দুই বোন এক জামাই

। আমার নাম রাহাত। বয়স ২৮। আমি ঢাকায় একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করি। আর আমার শালী, তার নাম সুমি। বয়স মাত্র ২২। সদ্য কলেজ পাস করেছে। লম্বা, ফর্সা, টানা চোখ, পুরু ঠোঁট আর শরীরটা যেন আগুনের মতো। তার বোন, অর্থাৎ আমার বউ নাম রুমি, সে চট্টগ্রামে তার মায়ের কাছে গিয়েছে দুই সপ্তাহের জন্য।

kxz

সবকিছু শুরু হয়েছিল এক বছর আগে, যখন সুমি আমাদের বাসায় থাকতে এসেছিল পড়াশোনার জন্য। প্রথম দিকে সবাই সাধারণ সম্পর্ক ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে তার চাহনি, তার হাসি, তার শরীরের ছোঁয়া—সবকিছু আমাকে টানছিল। রুমি অনেক ব্যস্ত থাকত অফিসে, আর সুমি বাসায় একা। আমরা দুজন অনেক সময় একসাথে কাটাতাম। রাতে সিনেমা দেখা, গল্প করা, আর কখনো কখনো তার পড়াশোনায় সাহায্য করা। একদিন রাতে যখন বিদ্যুৎ চলে গিয়েছিল, তখন মোমবাতির আলোয় তার মুখটা দেখে আমার মনে হয়েছিল, এই মেয়েটা আমার জন্যই তৈরি হয়েছে।

সেই রাতের পর থেকে আমাদের মধ্যে একটা অদৃশ্য টান তৈরি হয়। সে আমাকে “জামাই” বলে ডাকত, কিন্তু তার চোখে অন্য কিছু ছিল। আমি চেষ্টা করতাম নিজেকে সামলাতে, কিন্তু শরীর আর মন দুটোই বিদ্রোহ করছিল। তারপর এলো আজকের এই দিন। রুমি চলে যাওয়ার পর সুমি আমাকে বলেছিল, “জামাই, আজ রাতে ছাদের ঘরে বসে গল্প করবো। বৃষ্টি পড়ছে, খুব ভালো লাগবে।”

kx/춺'

আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম। ছাদের ঘরে গিয়ে দেখি সে একটা পাতলা নাইটি পরে বসে আছে। তার ভেতরের কালো ব্রা আর প্যান্টি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। আমি দরজা বন্ধ করে দিলাম। প্রথমে সাধারণ কথা, তারপর ধীরে ধীরে কথা ঘুরে গেল আমাদের সম্পর্কে। সে হঠাৎ বলল, “জামাই, তুমি জানো না, আমি তোমাকে কতদিন ধরে চাই। দিদির সাথে তোমাকে দেখে আমার খুব হিংসা হয়।”

আমার হৃদয় দ্রুত চলছিল। আমি তার হাত ধরলাম। সে আমার কাছে সরে এলো। তার শরীরের গন্ধ আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। আমি তার ঠোঁটে চুমু খেলাম। প্রথমে হালকা, তারপর গভীর। তার জিভ আমার জিভের সাথে জড়িয়ে গেল। আমার হাত তার পিঠ বেয়ে নেমে তার নিতম্ব চেপে ধরল। সে ফোঁস করে উঠল।

“জামাই... আরও জোরে...”

আমি তার নাইটিটা খুলে ফেললাম। তার সুন্দর, গোলাকার স্তন দুটো বেরিয়ে পড়ল। গোলাপি বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে আছে। আমি একটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। সে আমার চুল ধরে চেপে ধরল। তার হাত নেমে গেল আমার প্যান্টের ভেতর। আমার লিঙ্গটা শক্ত হয়ে তার হাতে ধরা দিল। সে ধীরে ধীরে উপর-নিচ করতে লাগল।

