্তন দুটো সায়েমের মুখের সামনে লাফাচ্ছিল। সায়েম চুষছিল আর থাপড়াচ্ছিল তার নিতম্ব। নদীর স্রোতের শব্দের সাথে তাদের শরীরের শব্দ মিশে যাচ্ছিল।
এভাবে কয়েকদিন কাটল। একদিন বিকেলে বাড়িতে কেউ ছিল না। রিয়া রান্নাঘরে ছিল। সায়েম পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত রিয়ার শাড়ির ভিতর ঢুকে গেল। রিয়া প্রতিবাদ করার চেষ্টা করল কিন্তু সায়েমের আঙুল তার যোনিতে ঢুকে যেতেই সে নরম হয়ে গেল।
সায়েম তাকে রান্নাঘরের টেবিলে শুইয়ে দিয়ে শাড়ি তুলে পেছন থেকে ঢুকে গেল। জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগল। রিয়া টেবিল চেপে ধরে কাঁদছিল আনন্দে। “আরও জোরে... মেরে ফেলো আমাকে...”
সায়েম তার চুল ধরে টেনে তার ঠোঁট কামড়াতে লাগল। তাদের এই গোপন খেলা চলতে লাগল দিনের পর দিন।
এক রাতে বৃষ্টি পড়ছিল। ঘর অন্ধকার। সায়েম রিয়াকে পুরো নগ্ন করে তার সারা শরীর চুমু খেয়ে যাচ্ছিল। পা থেকে মাথা পর্যন্ত। রিয়া তার পা ফাঁক করে সায়েমকে ডাকছিল। সায়েম এবার তার মুখে বসিয়ে দিল। রিয়া তার লিঙ্গ চুষতে লাগল। ৬৯ পজিশনে তারা একে অপরকে আনন্দ দিচ্ছিল।
রিয়া প্রথমবারের মতো সায়েমের বীর্য গিলে ফেলল। সায়েমও তার যোনি চেটে চেটে আরেকবার অর্গাজম দিল তাকে।
তাদের এই রোমান্টিক যাত্রা চলতে লাগল। গ্রামের নির্জন মাঠে, নদীর ধারে, বাড়ির ছাদে — সব জায়গায় তারা একে অপরকে আবিষ্কার করছিল। রিয়া ধীরে ধীরে তার লজ্জা ভুলে সাহসী হয়ে উঠছিল। সে নিজে থেকে সায়েমকে বিভিন্ন পজিশনে চাইছিল।
একদিন সকালে তারা দুজন একসাথে গোসল করছিল বাথরুমে। পানির নিচে দাঁড়িয়ে সায়েম রিয়াকে দেওয়ালে চেপে ধরে আবার ঢুকে গেল। ভেজা শরীরের শব্দ, পানির ছপছপ আওয়াজ — সব মিলে এক অপূর্ব মুহূর্ত।
মাসখানেক পর যখন তারা ঢাকায় ফিরে এল, তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়ে গিয়েছিল। রিয়া প্রেগন্যান্ট হয়েছিল। কিন্তু তাদের রোমান্টিক রাতগুলো থামেনি। প্রতি রাতে চাঁদনী আলোয় বা অন্ধকারে তারা একে অপরকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিত।
....