আমরা দুজনেই আর নিজেদের সামলাতে পারছিলাম না। সে আমার কোলে উঠে বসল। তার ভেজা যোনি আমার লিঙ্গের মাথায় ঘষা খাচ্ছিল। আমি তার প্যান্টিটা সরিয়ে দিলাম। তারপর ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিলাম। “আআআহ... জামাই... অনেক বড়...” সে কাঁপতে কাঁপতে বলল।

আমি তার কোমর ধরে উপর-নিচ করতে লাগলাম। ঘরের ভেতর শুধু তার মোছনি আর আমার গোঙানি। বৃষ্টির শব্দ বাড়ছিল। আমরা দুজনেই চরমে পৌঁছে গেলাম একসাথে। তার শরীর আমার শরীরের সাথে মিশে গেল।

কিন্তু এটা শুরু মাত্র। এরপর আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হতে লাগল। প্রতিদিন রাতে আমরা নতুন নতুন জায়গায়, নতুন নতুন ভঙ্গিতে একে অপরকে উপভোগ করতাম। কখনো বাথরুমে, কখনো রান্নাঘরে, কখনো ছাদে। সুমি খুবই উদ্যমী ছিল। সে বলত, “জামাই, দিদি ফিরে আসার আগে আমাদের যতটা পারা যায় সময় নিয়ে নিতে হবে।”

একদিন সকালে যখন আমি অফিস যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছি, সুমি পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। তার স্তন আমার পিঠে চেপে আছে। “জামাই, আজ অফিস যেও না। আমার সাথে থাকো।” আমি ঘুরে তার ঠোঁট কামড়ে ধরলাম। আমরা সোজা বিছানায় চলে গেলাম। সে আমার ওপর উঠে বসল। তার লম্বা চুল আমার মুখের ওপর পড়ছে। সে উপর-নিচ করতে লাগল দ্রুত গতিতে। তার যোনির ভেতরটা গরম আর টাইট। আমি তার স্তন দুটো চেপে ধরে নিচ থেকে ধাক্কা দিচ্ছিলাম।

“আহ... জামাই... আমি তোমার... শুধু তোমার...” সে চিৎকার করে উঠল। আমরা আবার চরমে পৌঁছালাম।

দিনগুলো এভাবেই কাটছিল। কিন্তু একদিন একটা ঘটনা ঘটল যা আমাদের সম্পর্ককে আরও জটিল করে দিল। রুমির ছোট ভাই, অর্থাৎ সুমির ছোট ভাই রিয়ান, হঠাৎ করে বাসায় এসে হাজির। সে কলেজে পড়ে, কিন্তু সপ্তাহান্তে বাসায় আসে। রিয়ান খুব চালাক ছেলে। সে হয়তো কিছু সন্দেহ করেছিল।

এক রাতে যখন সুমি আমার ঘরে এসেছিল, রিয়ান হঠাৎ দরজায় নক করল। আমরা দুজনেই ভয় পেয়ে গেলাম। সুমি দ্রুত লুকিয়ে পড়ল। আমি দরজা খুললাম। রিয়ান বলল, “জামাই ভাইয়া, সুমি আপু কোথায়? তার ফোন বন্ধ।” আমি কোনোমতে সামলে নিয়ে বললাম সে হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছে। কিন্তু রিয়ানের চোখে সন্দেহ ছিল।

পরের দিন সুমি আমাকে বলল, “জামাই, রিয়ান কিছু জেনে গেছে মনে হয়। কিন্তু আমি তাকে সামলাবো। তুমি চিন্তা করো না।”

সেই রাতে সুমি রিয়ানের সাথে অনেকক্ষণ কথা বলল। আমি বুঝতে পারছিলাম না কী হচ্ছে। পরে সুমি এসে আমাকে বলল, “জামাই, রিয়ানও আমাকে চায়। সে আমাদের সম্পর্ক জেনে গেছে। কিন্তু সে বলেছে, সে চুপ থাকবে যদি আমি তাকে একবার...”

আমি অবাক হয়ে গেলাম। কিন্তু সুমির চোখে একটা দুষ্টুমি ছিল। সে বলল, “জামাই, তুমি যদি রাজি থাকো, তাহলে আমরা তিনজন মিলে...”

এই প্রস্তাবটা শুনে আমার শরীরে আবার আগুন জ্বলে উঠল। ট্যাবু, ঝুঁকি, সবকিছু মিলিয়ে একটা অদ্ভুত উত্তেজনা। আমি রাজি হয়ে গেলাম।

সেই রাতে আমরা তিনজন ছাদের ঘরে জড়ো হলাম। রিয়ান প্রথমে লজ্জা পাচ্ছিল, কিন্তু সুমি তার ভাইয়ের ঠোঁটে চুমু খেয়ে তাকে সাহস দিল। আমি দেখছিলাম সুমি তার ভাইয়ের প্যান্ট খুলে তার লিঙ্গ মুখে নিচ্ছে। তারপর আমি পেছন থেকে সুমিকে নিলাম। এটা ছিল একটা পাগল করা অভিজ্ঞতা। তিনজনের শরীর একসাথে মিশে যাচ্ছিল। সুমির মোছনি, রিয়ানের গোঙানি, আমার ধাক্কা—সব মিলে ঘর ভরে গিয়েছিল।

এরপর থেকে আমাদের সম্পর্ক আরও উন্মুক্ত হয়ে গেল। কখনো আমি আর সুমি, কখনো সুমি আর রিয়ান, কখনো তিনজন মিলে। রুমি ফিরে আসার আগে আমরা অনেক স্মৃতি তৈরি করলাম।

রুমি ফিরে আসার পরও আমাদের লুকোচুরি চলতে লাগল। সুমি খুব স্মার্ট ছিল। সে দিদিকে কিছু বুঝতে দিত না। কিন্তু একদিন রুমি সন্দেহ করল। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করল, “তোমার আর সুমির মধ্যে কী চলছে?”

আমি অস্বীকার করলাম। কিন্তু রাতে সুমি এসে বলল, “জামাই, দিদিকেও জড়িয়ে নেওয়া যায় কিনা দেখি।”

এক রাতে সুমি তার দিদিকে মদ খাইয়ে নেশাগ্রস্ত করে ফেলল। তারপর আমি রুমির সাথে শুরু করলাম। সুমি পাশে বসে দেখছিল আর নিজের শরীর স্পর্শ করছিল। রুমি প্রথমে অবাক হলেও পরে উপভোগ করতে লাগল। এভাবে আমাদের পরিবারের সম্পর্কটা একটা নতুন মাত্রায় পৌঁছাল।

কিন্তু এই সুখ দীর্ঘস্থায়ী হলো না। একদিন সুমির বিয়ে ঠিক হয়ে গেল। তার বাবা-মা একটা ভালো ছেলের সাথে ঠিক করে ফেললেন। সুমি খুব কাঁদল। আমি তাকে সান্ত্বনা দিলাম। তার বিয়ের আগের রাতে আমরা শেষবারের মতো পুরো রাত একসাথে কাটালাম। সুমি বলল, “জামাই, তুমি আমার প্রথম এবং শেষ প্রেম। আমি তোমাকে কখনো ভুলব না।”

বিয়ের পর সুমি চলে গেল তার স্বামীর বাড়িতে। কিন্তু আমাদের যোগাযোগ বন্ধ হয়নি। ফোনে, ভিডিও কলে আমরা এখনও একে অপরকে উত্তেজিত করি। আর রুমির সাথে আমাদের সম্পর্কও আরও গভীর হয়েছে।

এই গল্পটা শুধু শারীরিক নয়, এটা ভালোবাসারও। আমরা যতই ট্যাবু ভেঙেছি, ততই একে অপরের কাছে কাছে এসেছি। জীবন অনেক জটিল, কিন্তু ভালোবাসা আর আকাঙ্ক্ষা যখন মিলে যায়, তখন কোনো বাধাই আর বাধা থাকে না।

....
👁 1630